Connect with us

বিনোদন

‘পুনর্জন্ম’ প্রযোজক রূহানের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

Avatar of author

Published

on

মরদেহ

রাজধানীর মোহাম্মদপুরের একটি বাসা থেকে তরুণ প্রযোজক মাসুদুল মাহমুদ রূহানের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

বুধবার (৮ মে) আনুমানিক রাত ১১টার তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন তরুণ নির্মাতা শ্যামল শিশির।

স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্ম চরকির জনপ্রিয় ‘রেডরাম’ চলচ্চিত্রের প্রযোজনা করেছেন রূহান। এ ছাড়া ‘পুনর্জন্ম’, ‘চম্পা হাউজ’, ‘শুক্লপক্ষ’, ‘দ্য সাইলেন্স’, ‘আরারাত’র মতো জনপ্রিয় নাটক-সিরিজের নির্বাহী প্রযোজক তিনি। বলতে গেলে, নির্মাতা ভিকি জাহেদের অধিকাংশ কাজের প্রযোজনা করেছেন রূহান। তার মৃত্যুতে বাকরুদ্ধ সহকর্মীরা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শোক প্রকাশ করছেন তারা।

মরদেহ উদ্ধারকারী হাজারীবাগ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) শাওন কুমার বিশ্বাস গণমাধ্যমে জানান, ২০২০ সালে বিয়ে করেন তিনি। গেলো এক মাস আগে স্ত্রীর সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদ হয় রূহানের। এরপর থেকেই হতাশায় ভুগছিলেন রূহান। তবে এর আগে থেকেই গেলো দু’মাস যাবত পূর্ব রায়েরবাজারের ওই মেসে থাকতে শুরু করেন তিনি।

চলচ্চিত্রের বিভিন্ন শুটিংয়ের কারণে দেশের বিভিন্ন জায়গায় তার আসা-যাওয়া ছিল। যখন ঢাকায় ফিরতেন তখন ওই মেসে গিয়ে থাকতেন। তার রুমমেট বুধবার রাত ১১টার দিকে মেসে ফিরে দেখেন ফ্যানের সঙ্গে বিছানার চাদর পেঁচিয়ে গলায় ফাঁস লাগিয়ে ঝুলছেন রূহান। সঙ্গে সঙ্গে তিনি আশপাশের লোকজনকে ডেকে আনেন। খবর পেয়ে রাতেই মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

Advertisement

প্রসঙ্গত, মাসুদুল মাহমুদ রূহানের বাড়ি রংপুরে। পড়াশোনা করেছেন সেখানকার পুলিশ লাইন্স স্কুল অ্যান্ড কলেজে। প্রযোজনার পাশাপাশি পরিচালনাতেও যুক্ত ছিলেন তিনি।

কেএস/

Advertisement

বলিউড

১৩ বছর পর অভিনেত্রীর সৎ বাবাকে মৃত্যুদণ্ডের নির্দেশ আদালতের

Published

on

১২ বছর আগে খুন হওয়া বলিউড অভিনেত্রী লায়লা খানের কথা মনে আছে? পরিবারের পাঁচ সদস্যসহ হত্যা করা হয়েছিল অভিনেত্রীকে। খুনের অভিযোগ ওঠে লায়লার সৎবাবা পারভেজ তাকের বিরুদ্ধে। অবশেষে হত্যাকাণ্ডের রায় দিয়েছেন মুম্বাইয়ের একটি আদালত।

হত্যাকাণ্ডে দোষী সাব্যস্ত হওয়া লায়লার সৎবাবা পারভেজ তাককে মৃত্যুদণ্ডের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। শুক্রবার (২৪ মে) মুম্বাইয়ের সেশন কোর্ট অভিনেত্রীর সৎবাবাকে মৃত্যুদণ্ডের এই রায় ঘোষণা করেন আদালত। হত্যা ও প্রমাণ নষ্ট করার অভিযোগে পারভেজ ইকবাল তাককে দোষী সাব্যস্ত করেন অতিরিক্ত দায়রা জজ সচিন পাওয়ার। তিনি ছিলেন লায়লার মা সেলিনার তৃতীয় স্বামী।

প্রয়াত অভিনেত্রীর আইনজীবী পঙ্কজ চ্যাবন আদালতের কাছে মৃত্যুদণ্ড চেয়েছিলেন। রায়ে তাঁকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। মৃত্যুর প্রায় ১৩ বছর পর ন্যায়বিচার পেয়েছেন অভিনেত্রী।

২০১১ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি নিখোঁজ হন অভিনেত্রী লায়লা খান ও তাঁর পরিবারের পাঁচ সদস্য! প্রায় এক বছর পর, ২০১২ সালের জুলাই মাসে ইগতপুরীতে অভিনেত্রীর ফার্ম হাউসের একটি গর্ত থেকে উদ্ধার হয় পচাগলা মৃতদেহ।

নিখোঁজ হওয়ার আগে লায়লা ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের শেষবার দেখা গিয়েছিল অভিনেত্রীর মা সেলিনার তৃতীয় স্বামী তাকের সঙ্গে। পুলিশের তখন সন্দেহ হয় তাককে। ওশিওয়ারায় একটি ফ্ল্যাট ও দোকান, মীরা রোডের আরেকটি ফ্ল্যাট এবং ইগতপুরীর ফার্মহাউসসহ গয়না হাতিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যেই তাক খুন করে লায়লাকে।

Advertisement

সেলিনার দ্বিতীয় স্বামী আসিফ শেখের অভিযোগ, তাক লায়লা ও তার বোনদের পতিতাবৃত্তিতে ঠেলে দিতে চেয়েছিল। তদন্ত চলাকালীন জম্মু ও কাশ্মীরের বন ঠিকাদার তাক পুলিশি তদন্তে শিকার করেছিলেন, নিরাপত্তাহীনতার কারণে সৎমেয়ে লায়লা, স্ত্রী সেলিনা বড়সহ সেলিনার অপর তিন সন্তান আজমিনা, যমজ ভাইবোন জারা ও ইমরানকে খুন করেন তিনি। ওই সময় পরিবারের সঙ্গে থাকায় প্রাণ যায় লায়লার খুড়তুতো বোন রেশমারও।

২০০২ সালে কন্নড় ভাষার ‘মেকআপ’ সিনেমার মাধ্যমে রুপালি পর্দায় পা রাখেন লায়লা। ২০০৮ সালে ‘ওয়াফা : আ ডেডলি লাভ স্টোরি’ সিনেমায় অভিনয় করেন তিনি। সিনেমায় তার বিপরীতে অভিনয় করেন বলিউড মেগাস্টার রাজেশ খান্না।

এসআই/

পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

ঢালিউড

‘আমরা দুজনই বেহায়া’ জয়কে জায়েদ খানের কড়া জবাব

Published

on

সিনেমা নয় বরং নানা রকম উদ্ভট মন্তব্য ও কর্মকাণ্ডের জন্য সবসময় আলোচনায় থাকেন চিত্রনায়ক জায়েদ খান। কখনো ডিগবাজি কখনো দেশের বাইরের শো। যেমন এখন তিনি আছেন লন্ডনে। সেখানে বেশ কয়েকটি অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন আলোচিত এই অভিনেতা।

অন্যদিকে, অভিনেতা থেকে উপস্থাপক বনে যাওয়া শাহরিয়ার নাজিম জয় প্রায়ই তার অনুষ্ঠানে অতিথিদের বির্তকিত প্রশ্ন করার জন্য সমালোচিত হোন। এছাড়া কদিন আগে চিত্রনায়িকা মিষ্টি জান্নাতও অভিযোগের তীর ছোড়েন জয়ের

এবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নতুন করে আলোচনায় এলেন জয় এবং জায়েদ খান। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিও ক্লিপে দেখা যায়, শাহরিয়ার নাজিম জয়ের উপস্থাপনায় একটি অনুষ্ঠানে গিয়েছিলেন জায়েদ খান। সেখানে জায়েদ খান কে জয় প্রশ্ন করেন, ‘অনেকে বলে, জায়েদ খানকে ধইরা যদি ধুমসে পিঠাইতে পারতাম।তাহলে মনে খুব শান্তি পেতাম।’

উত্তরে জায়েদ বলেন, ‘এটা আপনার ব্যাপারেও শুনছি বিদেশে গেলে। আমি বলেছি, পিঠাইতে পারবো না।’

এ সময় খানিক বিব্রত হোন জয়। তবে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার জন্য জয় জানতে চান, ‘এরকম শুনছেন? জায়েদ বলেন, ‘অনেক। আপনার আমার সেইম কেস। আমারে যারা গালি দেয়, তারা আপনারেও গালি দেয়। আমাকে ফোন করে বলে যে, এই বেহায়া লোকের শো তে যাওয়া যাবে না। আমি বলেছি, ভাই আমিও আরেক বেহায়া। আমরা দুজনই বেহায়া।’

Advertisement

নেটিজেনরা এই ভিডিওর নাম দিয়েছেন ‘ইট আর পাটকেলের সংঘর্ষ’। এরইমধ্যে এই ২৫ সেকেন্ডের ভিডিওটি অনেকেই শেয়ার করেছেন। অনেকে মজা করে নানান রকম মন্তব্যও করছেন।

এসআই/

পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

বলিউড

কানে সেরা অভিনেত্রীর পুরষ্কার, নজির গড়লেন বঙ্গতনয়া অনসূয়া সেনগুপ্ত

Published

on

কান চলচ্চিত্র উৎসবের ‘ইউএন সার্টেন রিগার্ড’ বিভাগে সেরা অভিনেত্রীর পুরষ্কার জিতেছেন বঙ্গতনয়া অনসূয়া সেনগুপ্ত। ‘দ্য শেমলেস’ চলচ্চিত্রের জন্য এই সম্মান অর্জন করেছেন তিনি।

অনসূয়াই প্রথম ভারতীয় অভিনেত্রী যিনি কান চলচ্চিত্র উৎসবে সেরা অভিনেত্রীর পুরস্কার পেলেন। কলকাতার মেয়ে অনসূয়া যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে ইংরেজি সাহিত্য নিয়ে পড়াশোনা করেছেন।

‘দ্য শেমলেস’ সিনেমায় উঠে এসেছে একজন যৌনকর্মীর কথা। তিনি দিল্লির একটি পতিতাপল্লীতে একজন পুলিশকে হত্যা করে পালান। সিনেমাটিতে অনসূয়ার অভিনয় মুগ্ধ করেছে সমালোচকদের।

কানে পুরষ্কার জয়ের পর অনসূয়া তাঁর পুরস্কারটি উৎসর্গ করেছেন, বিশ্বের সব প্রান্তিক গোষ্ঠীকে, যাদের লড়াই করার কথা হয়তো ছিল না কিন্তু করতে হচ্ছে।

অনসূয়া  মূলত বলিউডে প্রোডাকশন ডিজাইনারের কাজ করেন। এবার অভিনেত্রী হিসেবে জয় করে নিয়েছেন চলচ্চিত্র শিল্পে অন্যতম সম্মাননা কান উৎসবের ‘ইউএন সার্টেন রিগার্ড’ বিভাগে সেরা অভিনেত্রীর সম্মান।

Advertisement

এসআই/

পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

সর্বাধিক পঠিত