Connect with us

খুলনা

আওয়ামী লীগ নেতাকে গুলি

Avatar of author

Published

on

নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার মল্লিকপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা মোস্তফা কামালকে (৪৮) গুলি করেছে দুর্বৃত্তরা। দুর্বৃত্তদের ছোড়া গুলিতে আহত মোস্তফা কামালকে প্রথমে লোহাগড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।

শুক্রবার (১০ মে) সন্ধ্যায় লোহাগড়ার মঙ্গলহাটা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

পরিবার ও স্থানীয়রা জানিয়েছেন, মোটরসাইকেলে করে লোহাগড়ার মঙ্গলহাটা এলাকায় সমির সিকদারের বাড়ি কাছে পৌঁছালে দুর্বৃত্তরা আওয়ামী লীগ নেতা মোস্তফা কামালকে গুলি করে। বুক ও পিঠে গুলিবিদ্ধ হয়েছেন আওয়ামী লীগ এ নেতা।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে লোহাগড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাঞ্চন কুমার রায় গণমাধ্যমে বলেন, পুলিশ ঘটনাস্থলে রয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

এএম/

Advertisement
Advertisement

খুলনা

ঘূর্ণিঝড় রেমালে ক্ষতিগ্রস্ত সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্য

Published

on

ঘূর্ণিঝড়

প্রায় ৩৬ ঘণ্টা ধরে উপকূলীয় অঞ্চল ও সুন্দরবনে তাণ্ডব চালিয়েছে ঘূর্ণিঝড় রিমাল। ঝড়ে সুন্দরবনের গাছপালা, বন্যপ্রাণী ও অবকাঠামোর ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। জলোচ্ছ্বাসে পানি বেড়ে তলিয়ে গেছে বেশিরভাগ এলাকা।

খুলনা সার্কেলের বন সংরক্ষক মিহির কুমার দো মঙ্গলবার এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এ বন কর্মকর্তা বলেন, রিমালের প্রভাবে জলোচ্ছ্বাস হয়ে সুন্দরবন ১০ থেকে ১২ ফুট পানিতে তলিয়ে যায়। বনের প্রাণীদের আবাসস্থল তলিয়ে যাওয়ায় বন্যপ্রাণীর ব্যাপক প্রাণহানির আশঙ্কা করা হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, ঝড়ের পর কটকা ও মোংলার কানাইনগর এলাকা থেকে দুটি মৃত হরিণ ভাসমান অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়া বনের অভ্যন্তর থেকে ছয়টি ও সংলগ্ন লোকালয় থেকে সাতটি জীবিত হরিণ উদ্ধার করা হয়েছে।

বনের শতাধিক মিষ্টি পানির পুকুর তলিয়ে লবণ পানি প্রবেশ করেছে জানিয়ে তিনি বলেন, এছাড়া সাগর পাড়ার কটকা, দুবলার চরের ফরেস্ট অফিস ও জেটি ভেঙে যাওয়াসহ বিভিন্ন স্থানে অন্তত ৭/৮ কোটি টাকার অবকাঠামোর ক্ষতি হয়েছে।

Advertisement

অপরদিকে বনের গাছপালারও ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। এখন ক্ষয়ক্ষতি নিরুপণের কাজ চলছে বলে জানান তিনি।

এর আগে রোববার সন্ধ্যায় ১২০ কিলোমিটার বেগে সুন্দরবন দিয়ে উপকূলে আঘাত হানে রিমাল। জলোচ্ছ্বাসে প্লাবিত হয় সাতক্ষীরা, খুলনা, বাগেরহাট, বরগুনা, পটুয়াখালী, ভোলাসহ কয়েকটি জেলার বিভিন্ন এলাকা। ফলে পানিবন্দি হয়ে পড়েছে কয়েক লাখ মানুষ।

পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

খুলনা

খুলনায় বিধ্বস্ত ৭৭ হাজার বাড়ি, ক্ষতিগ্রস্ত সাড়ে ৪ লাখ মানুষ

Published

on

ঘূর্ণিঝড় রেমালের তাণ্ডবে বিধ্বস্ত হয়েছে খুলনা। জেলার বিভিন্ন স্থানের ৫৫টি পয়েন্টে বাঁধ ভেঙে ও জোয়ারের পানি উপচে তলিয়েছে অসংখ্য গ্রাম। পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন হাজার হাজার মানুষ। বিধ্বস্ত হয়েছে প্রায় ৭৭ হাজার বাড়িঘর। ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে প্রায় ৪ লাখ ৫২ হাজার ২০০ মানুষ। ভেসে গেছে ফসলের মাঠ ও মাছের ঘের।

সোমবার (২৭ মে) খুলনার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. নাজমুল হুসেইন খাঁন গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

নাজমুল হুসেইন খাঁন জানান, খুলনার ৪ লাখ ৫২ হাজার মানুষ দুর্যোগকবলিত হয়েছে। ২০ হাজার ৭০০ ঘর সম্পূর্ণ ও ৫৬ হাজার ঘর আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। গেলো রাতে ঘূর্ণিঝড়ে এক জনের মৃত্যু হয়েছে। আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান নেয়ার পর বটিয়াঘাটার বাসায় ফিরে যান লাল চাঁদ মোড়ল। এরপর তিনি গাছ চাপা পড়ে মারা যান।

প্রসঙ্গত, বাধ ভেঙ্গে ক্ষতিগ্রস্ত উপজেলার মধ্যে উল্ল্যেখযোগ্য হলো দাকোপ, কয়রা, ও পাইকগাছা।

আই/এ

Advertisement
পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

খুলনা

১০ ফুট পানির নিচে সুন্দরবন

Published

on

ঘূর্ণিঝড় রেমালের কারণে সৃষ্ট জলোছ্বাসে সুন্দরবনের বিভিন্ন এলাকা ৭ থেকে ১০ ফুট পর্যন্ত পানির নিচে তলিয়ে গেছে। পানিতে নিমজ্জিত থাকায় এসব প্রাণীরা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে বলে আশঙ্কা করছে বন বিভাগ। এ ছাড়া বনের ভিতরে  মিঠা পানির উৎস লবণাক্ত পানিতে নিমজ্জিত হওয়ায় বন্যপ্রাণী,বনজীবী ও বনকর্মীদের খাবার পানি নিয়ে দুর্ভোগে পড়তে হচ্ছে।

সোমবার (২৭ মে) গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন সুন্দরবন বন বিভাগের বনসংরক্ষক মিহির কুমার দে।

বন বিভাগ জানায়, গতকাল বিকেল নাগাদ সুন্দরবেনের বিভিন্ন এলাকায় ৭ থেকে ১০ ফুট পর্যন্ত পানির নিচে নিমজ্জিত হয়ে যায়। বিশেষ করে কটকা, কচিখালি, নীলকমল, মান্দারবারি, হলদিবুনিয়া এলাকায় সবথেকে বেশি পানির নিচে নিমজ্জিত হয়েছে। এসব এলাকা হরিণ, বানর, শুকরসহ বিভিন্ন বন্যপ্রাণীর অভয়ারন্য। পানিতে নিমজ্জিত থাকায় এসব প্রাণীরা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে বলে আশঙ্কা করছে বন বিভাগ।

বন কর্মকর্তা মিহির কুমার দে জানান, পানির উচ্চতা  ৭ থেকে ১০ ফুট পর্যন্ত হয়েছে। বনে বাঘ শাবক, হরিণ শাবক কিংবা শকুন শাবক এবং অন্যান্য বন্যপ্রাণী আছে। তাই আশঙ্কা করা হচ্ছে বন্যপ্রাণীরা এখানে হয়তো ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে। তবে গাছপালার খুব বেশি ক্ষতি হয়নি। এসব স্থানে পানির যে উচ্চতা এবং যে তীব্র গতিতে প্রবাহিত হচ্ছে। এখানে নিশ্চিতভাবে বলা যায় বন্যপ্রাণীর যথেষ্ট ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে।

আই/এ

Advertisement
পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

সর্বাধিক পঠিত