Connect with us

রংপুর

বৈশাখের কাঠফাটা রোদেও মুগ্ধতা ছড়াচ্ছে কৃষ্ণচূড়া

Avatar of author

Published

on

কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলা জুড়ে কৃষ্ণচূড়া ফুলের অসাধারণ এক অপরূপ সৌন্দর্যে সবার মন কাড়ছে। বৈশাখের রঙিন আকাশে গনগনে সূর্যের আলো ছড়াচ্ছে। কাঠফাটা প্রচণ্ড রোদ থেকে তপ্ত বাতাস। প্রকৃতি যখন আকাশে প্রখর রৌদ্রে পুড়ছে, কৃষ্ণচূড়া ফুল তখন জানান দিচ্ছে তার অপরূপ সৌন্দর্যের বার্তা। গ্রীষ্মের নিষ্প্রাণ রুক্ষতা ছাপিয়ে প্রকৃতিতে কৃষ্ণচূড়া নিজেকে মেলে ধরছে এক আপন মহিমায়।

উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে দেখা গেছে, গাছে গাছে মুগ্ধতা ছড়াচ্ছে কৃষ্ণচূড়া। এ যেন লাল রঙে কৃষ্ণচূড়ার পসরা সাজিয়ে বসে আছে প্রকৃতি। চোখ ধাঁধানো টুকটুকে লাল কৃষ্ণচূড়া ফুলে সেজেছে গ্রীষ্মের প্রকৃতি। গ্রীষ্মের ছোঁয়া লাগার পর থেকেই প্রকৃতির শোভা বর্ধনকারী কৃষ্ণচূড়া ফুল অপরূপ সাজে সাজিয়ে রঙিন করে তুলেছে। ফুলপ্রেমীসহ সাধারণ মানুষদের দৃষ্টি কাড়ছে কৃষ্ণচূড়া। দূর থেকে দেখলে মনে হয়-যেন লাল রঙের পাহাড় দাঁড়িয়ে আছে মাথা উঁচু করে। কৃষ্ণচূড়া তার রক্তিম আভা ছড়ানোর মাধ্যমে প্রকৃতিকে সাজিয়ে তুলেছে অপরূপ সৌন্দর্যে। কৃষ্ণচূড়ার সৌন্দর্য দেখে মন ভরে যাচ্ছে প্রকৃতি প্রেমীদের। কৃষ্ণচূড়া রক্তিমতায় মাতিয়ে রাখা এই বৃক্ষের উচ্চতা তেমন একটা বেশি হয় না। সর্বোচ্চ ১২ থেকে ১৫ মিটার পর্যন্ত উপরে উঠলেও তার শাখা প্রশাখা বিশাল এলাকাজুড়ে বিস্তৃত থাকে। পাপড়িগুলো প্রায় ৭ থেকে ৮ সেন্টিমিটার লম্বা হতে পারে। প্রতিটি পাতা ২৫ থেকে ৫০ সেন্টিমিটার লম্বা এবং ২৫ থেকে ৪০ টি উপপত্র বিশিষ্ট।

গ্রীষ্মজুড়ে প্রকৃতিকে মাতিয়ে রাখলেও অন্যান্য সময়গুলোতে এ বৃক্ষের উপস্থিতি খুব একটা চোখে পড়ে না। ফুলবাড়ী উপজেলায় এক সময় ব্যাপক কৃষ্ণচূড়া ফুল গাছ ছিল। প্রতি বছর এই গ্রীষ্মে ফুলফুটে প্রকৃতিতে শোভা বর্ধন করতো। কালের আবর্তে সেই কৃষ্ণচূড়ার গাছ এখন অনেকটাই কমে গেছে। তারপরও উপজেলা সদরের তিনকোণা মোড়ের সামনে, বালারহাট বাজার ও নাওডাঙ্গা বকুলতলা বাজারসহ বিভিন্ন এলাকায় কৃষ্ণচূড়া শোভা পাচ্ছে।

সিনিয়র সাংবাদিক আব্দুল আজিজ মজনু ও শাহীনুর রহমান শাহিন জানান, এখন সময় কৃষ্ণচূড়া ফুলসহ পুরো শহর জুড়ে বিভিন্ন ফুলের গাছ থাকায় এ উপজেলার নাম করণ হয়েছে ফুলবাড়ী। কালের আবর্তে কৃষ্ণচূড়াসহ বিভিন্ন ফুলের গাছ এখন অনেকটাই কমে গেছে। তারপরেও উপজেলা সদরসহ বিভিন্ন এলাকায় কৃষ্ণচূড়া ফুল সুভাস ছড়াচ্ছে। এই ফুলের সৌন্দর্যে প্রকৃতিতে এখন ভিন্ন রং এসেছে। কৃষ্ণচূড়া ফুলের অপরূপ শোভায় শোভিত হয়েছে। যে কাউকে আকৃষ্ট করছে এই ফুল গাছগুলো।

এক দিকে প্রকৃতির ভারসাম্য রক্ষা ও অন্য ফুলবাড়ীর ফুলের সৌন্দর্য ফিরে আনতে কুড়িগ্রাম-২ আসনের সংসদ সদস্য বীরমুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক ডা: হামিদুল হক খন্দকার ফুলবাড়ী উপজেলার বিভিন্ন সড়কে ১ লাখ কৃষ্ণচূড়া গাছ লাগানোর প্রকল্প হাতে নিয়েছে। ইতোমধ্যে দুই হাজার কৃষ্ণচূড়া ফুলের গাছ রোপণ করেছে বলে জানান তারা।

Advertisement

নাওডাঙ্গা স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ আব্দুল হানিফ সরকার জানান, কৃষ্ণচূড়া অতিপরিচিত বৃক্ষ। তবে আমাদের প্রতিষ্ঠানে কৃষ্ণচূড়ার গাছ না থাকলেও কলেজের সামনে নাওডাঙ্গা বকুলতলা বাজারে একটি কৃষ্ণচূড়া ফুল গাছ অপরূপ সৌন্দর্য ছড়াচ্ছে সবার মাঝে। গ্রীষ্মকালে কৃষ্ণচূড়া ফুল প্রকৃতির সৌন্দর্য ও মনোমুগ্ধকর পরিবেশ দেখে অনেকেই মুগ্ধ হচ্ছে। তবে কিছুদিনের মধ্যে কলেজ ক্যাম্পাসে বেশ কিছু কৃষ্ণচূড়া ফুল গাছ লাগানোর পরিকল্পনা রয়েছে।

এএম/

Advertisement

রংপুর

দেবীগঞ্জে স্কেভেটরের নিচে চাপা পড়ে প্রাণ গেল চালকের

Published

on

স্কেভেটর

পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জে স্কেভেটরের (মাটি খনন কাজে ব্যবহৃত যন্ত্র) নিচে চাপা পড়ে রিফাত ইসলাম (২৩) নামে এক চালকের মৃত্যু হয়েছে।

বুধবার (১৫ মে) রাত সাড়ে তিনটায় উপজেলার টেপ্রীগঞ্জ ইউনিয়নের মন্ডল পাড়া এলাকায় কাঁচা রাস্তার পাশে এই দুর্ঘটনা  ঘটে। নিহত রিফাত ইসলাম দেবীগঞ্জ উপজেলার শালডাঙ্গা ইউনিয়নের শিকারপুর এলাকার বারেক আলীর ছেলে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার গভীর রাতে দেবীগঞ্জ থেকে স্কেভেটর পরিবহনের কাজে ব্যবহৃত রোবট গাড়িতে করে স্কেভেটরটি টেপ্রীগঞ্জ ইউনিয়নের নগরপাড়া এলাকার দিকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। রাত আনুমানিক সাড়ে তিনটার সময় মন্ডল পাড়া এলাকায় পৌঁছালে রোবট গাড়িটি কাঁচা রাস্তার উঁচু নিচু স্থানে আটকে যায়।

এ সময় রোবট গাড়ির উপরে থাকা স্কেভেটরটি চালু করে রোবট গাড়িকে ধাক্কা দেয়ার সময় স্কেভেটরটি রাস্তার পাশে উল্টে পড়ে যায়। এতে করে স্কেভেটরের নিচে চাপা পড়ে চালকের ঘটনাস্থলে মৃত্যু হয়। স্কেভেটরটি পরিবহন করা রোবট গাড়ির চালক পরিবারের লোকজনকে মুঠোফোনে দুর্ঘটনার কথাটির খবর জানিয়ে সেখান থেকে পালিয়ে যায়। খবর পেয়ে পরিবারের লোকজন ভোরে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে এলাকাবাসী ফায়ার সার্ভিস এবং থানায় খবর দেন।

দুর্ঘটনার খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের একটি উদ্ধারকারী ইউনিট ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে এলাকাবাসীর সহযোগিতায় স্কেভেটরের নিচে চাপা পড়া মরদেহটি বের করেন। পরে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে দেবীগঞ্জ থানায় নিয়ে যায়।

Advertisement

মরদেহ উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করে দেবীগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক মোঃ ফারুক রানা বলেন, ভোর ছয়টার সময় আমরা দুর্ঘটনার খবর পাই। পরে ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় আনা হয়। স্কেভেটর পরিবহন করা রোবট গাড়িটি ঘটনাস্থলে ছিলো না। দুর্ঘটনার বিষয়ে অনুসন্ধান চলছে, অনুসন্ধান শেষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

 

পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

রংপুর

গাইবান্ধায় বজ্রপাতে কৃষকের মৃত্যু

Published

on

মৃত্যু

গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলায় মাঠে ধান কাটার সময় বজ্রপাতে  শিপন মিয়া (২৩) নামে এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে।

বুধবার (১৫ মে) দুপুর দেড়টার দিকে উপজেলার মুক্তিনগর বেলতলী গ্রামে এঘটনা ঘটে। মৃত্যু শিপন মিয়া ওই গ্রামের মোখলেছুর রহমানের ছেলে।

মুক্তিনগর ইউনিয়নের বেলতলী গ্রামের ইউপি সদস্য আব্দুল হালিম বলেন,  আজ বুধবার বেলতলী  মাঠে বোরো ধান কাটতে যান শিপন।  দুপুরে  হঠাৎ আকাশ মেঘলা হয়। শিপনসহ আরও একজন মাঠেই ধান কাটছিলেন।  এক পর্যায়ে ঝড় বৃষ্টি হয় শুরু হয়। ঝড় বৃষ্টির সময়  কাটা ধানের আটি গোছানোর সময়  বজ্রপাতে শিপন মারা যান। পরে মরদেহ স্থানীয় লোকজন নিহতের বাড়িতে নিয়ে আসেন।

এ ঘটনায় ওই এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

কেএস/

Advertisement

 

পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

রংপুর

কুড়িগ্রামে পুকুরের পানিতে খেলতে গিয়ে দুই শিশুর মৃত্যু

Published

on

পানি

কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলায় পুকুরের পানিতে গাছের গুড়ি দিয়ে খেলতে গিয়ে পানিতে ডুবে লিপন (৬) ও মেহেদী হাসান (৮) নামের দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। নিহত লিপন ওই এলাকার রাশেদের ছেলে ও মেহেদী হাসান মাঈদুলের ছেলে।

বুধবার (১৫ মে) দুপুর ২টার দিকে উপজেলার বেগমগঞ্জ ইউনিয়নের সরকার পাড়ায় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বেগমগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান মোঃ বাবলু মিয়া।

স্থানীয়রা জানান, পুকুরের পানিতে গাছের গুড়িতে উঠে শিশু দু’জন খেলছিল। খেলতে খেলতে একসময় গাছের গুড়ির নিচে পরে শ্বাসরুদ্ধ হয়ে মারা যায়। পরে স্থানীয়রা টের পেয়ে ওই পুকুর থেকে তাদের মরদেহ উদ্ধার করে।

উলিপুর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম মর্তুজা বলেন, এ বিষয়ে থানায় অপমৃত্যু (ইউডি) মামলা দায়ের করা হবে।

কেএস/

Advertisement
পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

সর্বাধিক পঠিত