Connect with us

টুকিটাকি

শাশুড়ির প্রেমে হাবুডুবু খাচ্ছে জামাই, যা করলেন শ্বশুর  

Avatar of author

Published

on

বিয়ে

বউ মারা যেতেই শাশুড়ির প্রেমে হাবুডুবু খাচ্ছে জামাই। শাশুড়ি-জামাইয়ের রাসলীলা দেখে তাজ্জব গোটা দেশ। শাশুড়িকে ভালোবেসে দুনিয়া উজাড় করে দিতেও রাজি তিনি। ওদিকে জামাইয়ের ডাক ফেরাতে পারেননি শাশুড়িও। ঘটনা শুনলেই কানে হাত চাপা দিচ্ছেন আম জনতা। নাহ্, কোনও সিনেমা নয়। বাস্তবেই ঘটেছে এমন চক্ষু চড়কগাছ করা ঘটনা। যেখানে খোদ শ্বশুর নিজের স্ত্রীকে তুলে দিলেন জামাইয়ের হাতে।

এ এক ‘আজব প্রেম কী গজব কাহিনী’। তবে রণবীর কাপুরের সিনেমা নয়। অবাক করা এই ঘটনাটি ঘটেছে বাস্তবেই। স্ত্রীর মৃত্যুর পর শাশুড়িকেই জীবন সঙ্গীনী হিসেবে বেছে নিয়েছেন জামাই। প্রৌঢ়াও যে বিশেষ আপত্তি করেছেন তা নয়। স্বামী, সংসার ছেড়ে জামাইয়ের মধ্যেই খুঁজে নিয়েছেন সমস্ত সুখ। তবে সবচেয়ে মজার করা বিষয় হল, শ্বশুরবাড়ির লোকেরাই জামাইয়ের সঙ্গে শাশুড়ির বিয়ে দিয়েছেন। ইতোমধ্যেই হয়ে গেছে রেজিস্ট্রিও। জানেন কোথায় ঘটেছে এমন চরম লজ্জাজনক ঘটনা?

ভারতের বিহারের হিরামতি গ্রামের ঘটনা এটি। গ্রামের বাসিন্দা দিলেশ্বর দারভের মেয়ের সঙ্গে গাঁটছড়া বেঁধেছিলেন কাটোরিয়া থানা এলাকার ধোবনি গ্রামের বাসিন্দা সিকন্দর যাদব। বছর দুয়েক আগেই মৃত্যু হয় সিকন্দরের স্ত্রীর। তারপর থেকেই চরম একাকিত্ব গ্রাস করেছিল তাকে। মন হালকা করতে শ্বশুরবাড়িতে জামাইযের যাতায়াত লেগেই ছিল। আর সেখান থেকেই ঘটনার সূত্রপাত।

শাশুড়ি জামাই একসাথে সময় কাটাতে কাটাতে কখন যে তারা একে অপরকে মন দিয়ে বসেছেন তা কাকপক্ষীও টের পায়নি। দুজনের মধ্যে সম্পর্ক এতটাই গভীর হয়ে যায় যে, গোপনে রেজিস্ট্রিও সেরে ফেলেন তারা। বেশ ভালোই চলছিল শাশুড়ি-জামাইয়ের রঙ্গলীলা। তবে তাদের মাখামাখি দেখে সন্দেহ জাগে শ্বশুর দিলেশ্বর দারভের মনে। সম্পর্ক যখন মাখো মাখো পর্যায়ে, সেই সময়ই তাদের হাতে নাতে ধরেও ফেলেন দিলেশ্বর। ব্যাস, আর কী! মুহুর্তের মধ্যে গোটা গ্রাম জানাজানি হয়ে গেল।

ওদিকে দিলেশ্বরও দিলদরিয়া মানুষ। স্ত্রী-জামাইকে ঘনিষ্ঠ অবস্থায় দেখেও বিশেষ রাগ করেননি তিনি। বরং পঞ্চায়েত ডেকে তাদের সম্পর্ককে একটা পরিণতি দেওয়াকেই শ্রেয় মনে করেছেন এই শ্বশুরমশাই। আর এমন একটা সুযোগ পেয়ে তা হাতছাড়া করতে চাননি সিকন্দরও। সকলের সামনেই শাশুড়ি প্রতি প্রেম জাহির করেন এই জামাই। সম্পর্কের কথা অস্বীকার করেননি শাশুড়ি গীতাও।

Advertisement

এরপর পঞ্চায়েতের সামনেই গীতার সিঁথিতে সিঁদুর পরিয়ে তাকে স্ত্রী হিসেবে গ্রহণ করেন সিকন্দর। ওদিকে দায়িত্ব নিয়ে জামাইয়ের হাতে নিজের স্ত্রীকে তুলে দেন দিলেশ্বর। প্রাক্তন স্ত্রীর কন্যাদানও করেন তিনিই। ইতোমধ্যেই তুমুল ভাইরাল হয়েছে এই অদ্ভুত বিয়ের ভিডিও। কেউ ব্যাঙ্গ করছেন তো কেউ আবার সিকন্দরের দুই সন্তানের জন্য দুঃখ প্রকাশ করছেন। এই বিয়ে নিয়ে আপনার মতামত জানাতে ভুলবেন না কিন্তু।

Advertisement

টুকিটাকি

আইসক্রিমে মানুষের কাটা আঙুল! খেতে গিয়ে আঁতকে উঠলেন যুবতী

Published

on

হাঁসফাঁস গরমে প্রাণওষ্ঠাগত অবস্থা। তাই গরমের দিনে সাধ করে একটি দোকান থেকে আইসক্রিম অর্ডার করেছিলেন মুম্বাইয়ের এক যুবতী। অনলাইনে তিনটি আইসক্রিম অর্ডার করেছিলেন তিনি। কিন্তু আইসক্রিমের মোড়ক খুললেই চক্ষু চড়কগাছ হয়ে যায় তার। আইসক্রিমের কোনের মধ্যে যে কাটা একটা আঙুল! কোনওমতে নিজেকে সামলে মালাড থানায় অভিযোগ দায়ের করেন ওই যুবতী।

ঘটনাটি ভারতের মুম্বাইয়ের মলাড এলাকার। সেখানকার বাসিন্দা ২৬ বছরের ব্রেন্ডন ফেরাও। তিনি পেশায় চিকিৎসক।

পুলিশকে তিনি জানিয়েছেন, বুধবার একটি অনলাইন অ্যাপের মাধ্যমে জনপ্রিয় সংস্থার আইসক্রিম অর্ডার করেছিলেন তিনি। একটি খেতে খেতে মাঝপথে গিয়ে মুখে শক্ত কিছু বাঁধে।

তিনি জানান, তিনি প্রথমে ভেবেছিলেন, আইসক্রিমের ভেতর বড় কোনও বাদাম রয়েছে হয়তো। সেটাই তার মুখে লেগেছে। কিন্তু কাছ থেকে দেখতে গিয়ে তিনি আঁতকে ওঠেন। দেখেন, তার ভেতরে রয়েছে মানুষের নখ। তার পর বুঝতে পারেন, আস্ত একটি কাটা আঙুল আইসক্রিমের ভেতরে রয়েছে।

সংবাদ সংস্থা পিটিআই সূত্রে খবর, পেশায় চিকিৎসক ওই যুবতী পশ্চিম মালাডের বাসিন্দা। বুধবার দুপুরে তিনি একটি স্থানীয় দোকান থেকে এক নামী কোম্পানির আইসক্রিম কোন অর্ডার করেছিলেন অনলাইনে। কিন্তু যেই এক কামড় বসাতে যাবেন তখনই দেখেন আইসক্রিমের মধ্যে নখ সমেত একটি কাটা আঙুল। সেটির ভিডিও করে সোশাল মিডিয়ায় পোস্ট করতেই মুহূর্তের মধ্যে ভাইরাল হয়ে যায়।

Advertisement

তার পরই ওই যুবতী মালাড থানায় গিয়ে গোটা বিষয়টি জানান। তার অভিযোগের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট সংস্থার বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করা হয়। এই ঘটনায় পুলিশ জানিয়েছে, এখনও ওই কোম্পানির তরফে কিছু জানানো হয়নি। পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তবে এই কাণ্ডে ক্ষোভ উগরে দিয়েছে নেটিজেনদের একাংশ। বাইরে থেকে খাবার অর্ডার ক্ষেত্রে সাবধান থাকার কথা বলেছেন অনেকে।

জেএইচ

পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

টুকিটাকি

৩শ’ টাকার গয়না ৬ কোটিতে কিনলেন তরুণী, অতপর…

Published

on

কারুকার্য করা গয়না কেনার শখ রয়েছে আমেরিকার তরুণীর। দেশ-বিদেশের যে কোনও জায়গায় ভালো গয়না দেখলেই তা সংগ্রহে রাখার চেষ্টা করেন তিনি। কিন্তু শখের টানে ঠকে বসলেন তিনি। কারুকাজ দেখার পর আসল-নকল বিচার না করে গয়না কিনে ফেলেন তরুণী। পরে প্রদর্শনীতে সেই গয়না দেখানোর পর তিনি জানতে পারেন যে, গয়নাটি নকল। ভারতের রাজস্থানের এক গয়নার দোকানের মালিকের বিরুদ্ধে নকল গয়না চড়া দামে বিক্রির অভিযোগ দায়ের করেন তিনি। অভিযুক্তের নাম গৌরব সোনি।

পুলিশ জানায়, ২০২২ সাল থেকে গৌরবের সঙ্গে ইনস্টাগ্রামে আলাপ আমেরিকার তরুণী চেরিশের। গয়না কিনতে আমেরিকা থেকে রাজস্থানেও যান তিনি। জয়পুরের জহরিবাজারে গৌরবের দোকানে যাওয়ার পর সোনা দিয়ে পালিশ করা রূপোর গয়না পছন্দ হয় চেরিশের। ভারতীয় মুদ্রায় ছয় কোটি টাকা দিয়ে সেই গয়না কিনে আমেরিকায় ফিরে যান তরুণী।

এপ্রিল মাসে আমেরিকার একটি প্রদর্শনীতে রূপোর গয়নাটি দেখান চেরিশ। তখন জানতে পারেন যে, গয়নাটি আদতে নকল। ৩০০ টাকা মূল্যের গয়না ছয় কোটি টাকা দিয়ে কিনে ঠকেছেন তরুণী। আমেরিকা থেকে আবার জয়পুরে গিয়ে গৌরবের সঙ্গে দেখা করেন তিনি।

নকল গয়না বিক্রির প্রসঙ্গ তুলতে গৌরব তা অস্বীকার করেন। তার পর জয়পুর থানায় গিয়ে গৌরবের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন তরুণী। এমনকি, আমেরিকার দূতাবাসের কাছে সাহাষ্য প্রার্থনা করেছেন তিনি। দূতাবাসের পক্ষ থেকে জয়পুর পুলিশকে তৎপরতার সঙ্গে তদন্ত এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার অনুরোধ করা হয়েছে।

পুলিশ জানায়, গৌরব এবং তার বাবা রাজেন্দ্র সোনি দু’জনেই পলাতক। তাদের সন্ধানে বিশেষ তদন্তকারী দল গঠন করেছে পুলিশ।

Advertisement

জেএইচ

পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

টুকিটাকি

প্রিন্সিপালের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ, আত্মহত্যার চেষ্টা ছাত্রীর  

Published

on

ধর্ষণ

স্কুলের প্রিন্সিপালের বিরুদ্ধে ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ আনল পরিবার। ওই ঘটনার একটি ভিডিও দিন চারেক আগে সামাজিকমাধ্যমে ভাইরাল হয়ে যায়। লজ্জায় আত্মহত্যার চেষ্টা করে কিশোরী। মালগাড়ির সামনে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করতে চেয়েছিল সে। যদিও তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে। বর্তমানে ছাত্রী শারীরিক পরিস্থিতি সঙ্কটজনক বলেই জানিয়েছেন চিকিৎসকেরা।

ঘটনাটি ভারেতের উত্তরপ্রদেশের কৌশাম্বী জেলার কোখরাজ থানা এলাকার। গ্রামের রম্বালী শর্মা সরস্বতী বালমন্দির স্কুলের ছাত্রী নির্যাতিতা কিশোরী। ওই স্কুলের প্রিন্সিপালের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি ১৫ বছরের কিশোরীর যৌন হেনস্থা এবং ধর্ষণ করেছেন। চার দিন আগে যে ভিডিও সামাজিকমাধ্যমে ভাইরাল হয়, তাতে কিশোরীর সঙ্গে অভিযুক্ত প্রিন্সিপালকে আপত্তিকর অবস্থায় দেখা গিয়েছিল। ভিডিওর সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার অনলাইন।কিশোরীর পরিবারের অভিযোগ, ওই ভিডিও দেখার পরেই আত্মহত্যার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল সে।

ভিডিও সামাজিকমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর কিশোরীর পরিবারের তরফে প্রিন্সিপালের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়। ভারতীয় দণ্ডবিধির একাধিক ধারা এবং পকসো আইনে মামলা রুজু করা হয় তার বিরুদ্ধে। পুলিশ একটি বিশেষ দল গঠন করে ঘটনার তদন্ত শুরু করে। যদিও এখনও পর্যন্ত অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়নি।

পুলিশ জানায়, ঘটনার তদন্ত চলাকালীনই শনিবার দিল্লি-হাওড়া লাইনে মালগাড়ির সামনে ঝাঁপিয়ে পড়ে নির্যাতিতা কিশোরী। অপমান এবং লজ্জার বশে সে এই পদক্ষেপ করেছে বলে পুলিশের অনুমান। তাকে উদ্ধার করে জেলা হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে। সেখানেই আপাতত চিকিৎসাধীন কিশোরী।

জেএইচ

Advertisement
পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

সর্বাধিক পঠিত