Connect with us

সিলেট

বাবার সামনেই বজ্রপাতে শিশুর মৃত্যু

Avatar of author

Published

on

মৃত্যু

বাবার সঙ্গে মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে রেদোয়ান আহমদ (১২) নামের শিশুর মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার (১৭ মে) দুপুরে সিলেটের জকিগঞ্জ উপজেলার আটগ্রামের নোয়াগ্রামে এ ঘটনা ঘটেছে।

মৃত রেদোয়ান নোয়াগ্রামের মাসুক আহমেদের ছেলে এবং স্থানীয় একটি মাদরাসার পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, দুপুরে বাবার সঙ্গে রেদোয়ান ও তার আরেক ভাই বাড়ির পাশে মাছ ধরতে যায়। এ সময় হালকা বৃষ্টির সঙ্গে বজ্রপাত রেদোয়ানের শরীরে আঘাত করে। পরে দ্রুত তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

সিলেট জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (জকিগঞ্জ সার্কেল) ইয়াহিয়া আল মামুন বলেন, বাবার সঙ্গে মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে রেদোয়ান নামের শিশুর মৃত্যু হয়েছে। বজ্রপাতে আর কেউ আহত হননি। পরিবারের আবেদনের প্রেক্ষিতে ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ বাবার কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

 

Advertisement

 

এসি//

Advertisement

সিলেট

সাংবাদিক পরিচয়ে চাঁদাবাজি করতে গিয়ে গ্রেপ্তার

Published

on

সাংবাদিক

সুনামগঞ্জে নিজেকে অনলাইন সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে তার সহযোগী অন্যান্যদের নিয়ে যুবককে চড় থাপ্পর মারা ও চাঁদা দাবি করা দুষ্কৃতিকারীদেরকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেপ্তার করলো পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের সুনামগঞ্জ কোর্টে প্রেরণ করা  হয়েছে।

পুলিশ জানায়,  গেলো সোমবার (১০ জুন)  বিকাল ৫ টায় সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানার পৌরসভার  মল্লিকপুর  মুজিব পার্কে ২জন যুবক যুবতী বসে গল্প করছিলেন। এমন সময় মল্লিকপুরের  বৈঠাখালী খেয়াঘাটের হিন্দু হাটি গ্রামের কৃষ্ণ দাসের ছেলে আকাশ দাস (২০) ও একই গ্রামের মোঃ আমির হোসেন এর ছেলে মোঃ শফিকুল ইসলাম শরীফ (২০) সহ দুই তিনজন মোবাইল ফোন দিয়ে পিছন থেকে যুবক যুবতীর  ভিডিও করতে থাকে এবং কাছে গিয়ে যুবক এর গেঞ্জি ধরে টানতে থাকে এবং অশালীন ভাষায় গালিগালাজ করতে থাকে।

এখানে থাকা একজন আপ্তাব উদ্দিন নিজেকে অনলাইন সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে তার সহযোগী অন্যান্যদের নিয়ে যুবককে চড় থাপ্পর মারতে থাকে। আসামিরা যুবতীর সাথে অশালীন আচরণ করতে থাকে। আসামিরা তাদের ধারণকৃত ভিডিও  সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেয়ার ভয় দেখিয়ে দুই হাজার টাকা চাঁদা দাবী করে। ভিকটিমের কাছে কোন টাকা পয়সা না থাকায় আসামিরা মোবাইল নাম্বারে বিকাশের মাধ্যমে টাকা প্রেরণের শর্তে যুবক যুবতীকে চড় থাপ্পর মেরে ছেড়ে দেয়। ঘটনাটি আপ্তাব উদ্দিনের সহযোগী অপর এক অজ্ঞাত বিবাদী মোবাইলে ভিডিও করে ধারন করে। ঘটনার পরের দিন অর্থাৎ গেলো মঙ্গলবার (১১ জুন)  সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তে থাকে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের মাধ্যমে উক্ত ভিডিওটি আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর দৃষ্টিগোচর হলে ঘটনার ভিকটিমকে শনাক্ত করা হয়। তাকে জিজ্ঞাসাবাদে বর্নিত ঘটনা সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যায়। পরবর্তীতে ভিকটিম উক্ত ঘটনার বিষয়ে নিজে বাদী হয়ে সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানার পৌরসভার মল্লিকপুরের বৈঠাখালী খেয়াঘাটের জলিলপুর গ্রামের আজিজুর রহমান আপ্তাব উদ্দিন (৩২), হিন্দু হাটি গ্রামের কৃষ্ণ দাসের ছেলে আকাশ দাস (২০) ও একই গ্রামের মোঃ আমির হোসেন এর ছেলে মোঃ শফিকুল ইসলাম শরীফ (২০) সহ আরও দুই, তিনজনকে আসামি করে সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানায় মামলা দায়ের করা হয়। মামলা দায়ের এর ২৪ ঘণ্টার মধ্যে মামলার তিনজন আসামীদের গ্রেপ্তার করা হয়। বাকী আসামীদের গ্রেপ্তারের অভিযান অব্যাহত আছে।

গ্রেপ্তারের সত্যতা নিশ্চিত করে সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানার অফিসার ইনজার্চ মো. খালেদ চৌধুরী জানান, নিজেদের অনলাইন সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে যুবককে চড় থাপ্পর মারা ও চাঁদা দাবি করা দুষ্কৃতিকারীদেরকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেপ্তার করেছে আমাদের থানা পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃত আসামীদের সুনামগঞ্জ কোর্টে প্রেরণ করা  হয়েছে। বাকী আসামীদের গ্রেপ্তারেরঅভিযান অব্যাহত আছে।

 

Advertisement
পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

সিলেট

এস এ পরিবহন থেকে কোটি টাকার অবৈধ ভারতীয় পণ্য আটক

Published

on

অবৈধ

এস এ পরিবহন সুনামগঞ্জ পার্শ্বেল এন্ড কুরিয়ার সার্ভিসের সুনামগঞ্জ অফিসে অভিযান চালিয়ে প্রায় কোটি টাকার অবৈধ ভারতীয় পণ্য জব্দ করেছে টাস্কফোর্স।

বুধবার (১৩ জুন) রাত ৮ টায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে  সুনামগঞ্জ শহরের পুরাতন বাসস্ট্যান্ডে এলাকায় পরিবহনের কাউন্টার থেকে ১৮৭ বস্তা ভারতীয় পণ্য আটক করেছে টাস্কফোর্স সংশ্লিষ্টরা।

সহকারী কমিশনার সদর ভূমি সুনামগঞ্জ মোঃ এমদাদুল হক শরীফের নেতৃত্বে পুলিশ বিজিবি আনসার জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা দলের সদস্যরা অভিযান চালিয়ে পার্শ্বেল কাউন্টারে ফুচকা, বাদাম, চকলেট হরলিক্স, কসমেটিকসসহ ১৮৭ বস্তা ভারতীয় নানা পণ্য জব্দ করা হয়।  প্রাথমিকভাবে জব্দকৃত পণ্যের আর্থিক মূল্য এখনো নিরুপণ করা যায়নি।

এই বিপুল পরিমাণ অবৈধ পণ্য ভারত থেকে চোরাই পথে বিভিন্ন সীমান্ত পথে আনা হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরেই একটি চক্র এসব অবৈধ পণ্য দেশের বিভিন্ন এলাকায় বিভিন্ন মাধ্যমে পাঠাচ্ছে। অভিযানে নেতৃত্ব দেন  এনএসআইয়ের উপ পরিচালক আরিফুর রহমান, সহকারি পরিচালক কৌশিক আহমদ কনক,  সুনামগঞ্জ সদর ওসি মো. খালেদ চৌধুরী, সুনামগঞ্জ ২৮ বিজিবি প্রতিনিধি নায়েব সুবেদার বিল্লাল সহ অন্যান্য কর্মকর্তা গণ।

এস এ পরিবহনের সুনামগঞ্জের শাখা ব্যবস্থাপক শওকত কামাল বলেন, আদালতের নিলামের রশিদ সীমান্ত হাটের কার্ড এন আইডি কার্ডের ফটোকপি দিয়ে সীমান্ত এলাকার বেশ কয়েকজন লোক এসব পণ্য ঢাকায় পাঠানোর জন্য বুকিং দেয়। পরে এগুলোর কাগজ পত্র যাচাই-বাছাই করে এসিল্যান্ড ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ এমদাদুল হক শরীফের নেতৃত্বে কাউন্টার থেকে জব্দ করে নিয়ে যাওয়া হয়।

Advertisement

সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা খালেদ চৌধুরী বলেন, সীমান্ত এলাকা দিয়ে এসব পণ্য সুনামগঞ্জ শহরের এস এ পরিবহনের কাউন্টারে আসে পরে পুলিশ বিজিবি আনসার ও গোয়েন্দা সংস্থার নেতৃত্বে  টাক্সফোর্স এসব পণ্য আটক করে। অভিযানের সত্যতা নিশ্চিত করে সদর উপজেলা ভূমি কমিশনার এমদাদুল হক শরীফ বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ১৮৪ বস্তা অবৈধ পণ্য জব্দ করা হয়। পরবর্তীতে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেয়া হচ্ছে।

 

পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

সিলেট

অবৈধ জাল দিয়ে মাছ নিধন বন্ধে হাওর এলাকায় প্রসাশনের অভিযান

Published

on

নিধন

হাওর অধ্যুশিত সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলায় হাওর ও নদীগুলোতে অবৈধ জাল দিয়ে অবাধে চলছে মাছ নিধন। মৎস্য সম্পদ রক্ষায় অভিযান পরিচালনা করেছে জগন্নাথপুর  উপজেলা প্রশাসন।  উপজেলা নির্বাহী অফিসার আল বশিরুল ইসলামের নেতৃত্বে বুধবার (১২ জুন)  সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত  জগন্নাথপুর উপজেলার  নলজুর  নদী ও হাওরে নৌকা দিয়ে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়।

অভিযানে ৫০ হাজার  টাকা মূল্যের  অবৈধ চায়না রিং ও কারেন্ট জাল জব্দ করে জগন্নাথপুর উপজেলা পরিষদ চত্বরে  জনসম্মুখে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়েছে। অভিযানের সময়  উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা আল আমিন, মৎস্য অফিস সহকারী রফিকুল ইসলাম ছিলেন।

এ দিক অবৈধ জাল ধ্বংস করার সময় জগনাথপুর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন। জগন্নাথপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার বলেন, মৎস্য সম্পদ রক্ষায় প্রশাসনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। নদী ও মৎস্য আমাদের সম্পদ,  এই সম্পদ রক্ষায় সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। অভিযানে  কাউকে না পাওয়ায়  আটক করা হয়নি।

মৎস কর্মকর্তা জানান, চায়না রিং জাল দিয়ে মাছ শিকারের ফলে জলজ জীব বৈচিত্র্য নষ্ট হবার পাশাপাশি মাছের বংশ বৃদ্ধি হার আশংকাজনক ভাবে কমে যাচ্ছে । এই জালে মাছ, মাছের বাচ্চা বা পোনা এমনকি মাছের ডিমও উঠে আসে। চায়না রিং জালে একবার ধরা পড়লে মাছ আর বের হতে পারে না, অনেক বিপন্ন প্রজাতির মাছ ও জলজ প্রাণীও মারা পড়ে। ফলে এদের বংশ বৃদ্ধি ঝুকিপূর্ণ হয়ে পেেড় ও জলজ জীব বৈচিত্য ক্ষতিসাধন হচ্ছ।

পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

সর্বাধিক পঠিত