Connect with us

ঢাকা

রায়পুরায় চেয়ারম্যান পদে একমাত্র নারী প্রার্থী লাইলা কানিজ

Avatar of author

Published

on

চেয়ারম্যান

নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে একমাত্র নারী প্রার্থী লাইলা কানিজ লাকী। তিনি টেলিফোন প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করছেন। প্রথম ধাপে ও দ্বিতীয় ধাপে নরসিংদীর ৪ টি উপজেলায় ২৪ জন চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হয়েছেন। তৃতীয় ধাপের নির্বাচনে রায়পুরা উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে ৫ জন প্রার্থী হয়েছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০২২ সালের ১৩ ডিসেম্বর মৃত্যুবরণ করেন তৎকালীন রায়পুরা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস ছাদেক। পরে উপজেলার চেয়ারম্যান পদটি শূন্য ঘোষণা করা হলে ওই পদে উপনির্বাচনে নৌকার প্রার্থী লায়লা কানিজ লাকি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিজয়ী হন। এর পর তিনি নরসিংদী জেলা আওয়ামী লীগের দুর্যোগ ও ত্রাণ বিষয়ক সম্পাদক পদ পান। তিনি রাজনীতিতে আসার আগে সরকারি তিতুমীর কলেজে শিক্ষকতা করতেন। শিক্ষকতা করা কালীন সময়েই লাইলা কানিজ মানবিক কাজ করে সুনাম ছড়িয়েছেন। ভূমিকা রেখেছেন মসজিদ-মাদ্রাসা, স্কুল- কলেজ নির্মাণে। সমাজের নিম্ন আয়ের মানুষের প্রয়োজনে, দূর্বিপাকে তিনি প্রসারিত করেছেন তার হাত। আগামী ২৯ মে অনুষ্ঠেয় রায়পুরা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে তিনি চেয়ারম্যান পদে একমাত্র নারী প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

এ নির্বাচনে লাইলা কানিজ লাকীর  প্রতিদ্বন্দ্বী হয়েছেন পাড়াতুলী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান  ও ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের আহবায়ক ফেরদৌস কামাল জুয়েল, নরসিংদী জেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা সদস্য আলী হোসেন দুলু,রায়পুরা উপজেলার সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান  ওয়াহেদুজ্জামান পনির ও সোলাইমান খন্দকার। এর মধ্যে জুয়েল আনারস, দুলু কাপপিরিচ, পনির মোটরসাইকেল, সোলাইমান দোয়াতকলম প্রতীক নিয়ে ভোট করছেন।

মতিউর নগর গ্রামের ভোটার শামসুন্নাহার বলেন,পাঁচজন প্রার্থী থেকে তিনজন প্রার্থী বর্তমানে একই রাজনৈতিক দলের নেতা। যে কারণে লড়াই হবে হাড্ডাহাড্ডি।

স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, স্থানীয় এমপি ও সাবেক মন্ত্রী রাজিউদ্দিন আহমেদ রাজুর হাত ধরে লাইলা কানিজ রাজনীতিতে আসেন। সাংসদের ঘনিষ্ঠ আশির্বাদ, সামাজিক কাজে সম্পৃক্ততা, শিক্ষাবান্ধব পরিচিতি তাকে রাজনীতিতে দ্রুতই শক্ত জায়গা করে দেন। রাজু এমপির সমর্থনযোগ্য হওয়ায় সাংসদের অনুসারী সকল দলীয় নেতাকর্মী, সকল ইউনিয়ন পরিষদ এর মেম্বার-চেয়ারম্যান লাইলা কানিজের হয়ে কাজ করছেন। এমপি পুত্র রাজিব আহমেদ পার্থ ভোটের মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন লাইলা কানিজের হয়ে। এমপিপুত্র পার্থর সক্রিয় ভূমিকা ভোটে পার্থক্য তৈরি করবে বলে জানান ভোটাররা।

Advertisement

লাইলা কানিজ লাকী বলেন, আমাকে মানুষ সব সময়ই কাছে পান। আল্লাহ আমাকে অনেক দিয়েছেন, রাজনীতিতে এসেছি মানুষের সেবা করতে। ভোট হলে নিশ্চিত পাস করব। কোনো ষড়যন্ত্র আমাকে হারাতে পারবে না। শুধু সুষ্ঠু নির্বাচন চাই।’

রায়পুরা উপজেলায় মোট ভোটার ৪ লাখ ৬৩ হাজার  ৯৩২জন। এর মধ্যে নারী ভোটার ২ লাখ ২৩ হাজার ৯২৫ জন, পুরুষ ভোটার ২ লাখ ৩৯ হাজার ৯৯৩ জন এবং হিজরা ভোটার ১৪ জন।

 

Advertisement

ঢাকা

গরু-মহিষ বোঝাই দু’টি ট্রলার ডুবি

Published

on

মানিকগঞ্জের শিবালয় উপজেলায় দু’টি ট্রলারের মুখোমুখি সংঘর্ষে ২০টি গরু ও ২টি মহিষ নিয়ে ট্রলার ডুবির ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় ট্রলারে থাকা ২টি গরু নিখোঁজ থাকলেও বাকি গরু-মহিষসহ ট্রলার চালক ও ব্যাপারীরা সবাই জীবিত উদ্ধার হয়েছে।

শুক্রবার (১৪ জুন) বেলা সাড়ে ১২টার দিকে বিষয়টি গণমাধ্যমে নিশ্চিত করেছেন শিবালয় থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুল রউফ সরকার। এর আগে গত বৃহস্পতিবার (১৩ জুন) দিবাগত রাত ১২টার দিকে উপজেলার আরিচা লঞ্চ ঘাটের দেড় কিলোমিটার পশ্চিমে যমুনা নদীতে এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার রাত আনুমানিক সাড়ে ৭টার দিকে মো. আফজাল হোসেন তার ট্রলারে ২০টি গরু ২টি মহিষ নিয়ে কাজিরহাট থেকে আরিচায় নদীপথে রওনা করেন। নদীর মাঝ পথে হঠাৎ গরু বোঝাই ট্রলারের ইঞ্জিন বিকল হয়ে পড়ে। সে কারণে নদীর স্রোতের সঙ্গে ট্রলারটিকে চালিয়ে কিনারে আসতে থাকে। আরিচা লঞ্চ ঘাট থেকে প্রায় দেড় কিলোমিটার পশ্চিমে যমুনা নদীতে হঠাৎ সামনের দিক থেকে আসা আরেকটি খালি ট্রলার রাতের অন্ধকারে গরু বোঝাই ট্রলারের সঙ্গে সজোরে সংঘর্ষ হয়। এবং খালি ট্রলারের সামনের অংশের বেশি পরিমাণ গরু বোঝাই করা ট্রলারের ওপর উঠে যায়।

সংবাদ পেয়ে শিবালয় থানা পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস, গরু-মহিষ ও ট্রলারে থাকা মানুষদের উদ্ধার করেন। এ ঘটনায় ২টি গরু নিখোঁজ রয়েছে বলে জানান ব্যাপারীরা।

শিবালয় থানার (ওসি) আব্দুল রউফ সরকার বলেন, নিখোঁজ দু’টি গরুর সঠিক কোনো তথ্য দিতে পারছে না ব্যাপারীরা। আমরা তাদের কথা অনুযায়ী গরু ২টির উদ্ধারের চেষ্টা করছি।

Advertisement

এএম/

পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

ঢাকা

টাঙ্গাইল মহাসড়কে উল্টে গেছে ট্রাক, যানবাহনের ধীরগতি

Published

on

মালবাহী একটি ট্রাক উল্টে গেছে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে। এর ফলে বঙ্গবন্ধু সেতুর উত্তরবঙ্গগামী লেনে দেখা গেছে যান চলাচলের ধীরগতি। ঈদে ঘরে ফেরা মানুষের জন্য ভোগান্তি সৃষ্টি করেছে এই পরিবেশ। শুক্রবার (১৪ জুন) ভোরের দিকে কালিহাতী উপজেলার পুংলী এলাকায় ট্রাকটি উল্টে যায়।

ঘরমুখো মানুষের ভিড় রাস্তায়। ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের এলেঙ্গা থেকে ঘারিন্দা আন্ডারপাস পর্যন্ত স্বাভাবিক যান চলাচলে সমস্যা হচ্ছে। এলেঙ্গা হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মীর সাজেদুর রহমান জানিয়েছেন, ভো‌রে এক‌টি মালবাহী ট্রাক সড়‌কে উল্টে যায়। ট্রা‌কে থাকা বস্তাগু‌লো সড়‌কে ছড়ি‌য়ে-ছি‌টি‌য়ে প‌ড়ায় কিছ‌ু সময় প‌রিবহন চলাচল বন্ধ ছিল উত্তরবঙ্গগামী লে‌নে। ত‌বে সা‌র্ভিস লেন চালু ছিল। ‌ক্ষতিগ্রস্ত ট্রাক‌টি স‌রি‌য়ে নেওয়া হয়েছে।

টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার জানান, ঈদযাত্রা যানজটমুক্ত ও নির্বিঘ্ন করতে মহাসড়কে প্রায় ৮০০ পুলিশ সদস্য নিরলস পরিশ্রম করছে। গত কয়েক বছর এ মহাসড়ক দিয়ে ভোগান্তিমুক্ত ঈদযাত্রা করেছে মানুষ।

ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের বঙ্গবন্ধু সেতু দিয়ে উত্তরবঙ্গ ও ময়মনসিংহের প্রায় ২২ জেলায় যানবাহন যাতায়াত করে। প্রায় প্রতি ঈদেই যানবাহনের অতিরিক্ত চাপে এখানে অনেকখানি যানজট দেখা যায়।

 

Advertisement

এম/এইচ

পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

ঢাকা

সেফটিক ট্যাংকে নেমে ২ পরিচ্ছন্নতাকর্মীর মৃত্যু

Published

on

শরীয়তপুরের ডামুড্যাতে সেফটিক ট্যাংক পরিষ্কারে নেমে দুই পরিচ্ছন্নতাকর্মীর মৃত্যু হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৩ জুন) দিবাগত রাত দেড়টার দিকে উপজেলার দারুল আমান ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তর ডামুড্যা এলাকার কবির সরদারের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

মৃতরা হলেন- বগুড়ার সোনাতলা থানার পশ্চিম টেকানী এলাকার দুলু শেখের ছেলে মালেক শেখ (৪৫) ও পূর্ব টেকানী এলাকার আফসার বেপারীর ছেলে লিটন বেপারী (৩৫)।

স্থানীয়রা জানান, কবির সরদারের বাড়ির সেফটিক ট্যাংক পরিষ্কারের জন্য মালেক ও লিটন নামের দুই পরিচ্ছন্নতাকর্মীকে (সুইপার) ১০ হাজার টাকা চুক্তিতে নিয়ে আসা হয়। বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে তারা ট্যাংকের ভেতরে পাইপ বসিয়ে ময়লা অপসারণ করছিলেন। এসময় লিটন ট্যাংকের ভেতরে নামলে হঠাৎ করেই নিচে লুটিয়ে পড়ে যায়। পরে তাকে উদ্ধারে অপর শ্রমিক মালেক শেখ নামলে তিনিও আর উপরে উঠে আসেননি। তাদের সাড়া না পেলে ফায়ার সার্ভিসে খবর দেন বাড়ির লোকজন। ফায়ারসার্ভিসের কর্মীরা এসে দুজনকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।

ডামুড্যা ফায়ার সার্ভিসের টিম লিডার প্রদীপ কীর্তনীয়া বলেন, সেপটিক ট্যাংকের ভেতর প্রচুর বিষাক্ত গ্যাস ছিল। আমরা গ্যাস অপসারণ করে ভিকটিম দুজনকে উদ্ধার করি।

Advertisement

বিষয়টি নিশ্চিত করে ডামুড্যা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এমারত হোসেন বলেন, ময়নাতদন্তের জন্য দুই মরদেহ মর্গে পাঠানো হয়েছে। ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জেএইচ

পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

সর্বাধিক পঠিত