Connect with us

রংপুর

১ টাকায় ১০ টি পরিবেশ বান্ধব পাখা বিক্রি

Avatar of author

Published

on

কুড়িগ্রাম জেলার প্রত্যন্ত চরাঞ্চলের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এক টাকার বিনিময়ে ১০টি পরিবেশ বান্ধব পাখা উপহার দিচ্ছে স্বেচ্ছাসেবী সামাজিক সংগঠন ফাইট আনটিল লাইট (ফুল)। তীব্র গরমে স্কুলের শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার ভোগান্তি দূর ও পাঠদানের সুবিধার্থে এমন ব্যতিক্রম উদ্যোগ নেয় সংগঠনটি।

রোববার (১৯ মে) দুপুরে কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার পাঁচগাছি ইউনিয়নের আরাজী কদমতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের হাতে এসব পাখা তুলে দেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হাসিনা আক্তার বানু এবং ফুলের নির্বাহী পরিচালক মো. আব্দুল কাদের।

ফুল শিক্ষা স্বাস্থ্য ও অসহায় বাবা মায়ের মুখে হাসি ফোটাতে প্রায় দুই যুগ ধরে কাজ করে আসছে।চরাঞ্চলের শতাধিক বিদ্যালয়ে এক টাকায় খাতা কলম বিক্রি করে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় তীব্র তাপদাহে শিক্ষার্থীর ভোগান্তি ও কষ্টের কথা চিন্তা করে চরাঞ্চলের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এক টাকার বিনিময় ১০টি করে পরিবেশ বান্ধব পাখা বিক্রি করা হয়।

হাত পাখা পেয়ে শিক্ষার্থী আকলিমা খাতুন বলেন, আমাদের স্কুলে বিদ্যুৎ সব সময় থাকে না। গরমে ক্লাসের বই খাতা নিয়ে শরীরে বাতাস করতে হয়।এতে বই খাতা নষ্ট হয়ে যায়। আজ ফুল সংগঠনের পরিবেশ বান্ধব হাত পাখা পাইলাম।আমাদের আর কষ্ট হবে না।

আরেক শিক্ষার্থী রাজু আহমেদ বলেন,গত কয়েক দিন ধরে প্রচুর গরম। কারেন্ট ঠিক মত থাকে না।খুব কষ্ট হয়।আজ ফুলের পরিবেশ বান্ধব পাখা পেয়ে খুব ভালো লাগলো।

Advertisement

আরাজী কদমতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হাসিনা আক্তার বানু বলেন, এ অঞ্চলে পল্লি বিদ্যুৎ সব সময় থাকে না। ফলে তীব্র গরমে স্কুলের বাচ্চাদের কষ্ট হতো। হাতে যা পাই তা দিয়ে গরম নিবারণের চেষ্টা করি। ফুল সংগঠন চরাঞ্চলের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এক টাকায় ১০টি পরিবেশ বান্ধব পাখা বিক্রি করছে। আমি স্কুলের শিক্ষার্থীদের জন্য ২ টাকায় ২০ টি হাত পাখা কিনলাম। যা বাইরে দোকান থেকে প্রায় ৬ শত টাকায় কিনতে হতো। এখন বাচ্চাদের তেমন ভোগান্তিতে পড়তে হবে না। এমন উদ্যোগ নেয়ার জন্য ফুলকে ধন্যবাদ জানাই। তাদের এ কাজ গুলো অব্যাহত থাকুক।

ফাইট আনটিল লাইট (ফুল) এর নির্বাহী পরিচালক আব্দুল কাদের বলেন, ফুল একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন। মানুষের কল্যাণে সবসময় কাজ করার চেষ্টা করছে। আমরা চরাঞ্চলের শিক্ষার্থীদের কথা চিন্তা করে সপ্তাহ ব্যাপী পরিবেশ বান্ধব পাখা বিক্রির উদ্যোগ নিয়েছি। আগামীতেও এ ধারা অব্যাহত থাকবে বলে জানান তিনি।

এএম/

Advertisement

অপরাধ

মাদকসহ এক নারী কারবারি গ্রেপ্তার

Published

on

কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীতে মাদক বিরোধী অভিযান চালিয়ে হ্যাপি গোল্ড ও কিং ফিসার ৭৭ বোতল বিদেশি মদসহ মাদক কারবারি জান্নাতী বেগমকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে ওই নারীর বিরুদ্ধে মাদক নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করে।

শনিবার (১৫ জুন) দুপুরে অভিযুক্ত ওই নারীকে কুড়িগ্রাম কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে।

শনিবার দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করে নাগেশ্বরী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রূপ কুমার সরকার জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শুক্রবার গভীর রাতে উপজেলার রামখানা ইউনিয়নের ভায়ালটারী গ্রামের মাদক কারবারি জান্নাতী বেগমের বসতঘরের খাটের নিচে লুকানো হ্যাপি গোল্ড ও কিং ফিসার নামের ৭৭ বোতল বিদেশি মদসহ গ্রেপ্তার করা হয়।

এ বিষয়ে কুড়িগ্রাম জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মিডিয়া) মো. রুহুল আমিন বলেন, গ্রেপ্তার মাদক কারবারির নাগেশ্বরী থানায় একটি মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা রুজু করা রয়েছে। সেই সাথে কুড়িগ্রাম জেলায় মাদক নির্মূল করার লক্ষ্যে আমাদের এই মাদক বিরোধী অভিযান অব্যাহত থাকবে।

এএম/

Advertisement
পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

রংপুর

পাহাড়ি ঢলে পানি বাড়ছে তিস্তার

Published

on

তিস্তা ব্যারাজের ৪৪টি জলকপাট খুলে দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। পাহাড়ি ঢলে পানি বেড়ে বিপৎসীমার কাছাকাছি প্রবাহিত হওয়ায় শঙ্কায় রয়েছেন নদী তীরবর্তী মানুষ।

শনিবার (১৫ জুন) সকাল ৬টায় কাউনিয়া পয়েন্টে তিস্তার পানি ছিল বিপৎসীমার মাত্র তিন সেন্টিমিটার নিচে। ডালিয়া পয়েন্টেও মাত্র তিন সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

রংপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রবিউল ইসলাম জানিয়েছেন, গতকাল বিকেল ৩টায় কাউনিয়া পয়েন্টে তিস্তার পানি ছিল বিপৎসীমার ২৮ দশমিক ৬৩ সেন্টিমিটার নিচে। শুক্রবার (১৪ জুন) দুপুর ১২টায় ডালিয়া পয়েন্টে তিস্তার পানি ছিল বিপৎসীমার ২৮ দশমিক ৪৬ সেন্টিমিটার নিচে।

কাউনিয়া উপজেলার বালাপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আনছার আলী জানান, ‘গতকাল ভোর থেকে তিস্তার পানি হু হু করে বাড়ছে। বর্ষার আগে তিস্তায় পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় তীরবর্তী ও চরাঞ্চলের মানুষের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘এ সময় বন্যা হলে নদীপাড়ের মানুষেরা ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। নদী তীরবর্তী আবাদি জমিগুলো তলিয়ে গেলে বাদাম ও শাক-সবজির ক্ষতি হবে।’

Advertisement

কাউনিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মহিদুল হক বলেন, ‘কেউ যাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হয় সে জন্য সব ধরনের আগাম প্রস্তুতি নেয়া আছে। স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সব সময় নদীপাড়ের পরিস্থিতির খোঁজখবর রাখতে বলা হয়েছে।’

টিআর/

পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

জনদুর্ভোগ

খুলে দেয়া হলো তিস্তার ৪৪ জলকপাট, নদীপাড়ে আতঙ্ক

Published

on

টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলের কারণে ডালিয়ায় তিস্তা ব্যারাজের ৪৪টি জলকপাট খুলে দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। পানি বিপৎসীমার কাছাকাছি প্রবাহিত হওয়ায় নদীপাড়ে আতঙ্ক বিরাজ করছে। এসময় বন্যা হলে নদীপাড়ের মানুষেরা ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। পাশাপাশি নদীর তীরবর্তী আবাদি জমিগুলো তলিয়ে বাদাম ও শাক-সবজিসহ উঠতি বিভিন্ন ফসলের ক্ষতি হবে।

রংপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্য মতে, সন্ধ্যা ৬ টায় কাউনিয়া পয়েন্টে ২৮ দশমিক ৭০ সেন্টিমিটার পানি প্রবাহ রেকর্ড করা হয়। ফলে দশমিক পাঁচ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে তিস্তা নদীর পানি। বিকেল ৩টায় ২৮ দশমিক ৬৩ সেন্টিমিটার, ভোর ৬ টায় ২৮ দশমিক ৪০ সেন্টিমিটার ও সকাল ৯টায় ২৮ দশমিক ৫০ সেন্টিমিটার ও দুপুর ১২ টায় ২৮ দশমিক ৫৫ সেন্টিমিটার।

অপরদিকে একইদিন বিকেল ৩ টায় দেশের বৃহত্তম সেচ প্রকল্প তিস্তা ব্যারাজের ডালিয়া পয়েন্টে তিস্তার পানিপ্রবাহ রেকর্ড করা হয়েছে ৫১ দশমিক ৩০ সেন্টিমিটার। যা বিপৎসীমার দশমিক ৮৫ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এর আগে এ পয়েন্টে সকাল ৬টায় ৫১ দশমিক ৭৫ সেন্টিমিটার, সকাল ৯টায় ৫১ দশমিক ৬০ সেন্টিমিটার ও দুপুর ১২টায় ২৮ দশমিক ৪৬ সেন্টিমিটার পানির প্রবাহ রেকর্ড করা হয়।

কাউনিয়া উপজেলার বালাপাড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আনছার আলী গণমাধ্যমে জানান, ভোর থেকে তিস্তার পানি হুহু করে বাড়ছে। বর্ষার আগে তিস্তায় পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় তীরবর্তী ও চরাঞ্চল গ্রামের মানুষদের মাঝে কিছুটা আতঙ্ক বিরাজ করে। এসময় বন্যা হলে নদীপাড়ের মানুষেরা ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। পাশাপাশি আবাদি জমিগুলো তলিয়ে উঠতি বিভিন্ন ফসলের ক্ষতি হবে।

রংপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রবিউল ইসলাম গণমাধ্যমে বলেন, বৃহস্পতিবার বিকেল থেকে ডালিয়া পয়েন্টে তিস্তায় পানি বাড়তে থাকে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ব্যারাজের ৪৪ গেটই খুলে রাখা হয়েছে। শুক্রবার বিকেলে ডালিয়া পয়েন্টে তিস্তার পানি কিছুটা কমতে শুরু করেছে। তবে ভাটিরদিকে রংপুর জেলার কাউনিয়া পয়েন্টে তিস্তার পানি বিপদসীমার কাছ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তাই ভাটির অঞ্চলে সার্বক্ষণিক নদীপাড়ের পরিস্থিতির খোঁজখবর রাখা হচ্ছে।

Advertisement

কাউনিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মহিদুল হক বলেন, বন্যার এখন পর্যন্ত আভাস পাওয়া যায়নি। তবে বন্যায় যাতে কেউ ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সে বিষয় সরকারিভাবে সব ধরনের আগাম প্রস্তুতি নেয়া আছে।
এএম/

পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

সর্বাধিক পঠিত