Connect with us

এশিয়া

লাখো মানুষের শ্রদ্ধায় রাইসির শেষ বিদায়

Avatar of author

Published

on

লাখো মানুষের ঢল নেমেছে ইরানের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর তাবরিজে। প্রিয় নেতাকে শেষ বিদায় জানাতে কেন্দ্রীয় স্কয়ার থেকে হেঁটে রওনা হন লাখো ইরানি। সদ্য প্রয়াত ইরানের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসি, দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী হোসেন আমির-আব্দোল্লাহিয়ান ও অন্যান্য সহযাত্রীদের দাফন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

মঙ্গলবার (২১ মে) এ তথ্য দিয়ে ইরানের সংবাদমাধ্যম মেহের জানিয়েছে, সকালে ইরানের তাবরিজ শহরে নিহতদের জানাজা হয়েছে। প্রেসিডেন্ট রাইসি ও তার সাত সহযাত্রীর দাফনে যোগ দিতে শহরটিতে জড়ো হয়েছেন তারা। এ সময় তাদের হাতে ছিল ইরানের পতাকা ও প্রয়াত প্রেসিডেন্টের ছবি।

প্রসঙ্গত, রোববার (১৯ মে) আজারবাইজানের সীমান্তের কাছে দুটি বাঁধ উদ্বোধন করেন প্রেসিডেন্ট রাইসি। এরপর হেলিকপ্টারে চড়ে ইরানের উত্তর-পশ্চিমের তাবরিজ শহরের দিকে যাচ্ছিলেন তিনি। কিন্তু তাবরিজ থেকে ৫০ কিলোমিটার দূরে ইরানের পূর্ব আজারবাইজান প্রদেশের জোলফা এলাকার কাছে দুর্ঘটনার কবলে পড়ে হেলিকপ্টারটি।

পরদিন সোমবার রাইসিকে বহনকারী হেলিকপ্টারটির ধ্বংসাবশেষের সন্ধান মেলে। দুর্ঘটনা কবলিত হেলিকপ্টারটি বেল ২১২ মডেলের বলে জানানো হয়েছে ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমে। ১৯৬০ সালে একটি মার্কিন কোম্পানি দুই ব্লেডের এই মডেলটি তৈরি করেছিল কানাডিয়ান সেনাবাহিনীর জন্য।

আজারবাইজান প্রদেশের গভর্নর মালেক রহমাতি, পূর্ব আজারবাইজানে ইরানের সর্বোচ্চ নেতার প্রতিনিধি মোহাম্মদ আলি আলে-হাশেম ও প্রেসিডেন্ট গার্ডের প্রধান মেহেদি মুসাভি ছিলেন হেলিকপ্টারটিতে। এ ছাড়া হেলিকপ্টারের পাইলট, কো-পাইলট ও ক্রুও মারা গেছেন।

Advertisement

একাধারে রাজনীতিবিদ ও বিচারক ইব্রাহিম রাইসি ছিলেন বিশ্ব রাজনীতিতে অন্যতম প্রভাবশালী নেতাদের একজন। ইব্রাহিম রাইসি ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির ঘনিষ্ঠজন হিসেবেও পরিচিত। প্রেসিডেন্ট হওয়ার আগে দেশটির প্রধান বিচারপতি হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন তিনি। তার কারণেই দেশটিতে মৃত্যুদণ্ডের সংখ্যা কমেছে।

তিন বছর আগে ইরানের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার আগে মনে করা হয়েছিল একদিন দেশটির সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ খামেনির উত্তরসূরি হবেন ইব্রাহিম রাইসি।

ইব্রাহিম রাইসির জন্ম ১৯৬০ সালের ১৪ ডিসেম্বর উত্তর-পূর্ব ইরানের পবিত্র শহর মাশহাদে। মাত্র ২০ বছর বয়সে তিনি তেহরানের পার্শ্ববর্তী শহর কারাজের প্রসিকিউটর-জেনারেল নিযুক্ত হন। ১৯৮৯ থাকে ১৯৯৪ সাল পর্যন্ত তেহরানের প্রসিকিউটর-জেনারেলের দায়িত্ব পালন করেন রাইসি। ২০০৪ সাল থেকে তিনি এক দশক জুডিশিয়াল অথোরিটির উপপ্রধানের দায়িত্ব পালন করেন। ২০১৯ সালে তাকে বিচার বিভাগের প্রধান নিযুক্ত করেন দেশটির সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ খামেনি।

প্রেসিডেন্ট রাইসি পরবর্তীতে ৮৮ সদস্যের বিশেষজ্ঞ সভার উপচেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা নির্বাচনসহ বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করে এ সভা। ২০২১ সালে দ্বিতীয় দফার নির্বাচনে ইরানের অষ্টম প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন তিনি।

টিআর/

Advertisement
Advertisement

এশিয়া

সৌদিতে চালু হলো চালক বিহীন উড়ন্ত ট্যাক্সি

Published

on

এবারের হজে যাত্রীদের পরিবহনে চালক বিহীন উড়ন্ত ট্যাক্সির উদ্বোধন করেছে সৌদি আরব। পবিত্র নগরী মক্কায় যাত্রীদের পরিসেবায় এই ইলেকট্রিক উড়ন্ত ট্যাক্সি ব্যবহৃত হবে। এর মাধ্যমে জরুরি ভিত্তিতে মেডিকেল উপকরণ সরবরাহ করা হবে। এছাড়া পাঠানো হবে পণ্য।

দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের (এসপিএ) প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৩ জুন) আরব নিউজের প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা যায়।

সৌদির ট্রান্সপোর্ট ও লজিস্টিক সার্ভিসেস মন্ত্রী সালেহ বিন নাসের আল-জাসের বলেন, বিশ্বে এই প্রথম এ ধরনের উড়ন্ত ট্যাক্সির লাইসেন্স দিয়েছে সিভিল এভিয়েশন কর্তৃপক্ষ।

বুধবার (১২ জুন) এ যানটি উদ্বোধন করা হয়। এটি উদ্বোধনের সময় সিভিল এভিয়েশনের জেনারেল প্রেসিডেন্ট আব্দুল আজিজ আল দুয়াইলেজ, ট্রান্সপোর্ট ও লজিস্টিক সার্ভিসেস মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী রুমিয়াহ আল-রুমিসহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন। এ সময় তারা চালকবিহীন উড়ন্ত ট্যাক্সির উড্ডয়ন প্রত্যক্ষ করেন।

Advertisement

উদ্বোধন অনুষ্ঠানে মন্ত্রী সালে বিন নাসের আল জাসের বলেন, আগামী দিনের যোগাযোগের যানবাহন উদ্বোধন করা হলো। এটি পরিবেশ বান্ধব এবং এতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা যুক্ত করা হয়েছে।

নতুন এই যানবাহন উদ্বোধনের ফলে যাত্রী পরিবহনে সময় কমবে। এছাড়া জরুরি প্রয়োজনে মেডিকেল সুবিধা এবং পণ্য সরবরাহ করা যাবে। এ বছর হজ যাত্রীদের সেবায় প্রযুক্তি সম্বলিত ৩২ সুবিধা যুক্ত করার মধ্যে এই এয়ার ট্যাক্সি অন্যতম।

টিআর/

পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

এশিয়া

জম্মু-কাশ্মীরে সেনা ঘাঁটিতে হামলা, পাঁচ সেনাসহ আহত ৬

Published

on

ভারতের জম্মু ও কাশ্মীরের দোদারের একটি সেনা ঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছে বিচ্ছিন্নতাবাদীরা। এতে পাঁচ সেনা ও একজন বিশেষ পুলিশ কর্মকর্তা (এসপিও) আহত হয়েছেন।

বুধবার (১২ জুন) রাতে এ হামলার ঘটনা ঘটে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির দেয়া প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা যায়।

এডিটিভির খবরে বলা হয়েছে, এই নিয়ে গত তিনদিনে কাশ্মীরে তিনবার সন্ত্রাসীরা হামলা চালিয়েছে। তিন দিন আগে রিয়াসিতে তীর্থযাত্রীদের বহনকারী একটি বাসে গুলি চালায় সন্ত্রাসবাদীরা। ওই সময় বাসচালক নিয়ন্ত্রণ হারালে বাসটি একটি গিরিখাদে পড়ে যায়। এতে ৯ জন নিহত হন, যাদের সবাই তীর্থযাত্রী ছিলেন। আর দোদারে হামলার কয়েক ঘণ্টা আগে কাথুয়ায় বিচ্ছিন্নতাবাদীদের হামলায় একজন নিহত ও দুইজন আহত হন।

জম্মু জোনের পুলিশের অতিরিক্ত মহাপরিচালক আনন্দ জৈন, দোদার চত্তরগোলার সেনা ঘাঁটিতে গভীর রাতে পুলিশ এবং রাষ্ট্রীয় রাইফেলসের একটি যৌথ দলের ওপর গুলি ছোড়ে বিচ্ছিন্নতাবাদীরা। এরপর নিরাপত্তা বাহিনী এবং বিচ্ছিন্নতাবাদীদের মধ্যে গোলাগুলি শুরু হয়।

টিআর/

Advertisement
পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

এশিয়া

ঘরের টাকা চুরি করায় ছেলেকে হত্যা করলেন মা

Published

on

মাত্র ৯ বছর বয়সেই মায়ের অবাধ্য হয়েছে সন্তান। পড়াশোনা ঠিকমতো করে না আবার ঘর থেকে করে টাকা চুরি। মায়ের অশান্তির কারণ হয়ে ওঠায় নিজের সন্তানকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করলেন মা। এ ঘটনায় ওই মা কে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার (১১ জুন) ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য ত্রিপুরার আগরতলায় ঘটনাটি ঘতে বলে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি।

প্রতিবেদনে বলা হয়, অভিযুক্ত ওই নারীর নাম সুপ্রভা বাল। তিনি তার এই ছেলের সঙ্গে একাই থাকতেন। অভিযুক্ত সুপ্রভা তার দায় স্বীকার করেছেন এবং হত্যাকাণ্ডের  পর পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালে তাকে তার ছেলের মরদেহের কাছে বসে থাকতে দেখে।

পুলিশ জানায়, ওই নারী একটি নির্মাণ সাইটে দিনমজুর হিসেবে কাজ করেন। তার স্বামী নিখোঁজ এবং তার মেয়েও বিবাহিত। আর তাই তিনি নিজের ছেলের সঙ্গেই থাকতেন এবং তাকে লালন-পালন করতেন।

অপরাধ স্বীকার করে ওই নারী বলেন, ছেলের এসব কর্মকাণ্ডের কারণে তিনি কাজ করতে যেতে পারতেন না বা শান্তিতে থাকতেও পারতেন না। তাই তিনি তাঁর সন্তানকে হত্যা করেছেন এবং এর জন্য জেলে যেতেও তিনি প্রস্তুত।

Advertisement

প্রসঙ্গত, পুলিশ তার বাড়ি থেকে এক টুকরো দড়ি এবং একটি বাঁশের লাঠি উদ্ধার করেছে যেগুলো হত্যায় ব্যবহৃত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

আই/এ

পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

সর্বাধিক পঠিত