Connect with us

চট্টগ্রাম

দুই সন্তানের মৃত্যু, শোকে মূর্ছা যাচ্ছেন মা

Avatar of author

Published

on

লক্ষ্মীপুর  সদর উপজেলায় পুকুরের পানিতে ডুবে নাফিজা মোবারক মাদিহা (৮) ও মো. ওমর (৫) নামের দুই ভাই-বোনের মৃত্যু হয়েছে। নিহত নাফিজা স্থানীয় ফাতেমা আইডিয়াল স্কুলের প্রথম শ্রেণির ছাত্রী ও ওমর প্লে শাখার ছাত্র ছিল।

মঙ্গলবার (২১ মে) দুপুরে সদর উপজেলার ভবানীগঞ্জ ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের কামালপুর গ্রামে ঘটনা ঘটে বলে গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন ভবানীগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের ১ নম্বর ওয়ার্ডের মেম্বার খুরশিদ আলম।

স্থানীয়রা জানান, পুকুর ঘাটে গেলে শিশু ওমর পা পিছলে পানিতে পড়ে যায় । এসময় ভাইকে বাঁচানোর জন্য নাফিজাও পানিতে নামে। এতে দুজনই পানিতে ডুবে যায়। পরে ওমর ও নাফিজাকে উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।

এদিকে দুই সন্তানকে হারিয়ে তাদের মা-বাবাসহ স্বজনদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। একসঙ্গে দুই সন্তান হারানোর শোকে বারবার মূর্ছা যাচ্ছেন মা।

আই/এ

Advertisement
Advertisement

চট্টগ্রাম

নিত্যপণ্য নিয়ে কক্সবাজার থেকে সেন্টমার্টিন যাচ্ছে জাহাজ

Published

on

ভোগ্য ও নিত্য প্রয়োজনীয় চাল, ডাল, পেঁয়াজ, তেলসহ নানা ধরনের পণ্য নিয়ে সেন্টমার্টিনের উদ্দেশ্যে যাত্রা করেছে বার আউলিয়া নামে একটি জাহাজ। এটি বঙ্গোপসাগর দিয়ে টেকনাফ পৌঁছে ঘোলারচর হয়ে সেন্টমার্টিন পৌঁছাবে। পণ্য সামগ্রীর পাশাপাশি কক্সবাজারে আটকা পড়া সেন্টমার্টিনের ২ শতাধিক বাসিন্দাও এই জাহাজে করে ফিরছেন

শুক্রবার (১৪ জুন) দুপুরে কক্সবাজার শহরের নুনিয়ারছড়া বিআইডব্লিউটিএ ঘাট থেকে জাহাজটি যাত্রা করে। জাহাজটিতে করে কিছু সংখ্যক যাত্রীও গেছেন। কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. ইয়ামিন হোসেন জানান, দ্বীপের ব্যবসায়ীদের সঙ্গে সমন্বয় করে জাহাজটি পাঠানো হয়েছে।

এদিকে আজ সকাল ১০টায় বিআইডব্লিউটিএ ঘাটে গিয়ে দেখা যায়, এমভি বার আউলিয়া জাহাজে তোলা হচ্ছে চাল, ডাল, পেঁয়াজসহ নানা ধরনের ভোজ্যপণ্য। একই সঙ্গে কক্সবাজারের বিভিন্ন জায়গায় আটকে পড়া সেন্টমার্টিনের বাসিন্দারাও জড়ো হচ্ছেন নিজ এলাকায় ফেরার জন্য।

সেন্টমার্টিন দ্বীপের ব্যবসায়ী জসিম উদ্দিন বলেন, চাল, ডাল, তেল, লবণ, কাঁচা শাক-সবজি সবকিছুই শেষ হয়ে গেছে অনেক আগে। আজ এসব খাদ্যপণ্য নিয়ে যাচ্ছি।

জাহাজটির কক্সবাজারের প্রতিনিধি হোসাইন ইসলাম জানান, মিয়ানমার সীমান্ত থেকে সেন্টমার্টিন দ্বীপে যাতায়াতকারী নৌযান লক্ষ্য গুলিবর্ষণের কারণে নৌযান বন্ধ থাকায় দ্বীপে খাদ্যপণ্য সংকট হচ্ছে। গত বুধবার প্রশাসনের সিদ্ধান্তের প্রেক্ষিতে জাহাজটি পণ্য নিয়ে দ্বীপে যাচ্ছে। এটি প্রশাসন যতদিন চলাচল করতে বলবেন ততদিন যাত্রা করবে।

Advertisement

সেন্টমার্টিন ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান বলেন, এক সপ্তাহ সেন্টমার্টিন নৌরুটে জাহাজসহ সব ধরনের নৌযান চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে। ফলে দ্বীপটিতে খাদ্য ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের সংকট দেখা দিয়েছে। অবশেষে জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় কক্সবাজার থেকে খাদ্যপণ্য নিয়ে জাহাজ আসছে। একই সঙ্গে কক্সবাজারে আটকে পড়া বাসিন্দারাও ফিরছেন।

টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আদনান চৌধুরি জানান, গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুর ১টার দিকে সেন্টমার্টিন দ্বীপের জেটি ঘাট থেকে ৩টি ট্রলারযোগে বিজিবি ও কোস্টগার্ড সদস্যদের নিরাপত্তায় অন্তত তিন শতাধিক মানুষ টেকনাফের উদ্দেশে যাত্রা করেন। বিকাল ৩টার দিকে ট্রলারগুলো টেকনাফের মুন্ডারডেইল সাগর উপকূলে পৌঁছে। কিন্তু সাগরের প্রতিকূল পরিস্থিতির কারণে এসব ট্রলার থেকে লোকজনকে সরাসরি কুলে ওঠানো সম্ভব হচ্ছিল না। পরে কয়েকটি ডিঙি নৌকা করে তাদের কুলে আনা হয়।

এএম/

পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

চট্টগ্রাম

সেন্টমার্টিন যেতে মুন্ডার ডেইল ঘাটে মানুষের ভিড়

Published

on

সেন্টমার্টিন

কক্সবাজারের টেকনাফে সাবরাং মুন্ডার ডেইল ঘাটে ৪ শতাধিক মানুষ সেন্টমার্টিন যেতে অবস্থান নিয়েছে। তারা গেলো আট দিন ধরে টেকনাফে আটকা ছিলেন।

বৃহস্পতিবার (১৩ জুন) টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ আদনান চৌধুরী গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, আজ বেলা ৩টার দিকে সেন্টমার্টিন থেকে যাওয়া ট্রলার ৩টি টেকনাফের মুন্ডার ডেইল ঘাটে পৌঁছায়। ওই ট্রলারে করে এসব মানুষ সেন্টমার্টিনে যাবে। তবে গভীর বঙ্গোপসাগর খুবই উত্তাল থাকায় সেন্টমার্টিনে ট্রলার যাওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। ট্রলার পারাপারে কয়েকজন আহত হওয়ার খবরও পাওয়া যাচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, বিকল্প পথে নৌযান চলাচল শুরু করা হয়েছে। গোলাগুলির কারণে নৌযান বন্ধ থাকায় বিপাকে পড়েছিলেন সাধারণ মানুষ। ধীরে ধীরে এটি স্বাভাবিক করা হচ্ছে।

এ বিষয় সেন্টমার্টিন ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান খোরশেদ আলম জানান, খুবই ঝুঁকিপূর্ণভাবে বঙ্গোপসাগর পাড়ি দিয়ে টেকনাফ মুন্ডার ডেইল ঘাটে যাচ্ছে মানুষ। সেখান থেকে ঘাট পার হতে দুর্ঘটনার শিকারও হচ্ছে এবং সাগর খুবই উত্তাল রয়েছে। তিনি এ ব্যাপারে দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করেছেন।

Advertisement

মায়ানমারের অভ্যন্তরে চলমান সংঘাতের প্রভাব পড়েছে টেকনাফ ও সেন্টমার্টিনে। বাংলাদেশি নৌযানে গোলাগুলির ঘটনার পর থেকে আট দিন ধরে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন ছিল সেন্টমার্টিন।

মূল ভূখণ্ড থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়ায় খাদ্য সংকটে পড়েছে দ্বীপের কমপক্ষে ১০ হাজার মানুষ। সারারাত ভারি গোলার বিকট শব্দে নির্ঘুম রাত কাটিয়েছেন সেন্টমার্টিন ও শাহপরীর দ্বীপ সীমান্তের মানুষেরা।

পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

চট্টগ্রাম

ছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার পর হত্যা, শিক্ষকের মৃত্যুদণ্ড

Published

on

মৃত্যুদণ্ড

পার্বত্য জেলা রাঙামাটিতে তৃতীয় শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে ধর্ষণচেষ্টা ও হত্যার দায়ে অংবাচিং মারমা প্রকাশ বামং (৪৬) নামের এক শিক্ষককে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার (১৩ জুন) সকালে রাঙামাটির নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এ ই এম ইসমাইল হোসেনের আদালত এ রায় প্রদান করেন।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালের ২ ফেব্রুয়ারি রাঙামাটির কাপ্তাই উপজেলার চন্দ্রঘোনা থানার বড়খোলা পাড়ার ৯ বছর বয়সী তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী মিতালী মারমা আসামি অংবাচিং মারমা প্রকাশ বামং’র বাসায় প্রাইভেট পড়তে যায়। অতিরিক্ত পড়ানোর কথা বলে তার সঙ্গে পড়তে যাওয়া অন্য শিক্ষার্থীদের ছুটি দিয়ে মিতালীকে রেখে দেন অংবাচিং মারমা। বাড়িতে অন্য কেউ না থাকার সুযোগ নিয়ে মিতালিকে ধর্ষণের চেষ্টা করেন তিনি। মিতালী ভয় পেয়ে চিৎকার শুরু করলে গলায় রশি পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়।

পরে ভুক্তভোগী বাড়ি না ফেরায় তার বাবা খোঁজে বের হন। তখন আসামি পড়া শেষ করে অন্য শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মিতালীকেও ছুটি দেন বলে জানান। আসামির আচরণ সন্দেহজনক মনে হওয়ায় মিতালীর বাবা স্থানীয়দের নিয়ে লুকিয়ে আসামির বাড়ি পাহারা দিতে থাকেন। পরের দিন ৩ ফেব্রুয়ারি ভোরে আসামি মিতালীর বস্তাবন্দি মরদেহ গুম করার উদ্দেশ্যে বাড়ির বাইরে আনলে বস্তাসহ স্থানীয়রা তাকে আটক করে।

এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়, ময়নাতদন্তে ধর্ষণের কোনো আলামত পাওয়া যায়নি।

Advertisement

আদালত সূত্রে জানা যায়, আসামির বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তাকে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড এবং দেড় লাখ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।

মিতালী চাকমার বাবা সাথুই অং মারমা বলেন, আমার মেয়েকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছিল, তার বিচার আমি পেয়েছি। আমি এই রায়ে সন্তুষ্ট। আর কোনো মা-বাবার বুক যাতে এভাবে খালি না হয়।

এ রায়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করে রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি সাইফুল ইসলাম বলেন, আমরা এই রায়ে সন্তুষ্ট। এই রায়ের ফলে সমাজে শিশুদের প্রতি অন্যায় ও অবিচারের প্রবণতা কমে আসবে।

অন্যদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবী মামুনুর রশীদ বলেন, আসামিপক্ষের আইনজীবী হিসেবে আমার এই রায়ের বিপক্ষে থাকার কথা। কিন্তু যেহেতু এটি একটি জঘন্যতম অপরাধ, তাই আমি মনে করি এই রায়ের ফলে সমাজে একটি শক্ত বার্তা পৌঁছাল। আসামির পরিবারের সঙ্গে আলোচনা করে উচ্চ আদালতে আপিলের সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

কেএস/

Advertisement
পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

সর্বাধিক পঠিত