Connect with us

রংপুর

গাইবান্ধায় পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু

Avatar of author

Published

on

শিশু

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে পানিতে ডুবে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। নিহত সাদিয়া আকতার (৭) মহিমাগঞ্জ ইউনিয়নের জগদীশপুর গ্রামের স্বাধীন মিয়ার মেয়ে। সে স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণীর শিক্ষার্থী

বৃহস্পতিবার (২৩ মে) দুপুরে উপজেলার কোচাশহর ইউনিয়নের আরজি শাহপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। কোচাশহর ইউপি চেয়ারম্যান জহুরুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

জানা গেছে, আজ দুপুরে বাড়ির উঠানে খেলা করছিল সাদিয়া। খেলতে খেলতে হঠাৎ করে বাড়ির পাশে অসাবধানতায় পানি ভর্তি একটি ডোবায় পড়ে যায়। স্থানীয়রা খোঁজাখুঁজির পর ডোবায় শিশুকে ভাসতে দেখেন। সেখান থেকে তারা উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত্যু ঘোষণা করেন।

 

Advertisement

রংপুর

পাহাড়ি ঢলে পানি বাড়ছে তিস্তার

Published

on

তিস্তা ব্যারাজের ৪৪টি জলকপাট খুলে দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। পাহাড়ি ঢলে পানি বেড়ে বিপৎসীমার কাছাকাছি প্রবাহিত হওয়ায় শঙ্কায় রয়েছেন নদী তীরবর্তী মানুষ।

শনিবার (১৫ জুন) সকাল ৬টায় কাউনিয়া পয়েন্টে তিস্তার পানি ছিল বিপৎসীমার মাত্র তিন সেন্টিমিটার নিচে। ডালিয়া পয়েন্টেও মাত্র তিন সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

রংপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রবিউল ইসলাম জানিয়েছেন, গতকাল বিকেল ৩টায় কাউনিয়া পয়েন্টে তিস্তার পানি ছিল বিপৎসীমার ২৮ দশমিক ৬৩ সেন্টিমিটার নিচে। শুক্রবার (১৪ জুন) দুপুর ১২টায় ডালিয়া পয়েন্টে তিস্তার পানি ছিল বিপৎসীমার ২৮ দশমিক ৪৬ সেন্টিমিটার নিচে।

কাউনিয়া উপজেলার বালাপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আনছার আলী জানান, ‘গতকাল ভোর থেকে তিস্তার পানি হু হু করে বাড়ছে। বর্ষার আগে তিস্তায় পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় তীরবর্তী ও চরাঞ্চলের মানুষের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘এ সময় বন্যা হলে নদীপাড়ের মানুষেরা ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। নদী তীরবর্তী আবাদি জমিগুলো তলিয়ে গেলে বাদাম ও শাক-সবজির ক্ষতি হবে।’

Advertisement

কাউনিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মহিদুল হক বলেন, ‘কেউ যাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হয় সে জন্য সব ধরনের আগাম প্রস্তুতি নেয়া আছে। স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সব সময় নদীপাড়ের পরিস্থিতির খোঁজখবর রাখতে বলা হয়েছে।’

টিআর/

পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

জনদুর্ভোগ

খুলে দেয়া হলো তিস্তার ৪৪ জলকপাট, নদীপাড়ে আতঙ্ক

Published

on

টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলের কারণে ডালিয়ায় তিস্তা ব্যারাজের ৪৪টি জলকপাট খুলে দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। পানি বিপৎসীমার কাছাকাছি প্রবাহিত হওয়ায় নদীপাড়ে আতঙ্ক বিরাজ করছে। এসময় বন্যা হলে নদীপাড়ের মানুষেরা ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। পাশাপাশি নদীর তীরবর্তী আবাদি জমিগুলো তলিয়ে বাদাম ও শাক-সবজিসহ উঠতি বিভিন্ন ফসলের ক্ষতি হবে।

রংপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্য মতে, সন্ধ্যা ৬ টায় কাউনিয়া পয়েন্টে ২৮ দশমিক ৭০ সেন্টিমিটার পানি প্রবাহ রেকর্ড করা হয়। ফলে দশমিক পাঁচ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে তিস্তা নদীর পানি। বিকেল ৩টায় ২৮ দশমিক ৬৩ সেন্টিমিটার, ভোর ৬ টায় ২৮ দশমিক ৪০ সেন্টিমিটার ও সকাল ৯টায় ২৮ দশমিক ৫০ সেন্টিমিটার ও দুপুর ১২ টায় ২৮ দশমিক ৫৫ সেন্টিমিটার।

অপরদিকে একইদিন বিকেল ৩ টায় দেশের বৃহত্তম সেচ প্রকল্প তিস্তা ব্যারাজের ডালিয়া পয়েন্টে তিস্তার পানিপ্রবাহ রেকর্ড করা হয়েছে ৫১ দশমিক ৩০ সেন্টিমিটার। যা বিপৎসীমার দশমিক ৮৫ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এর আগে এ পয়েন্টে সকাল ৬টায় ৫১ দশমিক ৭৫ সেন্টিমিটার, সকাল ৯টায় ৫১ দশমিক ৬০ সেন্টিমিটার ও দুপুর ১২টায় ২৮ দশমিক ৪৬ সেন্টিমিটার পানির প্রবাহ রেকর্ড করা হয়।

কাউনিয়া উপজেলার বালাপাড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আনছার আলী গণমাধ্যমে জানান, ভোর থেকে তিস্তার পানি হুহু করে বাড়ছে। বর্ষার আগে তিস্তায় পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় তীরবর্তী ও চরাঞ্চল গ্রামের মানুষদের মাঝে কিছুটা আতঙ্ক বিরাজ করে। এসময় বন্যা হলে নদীপাড়ের মানুষেরা ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। পাশাপাশি আবাদি জমিগুলো তলিয়ে উঠতি বিভিন্ন ফসলের ক্ষতি হবে।

রংপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রবিউল ইসলাম গণমাধ্যমে বলেন, বৃহস্পতিবার বিকেল থেকে ডালিয়া পয়েন্টে তিস্তায় পানি বাড়তে থাকে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ব্যারাজের ৪৪ গেটই খুলে রাখা হয়েছে। শুক্রবার বিকেলে ডালিয়া পয়েন্টে তিস্তার পানি কিছুটা কমতে শুরু করেছে। তবে ভাটিরদিকে রংপুর জেলার কাউনিয়া পয়েন্টে তিস্তার পানি বিপদসীমার কাছ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তাই ভাটির অঞ্চলে সার্বক্ষণিক নদীপাড়ের পরিস্থিতির খোঁজখবর রাখা হচ্ছে।

Advertisement

কাউনিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মহিদুল হক বলেন, বন্যার এখন পর্যন্ত আভাস পাওয়া যায়নি। তবে বন্যায় যাতে কেউ ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সে বিষয় সরকারিভাবে সব ধরনের আগাম প্রস্তুতি নেয়া আছে।
এএম/

পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

রংপুর

ফুলবাড়ীতে বিশ্ব রক্তদাতা দিবস পালিত

Published

on

“তুচ্ছ নয় রক্তদান বাঁচতে পারে একটি প্রাণ, মানবতার টানে ভয় নেই রক্তদানে” এই স্লোগান ধারণ করে ১৪ জুন বিশ্ব রক্তদাতা দিবস উপলক্ষ্যে কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে রেলি ও পথসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার (১৪ জুন) স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন স্বপ্নসিঁড়ি সমাজ কল্যাণ সংস্থার উদ্যোগে একটি রেলি উপজেলা সদরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে তিনকোণা মোড়ে সংগঠনের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও তরুণ সংবাদকর্মী নুরনবী মিয়ার সঞ্চালনায় ও সভাপতি মোশারফ হোসেন মণ্ডলের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন স্বপ্নসিঁড়ি সমাজকল্যাণ সংস্থার উপদেষ্টা ইঞ্জিনিয়ার মো. সলিমুল্লাহ, দাতা সদস্য ও উপদেষ্টা ফজলুল হক ত্রিপুল, সাধারণ সম্পাদক নাজিম উদ্দিন, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠক হাবিবুর রহমান হাবিব প্রমুখ। পথ সভা শেষে তিনকোণা মোড়সহ বিভিন্ন পয়েন্টে বিনামূল্যে রক্তের গ্রুপ নির্ণয় কার্যক্রম চালান সংগঠনটি।

উল্লেখ্য যে, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন স্বপ্ন সিটি সমাজ কল্যাণ সংস্থাটি ২০১৫ সাল থেকে এখন পর্যন্ত সুনামের সহিত উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে গিয়ে বিনামূল্যে রক্তের গ্রুপ নির্ণয় করে আসছেন। এছাড়াও বিভিন্ন অসুস্থ রোগীকে রক্ত দিয়ে সহযোগিতা করে আসছেন।

এএম/

পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

সর্বাধিক পঠিত