Connect with us

টুকিটাকি

প্রিন্সিপালের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ, আত্মহত্যার চেষ্টা ছাত্রীর  

Avatar of author

Published

on

ধর্ষণ

স্কুলের প্রিন্সিপালের বিরুদ্ধে ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ আনল পরিবার। ওই ঘটনার একটি ভিডিও দিন চারেক আগে সামাজিকমাধ্যমে ভাইরাল হয়ে যায়। লজ্জায় আত্মহত্যার চেষ্টা করে কিশোরী। মালগাড়ির সামনে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করতে চেয়েছিল সে। যদিও তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে। বর্তমানে ছাত্রী শারীরিক পরিস্থিতি সঙ্কটজনক বলেই জানিয়েছেন চিকিৎসকেরা।

ঘটনাটি ভারেতের উত্তরপ্রদেশের কৌশাম্বী জেলার কোখরাজ থানা এলাকার। গ্রামের রম্বালী শর্মা সরস্বতী বালমন্দির স্কুলের ছাত্রী নির্যাতিতা কিশোরী। ওই স্কুলের প্রিন্সিপালের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি ১৫ বছরের কিশোরীর যৌন হেনস্থা এবং ধর্ষণ করেছেন। চার দিন আগে যে ভিডিও সামাজিকমাধ্যমে ভাইরাল হয়, তাতে কিশোরীর সঙ্গে অভিযুক্ত প্রিন্সিপালকে আপত্তিকর অবস্থায় দেখা গিয়েছিল। ভিডিওর সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার অনলাইন।কিশোরীর পরিবারের অভিযোগ, ওই ভিডিও দেখার পরেই আত্মহত্যার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল সে।

ভিডিও সামাজিকমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর কিশোরীর পরিবারের তরফে প্রিন্সিপালের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়। ভারতীয় দণ্ডবিধির একাধিক ধারা এবং পকসো আইনে মামলা রুজু করা হয় তার বিরুদ্ধে। পুলিশ একটি বিশেষ দল গঠন করে ঘটনার তদন্ত শুরু করে। যদিও এখনও পর্যন্ত অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়নি।

পুলিশ জানায়, ঘটনার তদন্ত চলাকালীনই শনিবার দিল্লি-হাওড়া লাইনে মালগাড়ির সামনে ঝাঁপিয়ে পড়ে নির্যাতিতা কিশোরী। অপমান এবং লজ্জার বশে সে এই পদক্ষেপ করেছে বলে পুলিশের অনুমান। তাকে উদ্ধার করে জেলা হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে। সেখানেই আপাতত চিকিৎসাধীন কিশোরী।

জেএইচ

Advertisement
Advertisement

টুকিটাকি

স্বামীর গায়ের রং কালো, তাই বাপের বাড়ি চলে গেলেন স্ত্রী

Published

on

স্বামীর গায়ের রং কালো হওয়ায় শ্বশুরবাড়ি ছেড়ে চলে গেলেন স্ত্রী! বিয়ের কয়েক মাসের মধ্যেই স্ত্রী বাপের বাড়িতে চলে গেছেন বলে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন যুবক। তার অভিযোগ, সদ্যোজাত সন্তানকে ফেলে বাপের বাড়ি চলে গেছেন স্ত্রী। আর ফিরতে চাইছেন না। চলে যাওয়ার কারণ হিসাবে স্বামীর গায়ের রংকে দুষছেন তিনি। অন্যদিকে, অভিযুক্ত মহিলাও স্বামীর বিরুদ্ধে হেনস্থার অভিযোগ নিয়ে পাল্টা পুলিশের দ্বারস্থ হয়েছেন।

ঘটনাটি ভারতের মধ্যপ্রদেশের গোয়ালিয়রের। ২৪ বছর বয়সি যুবক পুলিশকে জানিয়েছেন, ১৪ মাস আগে তার বিয়ে হয়েছে। কিছু দিন আগে তার স্ত্রী এক কন্যা সন্তানের জন্মও দিয়েছেন। এর পরেই সন্তানকে ফেলে বাড়ি ছেড়ে চলে গেছেন তিনি। কিছু দিন পর বাপের বাড়ি থেকে যুবক স্ত্রীকে নিয়ে আসতে গিয়েছিলেন। কিন্তু মহিলা সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, স্বামীর গায়ের রং কালো হওয়ায় তার সঙ্গে ঘর করতে চান না।

এই পরিস্থিতিতে মধ্যপ্রদেশ পুলিশ আপাতত আগামী শনিবার দম্পতিকে থানায় তলব করেছে। পুলিশের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, প্রাথমিক ভাবে দু’জনের সঙ্গে কথা বলে আলোচনার মাধ্যমে গোলমাল মিটিয়ে ফেলার চেষ্টা করা হবে। তাতেও যদি মিটমাট না হয়, তবে অভিযোগ অনুযায়ী পদক্ষেপ করবে পুলিশ।

গোয়ালিয়রের ভিকি ফ্যাক্টরি এলাকার বাসিন্দা ওই যুবক জানিয়েছেন, বিয়ের পর থেকেই তার গায়ের রং নিয়ে আপত্তি জানিয়ে আসছিলেন স্ত্রী। এ নিয়ে দু’জনের মধ্যে একাধিক বার ঝামেলাও হয়েছিল। কিছু দিন আগে সন্তান জন্ম দওয়ার পরেই স্ত্রী বাড়ি ছেড়ে চলে যান। যদিও মহিলা তার স্বামীর বিরুদ্ধে থানায় যে অভিযোগ দায়ের করেছেন, তাতে বলা হয়েছে, স্বামী তার উপর অত্যাচার করেন। সেই কারণেই তিনি বাড়ি ছেড়েছেন।

জেএইচ

Advertisement
পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

টুকিটাকি

ক্যান্সার চিকিৎসায় ঋণের বোঝা, দিতে না পেরে দম্পতির আত্মহত্যা

Published

on

বিষপানে আত্মহত্যা

স্ত্রীর ব্লাড ক্যান্সারের চিকিৎসার বিপুল খরচ আর বইতে পারছিলেন না তিনি, তাই সপরিবারে আত্মহত্যার প্ল্যান! ১১ বছরের মেয়েকেও সেই গণ-আত্মহত্যায় সামিলের চেষ্টা করেছিলেন, তবে ভাগ্যগুণে বেঁচে যায় সেই খুদে। ঘটনাটি ভারতের মহারাষ্ট্রের নাগপুরের। সেখানেই থাকতেন আদতে কেরালা নিবাসী দম্পতি রিজু এবং প্রিয়া নায়ার। বৃহস্পতিবার নারা রোডের ভাড়াবাড়িতে উদ্ধার হয় তাদের দেহ।

প্রেম করে বিয়ে মানেনি পরিবার। অশান্তি লেগেই থাকত। তার মধ্যে প্রিয়ার ব্লাড ক্যান্সার ধরা পড়ে। কেরালা থেকে মাস তিনেক আগে নাগপুরে চলে আসেন নায়ার দম্পতি। পেশায় পেন্টার রিজু ভেবেছিলেন নাগপুরে ভালো কাজ পাবেন, সেই সঙ্গে স্ত্রীর চিকিৎসাও চালাবেন। কিন্তু নাগপুরে আসার পর সে ভাবে কাজ পাননি রিজু। তা ছাড়া অসুস্থ স্ত্রীর পাশে থাকতে গিয়ে বাইরে কাজের বেশ কিছু সুযোগও হাতছাড়া হয়।

এদিকে, প্রিয়াকে প্রতি সপ্তাহে সুপারস্পেশ্যালিটি হাসপাতাল থেকে একটা ইঞ্জেকশন নিতে হতো, যার দাম ১৭শ’ টাকা। ইঞ্জেকশন না নিলে কান এবং নাক দিয়ে রক্তপাত শুরু হতো। চিকিৎসার খরচ চালাতে অনেকের থেকে টাকা ধার করেছিলেন নায়ার দম্পতি। এমনকী তাদের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া রিকসা চালকের কাছ থেকেও টাকা নিয়েছিলেন!

প্রত্যেককেই বলেছিলেন, কেরালার পরিজনের থেকে অর্থসাহায্য এলে ধার মিটিয়ে দেবেন তিনি। কিন্তু সেই টাকা আর আসেনি।

পুলিশের ধারণা, বেড়ে চলা আর্থিক অনটনের কারণেই আত্মহত্যার সিদ্ধান্ত নেন নায়ার দম্পতি। ম্যাঙ্গো জুসে কীটনাশক মিশিয়ে খান তারা। আর মেয়ে বৈষ্ণবীর পছন্দের মাংস-ভাতেও মিশিয়ে দেন বিষ। রাতে মাংস-ভাত খেয়ে বৈষ্ণবী ঘুমোতে গেলেও শরীর খারাপ লাগায় সে উঠে বমি করে। আর তাতেই বেঁচে যায় ছোট্ট মেয়েটা।

Advertisement

এদিকে, রিজু এবং প্রিয়া কীটনাশক মেশানো পানীয় খাওয়ার পাশাপাশি ছুরি দিয়ে হাতের শিরা কাটার চেষ্টাও করেন। সকালবেলা উঠে রান্নাঘরে বাবা-মাকে নিশ্চল হয়ে পড়ে থাকতে দেখে প্রতিবেশীদের ডাকে বৈষ্ণবী। প্রতিবেশীরাই পুলিশে খবর দেন। রিজুদের বাড়িতে কীটনাশক মেশানো ম্যাঙ্গো জুসের গ্লাস উদ্ধার করে পুলিশ। তবে কোনও সুইসাইড নোট উদ্ধার হয়নি।

রিজু এবং প্রিয়ার দেহ মেয়ো হাসপাতালে পাঠানো হয় ময়নাতদন্তের জন্য। মেয়ো হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে বৈষ্ণবীকেও। আপাতত সেখানেই চিকিৎসাধীন সে। পুলিশ জানায়, পরিজন এবং বন্ধুদের অধিকাংশের নম্বর ফোন থেকে ডিলিট করে ফেলেছিলেন নায়ার দম্পতি। ফলে তাদের ব্যাঙ্কের পাসবুক এবং আধার কার্ড দেখে কেরালার বাড়ির ঠিকানা জোগাড় করতে হয় পুলিশকে।

ঠিকানা পেয়ে কেরালা পুলিশের কন্ট্রোল রুমে যোগাযোগ করে মহারাষ্ট্রের পুলিশ। নায়ার দম্পতির পরিজনের সঙ্গে যোগাযোগ করতে ট্রান্সলেটর বা অনুবাদকের সাহায্য নিতে হয় পুলিশকে।

জেএইচ

Advertisement
পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

টুকিটাকি

কোমল পানীয়ে মাদক মিশিয়ে গাড়ির ভেতর তরুণীকে ধর্ষণ

Published

on

ধর্ষণ

কোমল পানীয়ে মেশানো ছিল নেশার দ্রব্য, যা পান করার পরেই মাথা ঘুরতে শুরু করে তরুণীর। প্রায় অচৈতন্য হয়ে পড়েন তিনি। এই অবস্থার সুয়োগ নিয়ে তাকে একটি গাড়ির ভেতর ঢুকিয়ে ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ। ঘটনাটি ভারতের হায়দরাবাদে।

ওই মহিলাকে গাড়িতে ধর্ষণের অভিযোগ হায়দরাবাদের আবাসন নির্মাণ ব্যবসায়ী জনার্দন ও তার সঙ্গী সঙ্গা রেড্ডির বিরুদ্ধে। ইতোমধ্যেই দুই অভিযুক্ত জনার্দন এবং সঙ্গা রেড্ডিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

পুলিশের কাছে তরুণী অভিযোগ করেছেন, তাকে মিয়াপুরের ইয়ারাগিরিগুট্টায় জমি দেখাতে নিয়ে গিয়েছিলেন আবাসন নির্মাণ ব্যবসায়ী জনার্দন। রাতে সেখান থেকে ফেরার পথে একটি নির্মীয়মাণ বহুতলের সামনে গাড়িটি দাঁড় করিয়ে দেন জনার্দন। তাকে বলা হয়, গাড়ি খারাপ হয়ে গেছে। গাড়ি ঠিক করা পর্যন্ত অপেক্ষার জন্য একটি নির্মিয়মান বাড়িতে তরুণীকে নিয়ে যায় তারা। সেখানে প্রথমে খাবার খেতে দেয়া হলে সন্দেহ হওয়ায় এড়িয়ে যান তিনি। খানিক বাদে কোল্ড ড্রিঙ্ক খেতে দিলে না করেননি তরুণী।

সেই কোল্ড ড্রিঙ্ক খাওয়ার পরেই মাথা ঘুরতে শুরু করে তরুণীর। প্রায় অচৈতন্য হয়ে পড়লে তাকে দাঁড়িয়ে থাকা গাড়ির ভিতরে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ।

তরুণী অভিযোগ করেছেন, ভোরের আলো ফোটা অবধি নির্যাতন চালায় জনার্দন এবং সঙ্গা। এমনকী তাকে মারধর করা হয় বলেও অভিযোগ। অভিযুক্তরা তরুণীকে মিয়াপুরে হোস্টেলের সামনে ছেড়ে পালিয়ে যায়। অভিযোগ পেয়ে তদন্ত নামে পুলিশ। গ্রেপ্তার করা হয়েছে দুই অভিযুক্তকে। তাদের বিরুদ্ধে ধর্ষণের মামলা রুজু হয়েছে।

Advertisement

জেএইচ

পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

সর্বাধিক পঠিত