Connect with us

ফুটবল

মেসির ৮০০তম ম্যাচে বার্সার পরাজয়

Published

on

পেছনে চলে গেছে ১০ বছরেরও বেশি সময় আর ২০ ম্যাচ। আতলেতিকো মাদ্রিদ লা লিগায় হারাতে পারেনি বার্সেলোনাকে। অবশেষে পারলো মেসির ৮০০তম ম্যাচে এসে। তবে শনিবার (২১ নভেম্বর) আতলেতিকোর কাছে হারের পর বার্সেলোনায় এখন হতাশা কিংবা শোকের সঙ্গে উচ্চারিত হচ্ছে দুটি নাম। মার্ক আন্দ্রে টের স্টেগেন ও জেরার্ড পিকে।

বার্সেলোনা তাদের মতো খেলতে পারে না। সে তো কয়েক বছর ধরেই তা পারে না। তারপরও গোলপোস্টের নিচে কাতালানদের কাছে প্রায় ‘দেবতা’ হয়ে ওঠা টের স্টেগেন প্রথমার্ধের যোগ করা তিন মিনিট সময়ের তৃতীয় মিনিটে অমন ভুল না করলে ইয়ানিক কারাসকো জয়সূচক একমাত্র গোলটি করতে পারেন না। আর তারপর ঘটলো আরেকটি ভয়াবহ ঘটনা। ৬১ মিনিটে আতলেতিকো মিডফিল্ডার অ্যাঞ্জেল কোরেয়া বার্সা রক্ষণভাগে বল দখলের লড়াইয়ে গিয়ে পিকের হাঁটুর ওপর পড়লেন। মেডিকেল টিমের সাহায্য নিয়ে বার্সার রক্ষণস্তম্ভ মাঠ ছেড়ে গেলেন। হয়তো দীর্ঘ সময়ের জন্যই।

সুইপার গোলকিপারের ধারণাটা ম্যানুয়েল নয়্যার বায়ার্ন মিউনিখে সার্থকভাবে প্রয়োগ করে জার্মান দলেও টেনে এনেছেন। নয়্যার অসাধারণ গোলকিপার, প্রায় সময়ই দুর্দান্ত। আবার মাঝে মাঝে সুইপ করতে গিয়ে এমন ভুল করেন, যার মাশুল গুনতে হয় পরাজয়ে। গত সপ্তাহে যেমন ইউরোপীয় নেশনস লিগে স্পেনের কাছে জার্মানি হারলো ৬-০ গোলে, প্রতিযোগিতামূলক ফুটবলে তাদের সবচেয়ে বড় পরাজয়। ওপরে উঠে এসে গোল খেয়েছেন নয়্যার।

শনিবার রাতে নয়্যারের ভাবশিষ্য টের স্টেগেনও প্রায় ৪০ গজ ওপরে উঠে চার্জ করতে গেলেন কারাসকোকে। এমন আচরণের কোনও ব্যাখ্যা হয় না। তাকে ‘নাটমেগ’ করে ফাঁকা পোস্টে ফিনিশ করলেন কারাসকো। ম্যাচে গোল ওই একটাই। কিন্তু আরও হতে পারতো। প্রথম ১০ মিনিটেই আতলেতিকোর মাঠ ওয়ান্দা মেত্রোপলিতানো রোমাঞ্চকর এক ম্যাচের আশা জাগিয়েছিল।

আন্তোয়ান গ্রিজমান তার সাবেক ক্লাবের বিপক্ষে গোল প্রায় করেই ফেলেছিলেন। সাউল নাগেজের শট অবিশ্বাস্যভাবে রুখে দেন টের স্টেগেন। মার্কোস ইয়োরেন্তের শট লাগে ক্রসবারে।

Advertisement

খেলা যতই এগোতে থাকে আতলেতিকো তাদের রক্ষণ আরও জমাট করে। বার্সেলোনা মাঝমাঠের দখল নিতে পারলেও ওদের রক্ষণ আর ভাঙতে পারছিল না। রেফারি যখন বিরতির বাঁশি বাজাতে যাবেন, তখনই টের স্টেগেনের ওই পাগলামি। পাল্টা আক্রমণে ফাঁকা জায়গায় কারাসকোর পায়ে বল দেখে তিনি উঠে আসেন প্রায় হাফলাইনের কাছে, আর তাকে পরাস্ত করে অনেক দূর থেকে নিঁখুত নিশানায় বল পাঠিয়ে দেন বেলজিয়ান উইঙ্গার।

দ্বিতীয়ার্ধ শুরুর কয়েক মিনিটের মধ্যে জর্ডি আলবার বাড়ানো অসাধারণ এক বল পেয়ে গোল করতে পারেননি মেসি। মেসিরই ক্রসে দু’বার হেডে গোল করার সুযোগ পান ক্লেমেন্ত লেংলে। কিন্তু লিগে এবার মাত্র দুটি গোল খাওয়া ইয়ান ওবলাককে পরাস্ত করতে পারেননি ফ্রেঞ্চ সেন্টারব্যাক। এর পরই পিকের ওই চোট। গোল খেয়ে পিছিয়ে পড়া বার্সেলোনার কাছে যা ছিল দ্বিতীয় বিপর্যয়।

আতলেতিকো জয়ের দিকেই এগোচ্ছিল। কিন্তু তাদের আরেক গোলে এগিয়ে যাওয়ার চেয়ে বার্সেলোনারই গোল শোধের সম্ভাবনা ছিল বেশি। মেসির ক্রসে গ্রিজমান হেড করে বল জমা দেন ওবলাকের কাছে। সবচেয়ে বড় সুযোগ নষ্ট হয় ৮৯ মিনিটে। সের্জি রবার্তোর দূর পাল্লার শট গোলে ঢোকার মুহূর্তে এক ডিফেন্ডারের গায়ে লেগে লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়।

সময় দ্রুত ফুরোচ্ছিল এবং ফুরিয়েই গেল। বার্সেলোনার হয়ে মেসির ৮০০তম ম্যাচে পরাজয় দেখলো দল। এবারের লিগে তৃতীয় পরাজয়, তিনটিই মাদ্রিদের দলের কাছে- রিয়াল মাদ্রিদ ও গেতাফের পর আতলেতিকো। আট ম্যাচে তিন ও দুই ড্র থেকে ১১ পয়েন্ট নিয়ে কাতালানদের অবস্থান দশে। একমাত্র অপরাজিত দল আতলেতিকো ৮ ম্যাচ থেকে ২০ পয়েন্ট নিয়ে রিয়াল সোসিয়েদাদের সমান হলো। যদিও গোল ব্যবধানে ওপরে রয়েছে সোসিয়েদাদ।

এস

Advertisement
Advertisement

ফুটবল

বায়ার্ন ছাড়ছেন টুখেল, নিশ্চিত করলেন নিজেই

Published

on

বায়ার্ন মিউনিখ ছাড়ছেন টমাস টুখেল। আজ (১৭ মে) তিনি নিজে এ ব্যাপারে নিশ্চিত করেছেন। এই মৌসুমের শেষ টুখেলের চলে যাওয়ার কথা ছিল। তবে নতুন করে আবার আলোচনা উঠেছিল তাকে রাখার ব্যাপারে। কারণ মিউনিখ যাদের কোচ হিসেবে চাচ্ছিল, তাদের সাথে চুক্তি করা সম্ভব হয়নি।

আলোচনা উঠলেও, তা হচ্ছে না। টুখেল মিউনিখ ছেড়ে যাচ্ছেন। এই জার্মান কোচ চলে যাবেন বলে, মিউনিখ চেষ্টা করেছে নতুন কাউকে নেওয়ার। যে তালিকায় ছিল জাবি আলোনসো, রালফ রানগনিক, হুলিয়ান নাগেলসম্যান। তবে তারা কেউ রাজি হয়নি মিউনিখের দায়িত্ব গ্রহণ করতে।

সংবাদ সম্মেলনে টুখেল বলেন, “এটা আমার শেষ সংবাদ সম্মেলন এখানে। ফেব্রুয়ারির সেই সিদ্ধান্তই থাকছে।”

“গত সপ্তাহে ক্লাবের সাথে আবারও কথাবার্তা হচ্ছিল। তবে আমরা কোনো চুক্তিতে যেতে পারিনি। ফলে আমরা ফেব্রুয়ারির সিদ্ধান্ততে থাকছি।”

হফেনহাইমের সাথে আসন্ন ম্যাচটি হতে যাচ্ছে টুখেলের শেষ কাজ। চলতি মৌসুমে লিগের দ্বিতীয় স্থানে থেকে শেষ করছে মিউনিখ। এবারের মৌসুমে শিরোপা জিতেছে বায়ার লেভারকুসেন।

Advertisement

 

এম/এইচ

পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

ফুটবল

ইসরায়েলকে ফুটবলে নিষিদ্ধের দাবিতে ভোট

Published

on

ইসরায়েলকে আন্তর্জাতিক ফুটবলে নিষিদ্ধের দাবি উঠেছে। ফিফায় এ বিষয়ে ফিলিস্তিন থেকে চিঠি দেওয়া হয়েছিল এর আগে। সেসময় এশিয়ান ফুটবল ফেডারেশন (এএফসি) থেকে সমর্থন করা হয়েছিল ফিলিস্তিনের দাবিকে। আজ (শুক্রবার) ফিফা কংগ্রসে উক্ত বিষয়ে ভোট হওয়ার কথা রয়েছে।

ইসরায়েল ও ফিলিস্তিনের চলমান সংকট গত ৮ মাস ধরে চলছে। জানা যায় এই সময়ে ৩৫ হাজারের বেশি মানুষ মারা গেছে। মানবাধিকার লঙ্ঘনের এক প্রকাশ্য উদাহরণ এটি। যেখানে এএফসি থেকেও সমালোচনা করা হয়েছে এবং ফিলিস্তিনকে সমর্থন দেওয়া হয়েছে। নিজেদের জায়গা থেকে ইসরায়েলকে ফুটবলে নিষিদ্ধ করতে চায় এএফসিও।

সংগঠনটির সভাপতি সালমান বিন ইব্রাহিম আল খলিফা জানিয়েছেন, “এএফসি ও ফিফা তাদের সদস্য রাষ্ট্রের মতোই শক্তিশালী। যখন কেউ একজন ক্ষতিগ্রস্ত হয়, তখন বাকিদের উপরও সেটার প্রভাব পড়ে। তাই এএফসি ঐকমত্য পোষণ করছে ফিলিস্তিন এফএ’র সাথে। ফিফার নিয়ম ও আইন অনুযায়ী ফিলিস্তিনের ফুটবল যে ধরনের সংকটের মুখোমুখি হয়েছে, তার স্থায়ী সমাধান দাবি করছি।”

ফিলিস্তিনে ফুটবলের বিভিন্ন অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। যেখানে ফুটবলার, কোচ, কর্মকর্তাদের মৃত্যুর খবরও উঠে এসেছে। ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো জানিয়েছেন, “ফিলিস্তিনে এখন যা চলছে তাতে আমরা সবাই ভুগছি। আমরা দূর থেকে ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য প্রার্থনা জানাতে পারি। আমরা স্মরণ করি বিশ্বের সকল নির্যাতিত শিশুদের। যদিও ফুটবল এসব ব্যাপারে খুব অল্প কিছুই করতে পারে। তবে সবাইকে একসাথে করতে পারে ফুটবল।”

 

Advertisement

এম/এইচ

পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

ফুটবল

বিশ্বকাপ আয়োজন করতে যাচ্ছে ব্রাজিল

Published

on

ইতিহাস গড়ল ব্রাজিল। প্রথমবারের মতো কোনো দক্ষিণ আমেরিকার দেশ হিসেবে নারী বিশ্বকাপ আয়োজনের দায়িত্ব পেয়েছে দেশটি। আগামী ২০২৭ সালে অনুষ্ঠিত হবে ফিফা উইমেন’স বিশ্বকাপ। যেখানে ইউরোপের ৩ টি দেশ আয়োজক হিসেবে থাকার চেষ্টা করেছে। তবে ভোটাভুটি শেষে ব্রাজিলের হাতেই দায়িত্ব দেওয়া হলো।

শুক্রবার (১৭ মে) সিঙ্গাপুরের ব্যাংককে অনুষ্ঠিত হয় ফিফার বার্ষিক কংগ্রেস। যেখানে বিপুল ভোটাভুটির আয়োজন হয়। বিশ্বকাপ আয়োজনের দৌড়ে ব্রাজিল ছাড়াও বেলজিয়াম, নেদারল্যান্ডস, জার্মানি (বিএনজি)- এই তিন দেশ ছিল। তারা চেয়েছিল নিজেদের যৌথ আয়োজনে টুর্নামেন্টটি করতে।

ভোটাভুটির দিকে তাকালে দেখা যায়, ব্রাজিল ১১৯ টি ভোট পেয়েছে। অন্যদিকে ইউরোপের তিন দেশের যৌথ আয়োজনে ৭৮ টি ভোট পড়ে। প্রথমবারের মতো লাতিন আমেরিকার আয়োজনে নারী বিশ্বকাপ হবে। এ ব্যাপারে ফিফা সভাপতি জানিয়েছেন, “ব্রাজিলকে অভিনন্দন। ব্রাজিলে আমাদের সেরা একটি বিশ্বকাপ হবে। সেই সাথে বিএনজি’কেও ধন্যবাদ জানাই। তারা ভোটে দারুণ ছিল।”

 

এম/এইচ

Advertisement
পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

সর্বাধিক পঠিত