Connect with us

বাংলাদেশ

হাতিরঝিলে প্রাইভেটকারে নারীর মরদেহ, পুলিশ হেফাজতে স্বামী

রাজধানীর হাতিরঝিল আমবাগান এলাকায় ঝিলিক আলম (২৩) নামে এক গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় ঝিলিকের স্বামী সাকিব আলমকে (৩৮) ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে আটক করেছে হাতিরঝিল থানা পুলিশ।

Published

on

রাজধানীর হাতিরঝিল আমবাগান এলাকায় ঝিলিক আলম (২৩) নামে এক গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় ঝিলিকের স্বামী সাকিব আলমকে (৩৮) ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে আটক করেছে হাতিরঝিল থানা পুলিশ।

শনিবার (৩ এপ্রিল) সকালে হাতিরঝিল এলাকার আমবাগানে একটি প্রাইভেটকার চাকা পাংচার হয়ে ফুটপাতে উঠে যায়। পরে ওই প্রাইভেটকারের পেছনের সিটে শুয়ে থাকা অবস্থায় পুলিশ ঝিলিক আলমকে উদ্ধার করে ঢামেক হাসপাতালে নিয়ে এলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ওই নারীর শরীরে দুর্ঘটনার কোনো চিহ্ন পাওয়া যায়নি বলে ঢামেক সূত্রে জানা গেছে।

নিহতের স্বামী সাকিব আলম বলেন, সকালে গুলশানের বাসা থেকে বের হলে চাকা ব্লাস্ট হয়ে গাড়ি ফুটপাতে উঠে যায়। এরপর সে (ঝিলিক) মারা যায়। তার শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন নেই। তাহলে তিনি কীভাবে মারা গেলেন? জানতে চাইলে তিনি রেগে গিয়ে বলেন, আমি কী জানি! এরপর তিনি উপস্থিত কারও কোনো প্রশ্নের সঠিক উত্তর দেননি। এসময় তিনি দাবি করেন মিরপুরের এমপি মো. ইলিয়াস মোল্লা সম্পর্কে তার নানা।

হাতিরঝিল থানার এসআই মো. গোলাম কুদ্দুস বলেন, আমবাগান এলাকায় একটা প্রাইভেটকার ফুটপাতে উঠে গেছে এমন খবরে যেয়ে দেখি চাকা পাংচার হয়ে ফুটপাতে উঠে গেছে। পেছনের সিটে একজন নারী শুয়ে আছেন। জানতে চাইলে সাকিব আলম বললেন তার স্ত্রী আহত হয়েছে। পরে তাদের ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে আসি। পরে তার কথিত স্ত্রীকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক। গাড়ি দুর্ঘটনা হলে তো মৃতের শরীরে কোনো চিহ্ন থাকার কথা। কিন্তু তার শরীরে কোনো চিহ্ন নেই। কী কারণে তিনি গুলশানের বাসা থেকে বের হয়েছিলেন সেটাও পরিষ্কার করে বলছেন না। আমরা তাকে আটক করে হাতিরঝিল থানায় নিয়ে যাচ্ছি। সাকিব আলমের বাসা গুলশান-২ এর ৩৬ নম্বর রোডে বলে জানান এসআই।

ঢামেক হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) বাচ্চু মিয়া বলেন, এক নারীকে এখানে আনা হয়েছে। তার শরীরে আঘাতের কোনো চিহ্ন নেই। এইটা কীভাবে সড়ক দুর্ঘটনা হয়। হাতিরঝিল থানা পুলিশ ওই নারীর স্বামীকে আটক করে নিয়ে গেছে।

Advertisement

শেখ সোহান

Advertisement

আইন-বিচার

সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যানের সম্পত্তি ক্রোকের নির্দেশ

Published

on

পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক কাজী মাহমুদুর রহমান ও তার স্ত্রী তহুরা বেগমের সম্পত্তি ক্রোকের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তার রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংকের তেঁতুলিয়া শাখার ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ করতে বলা হয়েছে।

বুধবার (২৭ জুন) বিকেলে পঞ্চগড় সিনিয়র স্পেশাল জজ এবং জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. গোলাম ফারুক এ আদেশ দেন।

গেলো ১ ফেব্রুয়ারি আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে সাবেক ওই চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে একটি মামলা করেন দুর্নীতি দমন কমিশনের ঠাকুরগাঁও জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক ইমরান হোসেন। পরবর্তীতে আয়কর আইনে কাজী মাহমুদুর রহমানের আয়কর ফাইল প্রাপ্ত হন তদন্তকারী কর্মকর্তা।

মামলার এজাহার ও আদালত সূত্রে জানা যায়, কাজী মাহমুদুর রহমান ডাবলু ২০২০ সালে দাখিল কৃত সম্পদের হিসাবে ১৩ লাখ ৩৬ হাজার ৫২ টাকার সম্পদের হিসাব গোপন করেছেন এবং জ্ঞাত আয় বহির্ভূত ৭৯ লাখ ৭২ হাজার ৫৫ টাকার সম্পদ ভোগ দখল করছেন। গেলো ১২ জুন এসব সম্পদের দলিল ক্রোক এবং ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধের আবেদন করেন মামলার বাদী।

পঞ্চগড় জেলা জজ কোর্টের দুর্নীতি দমন কমিশনের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) হাবিবুর রহমান হাবিব জানান, আদালতে গেলো ১ ফেব্রুয়ারি মামলার পর গেলো ১৩ এপ্রিল মামলার শুনানিতে আদালত সন্তুষ্ট হয়ে কাজী মাহমুদুর রহমানের ১৬টি এবং তার স্ত্রীর নামে ১টি দলিল ক্রোক এবং একটি ব্যাংক একাউন্ট অবরুদ্ধের আদেশ দেন।

Advertisement

এএম/

পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

অপরাধ

আওয়ামী লীগ নেতাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা

Published

on

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় আধিপত্য বিস্তার ও চাঁদাবাজির প্রতিবাদ করায় দিন-দুপুরে সুরুজ মিয়া নামে এক আওয়ামী লীগ নেতা ও তার দুই ছেলেসহ ৫ জনকে কুপিয়ে জখম করেছে সন্ত্রাসীরা। আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকা মেডিকেলে নেয়া হলে সুরুজ মিয়াকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক। অন্য আহতরা হাসাপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (২৭ জুন) দুপুরে ফতুল্লার উত্তর কাশিপুর এলাকার আলীপাড়া মসজিদের সামনে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত সুরুজ মিয়া ফতুল্লার কাশিপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের অর্থ সম্পাদক এবং আলীপাড়া জামে মসজিদ কমিটির সভাপতি ছিলেন।

আহতরা হলেন- সুরুজ মিয়ার দুই ছেলে মো. জনি আহমেদ (৩৫) ও রাজু আহমেদ (৪০)। অন্য দুজন অটোরিকশাচালক মো. রাসেল (৩২) ও শাকিল (৩০)।

নিহত ও আহতের স্বজনরা গণমাধ্যমে জানান, উত্তর কাশিপুর আলীপাড়া গ্রামে তাদের অটোরিকশার গ্যারেজ ও ইট-বালুর ব্যবসা রয়েছে। ব্যবসা নিয়ে এলাকার সালাউদ্দিন সালু ও হিরার সঙ্গে তাদের বিরোধ ছিল। এছাড়া সালু ও হিরা এলাকার একটি নির্মাণাধীন ভবনে গিয়ে সকালে চাঁদা দাবি করেন। ভুক্তভোগী সেই লোক এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তি হিসেবে সুরুজ মিয়ার কাছে বিচার দেন। এ নিয়ে সালু ও হিরাকে শাসন করেন সুরুজ মিয়া।

Advertisement

স্বজনরা আরও জানান, শাসন এর জের ধরে আলীপাড়া মসজিদে জোহরের নামাজ পড়ে বের হওয়ার পর সুরুজ মিয়ার ওপর অতর্কিত হামলা চালায় সালু ও হিরাসহ ২০-২৫ জনের একটি দল। তাদের হাতে থাকা ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে আহত করে। খবর পেয়ে ছেলেসহ স্বজনরা এগিয়ে গেলে তাদেরও কুপিয়ে আহত করে সন্ত্রাসীরা।

ঢাকা মেডিকেল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ ইন্সপেক্টর মো. বাচ্চু মিয়া জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে রাখা হয়েছে।

ফতুল্লা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নূরে আজম গণমাধ্যমে জানান, বালু সিমেন্ট ব্যবসা ও আধিপত্য বিস্তার নিয়ে সন্ত্রাসী সাল্লু ও তার বাহিনী হামলা ও ভাঙচুর চালায়। এ সময় আওয়ামী লীগ নেতা সুরুজ মিয়া ও তার ছেলেসহ চার জনকে কুপিয়ে জখম করে। সুরুজ মিয়া ঢামেকে হাসাপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন।

তিনি আরও জানান, সাল্লু ও তার বাহিনীর বিরুদ্ধে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের আরও অভিযোগ রয়েছে। তাদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এ ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

এএম/

Advertisement
পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

চট্টগ্রাম

সেন্ট মার্টিনগামী ট্রলারে পতাকা উঁচুতে বাঁধার নির্দেশ বিজিবি মহাপরিচালকের

Published

on

সেন্ট মার্টিনে যেসব ট্রলার চলাচল করে সেসব ট্রলারকে বাংলাদেশের পতাকা উঁচুতে বেঁধে চলাচল করতে বলেছেন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) মহাপরিচালক (ডিজি) মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী।

বৃহস্পতিবার (২৭ জুন) দুপুরে চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় বিজিবির ১০১তম রিক্রুট ব্যাচের প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।

বিজিবি মহাপরিচালক বলেন, মিয়ানমারের অভ্যন্তরে বিদ্রোহী দলের সঙ্গে সংঘর্ষ চলছে। মিয়ানমারের বর্ডার গার্ড পুলিশ (বিজিপি) ও বিদ্রোহী দলের মধ্যে নাফ নদীর তীরবর্তী এলাকায় তুমুল যুদ্ধ চলছে। যখন একটি-দুটি দলের মধ্যে যুদ্ধ চলে তখন এর পাশাপাশি এদিক-ওদিক গোলাগুলি হতে পারে। কিছু গোলা এদিক-ওদিক গেছে, কিছু ট্রলারে গেছে। আমরা মিয়ানমারের দুই পক্ষকে জানিয়েছি, আমাদের ট্রলারে পরবর্তীতে যেন কোনো (গুলির) ঘটনা না ঘটে।

তিনি আরও বলেন, আমরা নিশ্চিত করছি, সেন্টমার্টিন যেসব ট্রলার যাবে, সেসব ট্রলার যেন বাংলাদেশের পতাকা উঁচু করে চলাচল করে। সেক্ষেত্রে কোনো অসুবিধা হবে না।

মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী বলেন, যেকোনো মূল্যে দেশের অখণ্ডতা রক্ষা এবং সীমান্তে নিরাপত্তা রক্ষার জন্য বিজিবি বদ্ধপরিকর। সেন্টমার্টিন নিয়ে অপপ্রচার করার চেষ্টা করছে অনেকেই। সেগুলোতে কান দেওয়া যাবে না।

Advertisement

সাবধানতা অবলম্বন করে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে বিকল্প পথে কক্সবাজার থেকে জাহাজ, ট্রলার গমনাগমন করছে। শুধুমাত্র ঝুঁকিপূর্ণ যে এলাকা, ওই এলাকা বাদ দিয়ে চলাচলের জন্য চেষ্টা করা হচ্ছে। এরপর থেকে আর কোনো গোলাগুলি হয়নি বলেও জানান বিজিবি মহাপরিচালক।

এএম/

পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

সর্বাধিক পঠিত