দেশজুড়ে

আকস্মিক পাহাড়ি ঢলে ৫ উপজেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত

ছবি: সংগৃহীত

ভারতের মেঘালয়ে অতিভারী বৃষ্টিতে সিলেট ও সুনামগঞ্জের সীমান্তবর্তী এলাকায় আকস্মিক পাহাড়ি ঢল নেমেছে। এতে সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ ও গোয়াইনঘাট এবং সুনামগঞ্জের ছাতক, দোয়ারাবাজার ও তাহিরপুরের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে ভেসে গেছে পর্যটন স্পট ভোলাগঞ্জের সাদা পাথর এলাকা।

রোববার (২১ জুন) সংশ্লষ্ট উপজেলার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র  জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ভারতের মেঘালয়ের মাউসিনরামে ৫২৬ মিলিমিটার, মাওকিয়াতে ৩৮৫ মিলিমিটার ও চেরাপুঞ্জিতে ৩৩২ বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।

একই সময়ে সুনামগঞ্জের তাহিরপুরের লাউড়েরগড়ে ৮৭ মিলিমিটার ও সিলেটের জাফলংয়ে ৭৫ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে

পাউবোর আজ সকালের পূর্বাভাস অনুযায়ী, সুরমা নদীর পানি সিলেটের কানাইঘাট, সুনামগঞ্জের ছাতক ও সদর পয়েন্ট, কুশিয়ারা নদীর পানি সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ পয়েন্ট এবং সোমেশ্বরী নদীর পানি নেত্রকোণার কলমাকান্দা পয়েন্টে সতর্কসীমায় প্রবাহিত হচ্ছে এবং যেকোনো সময় বিপৎসীমা অতিক্রম করে নিম্নাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে পারে।

গোয়াইনঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রতন কুমার অধিকারী জানান, ‘পাহাড়ি ঢল নামার সময় জাফলং জিরো পয়েন্টের অস্থায়ী দোকানপাটগুলো দ্রুত অপসারণ করা হয়েছে। নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হচ্ছে, তবে বড় কোনো ক্ষয়ক্ষতি দেখা দেয়নি। তবে আমরা প্রস্তুত আছি, আশ্রয়কেন্দ্রগুলোকে প্রস্তুত করতে বলা হয়েছে।

তাহিরপুরের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মেহেদী হাসান মানিক বলেন, ‘আনোয়ারপুর এলাকায় রাস্তার ওপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে। এতে উপজেলা সদরের সঙ্গে সুনামগঞ্জ জেলা সদরের সড়ক যোগাযোগ আপাতত বিচ্ছিন্ন আছে। স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের দ্রুত সেখানে খেয়া নৌকা নিয়ে আসার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে সার্বক্ষণিকভাবে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

আই/এ

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন