নারী হোক বা পুরুষ, বেশির ভাগ মানুষই ইদানীং চুল পড়ার সমস্যায় নাজেহাল। কিছু কিছু ক্ষেত্রে চুল পড়ার সমস্যা জিনগত। শারীরিক সমস্যা বা মানসিক চাপও চুল পড়ার কারণ। এ ছাড়াও পরিবেশ দূষণ, বাতাসে অত্যধিক আর্দ্রতার কারণেও বেহাল দশা চুলের। ফলস্বরূপ যত দিন যাচ্ছে, ততই কমছে চুলের গোছ। তাই যেন চুলের একটু যত্ন না নিলেই নয়।
চুলের যত্নে কিন্তু ভরসা রাখতে পারেন রান্নাঘরের নানা ধরনের বীজে। জেনে নিন, কোন কোন বীজ নিয়ম করে ব্যবহার করলেই বাড়বে চুলের গোছা।
তিল
সাদা কিংবা কালো যে কোনও ধরনের তিলই কিন্তু চুলের জন্য ভাল। তিল বিভিন্ন ধরনের খনিজ, ভিটামিন এবং ফ্যাটি অ্যাসিডে ভরপুর। এই সব উপাদানই চুলের গোড়া মজবুত রাখতে ও চুল পড়ার সমস্যা দূর করতে দারুণ উপকারী। তিলের তেল নিয়ম করে মাথায় লাগিয়ে মালিশ করতে পারেন।
কালোজিরা, নারকেল তেল
কালোজিরে
রান্নাঘরের এই মশলাটি অ্যান্টি-অক্সিড্যান্টে ভরপুর। কালোজিরের অ্যান্টিফাঙ্গাল গুণ মাথার ত্বকে কোনও রকম সংক্রমণ হলে তা প্রতিরোধ করে। চুলের গোড়া মজবুত হয়। নারকেল তেলের মধ্যে কালোজিরে ফুটিয়ে সেই তেল ঠান্ডা করে মাথার ত্বকে মালিশ করতে পারেন।
সূর্যমুখী বীজ
ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিডে ভরপুর এই বীজ চুলের স্বাস্থ্যের জন্য বেশ উপকারী। চুল পড়ার সমস্যা বন্ধ করতে এই বীজ ব্যবহার করাই যায়। রোজের ডায়েটে ৩০ গ্রাম সূর্যমুখীর বীজ রাখতে পারলে চুল মজবুত হবে। খিদে পেলে সালাদের সঙ্গে এক মুঠো ভাজা সূর্যমুখীর বীজ খেতেই পারেন।
মেথি
ভিটামিন এ, বি, সি, কে, প্রোটিন, ক্যালশিয়াম, ফসফেট, ফলিক অ্যাসিড, স্যাপোনিন্স এবং ফ্ল্যাভনয়েডের মতো অ্যান্টি-অক্সিড্যান্টে সমৃদ্ধ মেথি চুলে খুশকির সমস্যা দূর করতে, চুল পড়া বন্ধ করতে ও মাথার ত্বকে সংক্রমণ ঠেকাতে বেশ উপকারী। নারকেল তেলের সঙ্গে মেথি দানা ভাল করে ফুটিয়ে ঠান্ডা করে ছেঁকে কাচের শিশিতে ভরে রাখুন। সপ্তাহে তিন দিন মাথায় লাগান এই তেল।
মেথি, নারকেল তেল
কুমড়োর বীজ
বিভিন্ন রকম খনিজ ও ভিটামিনে ভরপুর কুমড়োর বীজ চুলের গোড়া মজবুত করতে বেশ উপকারী। নিয়ম করে এই বীজ ডায়েটে রাখলে চুল পড়ার সমস্যা থেকে রেহাই পাওয়া যায়।
এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন
#বেহাল
#দশা
#চুলের
#যত্ন
#নিবেন
#যেভাবে