আওয়ামী লীগের এ দেশে রাজনীতি করার কোনো অধিকার নেই। আওয়ামী লীগ বাংলার মাটিতে আর রাজনীতি করতে পারবে না। ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ ও মুজিববাদের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের জনগণ রায় দিয়েছে।
সোমবার (৩১ মার্চ) দুপুরে জুরাইন কবরস্থানে জুলাই গণ-অভ্যূত্থানের শহিদদের কবর জিয়ারত শেষে এ কথা বলেন তিনি।
নাহিদ বলেন, ‘এখন সেই রায় কোন প্রক্রিয়ায় কার্যকর হবে, সেটা হচ্ছে আলোচনার বিষয়। যেহেতু বিচার চলছে, আমরা বিচারের প্রতি আস্থাশীল। আমরা মনে করি, বিচার এবং রাজনৈতিক ঐকমত্যের মাধ্যমে আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের যে বিষয়টি সেটি সুরাহা হতে পারে।’
আওয়ামী লীগের বিচারের বিষয়ে তিনি বলেন, তাদের দলীয় এজেন্ডার মধ্যে বিচার, সংস্কার, গণপরিষদ নির্বাচন তিনটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের মধ্যে বিচারটাকে তারা প্রথমে রেখেছেন এবং গুরুত্ব দিয়েছেন।
তিনি আরও বলেন, ‘কিন্তু আপাৎকালীন আমরা বলছি যে আওয়ামী লীগের নিবন্ধন বাতিল করা উচিত। আওয়ামী লীগ মার্কা আগামী নির্বাচনে থাকবে না। শহীদ, আহত পরিবারসহ সকলের গণদাবি আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা।’
অভ্যুত্থানে আহত ও নিহতের পরিবারকে সহযোগিতার বিষয়ে এনসিপি আহ্বায়ক বলেন, সরকারের পক্ষ থেকে এসব পরিবারকে মাসিক ভাতার যে ঘোষণা হয়েছিল সেটা ঈদের আগে দেয়ার কথা বলা হয়েছিল। কিন্তু খুব কম পরিমাণ পরিবারের কাছে সেটি পৌঁছাতে পেরেছে, এসব বিষয়ে যে প্রতিশ্রুতি বা ঘোষণা দিয়েছে সুরকার তা দ্রুতগতিতে বাস্তবায়ন করবে বলে তিনি প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
এর আগে জুরাইন কবরস্থানে অভ্যুত্থানে নিহতদের কবর জিয়ারত ও তাদের পরিবারের খোঁজ খবর নেন তিনি।
আই/এ