জামায়াতের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের অভিযোগ করেছেন, বর্তমানে মাঠ পর্যায়ে দলীয় ডিসি নিয়োগ করা হয়েছে। ফলে তারা নিরপেক্ষ ভূমিকা রাখার পরিবর্তে দলীয় সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করছেন। আমরা এসব বিতর্কিত ডিসি ও এসপিদের বদলির ব্যাপারে কমিশনকে বলেছি। দেশে বর্তমানে নির্বাচনের কোনো লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নেই।
মঙ্গলবার (৭ জানুয়ারি) নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সঙ্গে বৈঠকে এ অভিযোগ করে জামায়াতের একটি প্রতিনিধি দল। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন জামায়াতের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের।
তিনি বলেন, প্রার্থীতা বাছাইয়ের ক্ষেত্রে তারা চরম বৈষম্য দেখছেন। বিএনপির ১২ থেকে ১৩ জন প্রার্থীর দ্বৈত নাগরিকত্ব থাকা সত্ত্বেও তাদের মনোনয়ন গ্রহণ করা হয়েছে, কিন্তু জামায়াতের ক্ষেত্রে একই আইনে ভিন্ন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তারা কমিশনের কাছে এই দ্বিমুখী আচরণের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে।
তিনি আরও বলেন, কোনো বিশেষ ব্যক্তিকে অনেক বেশি নিরাপত্তা দেওয়া হচ্ছে, আবার কাউকে একেবারেই দেওয়া হচ্ছে না। মেজর পলিটিক্যাল পার্টিগুলোর সঙ্গে সরকারের আচরণে সমতা থাকা উচিত। ইসি নীতিগতভাবে এই দাবির সঙ্গে একমত পোষণ করেছেন।
ভারতের সাথে বৈঠক প্রসঙ্গে এ জামায়াত নেতা বলেন, দূতাবাসের সঙ্গে কোনো আনুষ্ঠানিক বৈঠক হয়নি। আমিরে জামায়াত যখন অসুস্থ ছিলেন, তখন ভারতীয় দূতাবাস দেখা করতে চেয়েছিল। তারা বিষয়টি গোপন রাখতে বলেছিল এবং তাদের সেই অনুরোধ রাখা হয়েচে। এর বাইরে ভারতের সঙ্গে কোনো ফরমাল বৈঠক হয়নি।
তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠকের বিষয়ে তিনি স্পষ্ট করেন, ‘তারেক রহমানের সঙ্গে আমাদের কোনো আনুষ্ঠানিক বৈঠক হয়নি, শুধু সৌজন্য সাক্ষাৎ হয়েছে। আমরা বলেছি, সুষ্ঠু নির্বাচন হলে জনগণের যেকোনো রায় আমরা মেনে নেব’।
আই/এ