ফিলিপাইনের দক্ষিণাঞ্চলীয় বাসিলান প্রদেশে ৩৪০ জনের বেশি যাত্রী ও নাবিক বহনকারী একটি ফেরি ডুবে যাওয়ার ঘটনায় এখন পর্যন্ত ১৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় এখনও বহু যাত্রী নিখোঁজ রয়েছেন বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। সোমবার (২৬ জানুয়ারি) আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা যায়।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্থানীয় সময় সোমবার ভোরে ‘এমভি ত্রিশা কেরস্টিন–৩’ নামের ফেরিটি জাম্বোয়াঙ্গা বন্দর থেকে জোলো দ্বীপের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করে। যাত্রার কিছু সময় পরই ফেরিটি দুর্ঘটনায় পড়ে এবং ডুবে যায়।
ফিলিপাইন কোস্ট গার্ডের তথ্য অনুযায়ী, ফেরিটিতে মোট ৩৩২ জন যাত্রী এবং ২৭ জন ক্রু সদস্য ছিলেন। দক্ষিণ মিন্দানাও অঞ্চলের কোস্ট গার্ড কমান্ডার রোমেল ডুয়া জানান, এখন পর্যন্ত ২১৫ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে এবং ১৫ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। দুর্ঘটনার পর এখনো ১৪৪ জন নিখোঁজ রয়েছেন। নিখোঁজদের সন্ধানে উদ্ধার অভিযান চলমান রয়েছে।
বাসিলান প্রদেশের একটি টাউনের মেয়র আর্সিনা লাজা কাহিং-নানোহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে হতাহতের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। ওই পোস্টে তিনি কোস্ট গার্ডের উদ্ধার তৎপরতার একটি ভিডিও শেয়ার করেন, যেখানে যাত্রীদের উদ্ধার ও মরদেহ জাহাজে তোলার দৃশ্য দেখা যায়।
এদিকে বাসিলান জরুরি সেবাদানকারী সংস্থার কর্মকর্তা রোনালিন পেরেজ বার্তা সংস্থা এএফপিকে জানান, এখন পর্যন্ত অন্তত ১৩৮ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে। আহত অবস্থায় ১৮ জনকে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। দুর্ঘটনার কারণ জানতে কোস্ট গার্ড ইতোমধ্যে তদন্ত শুরু করেছে।
উল্লেখযোগ্যভাবে, এর আগেও শুক্রবার ফিলিপাইনের দক্ষিণাঞ্চলীয় দ্বীপ মিন্দানাও থেকে চীনের উদ্দেশে যাত্রাপথে সিঙ্গাপুরের পতাকাবাহী একটি পণ্যবাহী জাহাজ ডুবে যায়। ওই ঘটনায় দুইজন ফিলিপিনো নাবিক নিহত হন, ১৫ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয় এবং এখনো চারজন নিখোঁজ রয়েছেন।
এসি//