জাতীয়

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অন লাইনে ক্লাস করানোর বিষয়ে ভাবছে সরকার

বায়ান্ন প্রতিবেদন

পবিত্র রমজান ও ঈদের দীর্ঘ ছুটির আমেজ কাটতে না কাটতেই দেশের শিক্ষাব্যবস্থায় আবারো অনলাইনে ক্লাস করানোর ব্যাপারে আলোচনা চলছে। মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে বিশ্বে জ্বালানিসংকটের কারনেই এই পদক্ষেপ নেয়া হতে পারে। 

শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন গত মঙ্গলবার বলেছেন, এ ব্যাপারে নীতিগত আলোচনা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই প্রস্তাবটি উত্থাপন করা হতে পারে। তিনি আরো বলেছেন, ‘রমজানের ছুটি, বিভিন্ন আন্দোলনসহ নানা কারণে কিছু ক্লাস কম হয়েছে। এ কারণে সপ্তাহে ৬ দিন ক্লাস চালু রাখতে চায় সরকার। মন্ত্রিসভা বৈঠকে এ বিষয়ে আলোচনা হবে। সেখানে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হবে।’

মন্ত্রী বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে স্কুল পর্যায়ে এ পদ্ধতি চালু করার জন্য বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।   কলেজ পর্যায়েও এটি প্রযোজ্য হতে পারে কিনা, তা নিয়েও আলোচনা হচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে আপাতত ভিন্ন ব্যবস্থাপনা থাকতে পারে। জরিপ করে দেখা গেছে, ৫৫ শতাংশ অভিভাবক অনলাইন ক্লাশ করাতে চায়। তবে পুরোপুরি অনলাইন করলে ব্যাপারটি আনসোশ্যাল হয়ে যাবে। বিশেষ করে মেট্রোপলিটন এলাকার স্কুলে আপাতত এ প্রক্রিয়া  নিয়ে ভাবা হচ্ছে।’

মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাবিত খসড়া অনুযায়ী, বিশ্ববিদ্যালয় বাদে মহানগরের স্কুল-কলেজগুলোতে সপ্তাহে ছয় দিনের মধ্যে তিন দিন সশরীরে ক্লাশ হতে পারে। বাকী তিন দিন অনলাইনে ক্লাশ হবে। এই পরিকল্পনার একটি বিশেষ দিক হলো ‘অল্টারনেটিভ ডে’ মডেল অর্থাৎ একদিন ছাত্রছাত্রীরা স্কুলে আসবে, পরের দিন ঘরে বসে অনলাইনে ক্লাস করবে।  এক্ষেত্রে শিক্ষক-কর্মচারীদের জন্য কোনো শিথিলতা থাকবে না। অনলাইনে পাঠদানের সময়ও তাদের  শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে হবে। প্রস্তাবনায় জানানো হয়েছে বিজ্ঞানের শিক্ষার্থীদের  গুরুত্বপূর্ণ ব্যবহারিক ক্লাসগুলো সশরীরেই করতে হবে। 

 

 

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন #অনলাইনে ক্লাস #শিক্ষাব্যবস্থা #আ ন ম এহছানুল হক মিলন #শিক্ষামন্ত্রী