জাতীয়

লন্ডন বৈঠকেই নির্বাচনের তারিখ হয়েছিল : মির্জা ফখরুল

এলজিআরডি মন্ত্রী ও  বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন,সাবেক প্রধা উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে লন্ডন বৈঠকেই নির্বাচনের তারিখ হয়েছিল। ওই বৈঠকেই প্রধান উপদেষ্টা রাজি হয়েছিলেন যে দ্রুত ফেব্রুয়ারির মধ্যে তিনি নির্বাচন দেবেন। এটাই হচ্ছে বাস্তবতা। এটাও আমাদের সবাইকে স্বীকার করে নিতে হবে।

বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের ২৫তম দিনে  তিনি এসব কথা বলেন। অধিবেশনের এ পর্যায়ে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম।

মির্জা ফখরুল বলেন, লন্ডনে যে সভা হলো, যে ঐতিহাসিক বৈঠক আমাদের চেয়ারম্যান এবং তৎকালীন প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে হলো, সেই বৈঠক সম্পর্কে তারা বিদ্রুপ ও কটাক্ষ করে বলেছেন, সেখানে নাকি একটা ষড়যন্ত্র ও চক্রান্ত হয়েছে। যার ফলে আজ বিএনপি এই পার্লামেন্টে মেজরিটি নিয়ে বসে আছে, যা অত্যন্ত দুঃখজনক। আমি তীব্র নিন্দা জানাই। এ ধরনের কথা কখনোই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। লন্ডনে বৈঠক হয়েছিল বলেই আজ আমরা এখানে সবাই

জামায়াতের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, বিএনপির চেহারা বদলায়নি, জামায়াত হঠাৎ করেই বদলে গেলো। হঠাৎ করে মনে হলো যে তারা ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য একটা ইঙ্গিত পেয়ে গেছেন এবং ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য সব কিছু তৈরি হয়ে গেছে। তখন তারা যেসব উক্তি এবং যেসব কথা বলেছেন বিভিন্ন বক্তব্যের মধ্য দিয়ে, এই বক্তব্যগুলো গণতন্ত্রকে সাহায্য করেনি। আজ যে দূরত্ব, এই দূরত্ব সৃষ্টি হওয়ার একটা কারণ ছিল। আপনারা নির্বাচনকে অস্বীকার করছেন, নির্বাচনকে বলছেন ইঞ্জিনিয়ারিং করা হয়েছে। এটা কেউই মেনে নেবে না, মেনে নেয়নি। এই দেশের মানুষ সেটি মেনে নেবে না

তিনি আরও বলেন,  এই সংবিধানের অনেকগুলো আর্টিকেল আছে, অনেকগুলো অধ্যায় আছে, যেগুলো বারবার পরিবর্তন হয়েছে এবং এই সংবিধানকে কেটেছেঁটে একটা কাটাছেঁড়া পাতায় পরিণত করা হয়েছে। এই সংবিধানের জন্য যুদ্ধ করেছি, লড়াই করেছিএটা স্বাধীন বাংলাদেশের সংবিধান।

রাষ্ট্রপতির বিষয় উল্লেখ করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, “অত্যন্ত সত্য কথা বলেছেন সালাহউদ্দিন সাহেব, আজকে যে রাষ্ট্রপতির ব্যাপারে আমরা কথা বলছি, রাষ্ট্রপতি যে-ই হোন না কেন, তিনি একটি ইনস্টিটিউশন, কোনও ব্যক্তি নন। একটা প্রতিষ্ঠান, সেই প্রতিষ্ঠানকেই আমরা রক্ষা করেছি আমাদের প্রয়োজনে। কারণ ৫ আগস্টের পরে যদি এই রাষ্ট্রপতি না থাকতেন তাহলে এই রাষ্ট্রে একটা অরাজকতা, একটা নৈরাজ্য সৃষ্টি হতো।

আই/এ

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন #মির্জা ফখরুল