বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বিকেল ৩টার দিকে জাতীয় সংসদে স্পিকার ড. হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে বাজেট উপস্থাপন শুরু করেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। অধিবেশন শুরু হয় পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে।
এর আগে সকালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বিশেষ বৈঠকে ২০২৬–২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেট অনুমোদন দেওয়া হয়।
দেশের অর্থনৈতিক ইতিহাসে দীর্ঘ পথ পেরিয়ে ১৯৭২ সালে মাত্র ৭৮৬ কোটি টাকার বাজেট দিয়ে যাত্রা শুরু করেছিল বাংলাদেশ। সেই তুলনায় এখন ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বিশাল বাজেটের দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে দেশ। পাঁচ দশকের বেশি সময়ে অর্থনীতির পরিসর যেমন সম্প্রসারিত হয়েছে, তেমনি বেড়েছে উন্নয়ন কার্যক্রম ও রাষ্ট্রীয় ব্যয়ের পরিধিও।
গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ের পর বিএনপির নেতৃত্বাধীন সরকারের এটি প্রথম বাজেট। সরকার এবার অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে গতি আনা, ব্যবসা-বাণিজ্যে নিয়ন্ত্রণ শিথিল করা, মানবসম্পদ উন্নয়ন এবং বাংলাদেশকে ‘ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতি’র পথে এগিয়ে নেওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে।
প্রস্তাবিত বাজেটে মোট রাজস্ব আহরণের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা। ঘাটতি পূরণে অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক ঋণ এবং উন্নয়ন সহযোগীদের সহায়তার ওপর নির্ভর করা হবে। সব মিলিয়ে বাজেট ঘাটতি দাঁড়াতে পারে ২ লাখ ৫১ হাজার কোটি টাকা, যা মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রায় ৩ দশমিক ৬ শতাংশ।
এসি//