প্রতিবেদনে বলা হয়, নিহতদের মধ্যে চারজন নারী ও দুজন পুরুষ রয়েছেন। তারা সবাই ওই সহায়তা কেন্দ্রের কর্মী ছিলেন। এছাড়া হামলায় আরও কয়েকজন আহত হয়েছেন।
সহায়তা কেন্দ্রের কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, হামলার সময় তিন মাস বয়সি শিশুকন্যা ও তার মা কেন্দ্রে উপস্থিত থাকলেও তারা কোনো আঘাত পাননি।
ঘটনার পর সন্দেহভাজন হামলাকারীসহ তিনজনকে আটক করেছে পুলিশ। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দাবি, বর্তমানে জননিরাপত্তার জন্য কোনো তাৎক্ষণিক ঝুঁকি নেই।
জার্মানির লোয়ার স্যাক্সনি অঙ্গরাজ্যের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ড্যানিয়েলা বেহরেন্স সাংবাদিকদের জানান, এটি পারিবারিক বিরোধ থেকে সংঘটিত একটি পরিকল্পিত ও নৃশংস হামলা। এর সঙ্গে রাজনৈতিক বা অর্থনৈতিক কোনো উদ্দেশ্যের সম্পর্ক নেই।
পুলিশ জানায়, স্থানীয় সময় সোমবার দুপুর ১২টা ১০ মিনিটে বন্দুক হামলার খবর পেয়ে তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। পরে ডানকারস্ট্রাসে সড়কে অবস্থিত যুবকল্যাণ কেন্দ্রে একাধিক হত্যাকাণ্ডের বিষয়টি নিশ্চিত করে এবং নিরাপত্তার স্বার্থে এলাকাটি এড়িয়ে চলার আহ্বান জানায়।
পুলিশ আরও জানায়, কেন্দ্রের ভেতরেই চার নারী ও এক পুরুষ নিহত হন। পরে গুরুতর আহত আরও একজন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। নিহত সবাই প্রাপ্তবয়স্ক।
সন্দেহভাজন হামলাকারী ৪৫ বছর বয়সি তুর্কি বংশোদ্ভূত এক জার্মান নাগরিক বলে জানা গেছে। তিনি হ্যানোভারের বাসিন্দা এবং নিজের মেয়ের অভিভাবকত্বসংক্রান্ত একটি সালিশে অংশ নিতে ওই কেন্দ্রে এসেছিলেন।
তদন্তে জানা গেছে, হুমকির অভিযোগে হামলাকারী ব্যক্তি আগে থেকেই আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজরে ছিলো। তবে তাকে বিশেষভাবে সহিংস ব্যক্তি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়নি। তার নামে কোনো বৈধ আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্সও ছিল না।
হামলার পর একটি গাড়িতে করে পালানোর চেষ্টা করলে পুলিশ ধাওয়া করে সন্দেহভাজনসহ তিনজনকে আটক করে।