কক্সবাজারের উখিয়ায় টুপটুপ রিসোর্টে আগুন লেগে নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্তের কাজ শুরু হয়েছে। নিহতদের পরিবারের সদস্যদের ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করা হচ্ছে মালিবাগের সিআইডি অফিসে। এদিকে এ ঘটনায় নিখোঁজ আরও একজনের দেহবাশেষ উদ্ধারে ওই রিসোর্টে তল্লাশি চালাচ্ছে ফায়ার সার্ভিস।
রোববার (১৮ অক্টোবর) সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার মো. ছুফি উল্লাহ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, কক্সবাজারের ঘটনায় নিহত পরিবারের কয়েকজন ডিএনএ নমুনা দিতে এসেছেন। আমাদের ফরেনসিক বিভাগ কাজ করছে।
এ ঘটনায় নিহত ঢাকার বনশ্রী এলাকার ইসরাত জাহান মালিহা ও লায়লা জাহান নাবিলার চাচা আবু তালেব জানান, আজ সকালেই নিহতদের বাবা-মায়েরা মালিবাগের সিআইডি অফিসে নমুনা দিতে গেছেন।
তিনি বলেন, “কক্সবাজারে নিহতদের দেহাবশেষ থেকে নমুনা সংগ্রহের চেষ্টা করছে সিআইডি। ওখানে পরিবারটির কয়েকজন প্রতিনিধি রয়েছে।”
এদিকে রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় উদ্ধার হওয়া ১০টি মরদেহের বাইরে আরও একজন নিখোঁজ থাকতে পারেন বলে জানিয়েছে ফায়ার সার্ভিস।
তার সন্ধানে রোববার সকাল থেকে আবারও ধ্বংসস্তূপে তল্লাশি শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশিক্ষণ, পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) লেফটেন্যান্ট কর্নেল এম এ আজাদ আনোয়ার।
তিনি বলেন, শনিবার রিসোর্টটিতে অগ্নিকাণ্ডের পর ১০টি মরদেহ উদ্ধার করে হস্তান্তর করা হয়েছে। পরে স্বজনদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী ১১ জন নিখোঁজ থাকার বিষয়টি সামনে আসে।রিসোর্টটির ওপরের তলাগুলো কাঠের তৈরি হওয়ায় সেগুলো ভেঙে নিচে পড়েছে। ফলে নিচতলায় কেউ চাপা পড়ে থাকতে পারেন। এ কারণে নিখোঁজ ব্যক্তির সন্ধানে নতুন করে তল্লাশি চালানো হচ্ছে।
প্রসঙ্গত, আগুনের ঘটনায় নিহত ১০ জনের মধ্যে একই পরিবারের নয়জনের মধ্যে ছয়জন মারা গেছেন।
এই ছয়জন হলেন- ঢাকার রামপুরা-বনশ্রী এলাকার আশিকুল ইসলামের স্ত্রী ইসরাত জাহান মালিহা, তার শ্যালিকা লায়লা জাহান নাবিলা, মিলিতা মেহজাবিন আলভি ও ফারিহা কবির এবং পরিবারের সদস্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র নাফিস তেহামি জেরিফ ও পাঁচ বছর বয়সী শিশু ফায়িজান আহমদ।
আই/এ