চলতি বছরের এইচএসসি পরীক্ষায় রাজশাহী বিভাগের আট জেলার ৩৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কেউ পাস করেনি। এসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে ১৮৬ জন পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ৪৬ জন পরীক্ষার্থী ছিলেন বগুড়ার গাবতলীর তাসলিম উদ্দিন তারাফদার কলেজে। অন্যদিকে কয়েকটি প্রতিষ্ঠান থেকে মাত্র একজন করে পরীক্ষার্থী অংশ নিয়েও উত্তীর্ণ হতে পারেননি।
শনিবার (৩১ অক্টোবর) শিক্ষা বোর্ডের প্রকাশিত ফলাফলের তালিকা বিশ্লেষণ করে এ তথ্য পাওয়া গেছে।
জেলাভিত্তিক হিসাবে, নাটোরের ১২টি প্রতিষ্ঠানের ৫২ জন, নওগাঁর ছয়টি প্রতিষ্ঠানের ৩২ জন, বগুড়ার পাঁচটি প্রতিষ্ঠানের ৫৪ জন, রাজশাহীর ছয়টি প্রতিষ্ঠানের ১৭ জন, সিরাজগঞ্জের চারটি প্রতিষ্ঠানের ছয়জন, পাবনার তিনটি প্রতিষ্ঠানের ১৬ জন, জয়পুরহাটের দুটি প্রতিষ্ঠানের আটজন এবং চাঁপাইনবাবগঞ্জের একটি প্রতিষ্ঠানের একজন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়েছিলেন। তাদের কেউই পাস করতে পারেননি।
বগুড়ার পাঁচটি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে গাবতলীর তাসলিম উদ্দিন তারাফদার কলেজ থেকে সর্বোচ্চ ৪৬ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেন। এ ছাড়া বাগবাড়ী মডেল মহিলা কলেজ থেকে তিনজন, ধুনটের গোসাইবাড়ী উইমেন্স কলেজ থেকে দুজন, কাহালুর দুর্গাপুর আইডিয়াল উইমেন্স কলেজ থেকে দুজন এবং একই উপজেলার আল্লামের তাকিয়া হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে একজন পরীক্ষায় অংশ নেন। এসব প্রতিষ্ঠানের ৫৪ জনের কেউ পাস করেননি।
নাটোরের ১২টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে গুরুদাসপুরের বঙ্গবন্ধু সায়েন্স অ্যান্ড ইনফরমেশন টেকনোলজি বিএম ইনস্টিটিউট থেকে ১২ জন, নাটোর সদরের আবুল খায়ের কলেজ থেকে আটজন এবং নলডাঙ্গার ছাতারভাগ স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে পাঁচজন পরীক্ষায় অংশ নেন।
এ ছাড়া নাটোর সদরের বেগম খালেদা জিয়া কলেজ ও এম. রুহুল কুদ্দুস তালুকদার কলেজ, লালপুরের রাধাকান্তপুর হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজ এবং সিংড়ার আগপাড়া শেরকোল বন্দর স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে চারজন করে পরীক্ষার্থী ছিলেন। গুরুদাসপুরের চাঁচকৈড় নাজিম উদ্দিন হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজ ও লালপুরের মাঝগ্রাম হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে তিনজন করে, নলডাঙ্গার সারকুটিয়া স্কুল অ্যান্ড কলেজ ও গুরুদাসপুরের দুর্গাপুর স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে দুজন করে এবং নাটোর সদরের হয়বতপুর মাল্টিলেটারাল হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে একজন পরীক্ষায় অংশ নেন। এসব প্রতিষ্ঠানের ৫২ জনের কেউ পাস করেননি।
আই/এ