ফকির লালন শাহকে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বন্ধুত্বের সেতুবন্ধন হিসেবে উল্লেখ করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী।
তিনি বলেন, মানবসমাজের পথপ্রদর্শক লালন শাহের কালজয়ী দর্শন অসাম্প্রদায়িকতার প্রতীক।
শনিবার (৩১ অক্টোবর) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ইন্দিরা গান্ধী সাংস্কৃতিক কেন্দ্র আয়োজিত ‘লালন সন্ধ্যা’ অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।
লালনের দর্শন ও সংগীতের প্রতি নিজের গভীর অনুরাগের কথা তুলে ধরে দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, “লালন সাঁইকে নিয়ে জ্ঞানগর্ভ আলোচনা করার মতো যোগ্যতা আমার নেই। তাকে নিয়ে সামান্য পড়াশোনা করে আমার মনে হয়েছে, তিনি আমার মনের মানুষ। এ কথা দ্বিধাহীনভাবে বলতে পারি, তার বাণী, তার দর্শন সব মানুষের জন্যই সমান গুরুত্বপূর্ণ।”
তিনি আরও বলেন, লালন সবাইকে মুগ্ধ করেছিলেন, এমনকি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকেও অনুপ্রাণিত করেছিলেন। লালন সাঁই ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে এক অনন্য সেতুবন্ধন। দুই দেশের মানুষের জন্য তিনি মানবতার এক চিরন্তন বাতিঘর।
আলোচনা সভা শেষে অনুষ্ঠানে সংগীত পরিবেশন করেন লালনভক্ত শিল্পীরা। তাদের পরিবেশনায় মুগ্ধ হন মিলনায়তনে উপস্থিত দর্শক-শ্রোতারা। সংগীতের পাশাপাশি লালন সাঁইয়ের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে মানবপ্রেমে উজ্জীবিত হওয়ার আহ্বান জানান শিল্পীরা।
এসি//