Connect with us

এশিয়া

ভারতের নয়াদিল্লিতে পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠক শুরু

Avatar of author

Published

on

আগামী সেপ্টেম্বরে জি-টুয়েন্টি শীর্ষ সম্মেলন বসবে। জি-টুয়েন্টি শীর্ষ সম্মেলন সামনে রেখে ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে শুরু হয়েছে পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠক। বৈঠকের শুরুতেই ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে বৈশ্বিক সংকট মোকাবিলায় ভেদাভেদ ভুলে বিশ্বনেতাদের এক হয়ে কাজ করার আহ্বান জানান জোটের সভাপতি ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

বৃহস্পতিবার (২ মার্চ) সকালে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হওয়া বৈঠকে যোগ দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্র, চীন, রাশিয়াসহ জোটের সদস্যভুক্ত দেশগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা। এ ছাড়া আলোচনায় সেপ্টেম্বরে অনুষ্ঠেয় মূল সম্মেলনের এজেন্ডা নির্ধারণের পাশাপাশি প্রাধান্য পায় রাশিয়া-ইউক্রেন ইস্যু।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের এ বৈঠকে যোগ দিতে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় সকাল থেকেই সম্মেলনস্থলে আসতে শুরু করেন বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিরা। বৈঠকে যোগ দেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন, রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভ, চীনা পররাষ্ট্রমন্ত্রী কিন গ্যাং, ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী জেমস ক্লেভারলিসহ অন্যান্য জোটের  পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা।

প্রসঙ্গত, পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের এ বৈঠকে আসন্ন শীর্ষ সম্মেলনের এজেন্ডা নির্ধারণের পাশাপাশি স্বভাবতই প্রাধান্য পায় রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ। মোদির কথায় সুর মিলিয়ে সংঘাত পরিহার করে আলোচনার মাধ্যমে সংকটের শান্তিপূর্ণ সমাধানের ওপর গুরুত্বারোপ করেন চীনা পররাষ্ট্রমন্ত্রীও। এছাড়া আলোচনা হয় জলবায়ু ইস্যুতেও। আর এই দুই বিষয়ই মূল সম্মেলনের এজেন্ডায় প্রাধান্য পাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, রাশিয়া-ইউক্রেন ইস্যুতে জোটভুক্ত বিভিন্ন রাষ্ট্রের মতবিরোধের মধ্যেই এবারের সম্মেলনকে সফল করা ভারতের সবচেয়ে বড় কূটনৈতিক পরীক্ষা। শুধু তাই নয়, বৈশ্বিক সংকট মোকাবিলায় সবাইকে এক হয়ে কাজ করার আহ্বান জানানো ভারত, রাশিয়া-ইউক্রেন ইস্যুতে নিজেদের কৌশলগত নিরপেক্ষ অবস্থান ধরে রেখে কীভাবে জোটকে এগিয়ে নেবে, সেটিই এখন দেখার বিষয়।

Advertisement

 

 

Advertisement
মন্তব্য করতে ক্লিক রুন

মন্তব্য করতে লগিন করুন লগিন

রিপ্লাই দিন

এশিয়া

ফিলিপাইন-তাইওয়ানে ধ্বংসযজ্ঞের পর চীনে আঘাত হানলো টাইফুন গায়েমি

Published

on

 

সাগরে সৃষ্ট টাইফুন গায়েমি ফিলিপাইন ও তাইওয়ানে ধ্বংসযজ্ঞ চালানোর পর এটি এবার চীনে আঘাত হেনেছে। চীনের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় ফুজিয়ান প্রদেশে ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ১১৮ কিলোমিটার গতিতে ঝড়টি আছড়ে পড়ে।এর প্রভাবে ভারি বৃষ্টিপাত দেখা দিয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুলাই) স্থানীয় সময় সন্ধ্যায় চীনের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় ফুজিয়ান প্রদেশে আছড়ে পড়েছে টাইফুন গায়েমি। বিবিসি’র এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা যায়।

টাইফুন গায়েমি’র ফলে ভারি বৃষ্টি এবং ঝড়ো হাওয়া বয়ে যায় এলাকাজুড়ে। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে রাস্তাঘাট ও ঘরবাড়ি। ভেঙে গেছে বেশ কয়েকটি সেতু ও সংযোগ সড়ক। এতে চরম বিপাকে পড়েছেন বাসিন্দারা। এরমধ্যেই ঝড়ের কারণে সব ফ্লাইট বাতিল ও ট্রেন পরিষেবা স্থগিত করা হয়েছে। এছাড়া ভূমিধস এবং বন্যার পূর্বাভাস দিয়েছে দেশটির আবহাওয়া দপ্তর।

এছাড়াও সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি করে ফুজিয়ান প্রদেশে বসবাসকারী প্রায় আড়াই লাখের বেশি মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেয়া হয়েছে।

Advertisement

জেডএস/

পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

এশিয়া

ইসরায়েলি বর্বর হামলায় আরও ৩০ ফিলিস্তিনি নিহত

Published

on

ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজায় ইসরায়েলি বর্বর হামলায় আরও ৩০ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এতে করে উপত্যকাটিতে নিহতের মোট সংখ্যা পৌঁছে গেছে প্রায় ৩৯ হাজার ২০০ জনে। চলমান এই হামলায় আহত হয়েছেন আরও ৯০ হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনি।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুলাই) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা আনাদোলু।

গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে নিরলস এই হামলায় আরও অন্তত ৯০ হাজার ৪০৩ জন ব্যক্তিও আহত হয়েছেন।

মন্ত্রণালয় বলেছে, গেলো ২৪ ঘণ্টায় ইসরায়েলি বাহিনীর করা তিনটি ‘গণহত্যায়’ ৩০ জন নিহত এবং আরও ১৪৬ জন আহত হয়েছেন। অনেক মানুষ এখনও ধ্বংসস্তূপের নিচে এবং রাস্তায় আটকা পড়ে আছেন কারণ উদ্ধারকারীরা তাদের কাছে পৌঁছাতে পারছেন না।

ফিলিস্তিনি স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ মনে করছে, গাজা উপত্যকা জুড়ে ধ্বংস হওয়া বাড়ির ধ্বংসস্তূপের নিচে এখনও ১০ হাজারেরও বেশি লোক নিখোঁজ রয়েছেন। মূলত গাজায় অবিলম্বে যুদ্ধবিরতির দাবি জানিয়ে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের প্রস্তাব সত্ত্বেও ইসরায়েল অবরুদ্ধ এই ভূখণ্ডে তার নৃশংস আক্রমণ অব্যাহত রেখেছে।

Advertisement

উল্লেখ্য, গেলো ৭ অক্টোবর হামাসের নজিরবিহীন আন্তঃসীমান্ত হামলার পর থেকে ইসরায়েল গাজা উপত্যকায় অবিরাম বিমান ও স্থল হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। ইসরায়েলি এই হামলায় হাসপাতাল, স্কুল, শরণার্থী শিবির, মসজিদ, গির্জাসহ হাজার হাজার ভবন ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়ে গেছে।

এছাড়া ইসরায়েলি আগ্রাসনের কারণে প্রায় ২০ লাখেরও বেশি বাসিন্দা তাদের বাড়িঘর ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন।

জেএইচ

পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

এশিয়া

থামছে না ইসরাইলি বর্বরতা, নিহত আরও ৮১ ফিলিস্তিনি

Published

on

ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা ভূখণ্ডে থামছে না ইসরাইলি বর্বর হামলা। সবশেষ হামলায় আরও ৮১ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এতে করে নিহতের মোট সংখ্যা ৩৮ হাজার ৮০০ জনে পৌঁছেছে বলে অবরুদ্ধ এই ভূখণ্ডের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে।

বুধবার (১৭ জুলাই) গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে তুরস্কের বার্তাসংস্থা আনাদোলু।

মন্ত্রণালয় বলেছে, গেলো ২৪ ঘণ্টায় ইসরায়েলি বাহিনীর করা দুটি ‘গণহত্যায়’  ৮১ জন নিহত এবং আরও ১৯৮ জন আহত হয়েছেন। অনেক মানুষ এখনও ধ্বংসস্তূপের নিচে এবং রাস্তায় আটকা পড়ে আছেন। এখনো উদ্ধারকারীরা তাদের কাছে পৌঁছাতে পারছেন না। ফিলিস্তিনি স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ মনে করছে, গাজা উপত্যকা জুড়ে ধ্বংস হওয়া বাড়ির ধ্বংসস্তূপের নিচে এখনও ১০ হাজারেরও বেশি লোক নিখোঁজ রয়েছেন।

মূলত গাজায় অবিলম্বে যুদ্ধবিরতির দাবি জানিয়ে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের প্রস্তাব সত্ত্বেও ইসরায়েল অবরুদ্ধ এই ভূখণ্ডে তার নৃশংস আক্রমণ অব্যাহত রেখেছে।

জাতিসংঘের মতে, ইসরায়েলের বর্বর আক্রমণের কারণে গাজার প্রায় ৮৫ শতাংশ ফিলিস্তিনি বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। আর খাদ্য, বিশুদ্ধ পানি এবং ওষুধের তীব্র সংকটের মধ্যে গাজার সকলেই এখন খাদ্য নিরাপত্তাহীন অবস্থার মধ্যে রয়েছেন।

Advertisement

প্রসঙ্গত,  গেলো বছরের অক্টোবর থেকে চলা এই হামলায় আহত হয়েছেন আরও ৮৯ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি।

জেডএস

পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

সর্বাধিক পঠিত