Connect with us

ফিচার

যে ছবি ঘরে রাখলেই ‘নিশ্চিত মৃত্যু’!

Avatar of author

Published

on

ভূতুড়ে ছবি

হরর সিনেমায় মাঝেমধ্যেই দেখা মেলে এ ধরনের ছবির। এদের নেপথ্যে লুকিয়ে থাকে কোনও না কোনও অভিশাপের কাহিনি। কোনও ছবি আবার নিজেই ‘ভৌতিক’। তবে সিনেমায় কী না হয়! বাস্তবে তেমন কিছু ঘটে না বলেই মনে হয়। কিন্তু এমন কিছু ছবির কথা বিশ্বে ছড়িয়ে রয়েছে, যারা হয় ভূতুড়ে, নয় অভিশপ্ত। তাদের নিয়ে পল্লবিত রয়েছে নানান কাহিনি।

আমেরিকার টেক্সাসের হোটেল গালভেজের এক হলওয়ের শেষ প্রান্তে টাঙানো রয়েছে স্প্যানিশ সেনাধ্যক্ষ বার্নাদো দে গালভেজ (১৭৪৬-১৭৮৬)-এর একটি প্রতিকৃতি। অনেকেই নাকি ফ্ল্যাশ সহযোগে এই প্রতিকৃতির ছবি তুলতে গিয়ে বিপাকে পড়েছেন।

স্প্যানিশ সেনাধ্যক্ষ বার্নাদো দে গালভেজ

ছবি ডেভেলপ হয়ে আসার পর সেখানে একটি পুরুষের মাথার ছবি ফুটে উঠেছে বলে অনেকের দাবি। স্থানীয় কিংবদন্তি, কেউ যদি প্রয়াত সেনাধ্যক্ষের কাছে বিনীত অনুরোধ করেন ছবি তোলার জন্য, তা হলে নাকি এ রকম কোনও গন্ডগোল ঘটে না।

ব্রিটিশ চিত্রশিল্পী এবং ভাস্কর স্যার এডউইন হেনরি ল্যান্ডসিয়ার (১৮০৩-১৮৭৩) বিখ্যাত ছিলেন পশুদের প্রতিকৃতি আঁকার কারণে। বিশেষ করে কুকুর, ঘোড়া এবং হরিণের ছবি আঁকার কারণে তার খ্যাতি ছিল। ১৮৬৪ সালে তিনি একটি ছবি আঁকেন, যার নাম ‘ম্যান প্রপোজেস, গড ডিসপোজেস’। এ ছবিটিকে ঘিরে পল্লবিত হয় বেশ কিছু কিংবদন্তি।

স্যর এডউইন হেনরি

‘ম্যান প্রপোজেস, গড ডিসপোজেস’ ছবিটি ব্রিটিশ অভিযাত্রী ক্যাপ্টেন স্যর জন ফ্র্যাঙ্কলিনের উত্তর মেরু অভিযানের উপরে আধারিত। ১৮৪৫ সালে এই দু’টি জাহাজ নিয়ে উত্তর মেরুর উদ্দেশে যাত্রা করেন ফ্র্যাঙ্কলিন। কিন্তু সেই অভিযান ব্যর্থ হয়। জাহাজগুলি বিপর্যস্ত হয়। অধিকাংশ অভিযাত্রীই মারা যান। (সঙ্গের ছবিটি টমাস ফিলিপসের আঁকা স্যর জন ফ্র্যাঙ্কলিনের প্রতিকৃতি।

Advertisement

এ বিপর্যস্ত অভিযানকেই ক্যানভাসে ধরে রাখেন ল্যান্ডসিয়ার। অবশ্যই এই ছবি তার কল্পনাপ্রসূত। দু’টি মেরুভালুক-সহ অভিযাত্রী জাহাজ দু’টির ধ্বংসাবশেষই ছিল ছবিটির বিষয়বস্তু। লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয়ের রয়্যাল হলওয়ের সংগ্রহে এখন রয়েছে ছবিটি। অনেকেরই ধারণা, ছবিটি ‘ভূতুড়ে’। ১৯২০ বা ’৩০-এর দশকে ওই হলে পরীক্ষা চলাকালীন এক ছাত্র নাকি তার নিজের চোখে একটি পেন্সিল গেঁথে দেন।

মেরুভালুক-সহ অভিযাত্রী জাহাজ

তার অব্যবহিত আগে তিনি নাকি তার উত্তরপত্রে লিখেছিলেন, “মেরুভালুকগুলোই আমাকে এ কাজ করতে বাধ্য করেছে।” ছাত্রটি পরে আত্মহত্যা করেন। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়ের নথিতে এমন কোনও মৃত্যুর ঘটনা পাওয়া যায় না। ১৯৬০-এর দশকে এ ছবিটি নিয়ে জল্পনা আরও গড়ায়। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ছবিটি ঢেকে রাখতে বাধ্য হন।

ফিলিপিন্সের চিত্রকর হুয়ান লুনা (১৮৫৭-১৮৯৯) তার স্ত্রী পাজের একটি প্রতিকৃতি আঁকেন ১৮৯০ সালে। শোনা যায়, এই ছবিটি আঁকতে আঁকতেই মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে পাজকে হত্যা করেন লুনা।

চিত্রকর হুয়ান লুনা,স্ত্রী পাজ

এরপর নাকি পাজের আত্মা ছবিটিতে ভর করে। ছবিটি যিনিই কিনেছেন, তিনি হয় দুর্ঘটনায় মারা গিয়েছেন, নয়তো দেউলিয়া হয়েছেন অথবা তার সন্তান মারা গিয়েছে। ছবিটি নিয়ে অবশ্য অন্য একটি মতও রয়েছে। সেটি এই যে, ছবিটি আদৌ লুনার স্ত্রীর প্রতিকৃতি নয়। এটি জনৈকা ফরাসি অভিজাত মহিলার প্রতিকৃতি। এবং ভৌতিক কাহিনিটি আদতে মনগড়া।

নরওয়ের প্রখ্যাত শিল্পী এডওয়ার্ড মুঙ্খ (১৮৬৩-১৯৪৪)-এর আঁকা ‘ডেথ অ্যান্ড দ্য চাইল্ড’-এর একটি কপি। ছবিটি ‘দ্য ডেড মাদার’ নামেও পরিচিত। মৃতা মায়ের সামনে ভীত-সন্ত্রস্ত শিশুকন্যার প্রতিকৃতিকে ঘিরে এমন রটনা রয়েছে যে, মেয়েটির চোখ নাকি ছবির দর্শককে অনুসরণ করে।

Advertisement

ডেথ অ্যান্ড দ্য চাইল্ড

ছবিটির কাছেকাছি গেলে নাকি এক রকম অদ্ভুত শব্দও শুনতে পাওয়া যায়। ছবিটি এক সময়ে যারা কিনেছিলেন, তাঁরা জানিয়েছিলেন যে, শিশুটি নাকি মাঝেমাঝেই ছবি থেকে উধাও হয়ে যায়। মুঙ্খের মা ও বোন যক্ষায় মারা যান। সেই বেদনাবোধ থকেই এই ছবি এঁকেছিলেন মুঙ্খ।

আর্মেনিয়ান-আমেরিকান চিত্রকর আর্শিল গোর্কি (১৯০৪-১৯৪৪)-র ১৯৩৮ পর্যন্ত যাবতীয় কাজই অভিশপ্ত বলে রটনা রয়েছে। জানা যায়, এসব ছবি টাঙাতে গেলেই বার বার দেয়াল থেকে পড়ে যায়, কোনওটিতে আবার আগুন লেগে যায়। ১৯৬২ সালের ১ মার্চ গোর্কির ১৫টি বিমূর্ত ছবি সহ একটি বিমান উড়ানের দু’মিনিটের মধ্যে ভেঙে পড়ে। বিমানের সাতাশি জন যাত্রী ও ৮ কর্মীর সকলেই এ দুর্ঘটনায় মারা যান।

আর্শিল গোর্কি

অ্যান্টনি হোলস্ল্যাগ নামের এক চিত্র-গবেষকের মতে, প্রথম বিশ্বযুদ্ধ চলাকালীন অটোমান সাম্রাজ্যে বসবাসরত আর্মেনীয় জনগোষ্ঠীর অসংখ্য মানুষকে সিরিয়ার মরুভূমিতে নিয়ে গিয়ে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দেয়া হয়। এ গণহত্যা নাকি গোর্কিকে তাড়া করে বেড়াত। সেই কারণেই তার আঁকা ছবিগুলি আজও প্রতিশোধস্পৃহা বহন করে চলেছে।

‘অভিশপ্ত’ হিসাবে কুখ্যাত ছবিগুলির মধ্যে সব থেকে বেশি রটনা রয়েছে ইটালীয় চিত্রকর জভান্নি ব্রাগোলিন (১৯১১-১৯৮১)-এর আঁকা ‘দ্য ক্রাইং বয়’ সিরিজটিকে ঘিরে। ক্রন্দনরত বালকের প্রতিকৃতির অগণিত প্রিন্ট সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে রয়েছে। ১৯৮০-র দশকে এই প্রিন্টগুলি অনেকেই কিনেছিলেন। ক্রেতাদের বেশির ভাগের বাড়িতেই নাকি তারপর আগুন লাগে। বাড়িগুলি অগ্নিদগ্ধ হলেও ছবিগুলি নাকি অবিকৃত থেকে যায়।

দ্য ক্রাইং বয়

এ ছবিকে নিয়ে গুজব এমন জায়গায় পৌঁছয় যে, ছবির প্রচুর প্রিন্ট একত্র করে সেগুলি পুড়িয়ে ফেলা হতে শুরু করে। ইংল্যান্ডের বিল্ডিং রিসার্চ এস্ট্যাবলিশমেন্ট নামে এক সংস্থা পরে জানায় যে, এ ছবি আঁকার সময় এমন এক রকমের বার্নিশ ব্যবহৃত হয়েছিল, যা সহজে আগুনকে আকৃষ্ট করতে পারে। সেখান থেকেই এ অগ্নিকাণ্ডগুলি ঘটেছিল বলে ধারণা।

Advertisement

আমেরিকান চিত্রকর বিল স্টোনহ্যাম ১৯৭২ সালে আঁকেন ‘দ্য হ্যান্ডস রেজিস্ট হিম’ ছবিটি। এক বালক এবং তার পাশে দাঁড়ানো এক মেয়েপুতুল। তারা দাঁড়িয়ে রয়েছে কাচের একটা দরজার সামনে। কাচের ও পাশে অসংখ্য হাত। এমনিতেই ছবিটা গা-ছমছমে। স্টোনহ্যাম জানিয়েছিলেন, ছবির বালকটি তারই ৫ বছর বয়সের প্রতিকৃতি। আর দরজাটি জাগ্রত বাস্তবতা এবং কল্পিত ও অসম্ভবের জগতের মাঝখানে দাঁড়িয়ে রয়েছে।

দ্য হ্যান্ডস রেজিস্ট হিম

পুতুলটি যেন বালকটিকে এ দুই বাস্তবতার মাঝখানে দাঁড়িয়ে সঙ্গ দিচ্ছে, তাকে হয়তো দিশা বাতলে দিচ্ছে। এ ছবিটিকে ঘিরে ভৌতিকতার কাহিনি পল্লবিত হয়ে শুরু করে। বলা হতে থাকে, ছবির বালক এবং পুতুল নাকি নড়াচড়া করে, কখনও কখনও ক্যানভাস ছেড়ে তারা বেরিয়েও যায়।

১৯৯০-এর দশকে আমেরিকান সিরিয়াল কিলার জন ওয়েন গেসি তেত্রিশ জন তরুণকে ধর্ষণ, নিপীড়ন এবং হত্যা করেন। তিনি নিজেকে ‘পোগো দ্য ক্লাউন’ বলে পরিচয় দিতেন। একটি ক্লাউন কাবে তিনি ক্লাউন হিসেবে মনোরঞ্জনের জীবিকাও কিছু দিন অর্জন করেছিলেন। ক্লাউনের চেহারায় নিজেকে আঁকেন গেসি। ছবিতে সইও করেন। পরে তার মৃত্যুদণ্ড হয়। ২০০১ সালে ছবিটি কেনেন সঙ্গীত ব্যক্তিত্ব নিক্কি স্টোন।

সিরিয়াল কিলার জন ওয়েন গেসি

কিন্তু ছবিটি কেনার অব্যবহিত পরেই তার প্রিয় কুকুরটি মারা যায় এবং তার মায়ের ক্যানসার ধরা পড়ে। তিনি এক বন্ধুকে ছবিটি রাখতে দেন। সেই বন্ধুর এক ঘনিষ্ঠ প্রতিবেশী গাড়ি দুর্ঘটনায় মারা যান। এরপরে আর এক বন্ধু ছবিটি নিয়ে যান। তিনি আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। ছবিটিকে আর কখনও টাঙানো হয়নি। এর অভিশপ্ত চরিত্রের গল্প ক্রমেই পল্লবিত হতে থাকে।

ইউক্রেনের চিত্রকর স্বেতলানা টেলেটস ১৯৯৬ সালে আঁকেন ‘দ্য রেন উওম্যান’ নামের ছবিটি। স্বেতলানা জানিয়েছিলেন, ছবিটি আঁকার আগে যখনই তিনি ফাঁকা ক্যানভাসের সামনে বসতেন, তখনই মনে হত কেউ তাকে দেখছে, তাকে নিয়ন্ত্রণ করছে। এক রকম আবিষ্ট অবস্থাতেই তিনি এ ছবিটি আঁকেন। বিক্রি হওয়ার পর বেশ কয়েক বার হাতবদল ঘটে ছবিটির।

Advertisement

দ্য রেন উওম্যান

যারাই এটি কিনেছিলেন, তাদের প্রত্যেকের সঙ্গেই কিছু না কিছু অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটতে থাকে। সের্গেই স্কাশকভ নামের এক সঙ্গীতশিল্পী ছবিটি কেনার পর রীতিমতো আতঙ্কে ভুগতে শুরু করেন। এক ধর্মযাজক জানান, ছবিটির মধ্যে কোনও শয়তানি অস্তিত্ব ঢুকে রয়েছে। আজও ছবিটি বহু মানুষের আলোচনার বিষয়।

২০১০ সালে এক অজ্ঞাতপরিচয় শিল্পীর আঁকা ‘দি অ্যাঙ্গুইশড ম্যান’ নামের একটি ছবি সমাজমাধ্যমে ঘোরাফেরা করতে শুরু করে। ছবিটির মালিক সন রবিনসন নামে এক ব্রিটিশ নাগরিক।

দি অ্যাঙ্গুইশড ম্যান

তার দাবি, ছবিটি আঁকার সময় শিল্পী নাকি নিজের রক্ত ব্যবহার করেছিলেন এবং আঁকা শেষ হলে তিনি আত্মহত্যা করেন। ইউটিউবে ছবিটি নিয়ে একটি ভিডিও প্রকাশ করেন, যেখানে তিনি দাবি করেন যে, ছবিটি তাঁর বাড়িতে আসার পর থেকে তিনি মাঝেমাঝেই কান্না ও গোঙানির শব্দ শুনতে পান।

ভৌতিক ছবি-

সূত্র: দ্য কনর্ভাসেশন

Advertisement
Advertisement
মন্তব্য করতে ক্লিক রুন

Warning: Undefined variable $user_ID in /home/bayanno.com/public_html/wp-content/themes/zox-news-github/comments.php on line 49

মন্তব্য করতে লগিন করুন লগিন

রিপ্লাই দিন

আর্কাইভ

শনিরবিসোমমঙ্গলবুধবৃহশুক্র
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯ 

জাতীয়

আইন-বিচার6 hours ago

কারামুক্ত হলেন সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আলতাফ হোসেন

বিএনপির  ভাইস চেয়ারম্যান ও সাবেক মন্ত্রী এয়ারভাইস মার্শাল (অব.) আলতাফ হোসেন চৌধুরী জামিনে কারামুক্ত হয়েছেন। এসময় কেন্দ্রীয় ও পটুয়াখালী থেকে...

জাতীয়7 hours ago

ঢাকা ছাড়লেন পিটার হাস

ছুটি কাটাতে সিঙ্গাপুরের উদ্দেশ্যে ঢাকা ছেড়েছেন  মার্কিন রাষ্ট্রদূত পিটার ডি হাস। মার্কিন প্রতিনিধিদলের বাংলাদেশ সফরের মধ্যেই তিনি ঢাকা ছাড়লেন। রোববার...

দুর্ঘটনা7 hours ago

জানুয়ারিতে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৪৮৬ জন

গেলো জানুয়ারি মাসে সারাদেশে ৫২১টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৪৮৬ জন নিহত হয়েছেন। এসময়ে ১০৫৪ জন আহত হয়েছেন। দেশের জাতীয়,আঞ্চলিক ও অনলাইন...

জাতীয়8 hours ago

সম্পর্ক এগিয়ে নিতে ঢাকায় মার্কিন প্রতিনিধিদল : লুবাখার

বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার চলমান সম্পর্ক আরও এগিয়ে নি‌তে মা‌র্কিন প্রতি‌নি‌ধিদল ঢাকা সফর করেছে। বললেন, যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা পরিষদের দক্ষিণ এশিয়াবিষয়ক...

জাতীয়10 hours ago

বাইডেনের চিঠির উত্তর পাঠাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন  চলতি মাসের শুরুর দিকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি পাঠিয়েছিলেন। এবার সে চিঠির প্রতিউত্তরে ওয়াশিংটনে চিঠি পাঠাচ্ছেন শেখ...

জাতীয়10 hours ago

যুক্তরাষ্ট্র এখন দেশের বড় উন্নয়ন সহযোগী : পররাষ্ট্রমন্ত্রী

যুক্তরাষ্ট্র এখন দেশের বড় উন্নয়ন সহযোগী। পণ্য রপ্তানির বড় গন্তব্য যুক্তরাষ্ট্র। সম্পর্কের নতুন যুগ সৃষ্টিতে কাজ করতে চায়, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।...

জাতীয়11 hours ago

ভিসিদের নিয়ে সংসদে ক্ষোভ হানিফের

মেডিকেল ও পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসিদের নীতি নৈতিকতা ও স্বজনপ্রীতি নিয়ে সংসদে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল...

জাতীয়12 hours ago

মিথ্যা তথ্য দিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি বন্ধে আইন হচ্ছে : আইনমন্ত্রী

মিথ্যা তথ্য ও খবর দিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করা বন্ধে কিছু আইন সংসদে আনা হবে। তবে সরকার কোনোভাবে সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা খর্ব...

জাতীয়13 hours ago

নারী উদ্যোক্তা উন্নয়নে বিশ্বব্যাংকের কাছে বিশেষ তহবিল চাইলেন প্রধানমন্ত্রী

বিশ্বব্যাংকের কাছে আর্থ-সামাজিক অগ্রগতির জন্য আরও বেশি নারী উদ্যোক্তা তৈরির লক্ষ্যে বিশেষ তহবিল এবং জলবায়ু সংক্রান্ত প্রকল্প বাস্তবায়নে রেয়াতি হারে...

জাতীয়15 hours ago

মূল্যস্ফীতি রাতারাতি নিয়ন্ত্রণ হবে না : অর্থমন্ত্রী

রাতারাতি মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ হবে না। এটা নিয়ে কাজ চলছে, অপেক্ষা করতে হবে। আল্টিমেটলি এই ক্রাইসিসটা তো ম্যানেজ করতে হবে। বললেন...

Advertisement
আইন-বিচার6 hours ago

কারামুক্ত হলেন সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আলতাফ হোসেন

জাতীয়7 hours ago

ঢাকা ছাড়লেন পিটার হাস

দুর্ঘটনা7 hours ago

জানুয়ারিতে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৪৮৬ জন

জাতীয়8 hours ago

সম্পর্ক এগিয়ে নিতে ঢাকায় মার্কিন প্রতিনিধিদল : লুবাখার

অর্থনীতি9 hours ago

ফেব্রুয়ারিতেও রেমিট্যান্সে সুবাতাস

জাতীয়10 hours ago

বাইডেনের চিঠির উত্তর পাঠাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

জাতীয়10 hours ago

যুক্তরাষ্ট্র এখন দেশের বড় উন্নয়ন সহযোগী : পররাষ্ট্রমন্ত্রী

জাতীয়11 hours ago

ভিসিদের নিয়ে সংসদে ক্ষোভ হানিফের

স্বাস্থ্যমন্ত্রী
স্বাস্থ্য11 hours ago

কেন্দ্রীয় ঔষধাগারে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর ঝটিকা অভিযান, নিজ চোখেই দেখলেন অনিয়ম

দাঁতে
লাইফস্টাইল12 hours ago

দাঁতে হলুদ ছোপ দূর হবে ৫ খাবার এড়িয়ে চললেই

অপরাধ1 week ago

ডিবিতে যে অভিযোগ দিলেন তিশার বাবা

ব্যারিস্টার-সৈয়দ-সায়েদুল-হক-সুমন
আওয়ামী লীগ3 weeks ago

‘আমি ফেসবুকের এমপি ঠিকই, ফসল হিসেবে তুলেছেন প্রধানমন্ত্রী’

ওবায়দুল-কাদের
জাতীয়3 weeks ago

বাংলাদেশ কারো সঙ্গেই যুদ্ধে জড়াতে চায় না : কাদের

এশিয়া4 weeks ago

হামাসের ৮০ ভাগ টানেল অক্ষত, ঘুম হারাম ইসরায়েলের!

মঈন-খান
বিএনপি1 month ago

প্রতিহিংসার রাজনীতির শিকার হয়েছিলেন কোকো: মঈন খান

ফিচার2 months ago

শেখ হাসিনা-খালেদা জিয়াকে গ্রেপ্তার করেও ঠেকানো যায়নি যে নির্বাচন (ভিডিও)

প্রধানমন্ত্রী.-সাকিব-আল-হাসান
আওয়ামী লীগ2 months ago

এইবারও ইলেকশনে ছক্কা মেরে দিও: সাকিবকে প্রধানমন্ত্রী

৭ম-জাতীয়-নির্বাচন
জাতীয়2 months ago

‘তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে প্রথম নির্বাচন’

জাতীয়2 months ago

৫ম জাতীয় নির্বাচন: প্রথমবারের মতো নারী প্রধানমন্ত্রী পায় বাংলাদেশ

জাতীয়2 months ago

তৃতীয় জাতীয় সংসদ যে কারণে ভেঙে দিতে বাধ্য হন এরশাদ

সর্বাধিক পঠিত