Connect with us

বিএনপি

শনিবার দেশের সব মহানগরে বিএনপির সমাবেশ

Avatar of author

Published

on

বিএনপি

যুগপৎ আন্দোলনের অংশ হিসাবে সব মহানগরে আগামীকাল শনিবার একযোগে সমাবেশ করবে বিএনপি। আওয়ামী সরকারের সর্বগ্রাসী দুর্নীতির প্রতিবাদ ও সরকারের পদত্যাগসহ দশ দফা দাবিতে হবে এ সমাবেশ। রমজানের আগে শেষ এ কর্মসূচিতে বড় জমায়েতের প্রস্তুতি নিয়েছে দলটি।

সমাবেশ সফলে দফায় দফায় বৈঠকও করছেন নেতারা। এ সমাবেশ থেকে পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে কিনা এখনো সিদ্ধান্ত হয়নি। তবে রমজানেও কর্মসূচি পালন করবে বলে বিএনপি সূত্রে জানা গেছে।

১২ সাংগঠনিক মহানগরে দুপুর ২টা থেকে শুরু হবে সমাবেশ। এর মধ্যে ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণের উদ্যোগে সমাবেশ হবে নয়াপল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে। এতে মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস থাকবেন।

এ ছাড়া নারায়ণগঞ্জে গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, খুলনায় ড. আবদুল মঈন খান, কুমিল্লায় নজরুল ইসলাম খান, চট্টগ্রামে আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, রংপুরে বেগম সেলিমা রহমান প্রধান অতিথি হিসাবে থাকবেন। বরিশালে থাকবেন ব্যারিস্টার শাহজাহান ওমর, সিলেটে মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ, গাজীপুরে বরকত উল্লাহ বুলু, ফরিদপুরে মো. শাহজাহান, রাজশাহীতে অধ্যাপক ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন ও ময়মনসিংহে শামসুজ্জামান দুদু।

কেন্দ্রীয় দপ্তর থেকে সাংগঠনিক মহানগরে পাঠানো এক নির্দেশনায় বলা হয়েছে, মহানগরের সব কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির নেতা, সাবেক সংসদ সদস্য ও মেয়র অতিথি হিসাবে থাকবেন।

Advertisement

ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সদস্য সচিব আমিনুল হক বলেন, উত্তর ও দক্ষিণের উদ্যোগে নয়াপল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে দুপুর ২টা থেকে শুরু হবে সমাবেশ। বিএনপির সব কর্মসূচি শান্তিপূর্ণ। প্রতিটি কর্মসূচিতে নেতাকর্মীদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের উপস্থিতিও বাড়ছে। শনিবারের (কাল) সমাবেশে মানুষের উপস্থিতি আরও বাড়বে।

এদিকে ঢাকা ছাড়াও অন্য মহানগরেও সমাবেশ সফলে ব্যাপক প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। নেতারা জানান, এ সমাবেশ থেকে মূলত বিভিন্ন খাতে সরকারের দুর্নীতির বিষয়টি তুলে ধরা হবে। এখন থেকে সব কর্মসূচিতেই দুর্নীতির বিষয়টিকে গুরুত্ব দেয়া হবে। প্রধান অতিথির বক্তব্যে সরকারের দুর্নীতি নিয়ে কথা বলার জন্য ইতোমধ্যে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

জানতে চাইলে বিএনপির সহদপ্তর সম্পাদক তাইফুল ইসলাম টিপু বলেন, রমজানে ঘরোয়া কর্মসূচি থাকবে, সাংগঠনিক কার্যক্রম চলবে, ইফতার মাহফিলও হবে। এর বাইরে পরিবেশ-পরিস্থিতি অনুযায়ী রাস্তার কর্মসূচিও থাকতে পারে। আমরা আন্দোলনের মধ্যে রয়েছি। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে।

গেলো ২৪ ডিসেম্বর থেকে যুগপৎ আন্দোলন কর্মসূচি করে আসছে বিএনপিসহ সমমনা রাজনৈতিক দল ও জোট। শনিবারের সমাবেশ কর্মসূচি বিএনপি ছাড়াও গণতন্ত্র মঞ্চ, এলডিপি, ১২-দলীয় জোট, জাতীয়তাবাদী সমমনা জোট, গণফোরাম (মন্টু) ও বাংলাদেশ পিপলস পার্টি, গণতান্ত্রিক বাম ঐক্য ও সমমনা পেশাজীবী গণতান্ত্রিক জোটও পৃথকভাবে পালন করবে।

 

Advertisement
Advertisement
মন্তব্য করতে ক্লিক রুন

মন্তব্য করতে লগিন করুন লগিন

রিপ্লাই দিন

বিএনপি

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে শুধু ক্ষমতাই আরাধ্য: রিজভী

Published

on

রিজভী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে শুধু ক্ষমতাই আরাধ্য, দেশ ও জনগণ অপাঙক্তেয়। বলেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

বৃহস্পতিবার (২৩ মে) রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ মন্তব্য করেন তিনি।

উপজেলা ও জেলা পর্যায়ের সরকারি কর্মকর্তাদের জন্য ৩৮১ কোটি ৬ লাখ টাকায় স্পোর্টস ইউটিলিটি ভেইকেল কেনার প্রসঙ্গে রিজভী  সময় বলেন, উপজেলা ও জেলা পর্যায়ের সরকারি কর্মকর্তাদের জন্য ২৬১টি স্পোর্টস ইউটিলিটি ভেইকেল, অর্থাৎ এক ধরনের স্টেশন ওয়াগন ক্রয়ের জন্য মত দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। প্রতিটির মূল্য এক কোটি ৪৬ লাখ টাকা।

তিনি বলেন, গেলো ৭ জানুয়ারি ডামি নির্বাচনের আগেই ওয়াগনগুলো কেনার কথা ছিল, যা উৎকোচ হিসেবেই মানুষ বিবেচনা করেছে। যাই হোক, সেই সময় এই ক্রয়ের বিষয়টি স্থগিত রেখে ডামি নির্বাচনে কর্মকর্তাদের অবদানের জন্য কৃতজ্ঞতাস্বরূপ এখন তাদের তা দেয়া হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীর কাছে দেশ ও জনগণ অপাঙক্তেয়, শুধু ক্ষমতাই আরাধ্য। সরকারের এই নীতি কর্তৃত্ববাদী শাসনের এক চরম দৃষ্টান্ত।

বিএনপির এ নেতা এরপর বলেন, ‘অল দ্য প্রাইম মিনিস্টারস ম্যান’ খ্যাত বাংলাদেশের সাবেক সেনাপ্রধানের ওপর মার্কিন সরকারের নিষেধাজ্ঞায় সরকারের লোকেরা স্তম্ভিত হয়ে গেছে। জেনারেল আজিজ গণতান্ত্রিক আন্দোলনে অংশগ্রহণরত নেতাকর্মীদের প্রতি ইঙ্গিত করে বলেছিলেন, ‘বিজিবির সবই প্রাণঘাতী অস্ত্র। কেউ আক্রমণ করলে জীবন বাঁচাতে গুলি করতে পারে।’ পক্ষান্তরে তিনি আন্দোলনরত নেতাকর্মীদের ওপর গুলি করার নির্দেশ দিয়েছিলেন।

Advertisement

রিজভী আরও বলেন, সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল আজিজ ও সাবেক পুলিশ প্রধান বেনজীররা আওয়ামী ফ্যাসিবাদ প্রতিষ্ঠায় গেস্টাপো বাহিনীর ন্যায় ভূমিকা রেখেছে। বাংলাদেশের মানুষের ভোটাধিকার হরণেও ভূমিকা রেখেছে তারা।

 

পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

বিএনপি

বন্ধুরাষ্ট্রের কাছে নিরাপদ নয় ‘কথিত’ এমপিরাও : ফখরুল

Published

on

মির্জা-ফখরুল

সরকারের বন্ধুরাষ্ট্রের (ভারত) কাছে শুধু সাধারণ নাগরিক নয়, আওয়ামী লীগের ‘কথিত’ সংসদ সদস্যরাও নিরাপদ নয়। বলেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

বুধবার (২২ মে) রাজধানীর নয়াপল্টনে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক যৌথসভা শেষে সাংবাদিকদের তিনি একথা বলেন।

নিখোঁজ ঝিনাইদহ-৪ আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজীম আনারের হত্যাকাণ্ডের প্রসঙ্গ টেনে এ কথা বলেন বিএনপি মহাসচিব।

ভারতে এমপি হত্যার পেছনে দুর্নীতি বা অন্য কোনো ঘটনা থাকতে পারে বলেও জানান মির্জা ফখরুল।

তিনি বলেন, সাবেক সেনাপ্রধানের নিষেধাজ্ঞা জাতির জন্য লজ্জাকর। তার জন্য দায়ী সরকার। সেনাবাহিনীকে অন্যায়ভাবে ব্যবহারের ফলে এই নিষেধাজ্ঞা। সরকারের কারণে সেনাবাহিনীকে হেয় প্রতিপন্ন করা করা হলে দেশের মানুষ কখনো মেনে নেবে না।

Advertisement

মির্জা ফখরুল বলেন, জাতির সামনে সমস্যা এই সরকার। গোটা জাতির আত্মা ধ্বংস করে দিয়েছে। গোটা দেশকে বিক্রি করে দিয়েছে।

দুই দফা অনুষ্ঠিত উপজেলা নির্বাচন নিয়ে তিনি বলেন, উপজেলা নির্বাচন নিয়ে কারো কোনো আগ্রহ নেই। পুরো নির্বাচনী ব্যবস্থা নিয়েই আগ্রহ নেই।

 

পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

বিএনপি

সাবেক সেনাপ্রধান আজিজের ওপর নিষেধাজ্ঞা বিভ্রান্তিকর: মির্জা ফখরুল

Published

on

ফখরুল

সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদের ওপর আমেরিকার নিষেধাজ্ঞাতে খুশি হওয়ার কিছু নেই। এটা বিভ্রান্তিকর। বলেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

মঙ্গলবার (২১ মে) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি মিলনায়তনে এক আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন তিনি।

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘এর আগে র‍্যাবের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হলেও তাদের ভয়ংকর যাত্রা বন্ধ হয়নি। সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদের ওপর নিষেধাজ্ঞাতেও খুশি হওয়ার কিছু নেই। এটা বিভ্রান্তিকর। নিজেদের পায়ে নিজেদের দাঁড়াতে হবে।’

জিয়া বাকশালে যোগ দিয়েছেন এরকম মিথ্যাচার করা হচ্ছে দাবি করে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘যা সঠিক নয়। জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছেন এই ইতিহাস সব জায়গায় আছে। হীনমন্যতা থেকে জিয়াউর রহমানকে ছোট করা হয়।’

বিএনপির এই নেতা অভিযোগ করে বলেন, ৭১’এ দেশ স্বাধীন হলেও দেশের মানুষের মুক্তি হয়নি। আওয়ামী লীগ প্রথমে রাজনীতিকে নিষিদ্ধ করেছে পরে বহুদলীয় গণতন্ত্র ব্যবস্থাকে বাতিল করে। বাকশালের সেই প্রচেষ্ট এখনও অব্যাহত। আওয়ামী লীগের সুষ্ঠু নির্বাচন দিতে এত ভয় কেন?

Advertisement

মানুষ উপজেলা নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে না জানিয়ে ফখরুল বলেন, ‘এ নির্বাচনে কোনো প্রতিদ্বন্ধীতা নেই।’

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আওয়ামী আকণ্ঠ দুর্নীতি করে। আওয়ামী লীগ অর্থনীতি ধ্বংস করে দিয়েছে। রিজার্ভ শেষ করে দিয়েছে। রিজার্ভ তলানিতে এসে পৌঁছেছে। বাংলাদেশের ব্যাংকের দুর্নীতির তথ্য তুলে ধরার কারণে সাংবাদিকদের প্রবেশাধিকার বন্ধ করা হয়েছে। ব্যাংকগুলোর এমন খারাপ অবস্থা যে মার্জ করেও তা ঠিক করা যাচ্ছে না। আওয়ামী লীগ স্বাধীনতার চেতনাকে ধ্বংস করে দিয়েছে।’

 

এসি//

Advertisement
পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

সর্বাধিক পঠিত