Connect with us

রংপুর

অসহায় বিধবার ধান কাটা-মাড়াই করলেন আওয়ামীলীগ নেতাকর্মীরা

Avatar of author

Published

on

ধান

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলায় অসহায় এক বিধবা নারীর এক বিঘা জমির পাকা ধান কেটে মাড়াই করে ঘরে তুলে দিলেন উপজেলা আওয়ামী লীগ।

জানা গেছে, শ্রমিক সংকট ও অধিক শ্রমমূল্যের কারণে উপজেলার রাখালবুরুজ ইউনিয়নের চাঁদপুরখলসি গ্রামের বিধবা শাহানারা বেগম তার সম্পূর্ণরূপে পেকে যাওয়া উঠতি বোরো ধানক্ষেতের ধান কেটে নিতে পারছিলেন না। এ খবর জেনে এক বিঘা জমির পাকা ধান কেটে মাড়াই করে ঘরে তুলে দেন উপজেলা আওয়ামী লীগ, স্বেচ্ছাসেবকলীগ যুবলীগ, কৃষকলীগ ও ছাত্রলীগের কর্মীরা। প্রধানমন্ত্রী ও দলীয় সভানেত্রীর নির্দেশনা মোতাবেক উপজেলা আওয়ামী লীগ দ্রুত ধান কেটে ঘরে তুলে দিয়েছেন তারা।

এ বিষয়ে গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ প্রধান জানান, এখন থেকে চলতি মৌসুমের প্রতিদিনই এমন অসহায় কৃষকদের উঠতি ধান কেটে মাড়াই করে ঘরে তুলে দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। উপজেলার যে কোন কেউ শ্রমিক সংকটে পাকা ধাঁন কাটতে না পারলে আওয়ামীলীগ ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে তার ধান কাঁটা মাড়াইয়ের আশ্বাস দেন তিনি।

Advertisement
মন্তব্য করতে ক্লিক রুন

মন্তব্য করতে লগিন করুন লগিন

রিপ্লাই দিন

রংপুর

বন্ধুর বিশেষ অঙ্গ কেটে দেয়া সেই বেলালের মৃত্যু

Published

on

গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলায় বন্ধু সিরাজুল ইসলামের (২০) গোপন অঙ্গ কেটে ফেলার পর নিজের গোপন অঙ্গ কাটা সেই বেলাল হোসেন (২১) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন।   গতকাল বুধবার সন্ধ্যার দিকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি। অপর আহত বন্ধু সিরাজুল ইসলাম একই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (২০ জুন) সকাল সাড়ে দশটার দিকে সাঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা  মমতাজুল হক বায়ান্ন টিভিকে বিষয়টি নিশ্চিত করছেন।

নিহত বেলাল হোসেন উপজেলার কামালেরপাড়া ইউনিয়নের সুজালপুর গ্রামের মফিজুল হক মফির ছেলে ও আহত সেরাজুল ইসলাম (১৯) পশ্চিম পবনতাইড় গ্রামের তোতা মিয়ার ছেলে।

এর আগে,গেলো ১৮ জুন দুপুরে সাঘাটার উপজেলার সুজালপুর গ্রামের নিজ বাড়িতে ব্লেড দিয়ে বন্ধু সেরাজুল ইসলামের গোপন অঙ্গ কেটে দেন বেলাল হোসেন। এই ঘটনার পর বিকেলের বেলাল হোসেন বাড়ির অদূরে মাটেলের বিল নামক স্থানে গিয়ে ধারালো ছুরি দিয়ে নিজেই তার গলা,পেট ও গোপন অঙ্গ কেটে গুরুত্বর আহত হন।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বেলালের সঙ্গে সিরাজুলের দীর্ঘদিন ধরে বন্ধুত্ব চলে আসছিল। এরই মধ্যে বেলালের খালাতো বোনের সাথে সিরাজুলের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। বিষয়টি বেলাল জানতে পেরে গোপনে ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেন। এরই একপর্যায়ে সিরাজুলকে ঈদের দাওয়াত দিয়ে বাড়িতে ডেকে আনেন বেলাল। তারপর ঘরে নিয়ে সিরাজুলের লিঙ্গ ব্লেড দিয়ে কেটে দেন।

Advertisement

সাঘাটা থানার ওসি জানান, নিহত বেলালের মরহেদ বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রয়েছে। সেখানে ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। এই ঘটনায় আহত সিরাজুলের বাবা তোতা মিয়া থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেছেন।

আই/এ

 

পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

রংপুর

কুড়িগ্রামে চোখ রাঙ্গাচ্ছে বন্যা

Published

on

কুড়িগ্রামে তিস্তা, দুধকুমার, ব্রহ্মপুত্র ও ধরলা নদীসহ  ১৬ নদীর  পানি বেড়েই চলছে। ধরলা নদীর পানি  বিপৎসীমার ২৩ সেন্টিমিটার ও তিস্তা নদীর পানি বিপৎসীমার ১৬ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ফলে এসব নদ-নদীর অববাহিকার নিম্নাঞ্চল ও চরাঞ্চলের প্রায় শত শত পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। ভেঙে পড়েছে যোগাযোগ ব্যবস্থা। তলিয়ে গেছে বিভিন্ন কাচা সড়ক। ডুবে গেছে সবজি ক্ষেতসহ বিভিন্ন উঠতি ফসল।

বৃহস্পতিবার (২০ জুন) সকালে ধরলা নদীর পানি  তালুকশিমুল বাড়ি পয়েন্টে ২৩ সেন্টিমিটার  এবং তিস্তা নদীর পানি কাউনিয়া পয়েন্টে ১৬ সেন্টিমিটার বিপদসীমার উপর দিয়ে বইছে বলে বায়ান্ন টিভিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ রাকিবুল হাসান।

সদরের ঘোগাদহ ইউনিয়নের চর রসুলপুর এলাকার বাসিন্দা আফজাল হোসেন বলেন, কয়েকদিন থেকে পানি বারার কারণে আমার এখানে সেই নদী ভাঙছে। তাই বাড়ি ভেঙে অন্য স্থানে নিচ্ছি।

ব্রহ্মপুত্র নদের পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকলেও এখনো বিপদসীমার সামান্য নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এভাবে পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকলে এসব নদ-নদীর পানিও বিপদসীমা অতিক্রম করার সম্ভাবনা রয়েছে।

জেলা পাউবোর নির্বাহী প্রকৌশলী জানান, আরও ২-৩ দিন নদ নদীগুলোর পানি বৃদ্ধি পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ফলে স্বল্প মেয়াদি বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে। অন্যদিকে গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা যেসব এলাকায় রয়েছে সেখানে ভাঙন রোধে তাঁদের কাজ চলছে।

Advertisement

আই/এ

পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

রংপুর

তিস্তায় ২৬ যাত্রী নিয়ে নৌকাডুবি, শিশুর মরদেহ উদ্ধার

Published

on

কুড়িগ্রামের উলিপুরের সাদুয়া দামারহাট এলাকায় তিস্তা নদীতে নৌকাডুবির ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত নিখোঁজ রয়েছেন সাত জন।

বুধবার (১৯ জুন) রাতে এ দুর্ঘটনা ঘটে। তাৎক্ষণিকভাবে নিখোঁজদের পরিচয় পাওয়া যায়নি।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ইউনিয়নের পশ্চিম বজরা খামার ধামারহাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কাছের খেয়াঘাট এলাকা থেকে খামার ধামারহাট এলাকার জয়নাল আবেদীনের পরিবার ও তাদের আত্নীয়স্বজন মিলে মোট ২৬ জন ব্যক্তি একটি নৌকায় উঠে। তাঁরা তিস্তার ওপারে রংপুর পীরগাছা উপজেলায় আলীবাবা থিম পার্ক এলাকায় জয়নাল আবেদীনের ছেলের শ্বশুরবাড়ীতে ঈদ পরবর্তী দাওয়াত খাইতে যাইতেছিল। কিন্তু নৌকাটি ঘাট থেকে ছেড়ে দেওয়ার কিছুদূরের মধ্যেই তিস্তার প্রবল স্রোতে উলটে গিয়ে ডুবে যায়। এসময় কয়েকজন সাঁতরে এবং কয়েকজনকে স্থানীয়রা নৌকায় করে উদ্ধার করে। পরে খবর পেয়ে উলিপুর ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে উদ্ধারে নামে। এসময় নদী থেকে উদ্ধার নয় জনকে হাসপাতেল পাঠানো হয় এবং একজন দুই বছরের শিশুর মৃত্যু লাশ উদ্ধার করা হয়। মৃত উদ্ধার ওই শিশুর নাম আয়শা(২)। সে আজিজুর রহমানের মেয়ে। এছাড়াও ওই নৌকাডুবির ঘটনায় জয়নাল আবেদীনের ভাগনা আনিছুর রহমান ও তাঁর স্ত্রী এবং একই পরিবারের চারজনসহ অন্তত ৮ জন নিখোঁজ রয়েছে।
স্থানীয় ইউপি বাসিন্দা ও উদ্ধার কর্মী মাহমুদুল হাসান সাগর বলেন, সন্ধ্যার দিকে খামার বজরা গ্রামের জয়নাল আবেদীনের পরিবারের ২৬ জন সদস্য ওপারে পীরগাছা উপজেলায় দাওয়াত খাইতে যাওয়ার সময় নৌকাডিবির ঘটনা ঘটে। পরে স্থানীয় বাসিন্দা ও ফায়ার সার্ভিসের চেষ্টায় ১৮ জনকে উদ্ধার করা হয়। এখন পর্যন্ত ৮ জন নিখোঁজ রয়েছে।
উলিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা গোলাম মর্তুজা বলেন, স্থানীয় বাসদিন্দা ও নৌকাডুবির ঘটনায় উদ্ধার যাত্রীদের মাধ্যমে জানা গেছে নৌকায় ২৬ জন যাত্রী ছিল। নদী থেকে এ পর্যন্ত ১৭ জন জীবিত ও একজন মৃত্ শিশুকে উদ্ধার করা হয়েছে। অন্তত ৮ জন যাত্রী নিখোঁজ আছে বলে স্থানীয়রা দাবী করছেন। আমরা উদ্ধার কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছি।

জেএইচ

পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

সর্বাধিক পঠিত