Connect with us

ঢালিউড

বিবাহবার্ষিকীর অনুভূতি প্রকাশ করলেন পূর্ণিমা

Avatar of author

Published

on

ঢাকাই চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় নায়িকা পূর্ণিমা। দেখতে দেখতেই অভিনেত্রীর দ্বিতীয় বিয়ের এক বছর পূর্ণ হয়ে গেল। প্রথম বিবাহবার্ষিকীতে নিজের পরিবারের সঙ্গে বেশ ভালো সময় কাটিয়েছেন তিনি। পাশাপাশি সোশ্যাল মিডিয়াতেও বিবাহবার্ষিকীর অনুভূতি প্রকাশ করেছেন পূর্ণিমা।

শনিবার (২৭ মে) বিবাহবার্ষিকী উপলক্ষে নিজের ফেসবুকে অভিনেত্রীর মেয়ে উমাইজা এবং বতর্মান স্বামী আশফাকুর রহমানের সঙ্গে কয়েকটি ছবি শেয়ার করে একটি পোস্ট দিয়েছেন।

ক্যাপশনে পূর্ণিমা লিখেছেন, প্রথম বিবাহবার্ষিকীর শুভেচ্ছা প্রিয় স্বামী আশফাকুর রহমান। এক বছরের ভালোবাসা। ৩৬৫ দিন একসঙ্গে পার করা। প্রচুর হাসাহাসি। ৫২ সপ্তাহের সুখের স্মৃতি। আরও কত অগণন স্মৃতি। শুভ বিবাহবার্ষিকী। আমি, উমাইজা এবং তুমি। আলহামদুলিল্লাহ।

বিয়ের এক বছর পূর্তি উপলক্ষে অভিনেত্রীর ওই পোস্টে সুবর্ণা মুস্তাফা থেকে শুরু করে চঞ্চল চৌধুরী, চিত্রনায়ক সাইমন সাদিকসহ পরিচালক, সহশিল্পী, সাংবাদিকদের পাশাপাশি সংসদ সদস্যরাও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন এই দম্পতিকে।

প্রসঙ্গত, গত বছরের জুলাইয়ে আশফাকুর রহমানের সঙ্গে বিয়ের খবরটি সবার সামনে নিয়ে আসেন পূর্ণিমা। অভিনেত্রীর স্বামী বর্তমানে দেশের একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মরত রয়েছেন।

Advertisement

 

Advertisement
মন্তব্য করতে ক্লিক রুন

মন্তব্য করতে লগিন করুন লগিন

রিপ্লাই দিন

ঢালিউড

খোলামেলা শাড়িতে ফের উত্তাপ ছড়ালেন রুনা খান

Published

on

ছবি অভিনেত্রী রুনা খানের ফেসবুক থেকে নেওয়া।

বর্তমান প্রজন্মের জনপ্রিয় অভিনেত্রী রুনা খান। অসংখ্য নাটকে অভিনয় করে মন জয় করেছেন দর্শকদের। পাকাপোক্ত অবস্থান গড়েছেন শোবিজ ক্যারিয়ারে। তবে দিন দিন যেন বয়স কমছে রুনা খানের। ৪১ বছর বয়সে এসেও  রূপের দ্যুতি ছড়াচ্ছেন এই অভিনেত্রী।

গত বছর ওজন কমিয়ে ভক্ত অনুরাগীদের তাক লাগিয়ে দেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত এই অভিনেত্রী। তবে অভিনয়ের বাইরে মাঝেমধ্যেই চমকে দেন তিনি। সামাজিক যোগাযোগের পাতায় হাজির হন নতুনরূপে। কখনো ওজন কমানো আবার কখনো খোলামেলা পোশাকে ধরা দেন ৪১ বছর বয়সী এই অভিনেত্রী। তার একটি চমৎকার দিক হলো, যেকোনো লুকে তিনি নজর কাড়েন। এবার ফের ভক্তদের চমকে দিলেন রুনা।

শুক্রবার(১৪ জুন) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বেশকিছু ছবি পোস্ট করেছেন এ অভিনেত্রী। যেখানে ভক্ত-অনুরাগীদের মাঝে বেশ খোলামেলা ভাবে ধরা দিয়েছেন। রুনা খানকে ক্রিম কালারের মসলিন শাড়িতে উষ্ণতা ছড়াতে দেখা গেলো।কুরুশকাঁটার স্লিভলেস ব্লাউজে নিজেকে অন্যভাবে সাজিয়েছেন এ অভিনেত্রী।

আকর্ষণীয় শাড়িটিতে পুঁতি দিয়ে কারুকাজ করা হয়েছে। হালকা লো-মেকাপ লুকে খোলা চুলে রুনা খান ভক্ত-অনুরাগীদের মাঝে আলাদাভাবে নজর কেড়েছে।

অভিনেত্রীর কপালে রয়েছে ছোট্ট সাদা টিপ। এদিকে ব্লাউজের সঙ্গে ম্যাচিং করে কানে পরেছে দুল। ঠোঁটে রয়েছে হালকা গোলাপি রঙের লিপস্টিক। চোখের চাহনি ও উষ্ণ হাসি যেন অনুরাগীদের ঘায়েল করে ফেলবে।

Advertisement

সত্যিই তাই হয়েছে। মুহূর্তের মধ্যেই ভাইরাল হয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। রুনা খানের সাহসী এই ছবিগুলোতে বিভিন্ন মন্তব্য করেছেন অনুসারীরা।

নজরকাড়া এই লুক নিয়ে ছোট পর্দার অভিনেত্রী রিমু রোজা খোন্দকার ছবির পোস্টে লিখেছেন, ‘আপনার অভিনয় তো Mashallah সেটা নিয়ে কোন সন্দেহ কারো নাই। কিন্তু আপনার এই transformation যে উদাহরণ তৈরী করেছেন body fitness নিয়ে “ কেউ না কেউ যেন আপনাকে নিয়ে এবং প্রধান নায়িকা হবেন আপনি ছবি বানাক,হোক সেটা দেশে বা বিদেশে”   জয়া আহসান আপুর মতো আপনাকেও সফল নায়িকা হিসাবে বড় পর্দায় দেখতে চাই।

শেখ শফিক নামে আরেকজন লিখেছেন, ‘নিজেকে এত সুন্দর রাখার জন্য নিশ্চয়ই অনেক কষ্ট হইছে।’ সঞ্জয় কান্ত নামে একজন লিখেছেন, ওগো রুনা বিবি…… ফেইসবুক খুললেই শুধু তোমার ছবি!

টেলিভিশন নাটকে অভিনয়ের মধ্য দিয়ে শোবিজ অঙ্গনে পথচলা রুনা খানের।  ‘হালদা’ চলচ্চিত্রে অভিনয় করে শ্রেষ্ঠ পার্শ্ব অভিনেত্রী বিভাগে তিনি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ও বাচসাস পুরস্কার পেয়েছেন।

এছাড়া, তিনি গহীন ‘বালুচর’ ও ‘ছিটকিনি’ ছবিতে অভিনয় করে প্রশংসিত হয়েছেন। ছিটকিনি ছবিতে রুনা খান শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র অভিনেত্রীর জন্য মেরিল-প্রথম আলো সমালোচক পুরস্কার পান।

Advertisement

এমআর//

পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

ঢালিউড

অভিনেতা জীবন ও শিমুল শর্মাকে আইনি নোটিশ

Published

on

অভিনয়শিল্পী শরাফ আহমেদ জীবন ও শিমুল শর্মা। সংগৃহীত ছবি

সম্প্রতি কোমলপানীয় ব্র্যান্ড কোকাকোলার একটি ‘বিতর্কিত’ বিজ্ঞাপন নিয়ে সমালোচনার ঝড় যেন থামছেই না। এবার এই ইস্যুতে অভিনয়শিল্পী শরাফ আহমেদ জীবন ও শিমুল শর্মাকে  লিগ্যাল নোটিশ পাঠিয়েছেন ময়মনসিংহের এক আইনজীবী।শুক্রবার (১৪ জুন) রাতে লিগ্যাল নোটিশ পাঠানোর বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন এম. আহসান উদ্দিন নামে ওই আইনজীবি।

বৃহস্পতিবার (১৩ জুন) দুপুরে ময়মনসিংহের বলাশপুর এলাকার বাসিন্দা সাকিব আহমেদ তুহিনের পক্ষে রেজিস্ট্রি ডাকযোগে এই আইনি নোটিশ পাঠানো হয়।

অভিনেতা শরাফ আহমেদ জীবন ময়মনসিংহের তারাকান্দা উপজেলার লাউটিয়া গ্রামের বাসিন্দা আবুল হোসাইন ও আমেনা আক্তার দম্পতির ছেলে। তবে নোটিশে শিমুল শর্মার পারিবারিক পরিচয় অজ্ঞাত উল্লেখ করা হয়েছে।

আইনজীবী যা বললেন:

নোটিশে আইনজীবী বলেছেন,  ‘কোকাকোলার বিতর্কিত বিজ্ঞাপনে অংশ নিয়ে অভিনেতা শরাফ আহমেদ জীবন ও শিমুল শর্মা বাংলাদেশের সাধারণ জনগণের অনুভূতিতে আঘাত দিয়েছেন। সেই সঙ্গে তারা আর্থিকভাবে লাভবান হয়ে মানবতা বিরোধীদের পক্ষাবলম্বন করেছেন। এমন পরিস্থিতিতে দেশের আইনশৃঙ্খলা অবনতি হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এই অবস্থায় আগামী সাত (৭) দিনের মধ্যে অভিনেতা শরাফ আহমেদ জীবন ও শিমুল শর্মাকে সংবাদ সম্মেলন করে এই বিষয়ে গ্রহণযোগ্য ব্যাখ্য দিতে হবে। অন্যথায় কেন তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে না—তাও জানাতে হবে।’

Advertisement

নোটিশ দাতা যা বলেলেন:

নোটিশ দাতা সাকিব আহমেদ তুহিন বলেন, ‘শান্তিকামী ফিলিস্তিনের নিরীহ মানুষের ওপর ইসরায়েলের বর্বর হামলার প্রতিবাদে গত ৬ মে সারা দেশে একযোগে ফিলিস্তিনের পক্ষে পতাকা উত্তোলন করে সমর্থন ব্যক্ত করেছেন। এ কারণে বাংলাদেশের সাধারণ জনগণ ফিলিস্তিনের পক্ষে সহমর্মী হয়ে ইসরায়েলের সমর্থন পুষ্ট ও স্বার্থ সংশ্লিষ্ট কোমলপানীয় কোকাকোলা পণ্য বয়কট করেছে। এতে কোকাকোলা বিক্রি তলানিতে নেমে আসে। এমন পরিস্থিতিতে কোকাকোলার ৬০ সেকেন্ডের একটি প্রমোশনাল ভিডিও তৈরি করে স্যোস্যাল মিডিয়াসহ ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় প্রচার করা হয়।’

বিজ্ঞাপনে কী ছিল:

কোমলপানীয় ব্র্যান্ড কোকাকোলার ওই বিজ্ঞাপনে শেষ সংলাপ ছিল- ‘একটা চুমুক দেন, তারপর সার্চ দেন’। অর্থাৎ গুজবে কান না দিয়ে দেখুন কোকাকোলা কোন দেশের প্রতিষ্ঠান। অথচ বাজার গবেষক নাদিয়া তাবাসসুম আল জাজিরাকে বলেছেন- গাজায় কোকাকোলার কারখানার বিষয়টি বিজ্ঞাপনে সঠিকভাবে উপস্থাপন করা হয়নি। এর মাধ‍্যমে ফিলিস্তিনের মানুষকে অপমান করা হয়েছে। এমন দাবি নোটিশ দাতার।

বিজ্ঞাপনটিতে যা দেখানো হয়েছে:

Advertisement

কোকাকোলার ওই  বিজ্ঞাপনটিতে দেখানো হয়, কোককে সবাই যে দেশের পণ্য মনে করছে, আসলে সেই দেশের পণ্য নয় কোকাকোলা। মানুষ সঠিক তথ্য না জেনেই এটি বয়কটের ডাক দিয়েছে। ১৯০টি দেশের মানুষ কোক খায়। এমনকি ফিলিস্তিনে কোকাকোলার ফ্যাক্টরি রয়েছে। তাই বিভ্রান্ত না হয়ে গুগলে সার্চ দিয়ে নিশ্চিত হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে বিজ্ঞাপনটিতে।

সমালোচনার ঝড়ে বিজ্ঞাপনের অভিনেতারা:

কোকাকোলার এই বিজ্ঞাপনটি প্রচারের পরই তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েন এতে অভিনয় করা শরাফ আহমেদ জীবন ও শিমুল শর্মা। সমালোচনার ঝড়ের  মধ্যেই নিজেদের অবস্থান তুলে ধরে সামাজিকমাধ্যমে বিবৃতি দিয়েছেন তারা।

অভিনেতা-নির্মাতা জীবন লিখেছেন, ‘বিজ্ঞাপনটি প্রচার হবার পর থেকে আমি আপনাদের অনেক মিশ্র প্রতিক্রিয়া লক্ষ্য করছি এবং আপনাদের প্রতি সম্মান জানিয়ে আমি আবারো বলতে চাই কাজটি শুধুই আমার পেশাগত জীবনের একটি অংশমাত্র। ব্যক্তিগত জীবনে আমি সবসময় মানবাধিকার বিরোধী যেকোনো আগ্রাসনের বিপক্ষে দাঁড়িয়েছি এবং আপনাদের অনুভূতি ও মতামতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকেছি। এখানে আমি কোথাও ইসরায়েলের পক্ষ নিইনি এবং আমি কখনোই ইসরায়েলের পক্ষে নই। আমার হৃদয় সবসময় ন্যায়ের পক্ষে এবং মানবতার পাশে আছে, থাকবে।’

এমআর//

Advertisement
পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

ঢালিউড

পরিচালক শাহাদাৎ হোসেনের মৃত্যু, শোবিজ অঙ্গনে শোকের ছায়া

Published

on

মনোয়ার হোসেন ডিপজল ও মো. শাহাদাৎ হোসেন। সংগৃহীত ছবি

ঢাকাই চলচ্চিত্র জগতের বিশিষ্ট প্রযোজক, পরিচালক ও প্রদর্শক মো. শাহাদাৎ হোসেন মারা গেছেন।(ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। শনিবার(১৫ জুন) রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

শনিবার তিনি রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে মারা গেছেন বলে গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদক মনোয়ার হোসেন ডিপজল। ঢালিউডের প্রখ্যাত এই খল অভিনেতার বড় ভাই  হচ্ছেন  মো. শাহাদাৎ হোসেন।

নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক স্ট্যাটাসে মনোয়ার হোসেন ডিপজল লিখেছেন, ‘হাজী মোহাম্মদ শাহাদাৎ হোসেন ( বাদশা ভাই) কিছুক্ষন আগে শ্যামলীর একটি হসপিটালে ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না-লিল্লাহ….. রাজেউন)। আল্লাহ যেনো উনাকে বেহেশত নসিব করেন। ‘

জানা গেছে, হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে শুক্রবার ( ১৪ জুন) ভোর ৩টায় হাসপাতালে ভর্তি হন ডিপজলের বড় ভাই শাহাদাৎ। এরপর তার শারীরিক অবস্থা খারাপের দিকে এগোলে তাকে লাইফ সাপোর্টে রাখার সিদ্ধান্ত নেন চিকিৎসকরা। শেষ পর্যন্ত শনিবার দুপুরে মায়ার বন্ধন ছিন্ন করে পরপারে পাড়ি জমান ডিপজলের বড় ভাই।

এর আগে, শুক্রবার(১৪ জুন) মনোয়ার হোসেন ডিপজল নিজের বড় ভাইয়ের সুস্থতা কামনায় ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দেন।

Advertisement

তিনি লেখেন, ‘আমার বড় ভাই হাজি মো. শাহাদাৎ হোসেন (বাদশা ভাই) ১৪ জুন ভোর ৩টায় হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতাল, কল্যাণপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বর্তমানে লাইফ সাপোর্টে আছেন। সবাই তার দ্রুত সুস্থতার জন্য দোয়া করবেন।’

এদিকে, হাজী মোহাম্মদ শাহাদাৎ হোসেনের ( বাদশা ভাই) মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।  তার মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতি। শোকাহত পরিবার, ভক্ত ও শুভাকাঙ্ক্ষিরা।

এমআর//

পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

সর্বাধিক পঠিত