Connect with us

জাতীয়

ধৈর্য ধরেন, পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে : বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী

Avatar of author

Published

on

আমরা মনে করি ১৫ থেকে ১৬ দিনের মধ্যে বিদ্যুতের পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে। আপনারা সকলে একটু ধৈর্য্য ধরেন। বিশ্বের দিকে ও নিজের দেশের দিকে তাকিয়ে যদি আমরা ধৈর্য ধরি, তাহলে যে সমস্যাটা দেখতে পারছি সেটা পার হতে পারব। বলেছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানী ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ।

আজ (মঙ্গলবার) জাতীয় সংসদে ২০২২-২৩ অর্থবছরের সম্পূরক বাজেটে জ্বালানী ও খনিজ সম্পদ বিভাগের মঞ্জুরি দাবির ছাঁটাই প্রস্তাবের ওপর সংসদ সদস্যদের বক্তব্যের জবাব দিতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

চলতি অর্থবছরে জ্বালানী ও খনিজ সম্পদ বিভাগের জন্য ৩২ কোটি ৪৬ লাখ চার হাজার টাকা মঞ্জুরি দাবি করেন বিদ্যুৎ, জ্বালানী ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ। তার এই দাবিতে ছাঁটাই প্রস্তাব দেন ১০ জন সংসদ সদস্য। তবে আলোচনায় অংশ নেন ছয়জন। বাকিরা অনুপস্থিত ছিলেন।

প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেন, কোভিড আমাদের অনেক ক্ষতি করে দিয়েছে। একটা হচ্ছে জিনিসপত্রের দাম বেড়ে গেছে। আরেকটা হচ্ছে- স্বাস্থ্যগতভাবে মেমোরিটা লস করে দিয়েছে। ১৬ ঘণ্টা, ১৮ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকত না। সেখান থেকে আমরা শতভাগ বিদ্যুতায়ন করেছি।

তিনি বলেন, বর্তমানে দিনের বেলায় ১২ হাজার থেকে সাড়ে ১২ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপন্ন করতে পারি। পিক আওয়ারে সন্ধ্যা বেলায় ১৪ থেকে ১৫ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে পারি। দুই থেকে আড়াই হাজার মেগাওয়াট লোডশেডিং বর্তমানে চলছে।

Advertisement

নসরুল হামিদ বলেন, আমরা সময় মতো কয়লার জন্য এলসি করতে পারিনি। বৈশ্বিক ব্যবস্থা ও বর্তমানে অর্থনৈতিক ব্যবস্থা সবকিছুর ওপর চিন্তা করে আমরা সময় মতো কয়লাটা আনতে পারিনি। যার কারণে পায়রার এ অবস্থা হয়েছে। আগামী ১৫ দিনের মধ্যে প্ল্যান্ট চালু করে দেব।

তিনি আরো বলেন, আমাদের নতুন পাওয়ার প্ল্যান্ট চালু হবে, পায়রা চালু হবে। রামপাল চলছে। এসএস পাওয়ার চালু হয়ে যাবে। আমরা ভারত থেকে বিদ্যুৎ আনছি। আরও নিয়ে আসব। কিন্তু কিছু কিছু জায়গায় আমাদের যে সমস্যা হচ্ছে সেটা হচ্ছে বৈশ্বিক জ্বালানির দাম বেড়ে যাওয়ায় আমাদের অর্থের যোগানটা সমস্যা হয়ে গেছে। এটা বেশি দিনের জন্য না। আমরা মনে করি ১৫ থেকে ১৬ দিনের মধ্যে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে।

 

Advertisement
মন্তব্য করতে ক্লিক রুন

মন্তব্য করতে লগিন করুন লগিন

রিপ্লাই দিন

জাতীয়

রাষ্ট্রীয় সম্পদ ধ্বংসকারীদের বিচার হবে : প্রধানমন্ত্রী

Published

on

প্রধানমন্ত্রী,-মেট্রোরেল-১০-সেটশন

সরকারের উন্নয়ন যারা ধ্বংস করেছে তাদের বিরুদ্ধে দেশবাসীকেই রুখে দাঁড়াতে হবে। এ তাণ্ডব যারা করেছে, তাদের বিচার দেশবাসীকে করতে হবে।  একই সঙ্গে ধ্বংসযজ্ঞকারীদের রুখে দিতে জনসাধারণকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুলাই) সকাল সাড়ে ৮টায় মিরপুরে ১০ এ  কোটা সংস্কার আন্দোলনের সময় দুর্বৃত্তদের হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত মেট্রোরেল স্টেশন পরিদর্শন শেষে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

এসময় প্রধানমন্ত্রী গণমাধ্যমকে বলেন, সাধারণ মানুষ যেন নির্বিঘ্নে কর্মক্ষেত্রে পৌঁছাতে পারে সেটা সুনিশ্চিত করা হবে। দেশটা যাতে আর্থিকভাবে সচ্ছল হতে পারে সেই চেষ্টাই করবো। এ দেশের মানুষ রক্ত দিয়ে দেশ স্বাধীন করেছে। সেই দেশটা ব্যর্থ হতে পারে না।

তিনি বলেন, যে স্থাপনাগুলো মানুষের জীবনকে সহজ করে সেগুলো ধ্বংস করা আসলে কোনো ধরনের মানসিকতা। ঢাকা শহর যানজটে নাকাল থাকলেও মেট্রো স্বস্তি দিয়েছে। আধুনিক প্রযুক্তির এ পরিবহন এভাবে ধ্বংস করেছে, বিষয়টা মানতে পারছি না।

উল্লেখ্য, গেলো শুক্রবার (১৯ জুলাই) বিকেলে রাজধানীর মিরপুর-১০ ও কাজীপাড়া স্টেশনে হামলা হয়। ভাঙচুর করা হয় সিসি (ক্লোজড সার্কিট) ক্যামেরা, এলইডি মনিটর, টিকিট কাটার মেশিনসহ বিভিন্ন জায়গা। লুট করা হয় মূল্যবান অনেক জিনিস। পরে কী পরিমাণ ক্ষতি হয়েছে তা নির্ণয়ে কমিটি করেছে মেট্রোরেল কর্তৃপক্ষ।

Advertisement

ক্ষতিগ্রস্ত মিরপুর-১০ ও কাজীপাড়া স্টেশন চালু হতে কমপক্ষে এক বছর লাগতে পারে বলে জানায় মেট্রোরেল কর্তৃপক্ষ।

 

এসি//

পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

জাতীয়

সকাল ১০টা থেকে সাত ঘণ্টা শিথিল থাকবে কারফিউ

Published

on

সংগৃহীত ছবি

আজ সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত শিথিল থাকবে কারফিউ। ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, গাজীপুর ও নরসিংদী বাদে বাকি ৬০ জেলায় কারফিউ শিথিলের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে স্থানীয় প্রশাসনকে। তারা চাইলে এ সময় কমাতে কিংবা বাড়াতে পারেন।

বুধবার (২৪ জুলাই) স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল গণমাধ্যমকে  বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

কারফিউ শিথিলের সময় সারা দেশে  যানচলাচলসহ দোকানপাট ও শপিংমল খোলা থাকবে। চলবে তৈরি পোশাক শিল্প কারখানার কাজ। খোলা থাকবে অফিস আদালাত ও সরকারি অফিস। এমনকি এ সময়ে চলতে পারবে অভ্যন্তরীণ ও দূরপাল্লার বাস।

এদিকে গেলো বুধবার থেকে কারফিউ শিথিল করা শুরু হয়। খুলছে সরকারি বেসরকারি সব অফিস। তবে, সকাল ৯টার পরিবর্তে অফিস শুরু হবে সকাল ১১টা থেকে এবং বিকেল ৫টার পরিবর্তে অফিস চলবে বিকেল ৩টা পর্যন্ত।

কোটা সংস্কার আন্দোলনকে কেন্দ্র করে দেশে সহিংসতা শুরু হয়। এ অবস্থায় দেশের সার্বিক পরিস্থিতি অবনতির দিকে যাওয়ায়, শুক্রবার রাতে জারি করা হয় কারফিউ। বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তায় সেদিন মধ্যরাতে মাঠে নামে সেনাবাহিনী।

Advertisement

আই/এ

পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

জাতীয়

বাংলা একাডেমির নতুন মহাপরিচালক হারুন-উর-রশীদ আসকারী

Published

on

বাংলা একাডেমির নতুন মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করলেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য মো. হারুন-উর-রশীদ আসকারী। গেলো বৃহস্পতিবার তার নিয়োগের প্রজ্ঞাপন জারি হয়।

বুধবার (২৪ জুলাই) থেকে দায়িত্ব গ্রহণ করেন তিনি। বুধবার দুপুরে একাডেমির শহীদ মুনীর চৌধুরী সভাকক্ষে হারুন-উর-রশীদ আসকারীকে সংবর্ধনা দিয়ে স্বাগত জানানো হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাংলা একাডেমির সচিব নায়েব আলীসহ বিভিন্ন বিভাগের পরিচালক ও কর্মকর্তারা।

অন্যান্য প্রতিষ্ঠান ও সংগঠনের সঙ্গে কর্ম-সম্পর্ক পরিত্যাগের শর্তে যোগদানের দিন থেকে পরবর্তী তিন বছর মেয়াদে তাকে বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক পদে এই নিয়োগ দেয়া হয়েছে।

ইংরেজি সাহিত্য ও ভাষা বিভাগের সাবেক অধ্যাপক, অনুবাদক হারুন–উর–রশীদ দায়িত্ব গ্রহণ করে গণমাধ্যমে বলেন, দেশে অনেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থাকে, তবে বাংলা একাডেমির মতো প্রতিষ্ঠান একটিই। তাই জাতির সাংস্কৃতিক বুদ্ধিবৃত্তিক অগ্রগতির জন্য সবাই এই প্রতিষ্ঠানের দিকে তাকিয়ে থাকে। সবার সহযোগিতা ও সমর্থন পেলে এই প্রতিষ্ঠানকে বিশ্বমানের গবেষণাপ্রতিষ্ঠানে পরিণত করা হবে।

প্রসঙ্গত, মো. হারুন-উর-রশীদ আসকারী ১৯৯০ সালে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে ইংরেজি বিভাগে প্রভাষক হিসেবে যোগদান করেন। পরে তিনি এই বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের দায়িত্ব পালন করেন। জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে গবেষক হিসেবে তার প্রবন্ধ ও বেশ কয়েকটি বই আছে। অধ্যাপক মো. হারুন-উর-রশীদ আসকারীর আগে বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক ছিলেন কবি মুহম্মদ নূরুল হুদা।

Advertisement
পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

সর্বাধিক পঠিত