Connect with us

ময়মনসিংহ

তৃতীয় বিয়েতে রাজি না হওয়ায় যুবকের আত্মহত্যা

Avatar of author

Published

on

আত্মহত্যা

ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে পরিবার তৃতীয় বিয়েতে রাজি না হওয়ায় রিফাত মিয়া (২৩) নামে এক যুবক গলায় ফাঁস নিয়েছেন। নিহত রিফাত ওই গ্রামের মৃত আজিজুল হকের ছেলে।

শনিবার (১০ জুন) ভোররাতে উপজেলার মগটুলা ইউনিয়নের তরফপাছাইল গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ঈশ্বরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তাছিনুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, রিফাত এক বছর আগে প্রথম বিয়ে করার কিছুদিন পর বউ চলে যায়। পরে তিন মাস আগে দ্বিতীয় বিয়ে করেন। দ্বিতীয় স্ত্রীর সঙ্গে বনিবনা না হওয়ায় তাকে তালাক দেন রিফাত। সম্প্রতি আবারও বিয়ের জন্য পরিবারকে চাপ দেন তিনি। কিন্তু পরিবার রাজি হচ্ছিল না।

এসব নিয়ে শুক্রবার রাতে পরিবারের সঙ্গে মনোমালিন্য হয় রিফাতের। এ কারণে রাত ১০টার দিকে রিফাত নিজ ঘরের সিলিং ফ্যানের সঙ্গে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। পরে পরিবারের লোকজন টের পেয়ে তাকে উদ্ধার করে। উদ্ধারের পর রাত ৩টা পর্যন্ত রিফাতের মা তার কাছে বসে ছিলেন। হঠাৎ তিনি ঘুমিয়ে পড়লে রিফাত আবারও ফাঁসি দিয়ে আত্মহত্যা করেন। পরে সকালের দিকে পরিবারের লোকজন টের পায়।

এ বিষয়ে ওসি মোস্তাছিনুর রহমান বলেন, পরিবারের আবেদনের প্রেক্ষিতে ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ দাফনের অনুমতি দেয়া হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে।

Advertisement
Advertisement
মন্তব্য করতে ক্লিক রুন

মন্তব্য করতে লগিন করুন লগিন

রিপ্লাই দিন

ময়মনসিংহ

ভোরে ট্রাকচাপায় অটোরিকশার চালকসহ দুইজনের মৃত্যু

Published

on

ময়মনসিংহের ভালুকায় ট্রাকচাপায় সিএনজিচালিত অটোরিকশার চালক ও যাত্রী নিহত হয়েছেন। দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও পাঁচজন।

শনিবার (১৫ জুন) ভোর ৫টার দিকে উপজেলার ভরাডোবা এলাকায় ঢাকা-ময়মনসিংহে মহাসড়কে এই দুর্ঘটনা ঘটে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেন ভালুকা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শফিকুল ইসলাম।

তিনি জানান, ঢাকাগামী একটি ট্রাক বিপরীত দিক থেকে আসা অটোরিকশাকে চাপা দিলে ঘটনাস্থলেই দুইজনের মৃত্যু হয়। আহত হয়েছেন আরও পাঁচজন। তাদের ভালুকা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

ওসি শফিকুল ইসলাম আরও বলেন, ট্রাকটি জব্দ করা হয়েছে। তবে চালক পালিয়ে যাওয়ায় তাকে আটক করা সম্ভব হয়নি।

Advertisement

টিআর/

পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

দুর্ঘটনা

ট্রাক ও প্রাইভেট কারের মু‌খোমু‌খি সংঘ‌র্ষে নিহত ২

Published

on

সড়ক দুর্ঘটনা

ট্রাক ও প্রাইভেট কারের মু‌খোমু‌খি সংঘ‌র্ষে দুইজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ৪ জন। আহতদের উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠা‌নো হ‌য়ে‌ছে। তাৎক্ষ‌নিকভা‌বে হতাহত‌দের প‌রিচয় পাওয়া যায়‌নি।

বৃহস্প‌তিবার (১৩ জুন) দিবাগত রাত আড়াইটার দি‌কে টাঙ্গাইল-ময়মন‌সিংহ আঞ্চ‌লিক মহাসড়‌কের টাঙ্গাইলের কা‌লিহাতী‌র বাগু‌টিয়ার বঙ্গবন্ধু টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের (বিটেক) সাম‌নে এ ঘটনা ঘ‌টে।

এলেঙ্গা হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মীর মো. সাজেদুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

তিনি জানান, প্রাইভেট কারটি ময়মন‌সিংহের দি‌কে যা‌চ্ছিল। এ সময় কারটি বাগু‌টিয়া এলাকায় পৌঁছালে টাঙ্গাইলগামী ট্রা‌কের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই দুইজন মারা যান। আহত হন আরও ৪ জন। হতাহত‌দের প‌রিচয় পাওয়া যায়‌নি।

জেএইচ

Advertisement
পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

ময়মনসিংহ

ঘাস খেয়ে বাছুরসহ খামারের ২৭ গরু মারা গেলো

Published

on

নেত্রকোণার পূর্বধলায় একটি খামারের ষাঁড়, গাভি, বাছুরসহ ২৭টি গরুর মৃত্যু হয়েছে। রোববার থেকে মঙ্গলবার রাত পর্যন্ত সদর ইউনিয়নের পশ্চিম পাড়া গ্রামের ‘তাহাযিদ অ্যাগ্রো’ ফার্মে এ ঘটনা ঘটে। এ ছাড়া খামারটির আরও বেশ কয়েকটি গরু অসুস্থ রয়েছে।

বুধবার (১২ জুন) এ ঘটনার সত্যতা গণমাধ্যমে নিশ্চিত করেছেন পূর্বধলা উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা এম এম এ আউয়াল তালুকদার।

ঘটনার বর্ণনা দিয়ে খামারের মালিক জাহেরুল ইসলাম বলেন, আমি ওই দিন বাড়িতে না থাকায় খামার দেখাশোনা করার লোকজন খেত থেকে কচি ঘাস কেটে সঙ্গে সঙ্গে গরুগুলোকে খেতে দেয়ায় এই সমস্যা হয়েছে। সাধারণত নেপিয়ার ঘাস আগের দিন কেটে রেখে পরদিন দেয়া হতো। অথবা দুই ঘণ্টার মতো রোদে রেখে প্রাণীগুলোকে খেতে দেয়া হতো। খামারের ২০৩টি গরুর মধ্যে অন্তত ৫০টি গরুকে এই ঘাস খেতে দেয়া হয়েছিল। ২৭টি গরু মারা যাওয়ার পর খামারে এখনও ৪টি গরু অসুস্থ। উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তারা এসে মৃত গরুগুলো নমুনা ও ঘাসের নমুনা সংগ্রহ করে নিয়ে গেছেন।

এ বিষয়ে প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা এম এম এ আউয়াল তালুকদার বলেন, বৃষ্টির সময় কচি ঘাসে নাইট্রোজেনের মাত্রা বেশি থাকে। নাইট্রেট বিষক্রিয়ায় গরুগুলো মারা যেতে পারে। ঘাসের নমুনা ও মারা যাওয়া গরুর নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। পরীক্ষার পর আরও বিস্তারিত জানা যাবে।

তিনি আরও বলেন, এ বিষয় খামারির সঙ্গে অধিদপ্তরের মেডিকেল দল সার্বক্ষণিক চিকিৎসাসেবা প্রদানসহ খোঁজখবর রাখছে। খামারিদের গরুকে শুধু কাঁচা ঘাস দেয়া থেকে বিরত থাকা উচিত। এ ছাড়া নেপিয়ার ঘাস কাটার সঙ্গে সঙ্গে গরুকে খেতে দেয়া উচিত নয়।

Advertisement

এএম/

পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

সর্বাধিক পঠিত