Connect with us

অর্থনীতি

কমলো সয়াবিন তেলের দাম

Avatar of author

Published

on

সয়াবিন তেল

সয়াবিন তেলের দাম প্রতি লিটার ১০ টাকা কমিয়ে ১৮৯ টাকা করা হয়েছে। যা আগে ছিল ১৯৯ টাকা। এছাড়া পামওয়েল লিটারে দুই টাকা কমিয়ে ১৩৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

রোববার (১১ জুন) সচিবালয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব তপন কান্তি ঘোষ এ কথা জানান।

এর আগে গেলো ৪ মে সয়াবিন তেলের দাম লিটারে ১২ টাকা বাড়ানো হয়। সে সময় খোলা সয়াবিন তেলের দাম প্রতি লিটার ১৭৬ টাকা এবং বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম লিটারে ১৯৯ টাকা নির্ধারণ করা হয়। এছাড়া খোলা পাম তেলের দাম নির্ধারণ করা হয় ১৩৫ টাকা।

তখন ভোজ্যতেল উৎপাদক সমিতি গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে জানিয়েছিল, ভোজ্যতেলের আমদানিতে সরকার প্রদত্ত ভ্যাট অব্যাহতির মেয়াদ গেলো ৩০ এপ্রিল শেষ হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ ট্রেড ট্যারিফ কমিশনের সঙ্গে ভেজিটেবল অয়েল রিফাইনার্স অ্যান্ড বনস্পতি আলোচনা সাপেক্ষে ভোজ্যতেলের মূল্য সমন্বয় করেছে।

এর আগে গেল বছরের ডিসেম্বরে খুচরা পর্যায়ে সয়াবিন তেলের দাম লিটারপ্রতি পাঁচ টাকা কমিয়েছিল সরকার। এছাড়া পাম তেলের দাম চার টাকা কমানো হয়েছিল। সেই হিসাবে প্রতি লিটার খোলা সয়াবিন তেলের দাম ১৬৭ টাকা এবং বোতলজাত সয়াবিন তেল ১৮৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। পাঁচ লিটারের সয়াবিন তেলের বোতলের দাম ছিল ৯০৬ টাকা। এছাড়া পাম তেলের দাম চার টাকা কমিয়ে ১১৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল।

Advertisement

 

Advertisement
মন্তব্য করতে ক্লিক রুন

মন্তব্য করতে লগিন করুন লগিন

রিপ্লাই দিন

অর্থনীতি

বিশ্বব্যাংক থেকে ৯০০ মিলিয়ন ডলার ঋণ পেলো বাংলাদেশ

Published

on

জলবায়ু সহিষ্ণু ও টেকসই প্রবৃদ্ধি, শহরাঞ্চলে অবকাঠামোগত উন্নয়ন,আর্থিক পরিস্থিতি এবং আর্থিক খাতে নীতিমালা জোরালো করতে বাংলাদেশে দুই প্রকল্পে ঋণ হিসেবে ৯০০ মিলিয়ন ডলার বা  প্রায় সাড়ে ১০ হাজার কোটি টাকা দিয়েছে বিশ্বব্যাংক।

শনিবার (২২ জুন) বিশ্বব্যাংকের ঢাকা অফিস থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিশ্বব্যাংকের নির্বাহী পরিচালকদের বোর্ড গেলো ২১ জুন এই ঋণের অনুমোদন দেয়। দুই কিস্তি ঋণের শেষ কিস্তি হিসেবে ৫০০ মিলিয়ন ডলার দেয়া হচ্ছে। এটি বাংলাদেশের আর্থিক খাতে সংষ্কারের পাশাপাশি টেকসই উন্নয়নের গতি বাড়াবে। এ ছাড়াও জলবায়ু পরিবর্তনসহ ভবিষ্যতে যেকোনো দুযোর্গ মোকাবিলায় সহায়তা করবে।

বাংলাদেশ ও ভুটানে বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর আবদুলায়ে সেক বলেন, প্রয়োজনীয় সংস্কারগুলো বাংলাদেশকে প্রবৃদ্ধি ধরে রাখতে এবং জলবায়ু পরিবর্তন ও অন্যান্য সংকট মোকাবিলায় সহায়তা করবে। নতুন অর্থায়ন বাংলাদেশকে দুইটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে সহায়তা করবে—একটি হচ্ছে আর্থিক খাত ও নগর ব্যবস্থাপনা এবং অন্যটি উচ্চ মধ্যম-আয়ের দেশের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন।

বিশ্বব্যাংক জানিয়েছে, নতুন এই কর্মসূচি বাণিজ্যিক কর থেকে ভোক্তা ও আয়করের দিকে যাওয়ার ক্ষেত্রে বড় ধরনের সহায়ক হবে। এতে স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উত্তরণে প্রতিযোগিতা বাড়াতে ও প্রস্তুতি নিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

Advertisement

বিশ্বব্যাংকের জ্যেষ্ঠ অর্থনীতিবিদ বার্নার্ড হ্যাভেন বলেন, যারা আনুষ্ঠানিক ব্যাংকিং ব্যবস্থার বাইরে আছেন, অর্থনীতিতে তাদের প্রবেশ সহজবোধ্য করতে এবং বিনিয়োগ বাড়াতে বাংলাদেশের জন্য একটি ভালো ও কার্যক্রর অর্থনৈতিক খাত গুরুত্বপূর্ণ। আর্থিক খাতকে শক্তিশালী করতে বাংলাদেশ একটি নতুন আইনি কাঠামো নিয়েছে এবং বাহ্যিক ভারসাম্যহীনতা দূর করতে সামষ্টিক অর্থনৈতিক সংস্কারেও জোরালো পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।

আই/এ

পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

অর্থনীতি

ক্রেতা শূন্য বাজারে চড়া কাঁচা মরিচ ও সবজির দাম

Published

on

কোরবানির পরে প্রথম সাপ্তাহিক ছুটির দিনে বাজার ছিল ক্রেতা শূন্য। কিন্তু এ ক্রেতা শূন্য বাজারেই উত্তাপ ছড়িয়েছে কাঁচামরিচ ও সবজির দাম। রাজধানীর বাজারে খুচরা পর্যায়ে কাঁচামরিচ কেজিপ্রতি বিক্রি হচ্ছে সর্বোচ্চ ৪০০ টাকায়।

শুক্রবার (২১ জুন) রাজধানী ও এর আশপাশে বেশ কিছু বাজার ঘুরে দামের এ চিত্র দেখতে পায় গণমাধ্যম।

ঈদে টানা মাংস খেয়ে হাঁফিয়ে উঠেছে মানুষ। তাই এ সপ্তাহে সবজি কিনছেন বেশি। ফলে সবজির বাজারও চড়া। প্রায় সব সবজির দামই ৫-১০ টাকা বেড়েছে। বেগুন বিক্রি হচ্ছে ৮৫-১০০ টাকা কেজি পর্যন্ত, যা গত সপ্তাহের চেয়ে প্রায় ১০ টাকা বেশি। ঝিঙার কেজি ৭০ টাকা, করলা ৮৫-৯০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া ৫৫-৬০ টাকা, পটলের কেজি ৬০-৬৫ টাকা, কচুরমুখি ১০০-১১০ টাকা, কচুরলতি ৬৫-৭০ টাকা, লাউ প্রতিটি ৬০-৭০ টাকা, ঢ্যাঁড়শ ৬০ টাকা, পেঁপে ৫৫-৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

বিক্রেতাদের দাবি, বাজারে সরবরাহ কম থাকায় হু হু করে কাঁচা মরিচের দাম বাড়ছে। অপরদিকে ক্রেতাদের অভিযোগ, সিন্ডিকেট করে কাঁচা মরিচের দাম বাড়াচ্ছেন ব্যবসায়ীরা।

ঈদের পর পাইকারি পর্যায়ে কাঁচা মরিচের দাম বেড়ে ৩০০ টাকা ছাড়িয়েছে গেছে। বাজার ভেদে ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা কেজি ধরে বিক্রি হচ্ছে কাঁচা মরিচ। যা সপ্তাহ আগেও ছিল ২০০ থেকে ২২০ টাকার মধ্যে। তবে খুচরা পর্যায়ে রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে ৪০০ টাকা কেজিতেও বিক্রি হচ্ছে কাঁচামরিচ।

Advertisement

রাজধানীর রামপুরা কাঁচাবাজারে দেশি জাতের কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে ৪০০ টাকা কেজি দরে। হাইব্রিড জাতের মরিচ মিলছে ৩৮০-৩৯০ টাকায়। যদিও কারওয়ান বাজারে কেজি প্রতি কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে ২৬০-২৮০ টাকা দরে।

এ বাজারের বিক্রেতা আবু সুফিয়ান জানান, ঈদের আগে প্রতিকেজি ২৮০-২৯০ টাকা করে বিক্রি করেছেন। এখন কেনা পড়ছে ৩৬০ টাকা। পরিবহন খরচসহ সেটা প্রায় ৩৮০-৩৮৫ টাকা পড়ে যাচ্ছে। তাই ৪০০ টাকার নিচে কাঁচামরিচ বিক্রি তাঁর পক্ষে সম্ভব নয়।

এদিকে ঈদের পরে  বেড়েছে ব্রয়লার মুরগির দাম। ঈদের আগে যেই মুরগি বিক্রি হয়েছে ১৭০-১৯০ টাকা বিক্রি দরে। সেটা এখন বিক্রি হচ্ছে ১৯০-২১০ টাকা কেজি করে। আর সোনালি মুরগি বিক্রি হচ্ছে ৩৬০ টাকা কেজি দরে।

দামের বিষয়ে কারওয়ান বাজারের রোকেয়া ব্রয়লার চিকেন হাউসের বিক্রয়কর্মী রুবেল মিয়া বলেন, সবাই তো কোরবানি দেয়নি। তা ছাড়া প্রতিদিন তো গরুর মাংস খাবে না। হোটেলেও প্রতিনিয়ত দরকার হয় মুরগির। সে জন্য চাহিদা কমেনি, দামও কমেনি।

এখনও অস্বাভাবিক পর্যায়ে রয়েছে আলুর বাজার। ছোট-বড় সব বাজারে খুচরায় প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকা দরে। তবে পাড়ামহল্লার দোকানে কেউ কেউ কেজিতে আরও ৫ টাকা বেশি রাখছেন।

Advertisement

ঈদের পর বেড়েছে মাছের চাহিদা। ফলে দামও কিছুটা বেশি। বাজারে রুই মাছ বিক্রি হচ্ছে ৩০০-৩৮০ টাকা কেজিতে। ইলিশের দাম বাড়তিই রয়েছে। ৬০০ থেকে ৭০০ গ্রাম ওজনের ইলিশের দাম কেজিপ্রতি ১৪০০ টাকা হাঁকছেন বিক্রেতারা। এক কেজি বা তার বেশি ওজনের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ১৬০০ টাকা দরে।

এছাড়া মধ্যবাড্ডা, রামপুরা এবং ডিআইটি ফিস মার্কেটে কাতল মাছের কেজি ৩২০-৩৩০ টাকা, পাঙ্গাস ২০০ টাকা, পাবদা ৪০০ টাকা, চিংড়ি ৬০০-৮০০ টাকা, বোয়াল ১০০০-১২০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

তবে কিছুটা স্বস্তি আছে ডিমের বাজারে। বাজারে ব্রয়লার মুরগির বাদামি ডিমের দাম ডজনপ্রতি ১০ টাকা কমে বিক্রি হচ্ছে ১৫০ টাকায়।

আই/এ

Advertisement
পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

অর্থনীতি

বিশ্বব্যাংকের কথা শুনতে হবে, তাঁরা টাকা দেয় : অর্থমন্ত্রী

Published

on

বাজেট নিয়ে বিশ্বব্যাংক কি বলছে সেদিকেও নজর দিয়েন। বিশ্বব্যাংক বলেছে ভালো হয়েছে। আমার টাকা লাগবে, বিশ্বব্যাংকের কথা শুনতে হবে। না হলে আপনারা (সমালোচকরা) টাকা দেন। বললেন, অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী।

বৃহস্পতিবার (২০ জুন) রাজধানীর ফার্মগেটে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল (বিএআরসি) মিলনায়তনে এক আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন অর্থমন্ত্রী।

আবুল হাসান মাহমুদ আলী বলেন, জাতীয় সংসদে বাজেট পেশ করার পর বিভিন্ন মহল থেকে বিভিন্ন প্রতিক্রিয়া আসছে। সরকার সব প্রতিক্রিয়া আমলে নিচ্ছে। যেগুলো বাস্তবসম্মত এবং বাজেটে বাস্তবায়নযোগ্য সেগুলো অবশ্যই পুনর্বিবেচনা করা হবে। কারণ এখনো বাজেট পাস হয়নি।

সমালোচকদের উদ্দেশ্যে মন্ত্রী বলেন, শেখ হাসিনা সরকার জনবান্ধব সরকার। অনেকেই বলে, সরকার শিগগিরই পড়ে যাবে, কই সরকার তো পড়ে না। সরকার দেউলিয়া হয়ে গেছে, দেউলিয়া মানে কি? দেউলিয়া তো হলো না। বিশ্বব্যাংক কিছু বোঝে না, আপনি (সমালোচকরা) সব কিছু বোঝেন?

প্রসঙ্গত, সংসদ সদস্য সাজ্জাদুল হাসানের সভাপতিত্বে ‘বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের অর্থনীতি : প্রবৃদ্ধি, মুদ্রাস্ফীতি, খাদ্য ও পুষ্টি’   সেমিনারে আরও বক্তব্য দেন বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটু, বাংলাদেশে নিযুক্ত জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার প্রতিনিধি ড. জিয়াকুন শি, সাবেক পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ড. শামসুল আলম প্রমুখ।

Advertisement

আই/এ

পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

সর্বাধিক পঠিত