Connect with us

রাজনীতি

সুস্থ হলে খালেদা জিয়াকে কারাগারে যেতে হবে : আইনমন্ত্রী

Avatar of author

Published

on

আইনমন্ত্রী, খালেদা জিয়া

বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া নির্বাচন করতে পারবেন না। এছাড়া সুস্থ হলে খালেদা জিয়াকে বাকি সাজা খাটতে কারাগারে যেতে হবে। বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া অসুস্থ, তাই তাকে শর্ত সাপেক্ষে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। যেহেতু তিনি একজন দণ্ডপ্রাপ্ত, তাই তার দেশের বাইরে যাওয়ার কোনো সুযোগ নেই। বললেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক।

আজ রোববার (১১ জুন) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি মিলনায়তনে ল’ রিপোর্টার্স ফোরাম (এলআরএফ) আয়োজিত ‘মিট দ্য রিপোর্টার্স’ অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

আইনমন্ত্রী বলেন, সংবিধান অনুযায়ী খালেদা জিয়ার নির্বাচন করার কোনো সুযোগ নেই। পাশাপাশি তারেক রহমান একজন সাজাপ্রাপ্ত আসামি, তিনিও নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না। নৈতিক স্খলনের জন্যে কেউ যদি দুই বছর বা তার বেশি দণ্ডপ্রাপ্ত হন, তবে তিনি নির্বাচন করতে পারবেন না।

১০ বছর পরে জামায়াতে ইসলামীর মাঠে নামা প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে আনিসুল হক বলেন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সমাবেশের অনুমতি দিয়ে থাকে। উনারা কী বিবেচনায় দিয়েছেন, আমার মনে হয় এটা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কর্তৃপক্ষকে প্রশ্ন করলে ভালো হবে।

জামায়াতে ইসলামীর বিরুদ্ধে বিচার প্রক্রিয়াধীন, আবার তাদের সমাবেশ করার অনুমতি দিয়েছেন। এটা সাংঘর্ষিক কি না?- এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, বিচার করার পরে যতক্ষণ পর্যন্ত রায় না হয়, দোষী সাব্যস্ত না করা হয়, ততক্ষণ পর্যন্ত জামায়াতকে দোষী বলা যাবে না।

Advertisement

তিনি বলেন, যুদ্ধাপরাধের দায়ে জামায়াতকে দল হিসেবে বিচার করার জন্য আইন সংশোধন প্রক্রিয়া চলমান। সংশোধনের জন্য যে আইন সেটি কিছুদিনের মধ্যে কেবিনেটে যাবে। যুদ্ধাপরাধের দায়ে জামায়াতকে দল হিসেবে বিচার করার জন্য যথেষ্ট তথ্য-উপাত্ত আছে। কিন্তু বিচার করার পরেই বলা যাবে তারা দোষী কি না।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ল’ রিপোর্টার্স ফোরামের সভাপতি আশুতোষ সরকার। এতে আইন মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. গোলাম সারওয়ার, যুগ্ম সচিব বিকাশ কুমার সাহা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন ল’ রিপোর্টার্স ফোরামের সাধারণ সম্পাদক আহাম্মেদ সরোয়ার হোসেন ভূঁঞা।

Advertisement
মন্তব্য করতে ক্লিক রুন

মন্তব্য করতে লগিন করুন লগিন

রিপ্লাই দিন

বিএনপি

স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব বেচতে শুরু করেছে সরকার : রিজভী

Published

on

রিজভী

ভারতের সামরিক এবং বেসামরিক পরিবহনের জন্য বাংলাদেশের বুকের ওপর দিয়ে রেললাইন নেটওয়ার্ক তৈরি করার উদ্যোগ গ্রহণ করেছে ভারতীয় রেলওয়ে বোর্ড। এতে একটি স্বাধীন ও সার্বভৌমত্ব দেশের ‘ইন্টিলিজেন্স’ ব্যবস্থা ভেঙে পড়বে। বলেছেন বিএনপির সিনিয়ির যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী।

মঙ্গলবার (১৮ জুন) নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

রিজভী বলেন, দেশের জনগণের ইচ্ছার বিরুদ্ধে বাংলাদেশের নতজানু সরকার যদি ভারতের এই রেললাইন নেটওয়ার্ক বাস্তবায়ন করে তাতে স্বাধীন বাংলাদেশের অস্তিত্বকে ক্রমাগতভাবে মিলিয়ে দেয়া হবে। দখলদার সরকার জোর করে টিকে থাকার জন্য জাতীয় স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব বেচতে শুরু করেছে। যারা রক্তোন্মাদগ্রস্ত প্রায় প্রতিদিনই সীমান্তে আমাদের লোক হত্যা করছে। তাদেরকে সব উজাড় করে দেয়ার পরিণতি হবে ভয়াবহ।

তিনি বলেন, প্রতিদিন যেখানে বিএসএফ কর্তৃক বাংলাদেশিদের জীবন যাচ্ছে, যারা বাংলাদেশের মানুষের মানবাধিকার ও মানবতার তোয়াক্কা করে না তারাই যদি বাংলাদেশের বুকের ওপর দিয়ে সামরিক ও বেসামরিক পরিবহন উত্তর-পূর্ব ভারতের দিকে ধাবিত করে তাহলে বাংলাদেশের দুর্বল সার্বভৌমত্বের বাকি অংশটাও নিঃশেষ হয়ে যাবে।

বিএনপির সিনিয়র এ নেতা বলেন, ব্যাপক বেকারত্ব, চরম মূল্যস্ফীতি, জাতীয় রিজার্ভের ভয়াবহ পতন, কঠিন ডলার সংকট, বিপুল পরিমান খেলাপি ঋণ এবং ব্যাংকগুলো খালি হয়ে যাওয়া, জ্বালানির নিশ্চিয়তা ছাড়া একের পর এক ভাড়াভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র নির্মাণ, হাজার-হাজার কোটি টাকার ভর্তুকি দেশের অর্থনীতির কোমর ভেঙে ফেলা হয়েছে। ব্যক্তিগত আয় ও জীবনযাত্রার মান দিন দিন প্রকট হচ্ছে।

Advertisement

সংবাদ সম্মলেনে উপস্থতি ছিলেন বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদষ্টো জয়নুল আবেদীন ফারুক, স্বাস্থ্যবষিয়ক সম্পাদক ডা. রফকিুল ইসলাম, সহ-সাংগঠনকি সম্পাদক আমিনুল ইসলাম, যুবদল নেতা গয়িাসউদ্দনি মামুন প্রমুখ।

 

পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

আওয়ামী লীগ

নিরঙ্কুশ স্বাধীনতা রয়েছে দুদকের: কাদের

Published

on

ওবায়দুল-কাদের

দুদককে স্বাধীনতা দেয়া হয়েছে। যে যতো প্রভাবশালী হোক তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির তদন্ত করা যাবে। তদন্ত শেষে মামলা করা যাবে, মানে বিচারের আওতায় আসবে। বলেছেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

মঙ্গলবার (১৮ জুন) রাজধানীর ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনার রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, আসাদুজ্জামান মিয়ার বিরুদ্ধে দুদক তদন্ত করেনি। তার ব্যাপারে কি করে জানবো? সরকারের নজরে আসার আগে সরকার কীভাবে ব্যবস্থা নেবে? যখনই কোনো দুর্নীতির অভিযোগ নজরে এসেছে ব্যবস্থা নিয়েছি। গণমাধ্যমে আসার পর কিংবা সরকারের নজরে আসার পর সরকার কারো দুর্নীতির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়নি এমন ঘটনা ঘটেনি।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, দুদককে স্বাধীনতা দেয়া হয়েছে। কেউ দুর্নীতি করলে তদন্ত ও মামলা করার নিরঙ্কুশ স্বাধীনতা আছে তাদের। যার বিরুদ্ধে দুর্নীতির তদন্ত হয়নি সে বিষয়ে কথা বলে অন্ধকারে ঢিল ছুড়বো কেন?

সেন্টমার্টিন ইস্যুতে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বক্তব্যের বিষয়ে বিরোধিতা করেছেন ওবায়দুল কাদের। এ সময় তিনি সার্বভৌমত্বে আঘাত কোথায় তা চ্যালেঞ্জ দিয়ে জানতে চেয়েছেন।

Advertisement

ওবায়দুল কাদের বলেছেন, মূল্যস্ফীতির কারণে ঈদের আনন্দ ম্লান হয়েছে এমন চিত্র বাস্তব নয়। গেলো বছরের তুলনায় এ বছর প্রথম দিনই তিন লাখ বেশি পশু কোরবানি হয়েছে।

সেতুমন্ত্রী বলেন, ঈদুল আজহায় পদ্মা সেতুতে টোল আদায় হয়েছে পাঁচ কোটি এবং বঙ্গবন্ধু সেতুতে টোল আদায় হয়েছে চার কোটি টাকা।

১০ শতাংশের মতো মূল্যস্ফীতি আছে দেশে। এটুকু পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের জন্যও বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সরকার আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে।

 

Advertisement
পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

বিএনপি

বেনজীর ও আজিজকে বলির পাঁঠা বানিয়েছে সরকার: মির্জা ফখরুল

Published

on

মির্জা-ফখরুল

সেন্টমার্টিনে গোলাগুলি হচ্ছে। মিয়ানমারের যুদ্ধজাহাজও সেখানে দেখা যাচ্ছে। এটা বাংলাদেশের জন্য হুমকি। দুর্ভাগ্যের বিষয় হলো এই অনির্বাচিত সরকার, দখলদারিত্বের সরকার এখন পর্যন্ত কোনো স্টেটমেন্ট দেয়নি। কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। সেন্টমার্টিন ইস্যুতে সরকারের পদত্যাগ করা উচিত। বলেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

রোববার (১৬ জুন) ঠাকুরগাঁও শহরের কালিবাড়ীতে নিজ বাসভবনে মতবিনিময় সভায় সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘যেসব কর্মকর্তা-কর্মচারীরা মনে করছেন আওয়ামী লীগকে সমর্থন করে, লুটপাট করে, বিএনপিকে নির্যাতন করে টিকে থাকতে পারবেন; আলটিমেটলি টিকে থাকা যায় না। তার প্রমাণ বেনজীর ও আজিজ (সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ ও সেনাপ্রধান আজিজ আহমেদ)। তাদের বলির পাঁঠা বানিয়েছে আওয়ামী লীগ সরকারই। এখন ঢাকার সাবেক ডিএমপি কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়ার ফিরিস্তি পত্রিকায় বের হয়েছে। একে একে সবার থলের বিড়াল বেরিয়ে আসছে। এ সরকার রাষ্ট্রযন্ত্রকে ব্যবহার করে তাদের চুরির সুযোগ দিচ্ছে। তারা নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে। সরকার ফেল। তাদের উচিত পদত্যাগ করা।’

নির্বাচন একটা তামাশা মন্তব্য করে বিএনপির মহাসচিব বলেন, ‘এটা করতে হয় তাই আওয়ামী লীগ করছে। নির্বাচনের আগেই বিরোধী দলের সিনিয়র নেতাদের গ্রেপ্তার করে জেলে পাঠাচ্ছে। মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করছে। ভারতেও নির্বাচনের আগে বিরোধী নেতাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দেয়া হয়েছে, অ্যাকাউন্ট জব্দ করা হয়েছে। তার কারণ হলো যারা শাসন ক্ষমতায় থাকে তারা গণতন্ত্র বিশ্বাস করে না।’

সাংবাদিকদের উদ্দেশে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘সাহস করে যদি আপনারা না দাঁড়ান তাহলে সংবাদ মাধ্যমে টিকে থাকতে পারবে না। আওয়ামী লীগ সরকারের (আমলে) ১৯৭৫ সালের ১৬ জুন চারটা পত্রিকা বাদ দিয়ে সব পত্রিকা বন্ধ করে দেয়া হয়েছিল। সাংবাদিকরা তখন ভিক্ষা করতো, ফল বিক্রি করতো। এখন অনেকগুলো টিভি চ্যানেল হয়েছে। কিন্তু কোনো সাংবাদিক তার মালিকের হুকুম ছাড়া কিছুই করতে পারে না।’

Advertisement

মতবিনিময় সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মির্জা ফয়সাল আমীন, সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল হামিদ, পৌর বিএনপির সভাপতি শরিফুল ইসলাম শরিফ, আবু নুর চৌধুরীসহ অন্যরা।

পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

সর্বাধিক পঠিত