Connect with us

অন্যান্য

সড়ক দূর্ঘটনায় মৃত্যুবরণ করলেন ইবি মসজিদের খতিব

Avatar of author

Published

on

সড়ক দূর্ঘটনায় আহত হওয়ার চারদিন পর মৃত্যুবরণ করেছেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) কেন্দ্রীয় মসজিদের খতিব ড. আ.স.ম শোয়াইব আহমদ। মারাত্মক আহতাবস্থায় ঢাকার কল্যাণপুরের ইবনে সিনা হাসপাতালে আইসিইউতে (নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে) চিকিৎসাধীন থাকার পর শনিবার রাত আনুমানিক সোয়া এগারোটায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। গত মঙ্গলবার বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ঢাকা যাওয়ার পথে মাগুরায় তার বহনকারী বাসটি দুর্ঘটনায় পতিত হয়। মারাত্মক আহতাবস্থায় তাকে ওইদিনই ঢাকার কল্যাণপুরের ইবনে সিনা হাসপাতালে নেওয়া হয়।

রবিবার (১১ জুন) বাদ আসর ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজ মাঠে তার জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। পরে মৌড়াইল কবরস্থানে তাকে দাফন করা হবে বলে পারিবারিক সূত্র জানিয়েছে। ড. শোয়াইবের বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার কশবা উপজেলার শিকারপুর গ্রামে। তবে পরিবার নিয়ে জেলা শহরের কলেজপাড়া এলাকায় থাকতেন। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, তিন ছেলেসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। তার মর্মান্তিক এমন মৃত্যুতে ক্যাম্পাসে শোকের ছায় নেমে এসেছে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ছাড়াও শিক্ষক সমিতি, কর্মকর্তা সমিতি, শাখা ছাত্রলীগসহ বিভিন্ন সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলো।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গ্রিনলাইন বাসে ক্যাম্পাস থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে যাচ্ছিলেন ড. শোয়াইব আহমদ। পথে মাগুরা পৌঁছানোর পর সড়ক দুর্ঘটনার কবলে পড়ে বাসটি। এতে তিনি পিঠে ও পায়ে প্রচন্ড আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে গুরুতরভাবে আহন হন। মারাত্মক আহত হলে প্রথমে তাকে মাগুরা সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে ঢাকায় নেওয়ার পথে বমি করার পর জ্ঞান হারান তিনি। পরে তাকে ঢাকার কল্যাণপুরের ইবনে সিনা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে আইসিইউতে থাকার ২৪ ঘন্টা পর জ্ঞান ফেরে তার। তখন কথা বলতে না পারলেও সবার দিকে তাকাচ্ছিলে তিনি। আইসিইউতে থাকাকালীন প্রথমদিকে অবস্থার কিছুটা উন্নতি হলেও শুক্রবার রাত থেকে আবারো অবস্থার অবনতি ঘটে বলে জানান তার ছেলে আব্দুলাহ। পরে আনুমানিক রাত সোয়া এগারোটার দিকে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

উল্লেখ্য, ড. শোয়াইব আহমদ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) দাওয়া এন্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের প্রথম ব্যাচের শিক্ষার্থী। শুরু থেকেই তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদের ইমাম ও খতিব। এছাড়াও অর্থসহ আল কুরআন ও সালাত শিক্ষা, অর্থসহ হিফযুল কুরআন কোর্স, ড. শোয়েব’স স্পোকেন ইংলিশ এবং এরাবিক শিক্ষার সংক্ষিপ্ত কোর্সেরও উদ্ভাবক তিনি। এছাড়াও তিনি আস-সুন্নাহ ট্রাস্টের ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য।

Advertisement
মন্তব্য করতে ক্লিক রুন

মন্তব্য করতে লগিন করুন লগিন

রিপ্লাই দিন

অন্যান্য

রেকর্ড উচ্চতা থেকে স্কাইডাইভ করলেন বাংলাদেশের আশিক

Published

on

সনদধারী স্কাই ডাইভার আশিক চৌধুরী। এবার গড়লেন বিশ্ব রেকর্ড। খুব সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের মেমফিসে একটি এয়ারফিল্ড থেকে বাংলাদেশের পতাকা নিয়ে ৪১ হাজার ফুট উঁচু থেকে শূন্যে লাফিয়ে পড়ে এই কীর্তি গড়েছেন তিনি। অবশ্য এখন অপেক্ষা করছেন আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি পাওয়ার জন্য। তবে এরমধ্যে তার এই রেকর্ডের কথা ছড়িয়ে পড়েছে।

উচ্চশিক্ষার জন্য যুক্তরাজ্যে গমনের পর থেকেই স্কাইডাইভিংয়ের নেশা আশিককে পেয়ে বসে। প্রশিক্ষণের মাধ্যমে নিজেকে পরিণত করার চেষ্টা করতে থাকেন। ২০১৪ সালের দিকে একটি প্রাইভেট প্রশিক্ষণ স্কুলে ভর্তি হন। এরপর আস্তে আস্তে আরো অভিজ্ঞ হয়ে ওঠেন এই বাংলাদেশি।

আশিকের বাবা বিমানবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত এয়ার কমডোর হওয়ায় বিষয়গুলো তার পরিচিত। ছোটবেলা থেকেই অনেকটা উড়ে বেড়ানোর ইচ্ছা মনের ভেতর লালন করতেন। আর সেটাই এরপর শখের জায়গা থেকে চর্চা করে গেছেন বিভিন্নভাবে।

আশিকের নতুন কীর্তি গড়ার আগে একটি সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। যেখানে তিনি তার উদ্যোগের বিষয়ে কথা বলেন। তিনি এর নাম দেন, ‘দ্য হাইয়েস্ট এভার স্কাইডাইভ উইথ আ ফ্ল্যাগ’- যদিও এর মাধ্যমে আরেকটি রেকর্ডও ভাঙা হয়েছে বলে জানিয়েছিলেন তিনি। সেটি হলো ‘গ্রেটেস্ট ডিসট্যান্স ফ্রি ফল উইথ দ্য ফ্ল্যাগ’।

যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় ২৫ মে, সকাল ৮.৪৫ মিনিটের দিকে সফলভাবে স্কাইডাইভ সম্পন্ন করে মাটিতে নেমে আসেন আশিক। গৌরবের এই বিষয়টি দেশবাসীকে উৎসর্গ করেছেন আশিক।

Advertisement

 

এম/এইচ

 

পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

অন্যান্য

বাংলাদেশের আকাশে দেখা মিললো ‘পিঙ্ক মুন’

Published

on

রাতের আকাশে এক অদ্ভুত সুন্দর ঘটনা ঘটল। দেখা মিললো হালকা গোলাপি রঙের চাঁদ। প্রায় প্রতি বছর এপ্রিল মাসেই এই দুর্দান্ত মহাজাগতিক ঘটনা ঘটে। একে ‌‘পিঙ্ক মুন’ বলা হয়। প্রায় সারাদেশে মেঘ মুক্ত আকাশে অদ্ভত সুন্দর এই চাঁদের দেখা মিলেছে।

বুধবার (২৪ এপ্রিল) সূর্যাস্তের পর ধীরে ধীরে পূর্বাকাশে পিঙ্ক মুনের দেখা মিলে।

জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জাদুঘর থেকে পিঙ্ক মুনের বিষয়টি গতকালই নিশ্চিত করেছে। গেলো মঙ্গলবার বিজ্ঞান জাদুঘর থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। যেখানে বলা হয়, বুধবার (২৪ এপ্রিল) সূর্যাস্তের পর থেকে পরবর্তী দুই ঘণ্টা পর্যন্ত (আকাশ মেঘমুক্ত থাকা সাপেক্ষে) এ চাঁদ দেখা যাবে।

এতে বলা হয়, বুধবার রাতে পিঙ্ক মুন দেখা যাবে। এ জন্য আগারগাঁওয়ে বিজ্ঞান জাদুঘরের প্রশাসনিক ভবনের ছাদে স্থাপন করা হবে শক্তিশালী টেলিস্কোপ। এ টেলিস্কোপ পর্যবেক্ষণ ক্যাম্পে শিক্ষার্থী ও জনসাধারণকে আমন্ত্রণ জানিয়েছে বিজ্ঞান জাদুঘর কর্তৃপক্ষ।

এদিকে নাসার সায়েন্স মিশন ডিরেক্টরেটের প্রোগ্রাম এক্সিকিউটিভ গর্ডন জনসন গণমাধ্যমে জানায়, মাসে একবার পূর্ণিমা আসে। ২৪ এপ্রিল ভোর ৫:১৫ মিনিটে এই চাঁদটি তার পূর্ণিমার পূর্ণ পর্যায়ে ছিল। সেই কারণে অনেকটাই বড় এবং উজ্জ্বল যায়।

উল্লেখ্য, আকাশে ঝলমলে চাঁদ সাদা রঙের মতোই মনে হয়। কিন্তু মাঝে মাঝে, বিশেষ করে পূর্ণিমার সময় এতে গোলাপি, লালচে বা তামাটে রঙের দেখা যায়। এই অস্বাভাবিক রঙের পেছনে আসলে কোনও রহস্য নেই, বরং এটি একটি বৈজ্ঞানিক ঘটনা যা ‌‘রেলেই প্রক্রিয়া’ (Rayleigh scattering) নামে পরিচিত।

Advertisement

এএম/

পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

অন্যান্য

বয়ফ্রেন্ডকে দিনে ১০০ বার কল, সাড়া না পেয়ে যা ঘটালেন তরুণী

Published

on

সংগৃহীত প্রতীকী ছবি

নতুন প্রেমিকের সঙ্গে প্রতিনিয়ত যোগাযোগ রাখতে চাইতেন ১৮ বছরের এক তরুণী। ফোনকলে প্রেমিক সঙ্গে সঙ্গে কথা না বললে উচ্ছৃংখল আচরণ করতেন। হয়ে পড়তেন বিষণ্ন। বাসার আসবাবপত্র ভাঙচুর করতেন।বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির প্রথম বর্ষ থেকেই তার মধ্যে এ ধরনের আচরণ ছিল। সম্প্রতি এই আচরণ আশঙ্কাজনক হারে বেড়ে গেছে। তবুও প্রেমিক সহ্য করে যাচ্ছিলেন প্রেমিকার এমন আচরণ। সর্বশেষ ঘটনার দিন ওই তরুণী মোবাইলে  ১০০ বার কল করেন। কোনো কারণে প্রেমিক তা রিসিভ না করায় অবসাদগ্রস্ত হয়ে বাসায় আসবাবপত্র ভাঙচুর করেন। শুধু তাই নয় ফোন না ধরার কারণে চিৎকার করে কান্নাকাটি শুরু করেন।  এতে ভীত হয়ে পড়েন ওই প্রেমিক। কোনো উপায় না পেয়ে পুলিশকে খবর দেন।

এরপর ঘটে আরেক বিপত্তি। পুলিশ দেখতে পেয়ে ওই তরুণী বাসার বেলকনি দিয়ে লাফ দিয়ে আত্মহত্যার হুমকি দেন। পরে পুলিশ তাকে বুঝিয়ে শান্ত করেন এবং তাকে হাসপাতালে নিয়ে যান। পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা বলছেন, ওেই তরুণী ‘প্রেম রোগে’ ভুগছেন। তারা এই রোগের নাম দিয়েছেন ‘লাভ ব্রেন’।

চীনের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় সিচুয়ান প্রদেশে জিয়াওয়ু নামে ১৮ বছরের এক তরুণী এসব কাণ্ড ঘটান। সাউথ চায়না মর্নিং পোস্টের বরাতে ভারতীয় গণমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা গেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, জিয়াওয়ু অতিমাত্রায় প্রেমিকের ওপর নির্ভরশীল। নতুন প্রেমিকের সঙ্গে সবসময় যোগাযোগ রাখতে চাইতেন। তার ইচ্ছেমতো যোগাযোগ করা সম্ভব না হলেই উচ্ছৃংখল আচরণ করতেন। হয়ে পড়তেন বিষণ্ন। আত্মহত্যা করতে চাইতেন। ভাঙচুর করতেন আসবাব। সবশেষ তাঁর আচরণে ভীত হয়ে পুলিশকে খবর দিলে তারা ওই তরুণীকে নানাভাবে শান্ত করেন এবং স্থানীয় দ্য ফোর্থ পিপল’স হাসপাতাল অব চেঙ্দুতে  নিয়ে ভর্তি করান।

হাসপাতালের চিকিৎসক ডু না জানান, ‘ বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির প্রথম বর্ষ থেকেই ওই তরুণীর মধ্যে এই ধরণের লক্ষণ দেখা দেয়। ওই তরুণী প্রেমিকের সঙ্গ না পেলে বা কথা বলতে না পারলে মানসিক চাপ সহ্য করতে পারতেন না। ঘরের জিনিসপত্র ছুঁড়ে ফেলে দিতেন। আত্মহত্যার হুমকি দিতেন। তরুণী চাইতেন তার মেসেজের রিপ্লাই সঙ্গে সঙ্গে দেওয়া হোক।

Advertisement

ফোর্থ পিপল’স হাসপাতাল অব চেঙ্দু’র ওই চিকিৎসক আরও বলেন, ‘ জিয়াওয়ু এক ধরনের বর্ডারলাইন পার্সোনালিটি ডিসঅর্ডারে আক্রান্ত। এটি তার মানসিক স্বাস্থ্যে গভীর ক্ষত সৃষ্টি করতে পারে। এই ধরনের মানসিক অবস্থা তখনই তৈরি হয়, যদি শিশু বয়স থেকে কেউ ট্রমায় ভোগে। এতে মানসিক ভারসাম্যহীনতা বাড়তে পারে, যার জন্য বাড়তে পারে উদ্বেগ ও বিষণ্নতা ও বাইপোলার ডিসঅর্ডার।’

এ অবস্থার কারণ বিস্তারিত না জানিয়ে ওই চিকিৎসক বলেছেন, শিশু বয়সে মা-বাবার সঙ্গে ভালো সম্পর্ক না থাকা এ রোগের অন্যতম কারণ। সাধারণ অবস্থায় মানসিক ব্যবস্থাপনা কৌশল ব্যবহার করে রোগীকে সুস্থ করা সম্ভব।’ তবে জিয়াওয়ুর মতো রোগীর ক্ষেত্রে উন্নত চিকিৎসা প্রয়োজন বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

সর্বাধিক পঠিত