Connect with us

জাতীয়

দেশে করোনা শনাক্ত ১৫১ জন

Avatar of author

Published

on

করোনা

সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় (শনিবার সকাল আটটা থেকে রোববার সকাল আটটা পর্যন্ত) ১৫১ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। এর মধ্যে ১৪২ জনই আক্রান্ত হয়েছেন ঢাকায়। তবে এ সময় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে কেউ মারা যাননি।  এ পর্যন্ত ২০ লাখ ৪০ হাজার ৪৭০ জনের শরীরে করোনার সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে। তাদের মধ্যে সুস্থ হয়েছেন ২০ লাখ ৬ হাজার ৬৯৮ জন। আর মারা গেছেন ২৯ হাজার ৪৫১ জন।

রোববার (১১ জুন) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। গেলো ২৪ ঘণ্টায় ২ হাজার ৫৫ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার ৭ দশমিক ৩৫।

প্রসঙ্গত, ২০২০ সালের ৮ মার্চ বাংলাদেশে প্রথম করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্তের ঘোষণা দেয় সরকার। আর করোনায় প্রথম মৃত্যুর ঘটনা ঘটে ওই মাসের ১৮ তারিখে। তিন বছর পর গত মাসে করোনাভাইরাসের কারণে জারি করা বৈশ্বিক জরুরি অবস্থা প্রত্যাহার করার ঘোষণা দেয় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)।

 

Advertisement
মন্তব্য করতে ক্লিক রুন

মন্তব্য করতে লগিন করুন লগিন

রিপ্লাই দিন

জাতীয়

শাফিন আহমেদের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক

Published

on

জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী শাফিন আহমেদের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রী মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

বাংলাদেশ সময় বৃহস্পতিবার (২৫ জুলাই) সকালে যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়ার এক হাসপাতালে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় এ শিল্পী মারা যান।

এ শিল্পীর বড় ভাই হামিন আহমেদ জানান,  শাফিন আহমেদের ম্যাসিভ হার্ট অ্যাটাক হয়েছিল। গেলো ২০ জুলাই  ভার্জিনিয়াতে একটি শোয়ের আগে অসুস্থ হয়ে পড়েন শাফিন।পরে শো’টা ক্যানসেল করেন। সেদিনই তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এরপর তার নানা অঙ্গ অকার্যকর হতে থাকলে তাকে লাইফ সাপোর্টে নেয়া হয়। শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় আজ সকালে শাফিনের লাইফ সাপোর্ট খুলে ফেলেন চিকিৎসক।

উলেখ্য, শাফিন আহমেদ কিংবদন্তি কণ্ঠশিল্পী ফিরোজা বেগমের পুত্র।

আই/এ

Advertisement
পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

জাতীয়

সহিংসতাকারীরা যেন ঢাকা ছাড়তে না পারে সেজন্য কাজ চলছে: বিপ্লব কুমার

Published

on

কোটা সংস্কার আন্দোলনে যারা সহিংসতা করেছে তারা যেন ঢাকা শহর ছাড়তে না পারে সেই লক্ষ্যে কাজ চলছে বলে জানিয়েছেন ডিএমপির যুগ্ম কমিশনার (অপারেশন) বিপ্লব কুমার সরকার।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুলাই) দুপুরে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।

বিপ্লব কুমার বলেন, অত্যন্ত ক্ষোভের সঙ্গে ও দৃঢ়তার সঙ্গে বলতে চাই দেশে উন্নয়নের যে জোয়ার প্রধানমন্ত্রী সৃষ্টি করেছেন, এই সন্ত্রাসী চক্র বেছে বেছে সেগুলোতে হামলা করেছে। সেতু ভবনে হামলা করেছে সন্ত্রাসীরা। মেট্রোরেল প্রকল্পের মূল সেন্টার সেতু ভবন, পদ্মা সেতুরও মূল সেন্টার সেতু ভবন।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী দেশে যে উন্নয়ন করেছেন সেই উন্নয়ন যাত্রা ব্যহত করার জন্য বেছে বেছে সন্ত্রাসীরা হামলা করেছে। সব নথিপত্র তারা পুড়িয়ে দিয়েছে।

এই পুলিশ কর্মকর্তা আরও বলেন, এসব জামায়াত-বিএনপি চক্রকে ধরার জন্য যত ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা দরকার পুলিশ তাই করবে। সন্ত্রাসীদের প্রত্যককে আইনের আওতায় আনার জন্য ডিএমপি কাজ করছে। এই কাজ আরও বেগবান করা হবে। এই সন্ত্রাসীরা যেন ঢাকা না ছাড়তে পারে সেজন্য কাজ চলছে। ঢাকার ভেতরে যারাই থাকুক না কেন তাদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনতে ডিএমপি দৃঢ় প্রতিজ্ঞ।

Advertisement

ঢাকায় নিরাপত্তার কোনো হুমকি আছে কি না- জানতে চাইলে ডিএমপির এই যুগ্ম কমিশনার বলেন, গত দুই-তিন দিন ধরে সন্ত্রাসীরা গাঁ ঢাকা দিয়ে আছে। আমাদের ব্লকড রেইড চলমান। ব্লকড রেইড ছাড়াও ঢাকায় দিনে-রাতে পুলিশের অপারেশন চলমান। সন্ত্রাসীরা গাঁ ঢাকা দিক আর যেখানেই থাকুক, পুলিশ সদস্যকে হত্যা করে দেশের যে প্রান্তেই পালিয়ে যাক না কেন তাদের গ্রেপ্তার করে আদালতে সোপর্দ করবো।

উল্লেখ্য, পুলিশের পোশাকের ওপর আঘাত করা মানে আইজিপির ওপর আঘাত করা, কমিশনারের (ডিএমপির) ওপর আঘাত করা। যারা পুলিশ সদস্যদের ওপর হামলা করেছে, তাদের এই কালো হাত আইনগতভাবে ভেঙে দেয়া হবে।

এএম/

 

Advertisement
পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

জাতীয়

নিজ চোখে মেট্রো স্টেশনের ধ্বংসলীলা দেখে কেঁদে ফেলেন প্রধানমন্ত্রী

Published

on

কোটা সংস্কার আন্দোলনের সময় দুর্বৃত্তদের হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত মিরপুর-১০ মেট্রো স্টেশন পরিদর্শনে যান প্রধানমন্ত্রী। নিজেই পুরো স্টেশন এলাকা ঘুরে দেখেন। একপর্যায়ে স্টেশনের ধ্বংসলীলা দেখে কেঁদে ফেলেন প্রধানমন্ত্রী। বারবার নিজের অশ্রু সংবরণের চেষ্টা করতে দেখা যায়। এ সময় ধ্বংসযজ্ঞকারীদের রুখে দিতে জনসাধারণকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুলাই) সকালে মিরপুর-১০ মেট্রো স্টেশন পরিদর্শনে যান তিনি।

শিক্ষার্থীদের ডাকা ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ কর্মসূচির মধ্যেই গত ১৮ জুলাই মেট্রোর লাইনের নিচে মিরপুর-১০ গোলচত্বরে ফুটওভার ব্রিজে পুলিশ বক্সে আগুন দেয়া হয়। সেই আগুনের মধ্য দিয়েই একটি ট্রেন ছুটে যায়। পরে চলাচল বন্ধ করে দেয়া হয়। পরদিন সন্ধ্যায় মিরপুর-১০ ও কাজীপাড়া স্টেশনে ব্যাপক ভাঙচুর চালায় দুর্বৃত্তরা। একই দিনে পল্লবী ও ১১ নম্বর স্টেশনেও হামলা হয়। সেখানেও উল্লেখযোগ্য সংখ্যক ক্ষতি হয়েছে।

এসব দুর্বৃত্তদের রুখে দেয়ার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, সরকারের উন্নয়ন যারা ধ্বংস করছে তাদের বিরুদ্ধে দেশবাসীকেই রুখে দাঁড়াতে হবে। এ তাণ্ডব যারা করেছে, তাদের বিচার দেশবাসীকে করতে হবে।

তিনি বলেন, সাধারণ মানুষ যেন নির্বিঘ্নে কর্মক্ষেত্র পৌঁছাতে পারে সেটা সুনিশ্চিত করা হবে। দেশ যেন আর্থিকভাবে সচ্ছল হতে পারে সেই চেষ্টা করা হবে। এ দেশ মানুষ রক্ত দিয়ে স্বাধীন করেছে সেটা ব্যর্থ হতে পারে না।

Advertisement

তিনি আরও বলেন, যে স্থাপনাগুলো মানুষের জীবনকে সহজ করে সেগুলো ধ্বংস করা আসলে কোন ধরনের মানসিকতা। ঢাকা শহর যানজটে নাকাল থাকলেও মেট্রোরেল স্বস্তি দিয়েছে। আধুনিক প্রযুক্তির এই পরিবহন এভাবে ধ্বংস করেছে তা মানতে পারছি না।

শেখ হাসিনা বলেন, কোটা আন্দোলনকারীদের যেমন দাবি ছিল তার থেকে বেশি পূরণ করা হয়েছে। তাহলে এখনও কীসের আন্দোলন। তাদের দাবি ক্ষণে ক্ষণে পরিবর্তন হয়েছে। যা ধ্বংসযজ্ঞকে সুযোগ করে দিচ্ছে।

তিনি বলেন, গেল ১৬ বছরে দেশের অভাবনীয় উন্নয়ন করা হয়েছে। যার সুফল সাধারণ মানুষ পাচ্ছে। এগুলোর উপর এত ক্ষোভ কেন? রাষ্ট্রীয় সম্পদ বিনষ্টে সাধারণ মানুষেরই কষ্ট হবে। সেটা কি সাধারণ মানুষ ভেবেছে? যারা এই কষ্ট তৈরি করল তাদের জনগণেরই প্রতিহত করতে হবে। এসব তাণ্ডব যারা চালিয়েছে তাদের বিচার জনগণকেই করতে হবে।

উল্লেখ্য, কোটা সংস্কার আন্দোলনের সময় দুর্বৃত্তদের হামলায় ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে মেট্রোরেল প্রকল্প। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত মিরপুর-১০ ও কাজীপাড়া স্টেশন। টিকিট ভেন্ডিং মেশিন, মূল স্টেশনে যাত্রী প্রবেশের পাঞ্চ মেশিনসহ প্রায় সবকিছুই ভেঙে গুঁড়িয়ে দেয়া হয়। এককথায় ধ্বংসযজ্ঞে পরিণত হয়েছে মেট্রো স্টেশন।

এএম/

Advertisement
পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

সর্বাধিক পঠিত