Connect with us

বরিশাল

বরিশাল সিটি নির্বাচন: ফয়জুল করীমের গাড়িতে হামলার অভিযোগ

Avatar of author

Published

on

বরিশালে ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী মুফতি ফয়জুল করীমের গাড়িতে হামলার অভিযোগ উঠেছে। আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থীর কর্মীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছে ইসলামী আন্দোলন। এসময় তাদের চার সমর্থক আহত হয়েছেন।

সোমবার (১২ জুন) সকাল ১০টার দিকে নগরীর ২ নম্বর ওয়ার্ডের কাউনিয়া এ কাদের চৌধুরী স্কুল কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে।

মেয়র প্রার্থীর মিডিয়া সমন্বয়ক সানাউল্লাহ, ওই কেন্দ্রে ইসলামী আন্দোলন প্রার্থীদের ওপর হামলা করেছে আওয়ামী লীগের সমর্থকরা। খবর পেয়ে মুফতি ফয়জুল করীম ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে কেন্দ্রের বাইরে তার গাড়ি ও সঙ্গে থাকা লোকজনের ওপর হামলা চালায় নৌকার কর্মীরা।

কাউনিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুর রহমান মুকুল বলেন, ইসলামী আন্দোলনের সমর্থক ও আওয়ামী লীগের সমর্থকদের মধ্যে কিছু বাকবিতণ্ডার ঘটনা ঘটেছে। পরে ঘটনাস্থলে উপস্থিত পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

Advertisement
মন্তব্য করতে ক্লিক রুন

মন্তব্য করতে লগিন করুন লগিন

রিপ্লাই দিন

বরিশাল

গ্যাস সিলিন্ডার বোঝাই ট্রাকে বাসের ধাক্কা, নিহত ২

Published

on

বরিশাল

বরিশালের গড়িয়ারপাড়ে গ্যাসের সিলিন্ডার ভর্তি ট্রাকের পিছনে যাত্রীবাহী বাসের ধাক্কায় ২ জন নিহত ও ৫ জন আহত হয়েছে।

রোববার (১৬ জুন) সকালে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন, সোহাগ (১৮) ও ২৫ থেকে ৩০ বছর বয়সী অজ্ঞাত পরিচয়ের এক ছেলে। আহতরা হলেন, জিয়াউল করিম (৩৩), জাহাঙ্গীর মোল্লা (৪৫), একরামুল (২৬), আরিফ (৩০) ও ইমন (৩০)। আহতদের উদ্ধার করে বরিশাল শের ই বাংলা চিকিৎসা মহাবিদ্যালয় (শেবাচিম) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন, বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের এয়ারপোর্ট থানার পরিদর্শক (তদন্ত) লোকমান হোসেন।

পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) লোকমান হোসেন বলেন, ঢাকা থেকে ব্যাপারী পরিবহণের (ঢাকা মেট্রো গ ১২৩০১১) একটি বাস যাত্রী নিয়ে বরিশালের নথুল্লাবাদ টার্মিনালের দিকে যাচ্ছিলো। তখন গ্যাস সিলিন্ডার বোঝাই একটি ট্রাক মহাসড়কে থামানো ছিলো। এসময় দ্রুতগতির বাসটি থেমে থাকা ট্রাকের পিছনে প্রচণ্ড গতিতে ধাক্কা দেয়। এতে ট্রাকটি ছিটকে পাশের পুকুরে পড়ে যায়। বাসের সামনে অংশ দুমরে-মুচড়ে গেছে।

Advertisement
পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

বরিশাল

ইজিবাইকে ওড়না পেঁচিয়ে কিশোরীর মৃত্যু

Published

on

পটুয়াখালী

ইজিবাইকের মোটরে ওড়না পেঁচিয়ে নিভে গেল এইচএসসি পরীক্ষার্থী মোহনার জীবন প্রদীপ। আগামী ৩০ জুন তার পরীক্ষায় অংশ নেয়ার কথা ছিল।

বুধবার (১২ জুন) পটুয়াখালী শহরের টাউন কালিকাপুর মডেল মসজিদের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে। মোহনা ঐ ইজিবাইকের যাত্রী ছিলেন।

নিহত তরুণী মোহনা শহরের শিমুল পাগলা এলাকার ব্যবসায়ী মো. রাসেল মুন্সির তিন মেয়ের মধ্যে বড় ছিল। তার অকাল মৃত্যুতে পরিবার ও এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে।

নিহতের পরিবার সূত্রে জানা যায়, মোহনা পটুয়াখালী সরকারি মহিলা কলেজের ছাত্রী ছিলেন। এ বছর এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়ার কথা ছিল। পরীক্ষার প্রস্তুতি হিসেবে সকালে প্রাইভেট টিউটরের কাছে পড়তে যান। প্রাইভেট শেষে নাস্তা করার জন্য এক সহপাঠী বান্ধবীসহ ইজিবাইকে চৌরাস্তার দিকে যাচ্ছিলেন। ওই ইজিবাইকে আরও দুই যাত্রী ছিলেন। বেলা সোয়া ১১ টায় মডেল মসজিদ মোড় অতিক্রম কালে ইজিবাইকের মোটরের সঙ্গে মোহনার গলায় পেঁচানো ওড়নার অংশ পেঁচিয়ে ফাঁস লেগে যায়। তাকে মুমূর্ষু অবস্থায় তাৎক্ষণিকভাবে পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হলে জরুরি বিভাগের ডাক্তার শামীমা নাসরিন পরীক্ষা করে মৃত ঘোষণা করেন।

জরুরি বিভাগের ডাক্তার শামীমা নাসরিন জানান, হাসপাতালে পৌঁছার আগেই মেয়েটির মৃত্যু হয়। গলায় ওড়নার ফাঁস ও ঘাড়ের স্পাইনাল কর্ডে আঘাতপ্রাপ্ত হওয়ার কারণে মৃত্যু হতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।

Advertisement

পটুয়াখালী সদর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মোহাম্মদ হিরণ জানান, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ হাসপাতালে আসে। সুরাতহাল রিপোর্টে ওড়না প্যাঁচানো গলায় দাগের চিহ্ন পাওয়া যায়। তদন্ত করে পরবর্তী পদক্ষেপ নেয়া হবে।

পটুয়াখালী পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মঈন খান চানু জানান, নিহত তরুণী তার ওয়ার্ডের শিমুলবাগ বাসিন্দা মো. রাসেল মুন্সির মেয়ে। মোহনার অকাল মৃত্যুতে এলাকাবাসী শোকাহত।

পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

বরিশাল

মেয়েকে হত্যার পর বাবার আত্মহত্যা

Published

on

বরিশাল নগরীর কাউনিয়ায় পাঁচ বছর বয়সি সন্তানকে গলাকেটে হত্যার পর নিজেও একইভাবে আত্মহত্যা করেছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।

বুধবার (১২ জুন) সকাল ৭টা থেকে ৮টার মধ্যে কাউনিয়া পানির ট্যাংকের পূর্ব পাশে ‘স্বপ্ন বিলাস’ ভবনের চারতলায় এ ঘটনা ঘটে।

মৃত শিশুটির নাম রাবেয়া বশরী রোজা। তার বাবার নাম মোহাম্মদ নাঈম হাওলাদার (৩৪)। তিনি উজিরপুর উপজেলার বরাকোঠা এলাকার শাহজাহান হাওলাদারের ছেলে।

পরিবারের বরাত দিয়ে উজিরপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আরাফাত হাসান গণমাধ্যমে বলেন, চার মাস আগে স্ত্রীর সঙ্গে বিচ্ছেদ হয় নাঈম হাওলাদারের। মঙ্গলবার রাতে ফোন করে স্ত্রী জানান, সকালে তিনি মেয়েকে নিয়ে যাবেন। এ কথা শোনার পর বুধবার সকালে বটি দিয়ে নিজের মেয়েকে গলাকেটে হত্যা করেন নাঈম হাওলাদার। এরপর নিজের গলাকেটে তিনি আত্মহত্যা করেন।

তিনি আরও বলেন, সামনের রুমে নাঈম হাওলাদারের বোন থাকলেও তিনি কিছু টের পায়নি। বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে। এরপর বিস্তারিত জানানো যাবে।

Advertisement

এএম/

পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

সর্বাধিক পঠিত