Connect with us

আন্তর্জাতিক

৫ আরোহীর কেউই আর বেঁচে নেই

Avatar of author

Published

on

আরোহী

আটলান্টিক মহাসাগরের তলদেশে নিখোঁজ  সাবমেরিনের পাঁচ আরোহীর কেউই আর বেঁচে নেই। এরি মধ্যে অক্সিজেনের অভাবের পাশাপাশি হাইপোথার্মিয়া বা কার্বন ডাই অক্সাইডের বিষক্রিয়ায় তাদের মৃত্যু হতে পারে। এমন আশঙ্কার কথা জানিয়েছেন এই সাবমেরিনটির সাবেক কমান্ডিং অফিসার অ্যান্ডি কোলস। তিনি বলেন, ৯৬ ঘণ্টার অক্সিজেনের মজুত থাকা এই সাবমার্সিবলের যাত্রীরা এরই মধ্যে মারা যেতে পারেন।

রোববার (১৮ জুন) পাঁচ আরোহী নিয়ে নিখোঁজ যানটিতে বুধবার (২১ জুন) বিকেল ৪টা পর্যন্ত ২০ ঘণ্টারও কম সময় চলার মতো অক্সিজেন অবশিষ্ট ছিল। তবে সাবেক এই কমান্ডিং অফিসার অ্যান্ডি কোলস বলেছেন, আরোহীরা ইতিমধ্যে হাইপোথার্মিয়া বা কার্বন ডাই অক্সাইডের বিষক্রিয়ায় মারা গিয়ে থাকতে পারেন। এরই মধ্যে উদ্ধার অভিযান জটিল পর্যায়ে পৌঁছেছে। তাই আরোহীসহ সাবমেরিনটি উদ্ধার করতে দীর্ঘ এই সময় লাগতে পারে বলে উল্লেখ করেন অ্যান্ডি কোলস।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য মিররকে তিনি জানিয়েছেন, `আমি মনে করি না যে ডুবোযানটিতে কার্বন ডাই অক্সাইড পরিশোধন এবং বাতাসকে পুনরায় সঞ্চালনের কোনো ব্যবস্থা আছে।`

তাই তারা সম্পূর্ণরূপে দমবন্ধ না হওয়ার আগেই সম্ভবত ঘুমন্ত বা অচেতন অবস্থায় চলে গেছেন। অন্য যে বিষয়টি বিবেচনা করতে হবে তা হলো তিন হাজার ৮০০ মিটার নিচে সমুদ্রের তলদেশ অবিশ্বাস্যভাবে ঠান্ডা।

তারা সম্ভবত সেখানে কোন শক্তি এবং আলো পায়নি। কারণ যদি যানটিতে কোন যান্ত্রিক শক্তি থাকত, তাহলে তারা সমুদ্রের উপরিভাগে উঠে আসার চেষ্টা করত।`

Advertisement

এর আগে আটলান্টিক মহাসাগরের তলদেশে নিখোঁজ ডুবোযানের সন্ধানে চালানো তল্লাশির এলাকা থেকে একধরনের তীব্র আঘাতের শব্দ শোনা যায়। প্রতি ৩০ মিনিট পর পর এমন শব্দ শুনতে পান অনুসন্ধানী দলের সদস্যরা।

আটলান্টিক মহাসাগরের তলদেশে টাইটানিকের ধ্বংসাবশেষের সন্ধান পাওয়ার পর থেকে চলছে গবেষণা।

মঙ্গলবার (২০ জুন) এমন আওয়াজ পাওয়া যায়। ধারণা করা হচ্ছে ডুবোযানটির ভেতর থেকে সেটিকে কেউ শক্ত ধাতব কিছু দিয়ে সজোরে আঘাত করছেন। প্রতি ৩০ মিনিট পরপর এমন শব্দ শোনা যাচ্ছে। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম বিবিসি ও ডেইলি মেইলের এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা যায়।

আটলান্টিকের ২০ হাজার বর্গ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে তল্লাশি চালানো হচ্ছে। যে বিশাল এলাকায় এই তল্লাশি চলছে তা যুক্তরাষ্ট্রের কানেক্টিকাট অঙ্গরাজ্যের সমান।

মধ্য আটলান্টিক মহাসাগরের সাড়ে ১২ হাজার ফুট গভীরে টাইটানিক জাহাজের ধ্বংসাবশেষ দেখতে ৮ দিনের এই ভ্রমণের জন্য আড়াই লাখ ডলার (প্রায় ২ কোটি ৭০ লাখ ৬০ হাজার টাকা) খরচ করতে হয়।

Advertisement

নিখোঁজ ডুবোযানের আরোহীর পরিচয় প্রকাশ

পাকিস্তানের অন্যতম ধনী ব্যক্তি এবং তার কিশোর ছেলে নিখোঁজ ডুবোযানের পাঁচজনের মধ্যে রয়েছেন। শাহজাদা দাউদ, ৪৮, যুক্তরাজ্য-ভিত্তিক প্রিন্স ট্রাস্ট দাতব্য সংস্থার বোর্ড মেম্বার এবং তার ছেলে সুলাইমান দাউদ, ১৯, ছোট্ট ওই আন্ডারওয়াটার ক্রাফটের আরোহী ছিলেন।

ব্রিটিশ বিলিয়নিয়ার হামিস হার্ডিং, বিশ্ববিখ্যাত ফরাসি পর্যটক পল-হেনরি নারজিওলট এবং ডুবোযানটির মালিক প্রতিষ্ঠান ওশানগেট-এর প্রধান নিবার্হী (সিইও) স্টকটন র‍্যাশ এই যানের পঞ্চম আরোহী ছিলেন।

তারা সমুদ্রের গভীর অন্ধকারে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েন। সাড়ে ১২ হাজার ফুট পানির নিচে সেই ঐতিহাসিক ধ্বংসাবশেষ দেখার জন্য গিয়েছিলেন তারা।

শাহজাদার স্ত্রী ক্রিস্টিনা দাউদ এবং মেয়ে আলিনাসহ অন্যান্যরা এখন তাদের সবশেষ অবস্থা জানতে যন্ত্রণাদায়ক অপেক্ষা সহ্য করছেন। এ বিবৃতিতে এমনটি জানিয়েছে দাউদ পরিবার।

Advertisement

দাউদ পরিবার পাকিস্তানের সবচেয়ে ধনী পরিবারের মধ্যে একটি এবং যুক্তরাজ্যের সঙ্গে এই পরিবারের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে।

১৯১২ সালে তৎকালীন বিশ্বের বৃহত্তম যাত্রীবাহী এই জাহাজ সাউদাম্পটন থেকে নিউইয়র্কের উদ্দেশ্যে প্রথম সমুদ্রযাত্রায় বিশাল বরফখণ্ডের সঙ্গে ধাক্কা খেয়ে ডুবে যায়। জাহাজটিতে ২ হাজার ২০০ জন যাত্রী ও ক্রু ছিলেন। ভয়াবহ দুর্ঘটনায় তাদের মধ্যে এক হাজার ৫০০ জনেরও বেশি মারা যান।

১৯৮৫ সালে ধ্বংসাবশেষের সন্ধান পাওয়ার পর থেকে টাইটানিক নিয়ে ব্যাপক গবেষণা চলছে। প্রায় বিশ্বের বিভিন্ন দেশের পর্যটক বিখ্যাত এই জাহাজের ধ্বংসাবশেষ দেখতে আটলান্টিকের তলদেশে ভ্রমণে যান।

Advertisement
মন্তব্য করতে ক্লিক রুন

মন্তব্য করতে লগিন করুন লগিন

রিপ্লাই দিন

আন্তর্জাতিক

ইসরাইল ও ফিলিস্তিন সম্পর্ক বিয়ষক মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের সিনিয়র কর্মকর্তার পদত্যাগ 

Published

on

ডেপুটি অ্যাসিটেন্ট সেক্রেটারি অ্যান্ড্রু মিলার

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের ইসরাইল ও ফিলিস্তিন সম্পর্ক বিষয়ক ডেপুটি অ্যাসিটেন্ট সেক্রেটারি অ্যান্ড্রু মিলার পদত্যাগ করেছেন। চলতি সপ্তাহে তিনি পদত্যাগ করেন বলে দেশটির স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে।

দীর্ঘ আট মাসের বেশি সময় ধরে গাজায় ইসরাইলি হামলায় ৩৭ হাজার ৪০০ জন নিহত ঘটনার মধ্যেই মার্কিন ওই কর্মকর্তার পদত্যাগের ঘটনা ঘটল। খবর আল জাজিরা

ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে অ্যান্ড্রু মিলার চাকরি ছেড়ে দিয়েছেন।

মিলার তার সহকর্মীদের জানান, পরিবারকে আরও বেশি সময় দেয়ার জন্য তিনি চাকরি চেড়ে দিয়েছেন। গাজায় ইসরাইলি হামলা নিয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে তিনি বলেন, অক্টোবর থেকে চলা হামলা বর্তমানে আরও আগ্রাসী হয়ে উঠেছে।

পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

আন্তর্জাতিক

যুক্তরাষ্ট্রে সুপারমার্কেটে গোলাগুলি; নিহত ৩

Published

on

যুক্তরাষ্ট্রের আর্কানসাস সুপারমার্কেটে শুক্রবার (২১ জুন) এক বন্দুকধারীর গুলিতে তিনজন নিহত এবং ১১ জন আহত হয়েছে। আহতদের মধ্যে দুইজন পুলিশ সদস্য রয়েছে। বন্দুকধারীও পুলিশের পাল্টা গুলিতে আহত হয়েছে। আর্কানসাস রাজ্য পুলিশ পরিচালক মিকা হাগার বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে এ তথ্য জানিয়েছে।

ফার্ডিসের মাড বাটচার সুপারশপে এ হামলার ঘটনা ঘটে। শহরটিতে ৩ হাজার ২০০ মানুষ বসবাস করে। এটি দক্ষিণ লিটল রক থেকে ৭০ কিলোটিমার দূরে অবস্থিত।

হাগার বলেন, দুর্ভাগ্যবশত ১১ জন নিরীহ মানুষ গুলিবিদ্ধ হয়েছে। এদের মধ্যে দুইজন পুলিশের সদস্য রয়েছে। এছাড়া গুলিতে আরও তিনজন নিহত হয়েছে। পুলিশের গুলিকে বন্দুকধারী আহত হয়েছে, তাকে আদালতে নেয়া হয়েছে। তবে কী কারণে এ গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে সে সম্পর্কে হাগার কিছু জানায়নি।

তিনি বলেন, আহত পুলিশ সদস্য এবং বন্দুকধারী বেঁচে যাবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। গুলিতে আহত ১১ জন বেসামরিক নাগরিকের অবস্থাও গুরুত্বর নয়।

পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

আন্তর্জাতিক

লেবাননকে আরেকটি গাজায় পরিণত হতে দেয়া যাবে না: জাতিসংঘ মহাসচিব

Published

on

ফাইল ছবি

ইসরায়েল ও লেবাননের মধ্যে চলমান উত্তেজনা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন জাতিসংঘের মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস। ক্রমবর্ধমান এ উত্তেজনা পরিস্থিতি শান্ত করতে এবং ভুল গণনা রোধ করতে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষীরা কাজ করছেন। খবর রয়টার্স

দুই দেশের যুদ্ধের প্রস্তুতি এবং সম্ভাবনা একটি ভুল গণনা বলে মন্তব্য করেছেন তিনি। গতকাল শুক্রবার (২১ জুন) সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।

গুতেরেস বলেন, একটি তাড়াহুড়ো করে নেয়া পদক্ষেপ বিপর্যয়কে আরো বেসামাল করে তুলতে পারে। এই অঞ্চলের জনগণ এবং বিশ্ববাসী লেবাননকে আরেকটি গাজায় পরিণত হতে দিতে পারে না।

জাতিসংঘের মহাসচিব বলেন, জাতিসংঘের শান্তিরক্ষীরা উত্তেজনা প্রশমন এবং দুপক্ষের মধ্যে হিসাবের কোনো গরমিল যাতে না হয়, সে লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে। বিশ্বকে জোরেসোরে ও পরিষ্কার করে বলতে হবে, অতিদ্রুত উত্তেজনা নিরসন করা অপরিহার্য এবং এর কোনো সামরিক সমাধান নেই।

গত বছরের অক্টোবরে গাজা যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে ফিলিস্তিনি মিত্র হামাসের সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করে ইসরায়েলে রকেট নিক্ষেপ করছে ইরান-সমর্থিত হিজবুল্লাহ। এতে হাজার হাজার ইসরায়েলি বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়। সেখানে কঠোর পদক্ষেপ নেয়ার জন্য ইসরায়েলে রাজনৈতিক চাপ তৈরি হচ্ছে।

Advertisement

এদিকে, দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি হামলার পর কয়েক হাজার লেবানিজ বাড়িঘর ছেড়ে পালিয়েছে।

পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

সর্বাধিক পঠিত