Connect with us

বিএনপি

মুমূর্ষু অবস্থায় দিন কাটাচ্ছেন খালেদা জিয়া: রিজভী

Avatar of author

Published

on

খালেদা জিয়া সারাজীবন গণতন্ত্র, মানবাধিকার, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার জন্য জনগণকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করেছেন। আজ তাকে বন্দি রাখা হয়েছে। দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া মুমূর্ষু অবস্থায় দিন কাটাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

শুক্রবার (২৩ জুন) দুপুরে নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের নিচতলায় দোয়া ও মিলাদ মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। বিএনপি চেয়ারপারসনের সুস্থতা ও সুস্বাস্থ্য কামনায় এ দোয়া মাহফিল আয়োজন করে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ডিইএব) ঢাকা জেলা শাখা।

তিনি বলেছেন, খালেদা জিয়ার প্রতি নিষ্ঠুর আচরণ করা হয়েছে। তিনি মুমূর্ষু অবস্থায় দিন কাটাচ্ছেন। তার পরিবর্তে তারই সুযোগ্য সন্তান তারেক রহমান নেতৃত্ব দিচ্ছেন। আমরা তার নেতৃত্বে ইনশাআল্লাহ এগিয়ে যাবো।

রিজভী বলেন, খালেদা জিয়া সারাজীবন গণতন্ত্র, মানবাধিকার, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার জন্য জনগণকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করেছেন। আজ তাকে কারাগারে বন্দি রাখা হয়েছে। তার বিদেশে উন্নত চিকিৎসার অধিকার কেড়ে নেয়া হয়েছে। আওয়ামী লীগ হচ্ছে কসাই। আমাদের প্রত্যেক নেতাকর্মী নির্যাতন-নিপীড়নের শিকার।

সরকারের কঠোর সমালোচনা করে তিনি বলেন, গোটা দেশকে আন্তর্জাতিক খেলাধুলার মাঠ বানিয়েছে বর্তমান সরকার। অটুট সার্বভৌমত্বের দিশারী ছিলেন জিয়াউর রহমান, তিনি সার্বভৌমত্ব সুপ্রতিষ্ঠিত করেছিলেন। বাইরের কোনো দেশ বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে প্রকাশ্যে টু-শব্দ করতে পারতো না, গোপন ষড়যন্ত্র তো সবসময়ই থাকে।

Advertisement

রিজভী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বড় বড় কথা বলেন, দেশে এসে উনি কারও কাছে মাথানত করবেন না কাউকে পাত্তা দেন না জানিয়েছেন। তিনি সেন্টমার্টিন দেননি বলে ক্ষমতায় থাকতে না পারার সংশয় প্রকাশ করেছেন। কেন আজ এসব কথা হবে? এর জন্য তো উনিই দায়ী। উনি মানুষের ভোটের গণতান্ত্রিক অধিকার নির্বাসনে পাঠিয়েছেন। এটা কি অসত্য?

তিনি আরও বলেন, শেখ হাসিনা নাকি মাথানত করেন না। তাহলে আমেরিকার সহযোগিতার জন্য ভারতকে অনুরোধ করেছেন কেন? আসলে উনি তলে তলে ঘুস দিয়ে তাদের নিজের পক্ষে রাখার চেষ্টা করেন। তবে মনে রাখতে হবে- সবাই কিন্তু ঘুষ খান না।

রিজভী বলেন, বর্তমান সরকার তো লোভী। দেশের মানুষের প্রতি এ সরকারের কোনো মায়া নেই। ওয়ান-ইলেভেনের সময় তিনি (শেখ হাসিনা) তো দেশ ছেড়ে পালিয়েছিলেন। কিন্তু খালেদা জিয়া সেটা করেননি। সুতরাং কয়েকটি ফ্লাইওভার বা পদ্মাসেতু করে দিলেই হয় না। জনগণ সরকারের ভেলকিবাজি বোঝে।

 

Advertisement
Advertisement
মন্তব্য করতে ক্লিক রুন

মন্তব্য করতে লগিন করুন লগিন

রিপ্লাই দিন

বিএনপি

স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব বেচতে শুরু করেছে সরকার : রিজভী

Published

on

রিজভী

ভারতের সামরিক এবং বেসামরিক পরিবহনের জন্য বাংলাদেশের বুকের ওপর দিয়ে রেললাইন নেটওয়ার্ক তৈরি করার উদ্যোগ গ্রহণ করেছে ভারতীয় রেলওয়ে বোর্ড। এতে একটি স্বাধীন ও সার্বভৌমত্ব দেশের ‘ইন্টিলিজেন্স’ ব্যবস্থা ভেঙে পড়বে। বলেছেন বিএনপির সিনিয়ির যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী।

মঙ্গলবার (১৮ জুন) নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

রিজভী বলেন, দেশের জনগণের ইচ্ছার বিরুদ্ধে বাংলাদেশের নতজানু সরকার যদি ভারতের এই রেললাইন নেটওয়ার্ক বাস্তবায়ন করে তাতে স্বাধীন বাংলাদেশের অস্তিত্বকে ক্রমাগতভাবে মিলিয়ে দেয়া হবে। দখলদার সরকার জোর করে টিকে থাকার জন্য জাতীয় স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব বেচতে শুরু করেছে। যারা রক্তোন্মাদগ্রস্ত প্রায় প্রতিদিনই সীমান্তে আমাদের লোক হত্যা করছে। তাদেরকে সব উজাড় করে দেয়ার পরিণতি হবে ভয়াবহ।

তিনি বলেন, প্রতিদিন যেখানে বিএসএফ কর্তৃক বাংলাদেশিদের জীবন যাচ্ছে, যারা বাংলাদেশের মানুষের মানবাধিকার ও মানবতার তোয়াক্কা করে না তারাই যদি বাংলাদেশের বুকের ওপর দিয়ে সামরিক ও বেসামরিক পরিবহন উত্তর-পূর্ব ভারতের দিকে ধাবিত করে তাহলে বাংলাদেশের দুর্বল সার্বভৌমত্বের বাকি অংশটাও নিঃশেষ হয়ে যাবে।

বিএনপির সিনিয়র এ নেতা বলেন, ব্যাপক বেকারত্ব, চরম মূল্যস্ফীতি, জাতীয় রিজার্ভের ভয়াবহ পতন, কঠিন ডলার সংকট, বিপুল পরিমান খেলাপি ঋণ এবং ব্যাংকগুলো খালি হয়ে যাওয়া, জ্বালানির নিশ্চিয়তা ছাড়া একের পর এক ভাড়াভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র নির্মাণ, হাজার-হাজার কোটি টাকার ভর্তুকি দেশের অর্থনীতির কোমর ভেঙে ফেলা হয়েছে। ব্যক্তিগত আয় ও জীবনযাত্রার মান দিন দিন প্রকট হচ্ছে।

Advertisement

সংবাদ সম্মলেনে উপস্থতি ছিলেন বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদষ্টো জয়নুল আবেদীন ফারুক, স্বাস্থ্যবষিয়ক সম্পাদক ডা. রফকিুল ইসলাম, সহ-সাংগঠনকি সম্পাদক আমিনুল ইসলাম, যুবদল নেতা গয়িাসউদ্দনি মামুন প্রমুখ।

 

পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

বিএনপি

বেনজীর ও আজিজকে বলির পাঁঠা বানিয়েছে সরকার: মির্জা ফখরুল

Published

on

মির্জা-ফখরুল

সেন্টমার্টিনে গোলাগুলি হচ্ছে। মিয়ানমারের যুদ্ধজাহাজও সেখানে দেখা যাচ্ছে। এটা বাংলাদেশের জন্য হুমকি। দুর্ভাগ্যের বিষয় হলো এই অনির্বাচিত সরকার, দখলদারিত্বের সরকার এখন পর্যন্ত কোনো স্টেটমেন্ট দেয়নি। কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। সেন্টমার্টিন ইস্যুতে সরকারের পদত্যাগ করা উচিত। বলেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

রোববার (১৬ জুন) ঠাকুরগাঁও শহরের কালিবাড়ীতে নিজ বাসভবনে মতবিনিময় সভায় সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘যেসব কর্মকর্তা-কর্মচারীরা মনে করছেন আওয়ামী লীগকে সমর্থন করে, লুটপাট করে, বিএনপিকে নির্যাতন করে টিকে থাকতে পারবেন; আলটিমেটলি টিকে থাকা যায় না। তার প্রমাণ বেনজীর ও আজিজ (সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ ও সেনাপ্রধান আজিজ আহমেদ)। তাদের বলির পাঁঠা বানিয়েছে আওয়ামী লীগ সরকারই। এখন ঢাকার সাবেক ডিএমপি কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়ার ফিরিস্তি পত্রিকায় বের হয়েছে। একে একে সবার থলের বিড়াল বেরিয়ে আসছে। এ সরকার রাষ্ট্রযন্ত্রকে ব্যবহার করে তাদের চুরির সুযোগ দিচ্ছে। তারা নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে। সরকার ফেল। তাদের উচিত পদত্যাগ করা।’

নির্বাচন একটা তামাশা মন্তব্য করে বিএনপির মহাসচিব বলেন, ‘এটা করতে হয় তাই আওয়ামী লীগ করছে। নির্বাচনের আগেই বিরোধী দলের সিনিয়র নেতাদের গ্রেপ্তার করে জেলে পাঠাচ্ছে। মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করছে। ভারতেও নির্বাচনের আগে বিরোধী নেতাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দেয়া হয়েছে, অ্যাকাউন্ট জব্দ করা হয়েছে। তার কারণ হলো যারা শাসন ক্ষমতায় থাকে তারা গণতন্ত্র বিশ্বাস করে না।’

সাংবাদিকদের উদ্দেশে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘সাহস করে যদি আপনারা না দাঁড়ান তাহলে সংবাদ মাধ্যমে টিকে থাকতে পারবে না। আওয়ামী লীগ সরকারের (আমলে) ১৯৭৫ সালের ১৬ জুন চারটা পত্রিকা বাদ দিয়ে সব পত্রিকা বন্ধ করে দেয়া হয়েছিল। সাংবাদিকরা তখন ভিক্ষা করতো, ফল বিক্রি করতো। এখন অনেকগুলো টিভি চ্যানেল হয়েছে। কিন্তু কোনো সাংবাদিক তার মালিকের হুকুম ছাড়া কিছুই করতে পারে না।’

Advertisement

মতবিনিময় সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মির্জা ফয়সাল আমীন, সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল হামিদ, পৌর বিএনপির সভাপতি শরিফুল ইসলাম শরিফ, আবু নুর চৌধুরীসহ অন্যরা।

পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

বিএনপি

পরনির্ভরশীল সরকার বলেই কোনো পদক্ষেপ নিতে পারছে না: রিজভী

Published

on

রিজভী

দেশের সীমান্ত এলাকায় মিয়ানমারের জান্তা সেনাদের তৎপরতায় সরকার নির্বিকার কেন, জাতি জানতে চায়। বলেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

রোববার (১৬ জুন) রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

টেকনাফ সীমান্তে চলমান উত্তেজনা-শঙ্কা ইস্যুতে আওয়ামী লীগ সরকারের সমালোচনা করে রিজভী বলেন, মিয়ানমারকে কী সরকার গোলাপ ফুল দিয়ে স্বাগত জানাবে?

তিনি বলেন, বাংলাদেশতো যুদ্ধ করে স্বাধীন হয়েছে। বিএনপি ক্ষমতায় থাকলে কূটনৈতিক উপায়ে এই সংকটের সমাধান করতে পারতো। পরনির্ভরশীল বলেই এই সরকার কোনো পদক্ষেপ নিতে পারছে না।

বিএনপির এ নেতা বলেন, অবৈধভাবে ক্ষমতায় থাকার জন্যই সরকার সীমান্ত, সার্বভৌমত্ব ঝুঁকির মধ্যে থাকলেও তা রক্ষার দায়িত্ব পালন করছে না। জান-মালের রক্ষায় সেন্টমার্টিনে সেনা ও নৌবাহিনী মোতায়েন করে কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার তাগিদ দিয়েছেন তিনি।

Advertisement
পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

সর্বাধিক পঠিত