Connect with us

ক্রিকেট

বিপিএল দশম আসরের সূচিতে পরিবর্তন

Avatar of author

Published

on

চলতি বছরের শুরুতেই আগামী তিন বছরের জন্য বাংলাদেশ ঘরোয়া ক্রিকেটের সব থেকে জনপ্রিয় আসর বিপিএল শুরুর সময় নির্ধারণ করে দিয়েছিল বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। কিন্তু বছর না-ঘুরতেই কথা পাল্টালো সংস্থাটি। বিপিএলের দশম আসর শুরুর সময় পিছিয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা করছে বিসিবি।

নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী বিপিএলের দশম আসর জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে মাঠে গড়ানোর কথা। কিন্তু জানুয়ারিতে অনুষ্ঠিত হবে জাতীয় নির্বাচন। আর সে কারণেই পূর্বনির্ধারিত সময়ে অনুষ্ঠিত হচ্ছে না আসরটি।

শনিবার (২৪ জুন) সংবাদমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের সদস্য সচিব ইসমাইল হায়দার মল্লিক।

মল্লিক জানান, ‘জাতীয় নির্বাচনের তারিখটা এখনো ঘোষণা দেয়নি। আমাদের বিপিএলটা কবে হতে পারে এ নিয়ে বোর্ড মিটিংয়ে একটা সিদ্ধান্ত হয়েছে। জাতীয় নির্বাচনের পরপরই যেন বিপিএলটা শুরু করতে পারি। জাতীয় নির্বাচন হয়তো জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে হতে পারে বলে শোনা যাচ্ছে মিডিয়ার মাধ্যমে।’

তিনি আরও  জানান, ‘সেক্ষেত্রে হয়তো ১০ তারিখ বা উপযুক্ত দিন দেখে শুরু করব। আমাদের যে করেই হোক ফেব্রুয়ারির মধ্যে শেষ করতে হবে। কারণ এর মধ্যে শ্রীলঙ্কা সিরিজ আছে। আর প্লেয়ার্স ড্রাফটটা আমরা চেষ্টা করব সেপ্টেম্বরের তৃতীয় বা শেষ সপ্তাহে শেষ করতে।’

Advertisement

 

 

Advertisement
মন্তব্য করতে ক্লিক রুন

মন্তব্য করতে লগিন করুন লগিন

রিপ্লাই দিন

ক্রিকেট

‘এমন কন্ডিশন বাংলাদেশের জন্য বেশ উপযোগী’

Published

on

ভারতের বিপক্ষে সুপার এইটের ম্যাচে মুখোমুখি হতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। ম্যাচের গুরুত্ব আর আলাদা করে বোঝানোর কিছু নেই। ম্যাচটি হেরে গেলে অনেকটা টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে পড়বে বাংলাদেশ, এমন বলা যায়। নাজমুল হোসেন শান্তরা মন-প্রাণ দিয়ে ম্যাচটি জিততে চাইবে। কন্ডিশনের সুবিধা কাজে লাগাতে চাইবে সর্বোচ্চভাবে।

সুপার এইটে নিজেদের প্রথম ম্যাচে আফগানিস্তানকে পরাজিত করেছে ভারত। তাতে স্বাভাবিকভাবেই এগিয়ে আছে তারা। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের বিপক্ষে হারের কোনো রেকর্ড নেই রোহিত শর্মাদের। তবে ভারতের ব্যাটিং কোচ বিক্রম রাঠোর ম্যাচের আগে সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছেন সুবিধা পেতে পারে বাংলাদেশ।

মূলত উইকেটের সুবিধার কথা বলেছেন এই কোচ। স্যার ভিভিয়ান রিচার্ডস স্টেডিয়ামে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সবশেষ ম্যাচে মাঠে নেমেছিল। রাঠোর বলেন, ‘দল হিসেবে তারা ভালো। তাদের বেশ কিছু বোলার আছে, যারা স্পিন বোলিং করতে পারে এবং ভিন্ন কন্ডিশনে তারা বেশ ভালো করে। এমন কন্ডিশন তাদের জন্য বেশ উপযোগী। আমার মনে হচ্ছে, উইকেট স্পিনারদের অনেকটা সহায়তা করবে। তাদের দলে তেমন মানের স্পিন বোলার আছে।’

বাংলাদেশি লেগ স্পিনার রিশাদ হোসেন এই বিশ্বকাপে দারুণ পারফর্ম করে যাচ্ছেন। তার বোলিং প্রতিপক্ষের জন্য নানাদিক থেকে হুমকি তৈরি করছে। স্পিনের সুবিধা অবশ্য ভারতও নিতে চাইবে ভালোভাবেই। যেখানে কুলদীপ যাদব, রবীন্দ্র জাদেজা বা অক্ষর প্যাটেলরা রয়েছেন। আর টাইগারদের পক্ষে রিশাদের সাথে সাকিব আল হাসান ও শেখ মেহেদীদের হয়তো দেখা যাবে।

 

Advertisement

এম/এইচ

পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

ক্রিকেট

আজ ভারতকে হারিয়ে সেমিতে যেতে চায় টাইগাররা

Published

on

টপ অর্ডার ব্যাটাররা ফর্মে ফেরার পথে থাকায় টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে খেলার ভালো সুযোগ এখনও আছে বলে মনে করেন বাংলাদেশ অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত।

বৃষ্টি আইনে আঅস্ট্রেলিয়ার কাছে ২৮ রানে হেরে সুপার এইট পর্ব শুরু করে বাংলাদেশ। সুপার এইট পর্বে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে অ্যান্টিগার স্যার ভিভিয়ান রিচার্ডস স্টেডিয়ামে ভারতের বিপক্ষে ঘুড়ে দাঁড়ানোর ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী টাইগাররা। আজ রাত ৮টা ৩০ মিনিটে শুরু হবে ম্যাচটি।

গ্রুপ পর্বে রানের জন্য লড়াই করতে হয়েছে অধিনায়ক শান্তসহ বাংলাদেশের টপ অর্ডার ব্যাটারদের। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে হারা ম্যাচে রানের দেখা পেয়েছে তারা। যা ভারতের বিপক্ষে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে বাড়তি আত্মবিশ্বাস যোগাচ্ছে বাংলাদেশকে।

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে তিন নম্বরে নেমে ৩৬ বল খেলে বাংলাদেশের পক্ষে সর্বোচ্চ ৪১ রান করেন শান্ত। লিটন দাস ২৫ বলে করেন ১৬ রান। তাওহিদ হৃদয় ২৮ বলে ৪০ রানে ফিরলেও, মিডল ও লোয়ার অর্ডার ব্যাটারদের ব্যর্থতায় ৭ উইকেটে ১৪০ রানের বেশি করতে পারেনি বাংলাদেশ।

জবাবে ১১ দশমিক ২ ওভারে ২ উইকেটে ১শ রান করে ফেলে অস্ট্রেলিয়া। এরপর বৃষ্টিতে আর খেলা না হলে শেষ পর্যন্ত ২৮ রানে হেরে যায় বাংলাদেশ।

Advertisement

ম্যাচ শেষে শান্ত বলেন, ‘উইকেট ভালো ছিল। কিছুটা ধীরগতির ছিলো। কিন্তু আমাদের অন্তত ১৭০ রান করা উচিত ছিল। এখন পর্যন্ত আমার সব ঠিক আছে। এখানে খেলা উপভোগ করছি এবং আমি আরও ভালো কিছু করতে পারবো বলে মনে করছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘আজকে টপ অর্ডারের রান পাওয়াটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ ছিলো। আশা করি বোলাররা, তাদের ফর্ম ধরে রাখবে। ভারতের বিপক্ষে পরের ম্যাচে নিজেদের সেরাটা দিতে মুখিয়ে আছে তারা।’

এই ফরম্যাটে একে অপরের বিপক্ষে ১৩ ম্যাচ খেলেছে বাংলাদেশ-ভারত। এরমধ্যে মাত্র একটি জিতেছে টাইগাররা। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে চারবার দেখা হয়েছে দু’দলের। সব ম্যাচই জিতেছে টিম ইন্ডিয়া।

পরিসংখ্যান বাংলাদেশের পক্ষে না থাকলেও, ভারতকে বিপক্ষে বেশির ভাগ ম্যাচেই আগ্রাসী ও লড়াকু ক্রিকেট খেলেছে টাইগাররা। দু’দল যখনই মুখোমুখি হয়েছে, তারা উত্তেজনাপূর্ণ এবং রোমাঞ্চকর পারফরমেন্স দেখিয়েছে। কিন্তু টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে লড়াইয়ের দিক দিয়ে ভালো অবস্থায় ছিলো ভারত।

কিন্তু বাংলাদেশ-ভারত ম্যাচ প্রতিবারই বাড়তি উন্মাদনা তৈরি করে, বিশেষ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এবং বাকী অন্য ক্ষেত্রে সবসময়ই ভারতকে হারানোর সুযোগ তৈরি করে টাইগাররা।

Advertisement

আজ ম্যাচে ভারতকে হারাতে না পারলে সেমিফাইনালের দৌড় থেকে ছিটকে যাবে বাংলাদেশ। অন্যদিকে, বাংলাদেশের বিপক্ষে জিতলে সেমিফাইনালে এক পা দিয়ে রাখবে ভারত। সুপার এইটে নিজেদের প্রথম ম্যাচে আফগানিস্তানকে ৪৭ রানে হারিয়েছে ভারত।

বাংলাদেশ দল : নাজমুল হোসেন শান্ত (অধিনায়ক), তাসকিন আহমেদ (সহ-অধিনায়ক), লিটন দাস, সৌম্য সরকার, তানজিদ হাসান তামিম, সাকিব আল হাসান, তাওহিদ হৃদয়, মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ, জাকের আলি অনিক, তানভির ইসলাম, মাহেদি হাসান, রিশাদ হোসেন, মুস্তাফিজুর রহমান, শরিফুল ইসলাম ও তানজিম হাসান সাকিব।

ভারত দল : রোহিত শর্মা (অধিনায়ক), হার্দিক পান্ডিয়া, যশস্বী জয়সওয়াল, বিরাট কোহলি, সূর্যকুমার যাদব, ঋষভ পান্থ (উইকেটরক্ষক), সঞ্জু স্যামসন, শিবম দুবে, রবীন্দ্র জাদেজা, অক্ষর প্যাটেল, কুলদীপ যাদব, যুজবেন্দ্রা চাহাল, আর্শদীপ সিং, জসপ্রিত বুমরাহ, মোহাম্মদ সিরাজ।

জেএইচ

Advertisement
পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

ক্রিকেট

অপরাজেয় দক্ষিণ আফ্রিকার মুখোমুখি হচ্ছে ইংল্যান্ড

Published

on

সুপার এইটের ম্যাচে আজ রাত সাড়ে ৮ টায় মুখোমুখি হচ্ছে ইংল্যান্ড ও দক্ষিণ আফ্রিকা। দুই দলই ছন্দে আছে নিজেদের গ্রুপে। এক ম্যাচ করে জয় পেয়েছে ভিন্ন প্রতিপক্ষের সাথে। যেখানে ইংল্যান্ড জিতেছে ওয়েস্ট ইন্ডিজের সঙ্গে। আর দক্ষিণ আফ্রিকার জয়ে এসেছে যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে। সেন্ট লুসিয়ায় আজকের ম্যাচ তাই দুই দলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

গ্রুপ পর্বে বেশ কঠিন সময় পার করেছে ইংল্যান্ড। শঙ্কা এমন তৈরি হয়েছিল যে, সুপার এইটে যাওয়া নিয়ে উঠেছিল ভাবনা। তবে সব পেরিয়ে তা নিশ্চিত করেছে ইংলিশরা। অন্যদিকে দক্ষিণ আফ্রিকা বেশ দাপটের সাথেই সুপার এইট নিশ্চিত করেছে। যেখানে একটি ম্যাচও হারেনি তারা।

এখন পর্যন্ত হারের তিতকুটে স্বাদ পেতে হয়নি প্রোটিয়াদের। ব্যাট ও বলে প্রতিপক্ষকে বেশ হুমকি দেওয়ার সক্ষমতা দেখাতে পেরেছে তারা। এদিকে ইংলিশরাও নিজেদের বাজে সময়টুকু পার করে ওঠার তাগিদ দিচ্ছে। উইন্ডিজদের সাথে সবশেষে ম্যাচের দাপুটে জয় দিয়ে সেটার প্রমাণ মেলে।

সেন্ট লুসিয়ার ড্যারেন স্যামি স্টেডিয়ামের পিচ ব্যাটিং সহায়ক। দুই দলই বড় রান করার চেষ্টায় থাকবে বলে ধারণা করা যায়। আর এই ম্যাচে ভালো রান হবে বলেই পূর্ব থেকে অনুমান করা হচ্ছে। আবহাওয়া নিয়ে তেমন চিন্তার কিছু নেই। অর্থাৎ আকাশ পরিষ্কার থাকবে বলে জানা যায়, বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই।

টি-টোয়েন্টি সংস্করণে মুখোমুখি দেখায় দক্ষিণ আফ্রিকা ও ইংল্যান্ড উভয় দলই ১২ টি করে ম্যাচ জিতেছে। তবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের পরিসংখ্যান বলছে এগিয়ে আছে দক্ষিণ আফ্রিকা। যেখানে ৬ বারের দেখায় ৪ বারই জয় নিশ্চিত করেছে প্রোটিয়ারা।

Advertisement

 

এম/এইচ

পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

সর্বাধিক পঠিত