Connect with us

রংপুর

চাচাতো ভাইকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ

Avatar of author

Published

on

হত্যা

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে শাহাদত হোসেন (২৩) নামে এক যুবককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে চাচাতো ভাইদের বিরুদ্ধে। নিহত শাহাদত হোসেন ওই গ্রামের আব্দুল জলিলের ছেলে।

শনিবার (২২ জুন) সকালে উপজেলার হরিরামপুর ইউনিয়নের হরিরামপুর মধ্যপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। বিষয়টি নিশ্চিত করেন গোবিন্দগঞ্জ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) বুলবুল ইসলাম।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শাহাদত হোসেনের বাবা আব্দুল জলিলকে জমি লিখে দেন তার দাদি। কিন্তু তার চাচাকে জমি লিখে না দেয়ায় শনিবার সকালে চাচা ও চাচাতো ভাইদের সঙ্গে বাকবিতণ্ডা হয়। এরই একপর্যায়ে চাচা ও চাচাতো ভাই জাহিদুল ইসলাম, পলাশ ও জাহাঙ্গীর আলমসহ কয়েকজন শাহাদত হোসেনকে পিটিয়ে হত্যা করে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় পুলিশ।

বুলবুল ইসলাম বলেন, শাহাদত হোসেনের চাচা তার দাদিকে ভরণপোষণ না দেয়ায় তার বাবার নামে জমি লিখে দেয়। এতে চাচাসহ চাচাতো ভাইয়েরা ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে। একপর্যায়ে দুইপক্ষের বাকবিতণ্ডা হয়। এসময় শাহাদতকে পিটিয়ে হত্যা করে তারা।

 

Advertisement
Advertisement
মন্তব্য করতে ক্লিক রুন

মন্তব্য করতে লগিন করুন লগিন

রিপ্লাই দিন

রংপুর

তিস্তার পানি বিপৎসীমা ছুঁই ছুঁই

Published

on

বিপৎসীমা

রংপুরের কাউনিয়া পয়েন্টে উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে তিস্তা নদীর পানি বিপৎসীমার ১৫ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। এদিকে গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ পয়েন্টে পানি বিপৎসীমা ছুঁই ছুঁই করছে।

শনিবার (২২ জুন) গাইবান্ধার পানি উন্নয়ন বোর্ডের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী সকাল ৯টায় কাউনিয়া পয়েন্ট তিস্তা নদীর পানি বিপৎসীমার ১৫ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

এতে বলা হয়, ব্রহ্মপুত্র, যমুনা, ঘাঘট ও করতোয়া নদীর পানি ধীরগতিতে বাড়ছে। তিস্তা নদীর পানি বৃদ্ধির ফলে ইতোমধ্যে জেলার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার তিস্তার অববাহিকার নিম্নাঞ্চলে পানি ঢুকতে শুরু করেছে।

এছাড়া ব্রহ্মপুত্র নদের পানি জেলার ফুলছড়ি উপজেলার তিস্তামুখ পয়েন্টে বিপৎসীমার ৭৮ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ঘাঘট নদীর পানি জেলা শহরের নতুন ব্রিজ পয়েন্টে বিপৎসীমার ১২২ সেন্টিমিটার‌ ও করতোয়ার পানি গোবিন্দগঞ্জের কাটাখালি পয়েন্টে বিপৎসীমার ১৫১ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

জানা গেছে, পানি বৃদ্ধির ফলে সুন্দরগঞ্জ উপজেলার বেশ কয়েকটি চরে অব্যাহত ভাঙন শুরু হয়েছে। ভাঙনে তোষাপাটসহ বিভিন্ন ফসলি জমি নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে। গত ১০ দিনের ব্যবধানে উপজেলার কাপাশিয়া, হরিপুর, শ্রীপুর ও চন্ডিপুর ইউনিয়নে অন্তত অর্ধশতাধিক বিঘা ফসলি জমি ইতোমধ্যে নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় চরাঞ্চলের যোগাযোগও ব্যবস্থায় প্রভাব পড়েছে। নৌকা ছাড়া এক চর হতে অন্য চরে যাওয়া আসা করা সম্ভব হচ্ছে না।

Advertisement

সুন্দরগঞ্জ উপজেলার পাঁচটি  ইউনিয়নের ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে তিস্তা নদী। প্রতিবছর তিস্তায় পানি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শুরু হয় নদী ভাঙন। যা চলতে থাকে সারা বছর। এ কারণ প্রতিবছর অন্তত সহস্রাধিক বসতবাড়ি ও শত শত একর ফসলি জমি বিলীন হচ্ছে নদীগর্ভে।

সুন্দরগঞ্জ উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. ওয়ালিফ মন্ডল বলেন, তারাপুর, বেলকা, চন্ডিপুর, কাপাসিয়া ও হরিপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যানগণ মোবাইল ফোনে জানিয়েছেন নদীভাঙন শুরু হয়েছে এবং চরাঞ্চলের নিম্নাঞ্চলে পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত লিখিতভাবে ক্ষয়ক্ষতির তালিকা পাওয়া যায়নি। তালিকা পেলে প্রয়োজনীয় কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

গাইবান্ধা পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) নির্বাহী প্রকৌশলী মো. হাফিজুল হক বলেন, উজানের ঢলে গাইবান্ধার সবগুলো নদ-নদীর পানি ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। ইতোমধ্যে সুন্দরগঞ্জের তিস্তার নিম্নাঞ্চলে পানি ঢুকে পড়েছে। তবে দুই এক দিনের মধ্যে পানি কমা শুরু করবে। পানি উন্নয়ন বোর্ড সার্বিক পরিস্থিতির উপর সার্বক্ষণিক নজর রাখছে।

কেএস/

Advertisement
পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

রংপুর

কুড়িগ্রামে নদী ভাঙনে হুমকির মুখে গ্রামীণ সড়ক

Published

on

কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে টানা দুই সপ্তাহ ধরে ভারি বৃষ্টিপাত ও উজানের ঢলে বারোমাসিয়া নদীর তীব্র  স্রোতে হুমকির মুখে পড়েছে গ্রামীন সড়ক ।  দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহন না করলে এক দুই দিনের মধ্যে বালাতাড়ি এলাকা থেকে গোরকমন্ডল বিজিবি ক্যাম্পসহ ওই দুই গ্রামের পাঁচ শতাধিক পরিবারের যোগাযোগ ব্যবস্থা বিছিন্ন হয়ে যাবে বলে আশংকা করছেন এলাকাবাসী।

শুক্রবার (২১ জুন) নদী ভাঙ্গনের বিষয়টি বায়ান্ন টিভিকে নিশ্চিত করেন নাওডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ হাছেন আলী।

সরজমিনে দেখা যায়, বারোমাসিয়া নদীর তীব্র স্রোতে ৪শ থেকে ৫শ মিটার গ্রামীন কাঁচা সড়কটি ইতোমধ্যে তিন ভাগ অংশ নদী গর্ভে বিলীন হয়েছে। এক ভাগ অংশে স্থানীয়রা দিনে কিংবা রাতে দুঘর্টনা থেকে রক্ষা পেতে একটি লাল নিশান সেখানে টাংগিয়ে দিয়েছেন।

সেখানকার মানুষজন বাইসাইকেল ও পাঁয়ে হেঁটে যাতায়াত করছে। তবে অটোবাইকসহ বড় ধরণের যান বাহন চলাচল গত দুই দিন থেকে বন্ধ হয়েছে বলে জানা গেছে।

স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুল কুদ্দুদ ও বাবুল মাস্টার বলেন, নদী গর্ভে বিলীনের হাত থেকে ৫শ মিটার সড়কটি রক্ষার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে জোড় দাবী করছেন। সড়কটি রক্ষা করতে না পারলে যোগযোগ বিছিন্নসহ  ওই এলাকার অর্ধশতাধিক বাড়ী-ঘর ও শতশত বিঘা ফসলি জমি বারোমাসিয়া নদী গর্ভে যাবে।

Advertisement

নাওডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ হাছেন আলী জানান, টানা দুই সপ্তাহের ভারি বৃষ্টিপাত ও পাহাড়ী ঢলে বারোমাসিয়া নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় কাঁচা গ্রামীণ সড়কটি নদী গর্ভে বিলীনের পথে।  বিষয়টি তিনি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছেন।

এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) রেহেনুমা তারান্নুম  জানান, গ্রামীণ সড়ক নদী গর্ভে বিলীনের পথে, অথচ এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত কেউ জানায়নি। তিনি সড়কটি রক্ষা করার জন্য সংশ্লিষ্ট ইউপি চেয়ারম্যানের মাধ্যমে দ্রæত ব্যবস্থা নিবেন বলে আশ্বাস দেন।

আই/এ

পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

রংপুর

আগামী তিন দিনে তিন জেলায় বন্যার পূর্বাভাস

Published

on

আগামী তিন দিনে কুড়িগ্রাম,লালমনিরহাট ও নীলফামারী জেলার কিছু নিম্নাঞ্চলে স্বল্পমেয়াদী বন্যা হতে পারে। সেই সঙ্গে এই সময়ে রংপুর জেলার নিম্নাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা অবনতি হতে পারে।

শুক্রবার (২১ জুন) পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সরদার উদয় রায়হানের সই করা বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ব্রহ্মপুত্র-যমুনা নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে। যা আগামী ৭২ ঘণ্টায় অব্যাহতভাবে বৃদ্ধি পেয়ে কিছু কিছু পয়েন্টে সতর্কসীমায় পৌঁছাতে পারে। পাশাপাশি গঙ্গা-পদ্মা নদীসমূহের পানি সমতল বৃদ্ধি পাচ্ছে, যা আগামী ৭২ ঘণ্টা পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে। এছাড়া দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের প্রধান নদীসমূহের পানি সমতল হ্রাস পাচ্ছে, যা আগামী ৪৮ ঘণ্টা পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে।

তবে আগামী ২৪ ঘণ্টায় নেত্রকোনার কিছু নিম্নাঞ্চল ছাড়াও সিলেট ও সুনামগঞ্জ জেলায় চলমান বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হতে পারে।

আই/এ

Advertisement
পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

সর্বাধিক পঠিত