Connect with us

বাংলাদেশ

বর্ষায় শরীর চাঙ্গা রাখবেন যেভাবে…

Avatar of author

Published

on

বর্ষার মৌসুম

মেঘলা আকাশ, ঝিমঝিম বৃষ্টি, রোদের তেমন জোর নেই। সঙ্গে যদিও আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তি, ঘাম আছে। বৃষ্টির মৌসুম মানেই পানি জমা, ভাইরাস-ব্যাক্টেরিয়া ঘটিত রোগের সম্ভাবনা বৃদ্ধি। সঙ্গে ডেঙ্গু, ম্যালেরিয়া আর পেটের সব অসুখ তো আছেই। ছোট থেকে বড়, বর্ষার মৌসুম শুরু হলে সকলকেই কমবেশি ভুগতে শুরু করেন পেটের সমস্যায়। ফুড পয়জন, ডায়ারিয়া, বদহজম- এ সব লেগেই থাকে। খাবারে একটু এ দিক থেকে ও দিক হলেই মুশকিল।

চুলন জেনে নেয়া যাক বর্ষার এই দিনগুলিতে রোগভোগ থেকে সুরক্ষিত থাকবেন কীভাবে-

খাদ্যতালিকায় গরমাগরম খাবার

এই সময় ডায়েটে বেশি করে গরম স্যুপ, ভেষজ চা রাখতে হবে। আদা, পুদিনা, দারচিনি মেশানো চা শরীর কেবল চাঙ্গা করবে না, শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও বৃদ্ধি করতে সাহায্য করবে। স্যুপে অবশ্যই বেশি করে সব্জি দিতে হবে, শরীর পুষ্ট হলে রোগের সঙ্গে লড়াই করা ক্ষমতা বাড়বে।

ভিটামিন সি সমৃদ্ধ খাবার

ডায়েটে বেশি করে ভিটামিন সি সমৃদ্ধ কিউয়ি, আঙ্গুর, মুসাম্বি, কমলালেবু, ক্যাপসিকাম, ব্রকোলি রাখলে শরীরের রোগ প্রতিরোধ শক্তি অনেক বেশি বেড়ে যায়।

Advertisement

প্রোবায়োটিক খাবার

বর্ষার মৌসুমে পেটের গন্ডগোল লেগেই থাকে। এই সময় পেট ঠান্ডা রাখতে ডায়েটে রোজ দই রাখুন। দইয়ের প্রোবায়োটিক পেটে ভাল ব্যাক্টেরিয়া তৈরিতে সাহায্য করে, ফলে হজম ভাল হয়। পেটে সংক্রমণ ঠেকাতে দই, লাচ্ছি, ঘোল, রায়তা বেশি করে ডায়েটে রাখুন।

বাইরের খাবার এড়িয়ে চলা

বাচ্চারা অনেক সময়ই বাইরের খাবার খেতে চায়। কিন্তু এই সময়ে বাইরের খাবার বেশি না খাওয়াই ভাল। এই সময় বিভিন্ন জলবাহিত জীবাণুর প্রকোপ বৃদ্ধি পায়। তাই বাড়িতেই মুখরোচক খাবারদাবার তৈরি করে দিন সন্তানের জন্য। রেস্তরার খাবার কিংবা ঘুগনি, ফুচকা, আলুকাবলির মতো রাস্তার ধারের খাবার এই সময় এড়িয়ে চলুন।

পানি খাওয়া

শরীরের পানির ঘাটতি হলেই রোগের প্রকোপ শরীরে বেশি হয়। তাই এই সময়েও বেশ করে পানি ‌খেতে হবে। তবে বাইরে বেরোলে নিজের বোতল সঙ্গে রাখুন, রাস্তার ধারের পানি, কিংবা রেস্তরার পানি এই সময় একেবারেই খাবেন না।

Advertisement
মন্তব্য করতে ক্লিক রুন

মন্তব্য করতে লগিন করুন লগিন

রিপ্লাই দিন

বাংলাদেশ

সেন্টমার্টিনে আবারও খাদ্য সঙ্কট

Published

on

সেন্টমার্টিনে-খাদ্য-সংকট

বাংলাদেশের দক্ষিণে প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিনে আবারও খাদ্য সঙ্কট প্রকট আকার ধারণ করেছে। দ্বীপ থেকে টেকনাফের নৌ যোগাযোগ ২০ দিন ধরে বন্ধ থাকায় এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।মিয়ানমার সেনাবাহিনী ও আরাকান আর্মির সংঘাতের কারণে নাফনদী ব্যবহার করা যাচ্ছে না। নৌপথ ছাড়া যোগাযোগের আর কোনো তেমন পথ নাই।

আরেকটি বিকল্প সেন্টমার্টিন থেকে জাহাজযোগে কক্সবাজারের সাথে যোগাযোগ। এটা সময়সাপেক্ষ এবং শুধু জাহাজ দিয়েই সম্ভব।

কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মুহম্মদ শাহীন ইমরান বলেছেন, এখন সেন্টমার্টিনের বাসিন্দারা চাইলে নাফ নদী ব্যবহার করে মূল ভূখণ্ডে যাতায়াত করতে পারেন।

আর আইএসপিআর আর জানিয়েছে, সেন্টমার্টিন দ্বীপের কাছে বাংলাদেশ নৌবাহিনী ও কোস্ট গার্ডের একাধিক জাহাজ মিয়ানমারের জাহাজের গতিবিধি পর্যবেক্ষণসহ বাংলাদেশের সমুদ্রসীমায় থেকে নিয়মিত টহল দিচ্ছে।

সেন্টমার্টিন টেকনাফের একটি ইউনিয়ন। জনসংখ্যা ১০ হাজারের মতো। সেন্টমার্টিনের ইউপি চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান জানান, এই ২০ দিনে মাত্র একবার জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে সেন্টমার্টিনে খাদ্যসামগ্রী পঠানো হয়েছে। আর সেটা ছিল জেলে এবং যারা সরকারের ভিজিএফ কার্ডধারী৷ ফলে এখন খাদ্য সংকট প্রকট আকার ধারণ করেছে।

Advertisement

তিনি বলেন, সেন্টমার্টিনের কিছু মানুষ জেলে আর অধিকাংশই কৃষক৷ চাহিদার ২০ ভাগ খাদ্যও এখানে উৎপাদন হয় না। জেলেদের মাছ ধরা বন্ধ আছে৷ বন্ধ আছে পর্যটন। ফলে আয়ের উৎস যেমন বন্ধ তেমনি বাইরে থেকে খাদ্য আনারও কোনো সুযোগ নাই। আর তিন-চার দিনের মধ্যে যদি খাদ্য সরবারাহ করা না হয় তাহলে অনেককেই অনাহারে থাকতে হবে বলে তিনি জানান।

একই কথা বলেন সেন্টমার্টিনের বাসিন্দা হাবিবুর রহমান। তিনি বলেন, আমাদের এখানে ঈদ নাই৷ আতঙ্কে আর খাদ্য সংকটে আমাদের দিন কাটছে৷ দ্বীপের মানুষের হাতে কোনো কাজ নেই। নৌ চলাচল বন্ধ থাকায় তারা কাজের জন্য কোথাও যেতে পারছেন না। দোকানে যে চাল, তেল, ডাল পাওয়া যাচ্ছে তার দাম অনেক৷ শাকসবজি শেষ হয়ে গেছে৷ ট্রলার চলাচল শুরু না হলে সামনের দিনে আমরা কী খাবো তাই ভেবে পাচ্ছি না।

পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

জাতীয়

কাল নতুন সময়সূচিতে অফিস করবেন সরকারি চাকরিজীবীরা

Published

on

অফিস

টানা পাঁচ দিন ছুটি উপভোগ শেষে কাল বুধবার (১৯ জুন) থেকে শুরু হচ্ছে সরকারি অফিস। এদিন থেকে এক ঘণ্টা বেশি অফিস করবেন সরকারি, আধা সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের চাকুরেরা।

এবার সরকারি ছুটির তালিকা অনুযায়ী, ঈদুল আজহার তিন দিনের ছুটি শুরু হয় গেলো রোববার (১৬ জুন)। শেষ হচ্ছে আজ মঙ্গলবার (১৮ জুন)। এর আগে ১৪ ও ১৫ জুন ছিল সাপ্তাহিক ছুটি। ফলে সরকারি চাকরিজীবীরা মোট পাঁচদিন ছুটি উপভোগের সুযোগ পান।

আগামীকাল বুধবার থেকেই সরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও আধা স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের জন্য নতুন সময়সূচি কার্যকর হচ্ছে। নতুন এ নিয়মে এসব প্রতিষ্ঠানে কর্মরতদের রোববার থেকে বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত (বেলা ১টা থেকে দেড়টা পর্যন্ত জোহরের নামাজ ও মধ্যাহ্ন ভোজের বিরতিসহ) আট ঘণ্টা অফিস করতে হবে। গেলো ৬ জুন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

এর আগে ২০২২ সালের ১৫ নভেম্বর থেকে সরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও আধা স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের অফিস সময় ছিল সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত মোট সাত ঘণ্টা।

পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

জনদুর্ভোগ

বৃষ্টিতে ডুবলো সিলেট, ম্লান ঈদ আনন্দ

Published

on

সিলেট নগরীতে ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে তৈরি হয়েছে জলাবদ্ধতা। তলিয়ে গেছে নগরীর উপশহর, সোবহানীঘাট, জামতলা, তালতলাসহ বেশ কিছু নিচু এলাকা। চৌখিদেখী থেকে বিমানবন্দর যাওয়ার প্রধান সড়কও পানির নিচে। অনেকের বাসাবাড়ি, দোকানপাটেও পানি প্রবেশ করতে শুরু করেছে। এতে পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপন করতে গিয়ে বিপাকে পড়েছেন নগরবাসীরা। ঈদের আনন্দ পরিণত হয়েছে বিষাদে।

সোমবার (১৭ জুন) ভোর ৪টা থেকে শুরু হয় বর্ষণ; টানা চলে সকাল সাড়ে ৮টা পর্যন্ত।

স্থানীয়দের বরাত দিয়ে জানা যায়, শুকনো জায়গা না পেয়ে অনেকেই কোরবানি দিতে পারছেন না। পানির মধ্যে বেঁধে রেখেছেন গরু-ছাগল। এ ছাড়া জেলার বিভিন্ন উপজেলায়ও বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে।

এদিকে ভারী বৃষ্টি মাথায় নিয়েই সকাল ৮টায় শাহী ঈদগাহে সিলেটে প্রধান ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। প্রতি বছর এই জামাতে লক্ষাধিক মুসল্লি অংশ নিলেও এবার ছিল ব্যতিক্রম। শুধু শাহী ঈদগাহ নয়, প্রতিটি মসজিদ ও ঈদগাহের অবস্থা ছিল একই। সকাল ৮টায় পুলিশ লাইন জামে মসজিদে পানি প্রবেশ করায় একাংশে নামাজ আদায় করতে দেখা গেছে মুসল্লিদের।

একইভাবে মেজরটিলা, কদমতলী, বিমানবন্দর সড়ক, উপশহর, সুবহানিঘাটসহ বেশ কয়েকটি এলাকার ঈদগাহ ও মসজিদে পানি প্রবেশ করায় নামাজ আদায়ে ব্যাঘাত ঘটে।

Advertisement

সিলেট আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, সকাল ৬টা থেকে ৯টা পর্যন্ত সিলেটে ৮৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।

সিলেট পানি উন্নয়ন বোর্ড বলছে, সুরমা নদীর পানি সিলেট পয়েন্টে বিপদসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হলেও কানাইঘাট পয়েন্টে বিপৎসীমার ৭২ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

এএম/

পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

সর্বাধিক পঠিত