Connect with us

চট্টগ্রাম

উত্তাল মেঘনা, প্লাবিত হাতিয়া

Avatar of author

Published

on

উত্তাল

লঘুচাপের প্রভাবে নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলার মেঘনা নদী উত্তাল রয়েছে। ইতোমধ্যে নদীতে স্বাভাবিকের তুলনায় তিন থেকে চার ফুট উচ্চতায় জোয়ার বইছে। এতে নিম্নাঞ্চলে পানি ঢুকে পড়েছে।

বৃহস্পতিবার (৩ আগস্ট) সকালে সরেজমিনে এই দৃশ্য দেখা যায়। এর আগে সাগর উত্তাল থাকায় বুধবার (২ আগস্ট) সকাল থেকে অস্বাভাবিক জোয়ারে হাতিয়ার নলচিরা ইউনিয়নের বেড়ির বাইরের অনেকগুলো বাড়ি ঘর, দোকান-পাটে পানি ডুকে গেছে।

নলচিরা ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো. ইউনুছ জানান, অস্বাভাবিক জোয়ারে তলিয়ে গেছে ৯নং ওয়ার্ডের তুপানিয়া গ্রামের বেশিরভাগ অংশ। বেড়িবাঁধের বাইরে হওয়ায় সহজে জোয়ারে পানিতে তলিয়ে যায় এই গ্রামটি।

তিনি আরও জানান, বুধবার বেলা ১১টার সময় আসা জোয়ারের পানিতে নলচিরা ঘাট এলাকার অনেক দোকান ঘরে পানি ডুকে গেছে। এতে ব্যবসায়ীরা মালামাল নিয়ে বিপাকে পড়েছেন।

একই অবস্থা নিঝুমদ্বীপ ইউনিয়নে। নিঝুমদ্বীপের চার পাশে বেড়িবাঁধ না থাকায় নিচু এলাকার গ্রামগুলো সহজে প্লাবিত হয়। বুধবার সকালে আসা জোয়ারে মদিনা গ্রাম, ডুবার খাল এলাকা, বন্দরটিলা গ্রাম ও চেউয়াখালী গ্রাম তিন থেকে চার ফুট পানিতে তলিয়ে যায়।

Advertisement

নিঝুমদ্বীপ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান দিনাজ উদ্দিন জানান, নিঝুমদ্বীপে প্রধান সড়কটি ছাড়া গ্রামীণ অধিকাংশ সড়ক পানিতে ডুবে গেছে। এতে মানুষের স্বাভাবিক চলাচল ব্যাহত হচ্ছে।

হাতিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. কায়সার খসরু বলেন, বিভিন্ন এলাকায় জোয়ারের পানিতে প্লাবিত হওয়ার সংবাদ পেয়েছি। আমি ইউপি চেয়ারম্যানদের সঙ্গে কথা বলেছি।

Advertisement
মন্তব্য করতে ক্লিক রুন

মন্তব্য করতে লগিন করুন লগিন

রিপ্লাই দিন

চট্টগ্রাম

পানি নেমে যাওয়ায় টেকনাফে ফুটে উঠছে বন্যার ক্ষত

Published

on

কক্সবাজারের টেকনাফে বন্যা কবলিত এলাকার পানি কমতে শুরু করেছে। বাসাবাড়িতে ফিরতে শুরু করেছে মানুষ। তবে বন্যার পানি নেমে যাওয়ার সাথে সাথে বন্যায় ক্ষতির চিত্র ফুটে উঠছে। পানিতে ডুবে যাওয়া রাস্তা ও ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।  গেল বুধবার বিকেল থেকে বৃহস্পতিবার দুপুর পর্যন্ত বৃষ্টিপাত না হওয়ায় এবং পাহাড়ি ঢল নেমে না আসার কারণে প্লাবিত এলাকার গ্রামগুলো থেকে পানি নামতে শুরু করেছে।

বৃহস্পতিবার (২০ জুন) বিষয়টি বায়ান্ন টিভিকে নিশ্চিত করেন কক্সবাজার আবহাওয়া অফিসের সহকারী পরিচালক আব্দুল হান্নান।

সরজমিনে দেখা যায়,  টেকনাফ-কক্সবাজার আঞ্চলিক সড়কের উপর দিয়ে পানি নেমে গেছে। যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। তবে ফসলি জমিতে  পানি রয়েছে। প্লাবিত এলাকার বসত ঘর থেকে পানি নেমে যাওয়ায় অনেকে ঘরে ফিরছেন।

হ্নীলার বাসিন্দা সৈয়দ আলম জানান, পাহাড়ি ঢল ও ভারি বৃষ্টিপাতের পানি তার বাড়িতে কোমর সমান পানি ঢুকে পড়েছিল। গতকাল বিকেলের পর থেকে আর বৃষ্টি না হওয়ায় পানি নেমে যাচ্ছে। বাড়ির অধিকাংশ জিনিসপত্র ভিজে যাওয়ায় নির্ঘুম রাত কাটাতে হয়েছে পাশাপাশি নানা ধরনের ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।

টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আদনান চৌধুরী  জানান, ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলের পানি নামতে না পারায় প্রায় অর্ধশতাধিক গ্রাম প্লাবিত হয়েছিল। নাফনদীর কয়েকটি সুইচগেট নির্মাণাধীন থাকায় পানি নিষ্কাশনের বিকল্প ব্যবস্থা না থাকায় গ্রামগুলো প্লাবিত হয়েছে। পরে বাঁধের বিভিন্ন অংশে কেটে দিলে পাহাড়ি ঢলের পানি নাফনদীতে প্রবাহিত হয়। এরমধ্যে যারা ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে তাদের স্ব স্ব ইউনিয়নের মাধ্যমে তালিকা তৈরি করা হচ্ছে। তাদের সরকারিভাবে সহযোগিতা করা হবে।

Advertisement

হ্নীলার ইউপি চেয়ারম্যান রাশেদ মাহমুদ আলী বলেন, প্লাবিত এলাকার গ্রামগুলো থেকে পানি নামতে শুরু করেছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক পর্যায়ে চলে আসতে শুরু করেছে। তবে নাফনদীর তীরে নির্মাণাধীন সুইচগেট ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের গাফিলতির কারণে এ অবস্থা সৃষ্টি হয়। গতকাল জোয়ারের পানির সঙ্গে পাহাড়ি ঢল ও ভারি বর্ষণের কারণে অধিকাংশ এলাকা প্লাবিত হয়েছিল।

আই/এ

পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

চট্টগ্রাম

পাহাড় ধসে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১০

Published

on

কক্সবাজারের উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাহাড় ধসের ঘটনায় আরও  ১ জনের মৃত্দেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ফলে এ ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১০ জনে দাঁড়িয়েছে। এর মধ্যে দুজন স্থানীয় বাসিন্দা ও ৮জন রোহিঙ্গা।

বুধবার (১৯ জুন) ভোরে উখিয়ার ৮, ৯, ১০ ও ১৪ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পে এ পাহাড় ধসের এ ঘটনা ঘটে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মো. মিজানুর রহমান।

নিহতরা হলেন উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্প-৮ ইস্ট মোহাম্মদ হারেস (২), ক্যাম্প-১ ওয়েস্ট এর ফুতুনী (৩৪),ক্যাম্প-১০ ব্লক এফ/১০ এর মোহাম্মদ কালাম, সেলিনা খাতুন, আবু মেহের, জয়নব বিবি, ক্যাম্প -৯,ব্লক বি/১৪ এর মো. হোসেন আহমেদ ও তার স্ত্রী আনোয়ারা বেগম এবং স্থানীয় বাঙালি থাইংখালি’ উচ্চ বিদ্যালয়ের ৬ষ্ঠ শ্রেনীর ছাত্র আব্দুল করিম ও চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলার কেরানীহাট এলাকার আলী জহুরের ছেলে মো. হোসেন আহমেদ (৫০)।

নিহত আব্দুল করিমের (১২) বাবা মোহাম্মদ শাহ আলম জানান, রাতে খাওয়া-দাওয়া শেষ করে বাড়ির সবাই ঘুমিয়েছিলাম। মাঝরাতে ভারী বৃষ্টিপাত শুরু হয়। ভোরে হঠাৎ বাড়ির পাশের রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে পাহাড় ধসে এসে তাঁদের ঘরের ওপরে পড়ে। তখন তাঁরা কয়েকজন বের হতে পারলেও তাঁর ছেলে বের হতে পারেনি। মাটিচাপা পড়ে তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় তারাও আহত হয়েছেন।

উখিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তানভীর হোসেন জানান, ক্ষতিগ্রস্তদের প্রাথমিকভাবে ১০ হাজার টাকা করে অনুদান দেয়া হয়েছে।

Advertisement

মিজানুর রহমান জানান, মঙ্গলবার রাত থেকে চলমান ভারী বর্ষণে উখিয়ার চারটি পৃথক ক্যাম্পে পৃথক পাহাড়ধসের ঘটনা ঘটেছে। বৃষ্টি অব্যাহত থাকায় অন্য পাহাড়ধসের শঙ্কা থাকা এলাকার বাসিন্দাদের সরিয়ে নেয়া হচ্ছে।

আই/এ

পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

চট্টগ্রাম

টেকনাফে পানিবন্দী ৫০ হাজার মানুষ

Published

on

কক্সবাজারের টেকনাফে ভারী বর্ষণে এ পর্যন্ত প্রায় ৫০টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। এতে  উপজেলার  ১০ হাজার পরিবারের ৫০ হাজার মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। পানিতে ডুবে আছে টেকনাফ কলেজসহ অনেক শিক্ষা-প্রতিষ্ঠান।

বুধবার (১৯ জুন) সকাল ৬ টা থেকে দুপুর ১২ টা পর্যন্ত উপজেলায় ৫৬ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে বলে বায়ান্ন টিভিকে জানিয়েছেন টেকনাফ আবহাওয়া অফিসের ইনচার্জ সাইফুল ইসলাম।

স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা জানান, টেকনাফের হোয়াইক্যং ইউনিয়নের আট গ্রাম, হ্নীলা ইউনিয়নের ১২ গ্রাম, টেকনাফ পৌরসভার সাত গ্রাম, টেকনাফ সদর ইউনিয়নের ছয় গ্রাম, সাবরাং ইউনিয়নের সাত গ্রাম, বাহারছড়া ইউনিয়নের ১০ গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকায় পরিস্থিতির আরও অবনতি হওয়ার আশঙ্কা করছেন তাঁরা।

টেকনাফ পৌরসভার প্যানেল মেয়র মুজিবুর রহমান  জানান, পৌরসভার ৭, ৮ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডের কিছু ঘরবাড়িসহ চলাচলের রাস্তা পানির নিচে তলিয়ে যাওয়ায় যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে। এছাড়া এসব এলাকায় মাছের ঘেরসহ লবণের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

কক্সবাজার আবহাওয়া অফিসের সহকারী পরিচালক আব্দুল হান্নান  জানান, গেলো ১৮ জুন রাত ৯টার পর থেকে কক্সবাজারে ভারী থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাত শুরু হয়।  মঙ্গলবার দুপুর ১২টা থেকে আজ বুধবার দুপুর ১২টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় কক্সবাজারে ৬৩ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড হয়েছে।

Advertisement

টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো: আদনান চৌধুরী বলেন, টানা বৃষ্টিতে স্থানীয়দের ঘর-বাড়ি পানিতে তলিয়ে গেছে। প্রাথমিকভাবে ক্ষতিগ্রস্তদের শুকনো খাবার দেয়া হচ্ছে। তাছাড়া বৃষ্টি অব্যাহত থাকায় সবাইকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যাওয়ার জন্য মাইকিং করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য,  টানা বৃষ্টিতে ভূমিধস হওয়ায় আজ সকালে কক্সবাজারের উখিয়ায় রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ১০ জন নিহত হয়েছেন।

আই/এ

পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

সর্বাধিক পঠিত