Connect with us

বিএনপি

অক্টোবরের মধ্যে সরকারের বিদায় : দুদু

Avatar of author

Published

on

বর্তমান সরকার গায়ের জোরে, বন্দুকের জোরে দেশ দখল করে নিয়েছে। সেপ্টেম্বর থেকে অক্টোবরের মধ্যে এই সরকারকে বিদায় নিতে হবে। সরকার বিদায় নিলে দেশে তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রতিষ্ঠিত হবে। অনুষ্ঠিত হবে ভালো নির্বাচন। সেই নির্বাচনে কারা ক্ষমতায় আসবে সেটি আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগীরা জানে। বলেছেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু।

রোববার (১৭ সেপ্টেম্বর) বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ও চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমানউল্লাহ আমানের মুক্তির দাবিতে আয়োজিত অবস্থান কর্মসূচিতে তিনি এ কথা বলেন। রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে এই অবস্থান কর্মসূচির আয়োজন করে দেশ বাঁচাও, মানুষ বাঁচাও আন্দোলন।

শামসুজ্জামান দুদু বলেন, এখন চারপাশে কথাবার্তা হচ্ছে, এই সরকার আর থাকছে না। নিশ্চিতভাবে এই সরকার আর থাকছে না। শিগগির তাদের বিদায় নিতে হবে।

তিনি বলেন, বর্তমান সরকার গায়ের জোরে, বন্দুকের জোরে দেশ দখল করে নিয়েছে। ২০০৮, ২০১৪ ও ২০১৮ সালের যে নির্বাচনের কথা তারা (সরকার) বলে, এগুলো কোনও নির্বাচন হয়নি। এসব নির্বাচনের কথা যাতে না বলা যায়, সেজন্য সাইবার নিরাপত্তা আইন করা হয়েছে। এই আইন মানুষের মুখকে বন্ধ করার জন্য।

গণতন্ত্রের মুখোশধারীরা দেশকে দখল করে নিয়েছে মন্তব্য করে তিনি বলেন, প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, আইন-আদালত, শিক্ষাঙ্গন দখল করেছে সরকার। তাদের হাত থেকে দেশকে রক্ষা করতে হবে। এরশাদের হাত থেকে দেশকে দখলমুক্ত করা হয়েছিল গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য। কিন্তু আবার গণতন্ত্রের মুখোশধারীরা শেখ হাসিনাকে সামনে এনে দেশকে দখল করে নিয়েছে।

Advertisement

এএম/

Advertisement

বিএনপি

সরকার নিজেদের সন্ত্রাস ধামাচাপা দিতে মায়াকান্না শুরু করেছে : ফখরুল

Published

on

মির্জা-ফখরুল-ইসলাম-আলমগীর

সারাদেশে বিএনপিসহ বিরোধী দল ও সাধারণ মানুষ যাদেরকে গ্রেপ্তার করা হচ্ছে তারা কেউই শিক্ষার্থীদের কোটা বিরোধী আন্দোলনের সাথে জড়িত নয়। অসংখ্য শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষকে হতাহতের পর ফ্যাসিষ্ট আওয়ামী সরকার দেশের মানুষের ভাবমূর্তি বিদেশিদের কাছে ক্ষুণ্ন করার অপতৎপরতা শুরু করেছে। বলেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

বুধবার (২৪ জুলাই) দলের পক্ষ থেকে বিবৃতিতে তিনি এসব কথা বলেন।

এতে কোটাবিরোধী আন্দোলনে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে জড়িয়ে সরকারের মন্ত্রী ও প্রজাতন্ত্রের কিছু কর্মকর্তার বক্তব্যকে ‘ঘৃণা মিথ্যাচার’ আখ্যা দিয়ে মির্জা ফখরুল এর প্রতিবাদ জানান।

মির্জা ফখরুল বিবৃতিতে গত কয়েকদিনে গ্রেপ্তার বিএনপির কেন্দ্রীয় একাধিক নেতা, জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পারওয়ারসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের গ্রেফতারের নিন্দা জানান। অবিলম্বে তাদের মুক্তিও দাবি করেন বিএনপি মহাসচিব।

বিবৃতিতে তিনি বলেন, কোটা বিরোধী আন্দোলনে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে দিয়ে বানোয়াট ও চরম মিথ্যাচারের বিরুদ্ধে আমি তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। নিজেদের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড অন্যের ঘাড়ে চাপাতে ফ্যাসিষ্ট আওয়ামী সরকারের এটি একটি নোংরা অপকৌশল ও ষড়যন্ত্র ছাড়া আর কিছুই নয়।

Advertisement

‘অবৈধ আওয়ামী লীগ সরকার সন্ত্রাস চালিয়ে রাষ্ট্রীয় সম্পদ ধ্বংস করার মাধ্যমে তা মেরামতের নামে দুর্নীতির রাস্তা প্রশস্ত করছে বলে জনগণ মনে করে,’ বলেন তিনি।

ফখরুল বলেন, কোটা সংস্কার আন্দোলনে নিরীহ শিক্ষার্থীদেরকে হত্যার দায় থেকে মুক্তি পেতে আওয়ামী সরকারের মন্ত্রী-নেতা ও প্রজাতন্ত্রের কিছু কর্মকর্তা বানোয়াট ও কাল্পনিক বক্তব্য প্রদান করার মাধ্যমে চলমান ঘটনাকে আড়াল ও ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতে তারেক রহমানের ভাবমূর্তি নষ্টের চক্রান্ত চালিয়ে যাচ্ছে।

তিনি অভিযোগ করে বলেন, শিক্ষার্থীদের কোটা সংস্কারের যৌক্তিক আন্দোলনে দেড় শতাধিক ছাত্র-জনতাকে নিষ্ঠুরভাবে হত্যায় পর দোষীদের আইনের আওতায় না এসে নির্দোষদের ওপর জুলুমের খড়গ চালানো হচ্ছে। হত্যাকারী ও হামলাকারীদের অবিলম্বে আইনের মুখোমুখি দাঁড় করার জন্য আমি জোর আহ্বান জানাচ্ছি।

ফখরুল বলেন, নিত্যপণ্যের মূল্যের চরম ঊর্ধ্বগতি এবং গণবিরোধী সরকারের ভয়াবহ দুঃশাসনে জর্জরিত মানুষ আর এক মুহূর্তের জন্য আওয়ামী লীগকে রাষ্ট্রক্ষমতায় দেখতে চায় না। পরিকল্পিতভাবে ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন ও কারফিউ জারির মাধ্যমে সরকার দেশের জনগণের সঙ্গে অঘোষিত যুদ্ধ ঘোষণা করেছে। বিএনপি সবসময়ই শান্তিপূর্ণ আন্দোলন সংগ্রামে বিশ্বাসী, এই দলটি গণতন্ত্র ও জনগণের ভোট ও ভাতের অধিকার প্রতিষ্ঠায় সবসময় অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে।

এএম/

Advertisement
পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

বিএনপি

আন্দোলনকারীরা মুক্তির সন্তান : রিজভী

Published

on

ফাইল ছবি

এই কোটা সংস্কার আন্দোলনের জন্য যারা লড়াই করছেন, জীবন দিচ্ছেন তারা সবাই মুক্তির সন্তান। ঢাকা, রাজশাহী, জাহাঙ্গীরনগর, চট্টগ্রাম, বেগম রোকেয়াসহ দেশের সব বিশ্ববিদ্যালয় ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সাধারণ শিক্ষার্থীরা অধিকারের পতাকা নিয়ে স্বৈরাচারের মুখোমুখি দাঁড়িয়েছে-এটা  বিশ্বের নিপীড়িত মানুষের জন্য সেই হীরণময় প্রেরণা বলে আখ্যায়িত করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) দুপুরে ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে  এসব কথা বলেন রিজভী।

এ বিএনপি নেতা বলেন, কোটা সংস্কার আন্দোলন বঞ্চিত মানুষের অধিকার আদায়ের আন্দোলন। এই দাবি আদায়ের লড়াইয়ে ছাত্রলীগ ও পুলিশসহ আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর যৌথ আক্রমণ করে এ পর্যন্ত ৮ জন কিশোর তরুণকে হত্যা করা হয়েছে।

তিনি বলেন, গেলো মঙ্গল ও বুধবার এ বিভৎস দৃশ্য দেখা যাচ্ছে। বৃহস্পতিবার সকাল থেকে সাধারণ শিক্ষার্থীদের ডাকা শান্তিপূর্ণ কমপ্লিট শাটডাউন চলমান কর্মসূচিতে বিজিবি, র‍্যাব, পুলিশ, সোয়াট পাকিস্তান হানাদার বাহিনীর মতো ন্যক্কারজনক হামলা চালাচ্ছে। এর সাথে সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর ছাত্রলীগ-যুবলীগ আওয়ামী লীগ সন্ত্রাসীরাও আক্রমণ করছে।

তিনি আরও বলেন,  বৈষম্যবিরোধী সাধারণ শিক্ষার্থীদের আন্দোলন যেন স্বপ্নের বিপ্লব হয়ে উঠছে। তিনি যেমন সেদিন তরুণদের ফরাসি বিপ্লব দেখেছেন,  যেমন মার্কিন স্বাধীনতার বিপ্লব দেখেছেন এবং বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ দেখেছেন। ফরাসি বিপ্লবের মূলমন্ত্র স্বাধীনতা, সমতা, ভ্রাতৃত্ব বা মৃত্যু তার প্রতিধ্বনি দেখা যাচ্ছে সাধারণ শিক্ষার্থীদের এই আন্দোলনে।

Advertisement

প্রসঙ্গত, এসময়ে বিভিন্ন স্থান থেকে বিএনপি নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তারের প্রতিবাদও জানান রিজভী।

আই/এ

পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

বিএনপি

মাঝরাতে বিএনপি কার্যালয়ে অভিযান সরকারের নীলনকশার অংশ: রিজভীর

Published

on

রিজভী

মাঝরাতে নয়াপল্টনে বিএনপি কার্যালয়ে ডিবির অভিযান সরকারের নীলনকশার অংশ। বিএনপিকে ধ্বংস করার টার্গেট নিয়ে এগুচ্ছে তারা। শিক্ষার্থীদের আন্দোলনকে ইস্যু করে ছাত্রদলসহ বিএনপির ওপর নিপীড়ন চালাচ্ছে সরকার। বললেন বিএনপি সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী।

মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) রাত সাড়ে ১২টার দিকে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ডিবির অভিযানের পর ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।

রিজভী বলেন, ‘সরকারের মাস্টার প্ল্যানের অংশ হিসেবে বিএনপির কার্যালয়ে অভিযান চালানো হয়েছে। ডিবি প্রধান সরকারের মাস্টার প্ল্যান বাস্তবায়ন করছেন। এ অভিযানের নিন্দা জানাই।’

তিনি আরও বলেন, ‘মধ্যরাতের অভিযান বিএনপির বিরুদ্ধে ভয়ংকর চক্রান্ত। এটি সরকারের নাটক। নাটক সাজিয়ে জনগণকে বিভ্রান্ত করা যাবে না। সরকারের পতন অনিবার্য।

দিনে না করে মাঝরাতে কেনো অভিযান, এমন প্রশ্ন করে তিনি বলেন, ‘শূন্য কার্যালয়ে পুলিশের লোকজনই ব্যাগে করে এসব নিয়ে এসেছে। মূলত শিক্ষার্থীদের ভয় দেখাতেই বিএনপি কার্যালয়ে এ অভিযান চালানো হয়েছে।’

Advertisement

 

এসি//

পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

সর্বাধিক পঠিত