Connect with us

ঢাকা

অবরোধের সমর্থনে এলডিপির মিছিল

Avatar of author

Published

on

অবরোধের সমর্থনে পুরানা পল্টন মোড় থেকে মিছিল করেছে লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি)। মিছিলটি নাইটিঙ্গেল মোড়ে গিয়ে শেষ হয়।

বৃহস্পতিবার (৯ নভেম্বর) বেলা ১২ টায় পুরানা পল্টন মোড় থেকে মিছিল বের করে নেতাকর্মীরা।

এলডিপির প্রেসিডিয়াম সদস্য নেয়ামূল বশিরের নেতৃত্বে মিছিলে অংশ নেন এলডিপির যুগ্ম মহাসচিব বিল্লাল হোসেন মিয়াজিসহ কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ।

এলডিপির প্রেসিডিয়াম সদস্য নেয়ামূল বশির বলেন, শেখ হাসিনার অধীনে এ দেশে আর কোন নির্বাচন হবে না। এটাই হচ্ছে প্রথম ও শেষ কথা। এর বাইরে আর কোন কথা নেই। নিরপেক্ষ নির্বাচন দিতে হাসিনা সরকার ব্যর্থ। এ বছরই তত্ত্বাবধায়ক সরকার আসবে, এ বছরই বর্তমান সরকার বিদায় নেবে। তারপর লেভেল প্লেয়িং ফিল্ডে সুন্দর, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ নির্বাচন হবে।

Advertisement

ঢাকা

দরকার হলে আরেকবার লড়ব : মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রী

Published

on

ফাইল ছবি

মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষে কোটি কোটি মানুষ আছেন তারা কখনোই অশুভ শক্তির কাছে মাথা নত করতে পারে না, আপস করতে পারে না। ৭১ সালে এই অপশক্তিকে পরাজিত করা হয়েছে। ৫৩ বছর আগে যেভাবে পরাজিত করেছি দরকার হলে আরেকবার লড়ব। বললেন, মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) দুপুরে মুক্তিযোদ্ধা শ্রমিক-কর্মচারী-পেশাজীবী সমন্বয় পরিষদ কর্তৃক আয়োজিত এক সমাবেশে মন্ত্রী এসব  কথা বলেন।

মোজাম্মেল হক বলেন,   বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে অস্ত্র জমা দিলেও,  ট্রেনিং জমা দেননি।

তিনি বলেন,সরকার কোটা সংস্কার আন্দোলনের বিরুদ্ধাচরণ করে নাই। সরকারের একটাই দাবি যেন আন্দোলনের নামে মানুষের জানমালের নিরাপত্তা বিঘ্নিত না করা হয়। সুন্দরভাবে আন্দোলন চলছিল বাধা দেয়া হচ্ছিল না। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে হঠাৎ রাতের অন্ধকারে জামায়াত শিবির ও ছাত্রদলের সন্ত্রাসীরা ঢুকে যে তাণ্ডব চালিয়েছিল তারপরেই আন্দোলন যারা শুরু করেছিল তাদের হাতে থাকেনি।

তিনি আরও বলেন, যারা ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চায়, যারা অতীতে সকল আন্দোলনে ব্যর্থ হয়েছে এবং বিএনপি মহাসচিবও বলেছেন তাঁরা যা পারেনি এখন তাই করা হচ্ছে। অর্থাৎ তারা  কোমলমতি সন্তানদের সামনে নিয়ে একটি অশুভ চক্রান্ত করছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ক্ষমতাচ্যুত করার জন্য।

Advertisement

আই/এ

পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

জাতীয়

নরসিংদীতে সংঘর্ষে নিহত ২, আহত অন্তত শতাধিক

Published

on

নরসিংদীতে কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের সঙ্গে পুলিশ ও বিজিবির সংঘর্ষে তাহমিদ ভুইয়া ও ইমন নামে দুই শিক্ষার্থী নিহত হয়েছেন। এসময় আরও অন্তত শতাধিক আহত হয়েছেন। আহতদের নরসিংদী জেলা হাসপাতালসহ বিভিন্ন বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) বিকাল ৪টায় ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের ভেলানগর-জেলখানা মোড় এলাকায় দফায় দফায় এ সংঘর্ষ হয়।

নিহত তাহমিদ ভুইয়া সদর উপজেলার চিনিশপুর নন্দীপাড়া এলাকার রফিকুল ইসলামের ছেলে ও এনকেএম হাইস্কুলের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী, ইমন আলম পলাশের দড়িরচর গ্রামের কাইয়ুম এর ছেলে।

বিকালে পূর্বঘোষিত সময় অনুযায়ী নরসিংদী শহর হতে বিভিন্ন সড়ক দিয়ে ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক অবরোধ করতে জেলখানা মোড়ের দিকে যায় আন্দোলনকারীরা। এসময় পুলিশ ও বিজিবি সড়ক অবরোধে বাধা দেয়ার চেষ্টা করলে আন্দোলনকারীদের সাথে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষ হয়। এতে আন্দোলনকারীরা ইটপাটকেল নিক্ষেপ, পুলিশের টিয়াশেল নিক্ষেপ ও গুলির ঘটনা ঘটে। এসময় পুলিশসহ অন্তত শতাধিক আন্দোলনকারী আহত হয়। আহতদের নরসিংদী জেলা হাসপাতালসহ বিভিন্ন বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।

নরসিংদী ১০০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতালে আনার পর তাহমিদ ভুইয়া (১৫) নামে এক শিক্ষার্থীকে মৃত ঘোষণা করা হয় বলে জানান হাসপাতালটির তত্ত্বাবধায়ক মিজানুর রহমান।

Advertisement

জেলা সদর হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা মাহমুদুল কবির বাশার নিশ্চিত করে বলেন, ইমনের গায়ে গুলির আঘাত আছে। সে শিক্ষার্থী কিনা অন্য কেউ এখনো তার সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যায়নি।

এ বিষয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে তাৎক্ষনিক কোন প্রতিক্রিয়া জানা সম্ভব হয়নি।

এএম/

পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

ঢাকা

মহাখালীতে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ভবনে হামলা, অগ্নিসংযোগ

Published

on

ছবি সংগৃহীত

কোটা সংস্কারের দাবিতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ডাকে সারাদেশে চলছে শাটডাউন কর্মসূচি। এ কর্মসূচি চলাকালে রাজধানীর মহাখালীতে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ভবনে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাঙচুর ও আগুন দেয়ার ঘটনা ঘটেছে। এসময়ে ভবনের নিচে থাকা দেড় ডজন সরকারি গাড়ি পুড়িয়ে দেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই)  বিকাল সাড়ে ৪টা থেকে প্রায় এক ঘণ্টা ধরে এই তাণ্ডব চালানো হয়। পরে আগুন অন্য ফ্লোরেও ছড়িয়ে পড়ে। ফায়ার সার্ভিসের সদর দপ্তরের কন্ট্রোল রুমের ডিউটি অফিসার শাহজাহান গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

প্রতক্ষ্যদর্শীরা জানান, বিকেলে মহাখালীর আমতলী মোড় থেকে বীর উত্তম একে খন্দকার সড়কে লাঠিসোঁটা নিয়ে এগিয়ে আসে একদল যুবক। তিতুমীর কলেজের আগে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ভবনের সামনে এসে তারা ইটপাটকেল ছুঁড়তে থাকে। এতে ভবনের সামনের অংশের বেশকিছু কাচ ভেঙে যায়। পরে ওই ভবনের সামনের সড়ক এবং ভবনের প্রবেশপথের সামনে থাকা কয়েকটি গাড়ি ও মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে তারা। একপর্যায়ে কয়েকটি গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয়।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের পরিচালক (কাবিখা) মো. বদরুল হক জানান, তাদের অফিসের সব কাচ ভেঙে ফেলা হয়েছে। ভবনেও আগুন লেগেছে। এসময়ে কর্মকর্তা কর্মচারীরা ভবনের ছাদ থেকে আশপাশের ভবনের ছাদ দিয়ে বের হয়ে নেমে আসেন।

ফায়ার সার্ভিস জানায়,  রাস্তায় ব্যারিকেড থাকায় তাঁরা যেতে পারছে না। কনট্রোল রুম থেকে কুর্মিটোলা ফায়ার সার্ভিসকে জানানো হয়েছে- তারাও যেতে পারছে না, আন্দোলনকারীরা বাধা দিচ্ছেন।

Advertisement

আই/এ

পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

সর্বাধিক পঠিত