Connect with us

জাতীয়

‘একটা কথা দিয়েছিলাম, কথাটা রাখলাম’

Avatar of author

Published

on

সরকারের উন্নয়নে গত ১৫ বছরে বাংলাদেশ বদলে গেছে। একটা কথা দিয়েছিলাম, কথাটা রাখলাম। আজকে রেলের সঙ্গে কক্সবাজার সংযুক্ত হলো। দোহাজারী থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত ১০২ কিলোমিটার রেললাইনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে থাকতে পেরে সত্যি আমি খুব আনন্দিত। বললেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

শনিবার (১১ নভেম্বর) দুপুরে দোহাজারী-কক্সবাজার ১০২ কিলোমিটার রেলপথ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

শেখ হাসিনা বলেন, ২০০১ সালে আমরা শান্তিপূর্ণভাবে ক্ষমতা হস্তান্তর করেছি। কিন্তু বাংলাদেশের গ্যাস বর্হিবিশ্বের কাছে বিক্রি করতে রাজি হইনি, তাই আমাকে পরবর্তীতে ক্ষমতায় আসতে দেয়নি একটি চক্র। আমি ক্ষমতার লোভে দেশের সম্পদ কারও হাতে তুলে দিতে রাজি ছিলাম না।

প্রধানমন্ত্রী বলেন,  সরকারের উন্নয়ন যারা দেখে না, তাদের মনটাই অন্ধ। চোখের অন্ধত্বের চিকিৎসা করা যায়, কিন্তু মনের অন্ধত্ব তো দূর করা যায় না।

সরকারপ্রধান বলেন, তিনি বলেন, গত ১৫ বছরে বাংলাদেশকে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করেছি। বড় বাজেট দিয়ে আমরা আমাদের সক্ষমতা প্রদর্শন করেছি এবং বাস্তবায়নও করেছি। করোনা ও রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের ফলে মুদ্রাস্ফীতি বেড়ে গেছে। আমদানি ব্যয় বেড়েছে। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি আছে। এজন্য সবাইকে বলবো, যতটুকু জমি আছে সেখানে কিছু না কিছু চাষাবাদ করুন। নিজের খাদ্য সামগ্রী নিজে উৎপাদন করুন। তাহলে আমরা হতে পারবো স্বনির্ভর।

Advertisement

তিনি আরও বলেন, ১৯৭৫ এর ১৫ আগস্টের পর এ দেশের অগ্রযাত্রা থেমে যায়। অস্ত্র হাতে নিয়ে বন্দুকে নলের সাহায্যে সেনা আইন লঙ্ঘন করে যারা ক্ষমতা দখল করেছিল, তারা মানুষের ভাগ্য গড়তে আসেনি বরং আমাদের বিজয়ী পতাকা নষ্ট করা, স্বাধীনতার চেতনাকে নষ্ট করা, আমাদের যে আদর্শ সে আদর্শকে ধ্বংস করার জন্যই তাদের যাত্রা ছিল। নিজেরা অর্থশালী হয়েছে, দুর্নীতিকে প্রশ্রয় দিয়েছে, ঋণ খেলাপির কালচার শুরু করেছিল, তার ওপর সেনাবাহিনী-বিমানবাহিনীসহ আমাদের আওয়ামী লীগের অগণিত নেতাকর্মীকে হত্যা, গুম, খুন করেছিল। এখনও সেই পরিবারগুলো তাদের আপনজনকে খুঁজে বেড়ায়।

Advertisement

জাতীয়

সব ষড়যন্ত্রে ব্যর্থ হয়ে বিএনপি কোটা আন্দোলনে সমর্থন দিয়েছে : পররাষ্ট্রমন্ত্রী

Published

on

বিএনপির সব ষড়যন্ত্র ব্যর্থ হয়েছে। তাই এখন তারা কোটার আন্দোলনকারীদের সমর্থন দিয়ে দেশকে অস্থিতিশীল পরিস্থিতির দিকে নিয়ে যেতে চাচ্ছে। আগে নির্বাচন নিয়ে ষড়যন্ত্র করেছিল বিএনপি। এখন সারাবিশ্ব নির্বাচনকে সমর্থন দেওয়ায় বিএনপি কোনো একটা নতুন ইস্যু তৈরির চেষ্টা করছে বললেন, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহামুদ।

শনিবার (১৩ জুলাই)  বগুড়া জেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত আওয়ামী লীগের ৭৫তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর এক অনুষ্ঠানের এসব কথা বলেন মন্ত্রী।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, যারা কোটা নিয়ে আন্দোলন করছে, সরকার তাদের প্রতিসহানুভূতিশীল। কিন্তু জনদুর্ভোগ মেনে নেয়া হবে না। তারা ক্লাসে না ফিরলে তাদের ঘরে ও ক্লাসে ফেরাতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সরকার বাধ্য হবে।

ড. হাছান মাহামুদ বলেন, কোটার বিষয়টি উচ্চ আদালতে আছে, এ বিষয়ে আদালত রায় দেবেন, সরকারের কিছুই করার নেই। তবু বুঝেও তারা (বিএনপি) না বোঝার মতো ভান করছে।

তিনি বলেন, প্রধানমস্ত্রী শেখ হাসিনা অনেক বড় বড় সংকটের সমাধান করতে পারেন। আজ শেখ হাসিনা শুধু আওয়ামী লীগের সভানেত্রী নন, তিনি এখন বিশ্বনেতা।

Advertisement

প্রসঙ্গত, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মজিবুর রহমান মজনু এমপির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় আওয়ামালীগের কেন্দ্রীয় ও জেলার নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন।

আই/এ

পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

জাতীয়

খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার উন্নতি নেই: ডা. জাহিদ

Published

on

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার কোনো উন্নতি নেই। বেগম জিয়াকে সিসিউই সুবিধা সম্বলিত কেবিনে চিকিৎসকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণ রেখে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তার ব্যক্তিগত চিকিৎসক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন।

শনিবার (১৩ জুলাই ) সন্ধ্যায় বিএনপির চেয়ারপার্সনের মিডিয়া উইংয়ের সদস্য শায়রুল কবির খান গণমাধ্যমে এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, কিছুক্ষণ আগে চেয়ারপার্সনের ব্যক্তিগত চিকিৎসক অধ্যাপক ডাক্তার এ জেড এম জাহিদ হোসেন সঙ্গে কথা হয়েছে। তিনি জানিয়েছেন, ম্যাডামকে সিসিউই সুবিধা সম্বলিত কেবিনে চিকিৎসকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণ রেখে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। তার সুস্থতার জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছে পরিবার।

উল্লেখ্য, এর আগে গত ৮ জুলাই হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন বেগম খালেদা জিয়া। পরে ভোর রাতে তাকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ৭৯ বছর বয়সী খালেদা জিয়া ডায়াবেটিস, আর্থারাইটিস, হৃদরোগ, ফুসফুস, লিভার, কিডনিসহ বিভিন্ন জটিল রোগে ভুগছেন।

এএম/

Advertisement
পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

জাতীয়

খেলাধুলার উন্নয়নে সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে সরকার : প্রধানমন্ত্রী

Published

on

সারা বিশ্বের মতো বাংলাদেশেও ফুটবল জনপ্রিয় খেলা। এই খেলা প্রসারের লক্ষ্যে সরকার সব ধরনের সহযোগিতা অব্যাহত রেখেছে। বলেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

শনিবার (১৩ জুলাই) বিকেলে বাংলাদেশ আর্মি স্টেডিয়ামে শেখ হাসিনা আন্তঃব্যাংক ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল শেষে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

শেখ হাসিনা বলেন, আমার বাবা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ফুটবল খেলতেন, আমার ভাই শেখ কামাল ও শেখ জামালও ফুটবল খেলতেন। এখন আমাদের নাতি নাতনীরাও ফুটবল খেলছে। দেশের এই জনপ্রিয় খেলার উন্নতির লক্ষ্যে সব ধরনের সহযোগিতা সরকার অব্যাহত রাখবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, অনেকে খেলাধুলার মাধ্যমে বাংলাদেশকে বিশ্ব দরবারে তুলে ধরেন। খেলাধুলার মাধ্যমে প্রতিযোগিতার চর্চা গড়ে ওঠে। এতে নিজেকে দেশের জন্য যোগ্য করে গড়ে তোলা যায়। বাংলাদেশ অপ্রতিরোধ্য গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে। এ ধারা অব্যাহত রাখতে হবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, অনেকে খেলাধুলার মাধ্যমে বাংলাদেশকে বিশ্ব দরবারে তুলে ধরেন। খেলাধুলার মাধ্যমে প্রতিযোগিতার চর্চা গড়ে ওঠে। এতে নিজেকে দেশের জন্য যোগ্য করে গড়ে তোলা যায়। বাংলাদেশ অপ্রতিরোধ্য গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে। এ ধারা অব্যাহত রাখতে হবে।

Advertisement

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, খেলাধুলার মাধ্যমে নিজেকে দেশের জন্য প্রস্তুত করে তোলা যায়। এ জন্য প্রত্যেক উপজেলায় মিনি স্টেডিয়াম গড়ে তোলা হচ্ছে। সময় পেলে আমি নিজেও ফুটবল খেলা উপভোগ করি।

এই আয়োজনের জন্য বিএবিকে অভিনন্দন জানিয়ে তিনি বলেন, খেলাধুলা, সংস্কৃতি চর্চা এগুলোর পৃষ্ঠপোষকতা না করলে হয় না। এমন আয়োজনের মাধ্যমে ভালো খেলোয়াড় তৈরি হবে, যাতে করে দেশের ভাবমূর্তিও উজ্জ্বল হতে পারে বিশ্ব-পরিমণ্ডলে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ছোটবেলা থেকে খেলাধুলা ঠিক মতো না করলে কীভাবে চলবে? এজন্য প্রত্যেক উপজেলায় মিনি স্টেডিয়াম করে দিচ্ছি। একদিন আমাদের খেলোয়াড়রাও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে পারদর্শিতা দেখাবে।

তিনি বলেন, খেলাধুলার মাধ্যমে প্রতিযোগিতার চর্চাও গড়ে ওঠে। মুক্তিযুদ্ধের সময়ও ফুটবল খেলা হয়েছে। এছাড়া আমার দাদা ফুটবল খেলতেন, বাবাও খেলতেন, ছোট ভাইয়েরা খেলত, এখন নাতিরাও দেখছি ফুটবলই খেলে। ভোরে নামাজ পড়ার পর সময় পেলে নিজেও ফুটবল খেলা দেখি।

এএম/

Advertisement

 

পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

সর্বাধিক পঠিত