Connect with us

লাইফস্টাইল

হিট ওয়েভ সম্পর্কে জেনে নিন কিছু জরুরি তথ্য

Avatar of author

Published

on

হিট ওয়েভ

দেশে চলতি মৌসুমে তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি পেরিয়ে গেছে। স্বাভাবিকের থেকে অনেকটাই বেশি। আবহাওয়া অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছে, চলমান তাপপ্রবাহ অব্যাহত থাকতে পারে। সেই সঙ্গে চলতি মাসেই তাপমাত্রা ৪২ ডিগ্রি পর্যন্ত উঠতে পারে।

প্রতি বছরই বিশ্বে প্রচুর মানুষের মৃত্যু হয় হিট স্ট্রোকে। অনেকেই রোদের মধ্য থেকে বাড়িতে ফিরে প্রথমেই ঢকঢক করে ঠাণ্ডা পানি খেয়ে ফেলেন। যা একেবারেই ঠিক নয়। কারণ এতে যেমন ঠাণ্ডা বসে যায়, তেমনই স্ট্রোকের (হিট ওয়েভ) সম্ভাবনাও বেড়ে যায় অনেকখানি।

হিট ওয়েভ বা হিট স্ট্রোক থেকে বাঁচতে তাই সতর্ক থাকার পরামর্শ দেন চিকিৎসকরা। এক্ষেত্রে কিছু বিষয় মেনে চলতে গুরুত্ব দিয়েছেন তারা। যেমন:

১) ঠাণ্ডা পানি পান করা, বরফ/বরফ পানি পুরোপুরিই পরিহার করতে হবে।

২) ধীরে ধীরে স্বভাবিক পানি পান করতে হবে।

Advertisement

৩) তাপমাত্রা ৪০° সেলসিয়াসে পৌঁছে গেলে খুব ঠাণ্ডা পানি পান করলে রক্তনালী হঠাৎই সংকুচিত হয়ে স্ট্রোক হতে পারে।

৪) বাহিরের তাপমাত্রা ৩৮° সেলসিয়াস অতিক্রম করলে ঘরে চলে যেতে বা ছায়ায় অবস্থান করতে হবে।  স্বভাবিক তাপের পানি পান করতে হবে। ঈষৎ গরম পানি ধীরে ধীরে পান করতে হবে।

৫) ঘরে এসেই হাত-পা-মুখ না ধোয়ার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। তাদের মতে, হাত-মুখ ধোয়ার আগে একটু অপেক্ষা করতে হবে। শরীরকে ঘরের তাপের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে হবে। অন্তত আধা ঘণ্টা পর হাত-মুখ ধোয়া কিংবা গোসল করতে হবে ।

৬) অল্প অল্প করে বারে বারে স্বাভাবিক পানি পান করতে হবে। জুস বা এ জাতীয় পানীয় পরিহার করতে হবে।  অল্প পরিমানে স্বাভাবিক শরবত, ডাব বা লবণ পানির শরবত পান করা যেতে পারে। তবে বিভিন্ন রোগের কারণে যাদের এসব পান করা নিষিদ্ধ তারা পান না করাই ভাল।

৭) প্রচণ্ড গরমে বা খুবই ক্লান্ত লাগলে ভুলেও বরফ মিশ্রিত পানি বা ফ্রিজের পানি পান করা যাবে না।  এটা শরীরে প্রশান্তি ভাব এনে দিলেও হঠাৎই ঘটতে পারে দুর্ঘটনা।

Advertisement
Advertisement

লাইফস্টাইল

পিত্তথলিতে পাথর হলে কী করবেন

Published

on

পাথর

পিত্তথলিতে পাথরের সমস্যায় অনেকেই ভুগছেন। পিত্তথলিতে পাথর জমার কারণ অনেক। সাধারণত অনিয়মিত খাদ্যাভ্যাস, হরমোনের গোলমাল, কোলেস্টেরলের বাড়বাড়ন্ত, দীর্ঘ ক্ষণ না খেয়ে থাকা পিত্তথলিতে পাথর জমার কারণ হতে পারে।

‘ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ হেলথ’-এর তথ্য বলছে, পুরুষদের থেকে মহিলাদের এই রোগের ঝুঁকি অনেক বেশি। মহিলারা বাড়তি ওজন কমাতে পুষ্টিবিদের পরামর্শ না নিয়েই বিভিন্ন রকম ডায়েট করে থাকেন। অল্প দিনে মেদ ঝরাতে দীর্ঘ সময়ে না খেয়ে থাকেন অনেকেই। ঘন ঘন উপোস, অসময়ে খাওয়া এই রোগকে ডেকে আনে। মেনোপজের পরে হরমোনের ওঠানামার কারণেও এই সমস্যা দেখা দিতে পারে। তা ছাড়া ডায়াবিটিস থাকলে, ঘন ঘন কোলেস্টেরল কমানোর ওষুধ খেলে, তার থেকেও পিত্তথলিতে পাথর জমার আশঙ্কা কয়েক গুণ বেড়ে যায়।

পিত্তথলিতে পাথর জমছে কি না, তা কিছু লক্ষণে বোঝা যেতে পারে। যেমন পেটের উপরের অংশের ডান দিকে ব্যথা শুরু হয়। সেটা ক্রমশ ছড়িয়ে পড়তে থাকে। পেটব্যথার সঙ্গে কাঁপুনি দিয়ে জ্বরও আসে অনেকের। সেই সঙ্গে ঘন ঘন বমি হতে থাকে। অনেক সময় পিত্তথলিতে পাথর জমতে শুরু করলে হেপাটাইটিসেরও সংক্রমণ হয়। তাই পেটব্যথা, বমি যদি ঘন ঘন হতে থাকে তা হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়া উচিত।

চিকিৎসকেরা বলছেন, পিত্তথলিতে পাথর জমলে অস্ত্রোপচার ছাড়া গতি নেই। তবে খাদ্যাভ্যাসে বদল আনলে এই রোগ ঠেকানো সম্ভব। অস্ত্রোপচারের পরেও দ্রুত শরীর সারিয়ে তোলা যায়। তার জন্য পরিমিত খাবার, জীবনযাপনে কিছুটা সংযম জরুরি। ধূমপান, অ্যালকোহলের নেশা কমিয়ে দেয়াই ভাল। অস্ত্রোপচারের পর কিছু দিন তরল খাবারেই ভরসা রাখুন। দুধ, ছানা, দই খাওয়া যেতে পারে। তবে ক্রিম না খাওয়াই ভাল। ভাজা, তেল-মশলাদার খাবার একেবারেই চলবে না। তাড়াতাড়ি সুস্থ হতে চাইলে বাইরের খাবারে রাশ টানুন। পিৎজ়া, বার্গার, প্রক্রিয়াজাত মাংস, বেশি চিনি দেয়া খাবার খাওয়া চলবে না। চা বা কফিতে ক্যাফিন থাকায় সমস্যা বাড়াতে পারে। কাজেই অস্ত্রোপচারের পরে চা বা কফি মেপে খাওয়াই ভাল। ফাইবারে সমৃদ্ধ খাবার রাখুন খাদ্যতালিকায়। যেমন, সবুজ শাকসব্জি, আটা বা জোয়ার-বাজরার রুটি, ব্রাউন ব্রেড, পিনাট বাটার খেতে পারেন। বিভিন্ন রকম বাদাম, অ্যাভোক্যাডো খেতে পারেন। দিনে ২ থেকে ৩ চা চামচের বেশি তেল খাবেন না। সুষম খাবারের পাশাপাশি হালকা ব্যায়াম করাও জরুরি। তবে কী ধরনের ব্যায়াম উপযুক্ত হবে, তা ফিটনেস প্রশিক্ষকদের থেকে জেনে নেয়াই ভাল।

এই প্রতিবেদন সচেতনতার উদ্দেশ্যে লেখা হয়েছে। পিত্তথলিতে পাথর হলে বা তার অস্ত্রোপচার হলে কী কী নিয়ম মানতে হবে, ডায়েট কেমন হবে, তা চিকিৎসক ও পুষ্টিবিদের থেকে জেনে নেওয়াই ভাল।

Advertisement

কেএস/

পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

পরামর্শ

নতুন সংসার ও পরিবারের সাথে মানিয়ে নেবেন যেভাবে

Published

on

নিজের পছন্দের মানুষটিকে বিয়ে করতে পারা একটা স্বপ্নের মত। কিন্তু অনেকেই ভয়ে ভয়ে থাকেন শ্বশুর বাড়ি নিয়ে। কেমন হবে, কি করে মানিয়ে নেবেন। অনেকে এই ভয়ে আবার বিয়ের পরে শ্বশুর-শাশুড়ি ছেড়ে স্বামী নিয়ে আলাদা হয়ে যেতে চান। দেখুন যে মানুষটিকে ভালোবাসেন তার পরিবারকে ইগনোর করা কোন স্থায়ী সমাধান নয়, বরং পারস্পরিক বোঝাপড়ার মাধ্যমে সুন্দর এবং মজবুত সম্পর্ক গড়ে তোলাই সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ। নতুন সংসার ও পরিবারে মানিয়ে নেয়ার জন্য আপনাকে খুব বেশি কিছু করতে হবে না। ছোটখাটো কিছু জিনিস লক্ষ্য করলেই খুব সহজেই মানিয়ে নিতে পারবেন নতুন সংসারে। তাই আজকে আমরা আপনাদের জানাবো নতুন সংসার এবং নতুন পরিবারের সাথে মানিয়ে নেয়ার কিছু কার্যকরী পদ্ধতি।

নতুন সংসার ও পরিবারের সাথে মানিয়ে নিতে হলে আপনাকে কিছু স্টেপস ফলো করতে হবে। সেগুলো হল-

১. নতুন পরিবারকে নিজের করে নিন

আপনাকে আগে এটা বুঝতে হবে যে এটা আপনার সবচেয়ে প্রিয় মানুষ, আপনার জীবন সঙ্গীর পরিবার। আর তার পরিবার মানেই সেটি আপনার পরিবার, আপনার সংসার একে সাজিয়ে নিন আপনার মতো করে!

যখন এই কনসেপ্ট-টা কারও মাথায় ঢুকে যায় যে এটা আমার পরিবার নয়, অন্য পরিবার, এখানে আমি হুট করেই এসেছি, আমার পরিবারতো আমি ফেলে এসেছি, তখনি শ্বশুরবাড়ির সকলকে প্রতিপক্ষ বলে মনে হতে থাকে। নতুন সংসার ও পরিবারকে আপন করে নিতে হবে।

Advertisement

মনে রাখা দরকার, শ্বশুরবাড়ি কখনই আপনার প্রতিপক্ষ নয়। তাদেরকে নিজের পরিবারের একটা নতুন সংযোজন বলে ভাবুন, দেখবেন যে তা তখন এত অপরিচিত মনে হবে না। আপনার স্বামী এই পরিবারেই বড় হয়েছেন এবং পৃথিবীর সবকিছুর চেয়ে এই পরিবারকে তিনি বেশি ভালবাসেন। আর তার ভালবাসার মানুষরা তো আপনারও ভালবাসার মানুষ।

২. ইগো

ইগো পরিহার করুন। সম্পর্কে তিক্ততা আসার পেছনে সবচেয়ে বেশি ভুমিকা রাখে আমাদের ইগো। সবসময় বিনীত থাকুন, ইগোকে দূরে সরিয়ে রাখুন। যেকোনো খালি স্পেস ভালোবাসা দিয়ে পূরণ করা সম্ভব, সময় লাগতে পারে, কিন্তু অসম্ভব নয়। নতুন সংসার সুন্দর করে গরে তুলতে আপনার ইগোকে পরিহার করতে হবে।

৩. তুলনা করবেন না

তুলনা করা যাবে না। ভুলেও কখনো শ্বশুরবাড়ি আর বাবার বাড়ির তুলনা করতে যাবেন না। দুটো পরিবার দুটো ভিন্ন পরিবেশ, এর মধ্যে কখনো তুলনা হয় না। তুলনা করতে গেলে হয়ত এমনও হতে পারে, যে জিনিস আপনি বাবার বাড়িতে পান নি সেটা হয়তো শ্বশুরবাড়িতে এসে পাচ্ছেন। তখন কি বলবেন, যে আগে বাবার বাড়ি ভালো ছিল না? নিশ্চয়ই না? প্রতিটি পরিবারের নিজস্ব কিছু নিয়ম কানুন আছে, ধারা আছে। এগুলোকে সম্মান করুন। এর সাথে খাপ খাইয়ে নিতে হয়তো একটু সময় লাগবে, কিন্তু “পারবেন না” বা “করব না” এমন মনোভাব থাকলে কিন্তু অশান্তি বাড়বে।

Advertisement

৪. পরিবারটিকে জানার চেষ্টা করুন

নতুন পরিবারকে ভালোভাবে জানার চেষ্টা করুন। এক্ষেত্রে আপনার স্বামী হতে পারেন, আপনার সবচেয়ে বড় সহযোগী। তার কাছ থেকে পরিবারের সকলের সম্পর্কে জানুন। আত্মীয়-স্বজনদের চিনুন। তাদের সাথে নিজে থেকে গিয়ে আলাপ করুন। অনেক সময় বাড়ির নতুন বউকে নিয়ে একটু আধটু মজা করা হয়, সেটাকে প্রথমেই নেগেটিভ-ভাবে নেবেন না। একটা বিয়ের পরে বাড়িতে একটা উৎসবের পরিবেশ থাকে, তখন এ ধরনের হাসি ঠাট্টা চলতেই থাকে। কোন বিষয়ে অস্বস্তিবোধ করলে সঙ্গে সঙ্গে প্রতিক্রিয়া দেখাবেন না।

৫. বাচ্চাদের প্রাধান্য দিন

বাড়ির বাচ্চাদের সাথে মিশুন সবার আগে। বড়দের চাইতে বাচ্চাদের সাথে বন্ধুত্ব করা অনেক বেশি সহজ। বাড়িতে বাচ্চা থাকলে তাদের গল্প বলুন, তাদের পছন্দের খাবার তৈরি করে দিন, বা ছবি আঁকায় সাহায্য করুন। অথবা তাদের পড়াশনার ব্যাপারে সাহায্য করুন। এতে করে বাচ্চাদের সাথে আপনার একটা সহজ সম্পর্ক তৈরি হবে, পাশাপাশি বাড়ির বড়রাও আপনার ব্যাপারে ভালো একটা মনোভাব পোষণ করবেন।

৬ বড়দের সম্মান করুন

Advertisement

বাড়ির বড়দের সম্মান করুন। কথা বলার সময়, খাওয়ার সময় বা যদি আপনি চুপচাপ বসে থাকেন তখনও। বাড়ির বড়দের সামনে মোবাইল ফোন চাপাচাপি করা একেবারে নিষেধ। এটা খুবই বেয়াদবি। খাবার টেবিলে বসলে অন্যদের সাথে পারিবারিক আলোচনা শুনুন, তবে শুরুতেই নিজের মতামত দিতে যাবেন না। পুরো বিষয়টা আগে বুঝুন, তারপরেই মতামত দেবেন। অবসরে শাশুড়ি বা শ্বশুরের সাথে তাদের পুরনো দিনের গল্প শুনুন, যদি মনে করেন সেটাতে তারা আনন্দ পাচ্ছেন, তাহলে সে ব্যাপারে আপনিও উৎসাহ দেখান। শ্বাশুড়িকে মায়ের স্থানে বসান। বউ-শ্বাশুড়ি সম্পর্ক করে তুলুন মধুর…

৭ পরিবারের কাজে সাহায্য করা

নতুন বাড়িতে এসেই কেউ আপনাকে পুরো বাড়ির রান্নার দায়িত্ব দেবে না। তাই আপনারই উচিত হবে ছোট ছোট বিষয়ে তাদের সাহায্য করা। রান্নার ব্যাপারেই হোক বা ঘর গোছানোর ক্ষেত্রেই হোক, নিজে থেকেই সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিন।তবে একটু সতর্কতা হিসেবে যেকোনো কাজের আগে সেটা শাশুড়ি বা ননদকে জিজ্ঞেস করে নিন, যে কাজটা তারা কিভাবে করেন? এটাতে ছোট হওয়ার কিছু নেই। প্রতিটি বাড়িতেই সব কাজের কিছু আলাদা নিয়ম কানুন থাকে। সেগুলো জেনে নিন, দেখবেন আর কোন সমস্যাই হচ্ছে না। নিজের লাইফপার্টনারের সাথে ছোটখাটো কাজগুলো শেয়ার করলেও বন্ডিং ভালো হয়। এই বিষয়টাও বেশ গুরুত্বপূর্ণ।

৮. নিয়মিত যোগাযোগ রাখা

নিয়মিত যোগাযোগ রাখুন। যদি আপনার শ্বশুর-শাশুড়ি বা দেবর-ননদ আপনাদের সাথে না থাকেন, তাহলে প্রতিদিন একবার আপনার শ্বশুর-শাশুড়িকে ফোন করুন, তাদের দিন কেমন কেটেছে জিজ্ঞেস করুন, আপনি সারাদিন কী কী করলেন সেগুলো তাদের বলুন। এতে করে সম্পর্ক অল্পদিনেই সহজ হয়ে যাবে। এছাড়া অন্য সদস্য যেমন দেবর-ননদ তাদের সাথে সপ্তাহে অন্তত দু-তিন বার যোগাযোগ করুন। এতে সম্পর্ক ভালো থাকবে। মজবুত হবে। ননদ-ভাবী সম্পর্ক যেন হয় বোনেদের মত…

Advertisement

৯. সঙ্গীর প্রশংসা

সম্পর্কের শুরু সবে…আপনার সঙ্গীর প্রশংসা করুন। দেখুন ভালো দিক, বিরক্তিকর দিক সবারই আছে, আপনার ও আমারও আছে। এখন আপনার সঙ্গীর পরিবারের সদস্যরা কিন্তু আগে থেকেই এসব জানেন। তাদের কাছে নতুন করে এগুলো নিয়ে বিরক্তি প্রকাশ করা বা কমপ্লেইন করা ঠিক হবে না। তাদের সামনে বরং আপনার সঙ্গীর প্রশংসা করুন। এতে তারাও খুশি হবেন। আপনার দাম্পত্য সম্পর্ক হোক মধুর চেয়েও মিষ্টি।

১০. সরাসরি কথা বলা

সরাসরি কথা বলুন। কোন সদস্যের সাথে কোন কিছু নিয়ে সমস্যা হলে সেটা আগে ভালোভাবে বুঝুন, আদৌ সেটা সিরিয়াস কিনা, যদি মনে করেন সিরিয়াস তাহলে সরাসরি কথা বলুন, তবে সেটা যেন হয় বিনয়ের সাথে, শাশুড়ির সাথে সমস্যা হল, সঙ্গে সঙ্গে মাকে ফোন করে ডেকে এনে তাকে দিয়ে বলানোর চেয়ে আগে নিজে চেষ্টা করুন। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে নিজের চেষ্টাতেই সবচেয়ে ভালো সমাধান আসে। এগুল-ই সুখী দাম্পত্য জীবনের সহজ রহস্য।

সব শেষে বলবো, বিয়ের পরে নতুন মানুষ, নতুন সংসার একটু আধটু অসামঞ্জস্য থাকবেই। সেগুলো নেগেটিভ-ভাবে না নিয়ে, তাদের বোঝার চেষ্টা করুন।

Advertisement

জেএইচ

পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

পরামর্শ

শুধু পেট পরিষ্কারই নয়, ত্রিফলায় আরও যে যে সমস্যা নিরাময় হয়

Published

on

গরমে শরীর ঠান্ডা রাখতে সপ্তাহে দু’দিন নিয়ম করে ত্রিফলা ভেজানো পানি খাচ্ছেন। আয়ুর্বেদ শাস্ত্র মতে নানা রোগব্যাধি ঠেকিয়ে রাখতে ত্রিফলার জুড়ি মেলা ভার। আমলকি, হরিতকি এবং বহেরা— এই তিন ফল শুকিয়ে, গুঁড়ো করে, একসঙ্গে মিশিয়ে তৈরি হয় ত্রিফলার মিশ্রণ। পেট ভালো রাখতে জলে ত্রিফলা ভিজিয়ে খাওয়ার রেওয়াজ বহু পুরনো।

ভিটামিন সি এবং অ্যান্টিঅক্সিড্যান্টে ভরপুর আমলকি পেটের সমস্যা দূর করে। শরীরে জমে থাকা টক্সিক পদার্থ বের করে দিতেও আমলকি বেশ উপকারী। তা ছাড়া রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়াতেও আমলকির তুলনা নেই। অন্য দিকে, হরিতকিতে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট রয়েছে। পেটের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে ত্রিফলা খাওয়া যেতে পারে। বহেরা কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে। পাশাপাশি, পেশির জোর বাড়াতে আর হাড় মজবুত করতেও বহেরা বেশ উপকারী। এ ছাড়া আর কী কী উপকার করে ত্রিফলা?

১. ত্বকের নানা সমস্যার দাওয়াই হতে পারে ত্রিফলা। নিয়মিত এই মিশ্রণটি খেলে ব্রণ, ফুসকুরির সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। পাশাপাশি, ত্বকের জেল্লা ধরে রাখতেও সাহায্য করে এটি।

২.  বিপাকহার কমে গেলে ওজন বেড়ে যায়। বিপাকহার বৃদ্ধি করতে ত্রিফলার মিশ্রণ দারুণ কাজ করে। এর পাশাপাশি হজমের সমস্যা থাকলেও এই মিশ্রণ কাজে আসতে পারে আপনার। সব মিলিয়ে মেদ ঝরিয়ে ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে এই মিশ্রণ।

৩. সারাক্ষণ মোবাইল, কম্পিউটারের সামনে থেকে চোখের বারোটা বাজছে। ত্রিফলা কিন্তু চোখের স্বাস্থ্যের জন্যও ভালো। ত্রিফলা চোখের সমস্যা, যেমন ছানি, গ্লকোমা, কর্নিয়াল ডিস্ট্রোফি, কনজাংটিভাইটিস এবং প্রদাহ নিরাময় এবং প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে।

Advertisement

কী ভাবে খাবেন ত্রিফলা?

বেশ কিছু নামী সংস্থার ত্রিফলা বড়ি পাওয়া যায়। সেই ট্যাবলেট খেতে পারেন। এ ছাড়াও ত্রিফলা চূর্ণ পাওয়া যায়। এক চামচ ত্রিফলার গুঁড়ো এক কাপ পানিতে সারারাত ভিজিয়ে রাখতে হবে। সকালে খালি পেটে সেই পানি খেতে হবে। তাতে ১ চামচ মধু মিশিয়েও খেতে পারেন।

জেএইচ

পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

সর্বাধিক পঠিত