Connect with us

লাইফস্টাইল

নীতার আলমারিতে কয়েক কোটি টাকার ব্যাগ, সবচেয়ে দামি কোনটি?

Avatar of author

Published

on

নীতা-আম্বানি

ভারতের অন্যতম ধনকুবের রিল্যায়েন্স কর্তা মুকেশ আম্বানীর ঘরণী তিনি। শুধু তা-ই নয়, মুম্বাই ইন্ডিয়ানস ক্রিকেট টিমের মালকিনও নীতা অম্বানী। ভারতের অন্যতম ফ্যাশনিস্তাও তিনি। সব সময়েই নীতার সাজপোশাক হয় নজরকাড়া। পোশাকের পাশাপাশি ঘড়ি, ব্যাগ, জুতো নিয়েও যথেষ্ট খুঁতখুঁতে তিনি। তার হ্যান্ডব্যাগের আলমারিতে রয়েছে স্নেল, গোয়ার্ড ও জিমি চু সংস্থার ব্যাগ। যাদের প্রত্যেকটির দাম প্রায় কয়েক লক্ষ টাকা।

নীতা-আম্বানি

সমাজমাধ্যমের এক ছবিতে নীতার হাতে দেখা দিয়েছে হার্মিস বার্কিনের একটি সাদা ব্যাগ। এই ব্যাগটি তিনি নিজের মতো করে বানিয়ে নিয়েছেন। সাদা ব্যাগটিতে রয়েছে ২৪০টিরও বেশ হিরে। ব্যাগ জুড়ে ১৮ ক্যারেট সোনার কারুকাজ করা রয়েছে। ব্যাগটির দাম ৩ লক্ষ ৬০ হাজার ডলার (ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ২ কোটি ৯ লক্ষ টাকা)।

নীতার সংগ্রহে হার্মিস বার্কিনের একাধিক ব্যাগ রয়েছে। ২০১৫ সালের একটি ফ্যাশন শোয়ে নীতার হাতে দেখা গিয়েছে বার্গেন্ডি রঙের হার্মিস বার্কিনের একটি ব্যাগ। ব্যাগটি সকলেরই নজর কাড়ে। এই ব্যাগটির দাম প্রায় ৭ লক্ষ ৩০ হাজার ডলার (ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ৬ কোটি টাকা)।

নীতা-আম্বানি-

নীতার সংগ্রহে একটি জুডিথ লিবারের গণেশ ক্লাচ রয়েছে। শাড়ির সঙ্গে তিনি ওই ক্লাচটি ব্যবহার করেন। এতে অস্ট্রেলিয়ার ক্রিস্টালের কারুকাজ করা হয়েছে। ভারতীয় মুদ্রায় সেই ব্যাগের দাম প্রায় ৪ লক্ষ ২৬ হাজার টাকা। এই ব্যাগটির আকার ঠিক একটি ছোট গণেশের মূর্তির মতো।

নীতা এক বার একটি অনুষ্ঠানে নীল ড্রেসের সঙ্গে নীল রঙের গোয়ার্ডের টোট ব্যাগ নিয়েছিলেন। তাতে লেখা ছিল নীতার নাম। ব্যাগটির দাম ছিল প্রায় ১ লক্ষ টাকা।

Advertisement

আম্বানীদের এক অনুষ্ঠানে নীতাকে একটি গোলাপি সালোয়ারের সঙ্গে গোলাপি রঙের শ্যানেলের ব্যাগ নিতে দেখা গিয়েছিল। ব্যাগটিতে ছিল অ্যালিগেটর স্কিনের নকশা করা। ব্যাগটির মূল্য ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ২ লক্ষ টাকা।

Advertisement

পরামর্শ

চোখের জ্যোতি বাড়ে যে ৫ খাবারে

Published

on

সারা দিন ল্যাপটপে কাজ। মাঝেমধ্যে সfমাজিকমাধ্যমে চোখ বুলিয়ে নেয়া। আর বিনোদন বলতে বাড়ি ফিরে স্মার্ট টেলিভিশন কিংবা মুঠোফোনে সিরিজ় কিংবা সিনেমা দেখা। রোজের এই রুটিনে অভ্যস্ত তরুণ প্রজন্ম। এর মাঝে যদি চোখ থেকে পানি পড়ে, মাথা ধরে কিংবা দৃষ্টি ঝাপসা হয়ে আসে, তা আর অস্বাভাবিক কী? ছোট লেখা পড়তে যদি অসুবিধে হয় তা হলে বুঝতে হবে নাকের ডগায় চশমা চলে এসেছে। চোখে চালশে পড়তে আজকাল আর চল্লিশ পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয় না। তবে এ সম্পর্কে আগে থেকে সচেতন থাকলে দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখা যায়। এমন কিছু শুকনো ফল এবং বাদাম রয়েছে যেগুলি নিয়মিত খেলে চোখের জ্যোতি বাড়ে। সেগুলি কী কী?

১. কাঠবাদাম

বয়স বা চোখের স্নায়ুজনিত সমস্যা রুখে দিতে পারে কাঠবাদাম। এই বাদামের মধ্যে রয়েছে ভিটামিন ই। যা চোখের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। যে কোনও ধরনের বাদামেই ভিটামিন ই রয়েছে। তবে, কাঠবাদামে এই ভিটামিনের পরিমাণ বেশি।

২. আখরোট

ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিডে সমৃদ্ধ আখরোট প্রদাহ নিরাময়ে সাহায্য করে। অতিরিক্ত অক্সিডেটিভ স্ট্রেস থেকে চোখের কোষের মেমব্রেন নষ্ট হয়ে যেতে পারে। নিয়মিত আখরোট খেলে সেই আশঙ্কাও কমে।

Advertisement

৩. পেস্তাবাদাম

মোবাইল কিংবা ল্যাপটপের পর্দা থেকে বিচ্ছুরিত ‘ব্লু লাইট’ থেকে চোখের ক্ষতি রুখে দিতে পারে পেস্তাবাদাম। ‘লুটেইন’ এবং ‘জ়িজ়্যানথিন’ নামক বিশেষ দু’টি উপাদান রয়েছে পেস্তাবাদামে। যা চোখের বয়সজনিত রোগ ‘ম্যাকুলার ডিজেনারেশন’ প্রতিরোধ করতে সক্ষম।

৪. কাজুবাদাম:

দৃষ্টিশক্তি জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি উপাদান হল জ়িঙ্ক। রেটিনা সংক্রান্ত যাবতীয় সমস্যা, দৃষ্টিশক্তি কমে আসার মতো সমস্যা আগে থেকে রোধ করা যায় নিয়মিত কাজুবাদাম খেলে।

৫. কিশমিশ

Advertisement

কিশমিশে রয়েছে পলিফেনোলিক ফাইটোনিউট্রিয়েন্টস। যা দু’টি চোখের উপর ক্ষতিকর ফ্রি র‌্যাডিক্যালের প্রভাব পড়তে দেয় না। ‘ম্যাকিউলার ডিজেনারেশন’ প্রতিরোধ করতেও সাহায্য করে কিশমিশ।

জেএইচ

পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

পরামর্শ

মেদ ঝরানোর পাশাপাশি পুদিনা পাতার আরও যে গুণাগুণ

Published

on

পুদিনা যে শুধু স্বাদে অতুলনীয় তা নয়, গুণেও পিছিয়ে নেই এই পাতা। ওজন ঝরাতে অনেকেই নিয়ম করে খান চিয়া বীজ এবং পুদিনা পাতা ভেজানো পানি। তাই বলে শুধু পুদিনা পাতার পানি খেলে যে কোনও সুফল পাওয়া যাবে না, তা একেবারেই নয়। মেদ ঝরানোর পাশাপাশি পুদিনা পাতার পানি আরও অনেক উপকার করে। সেটা কি জানা আছে?

পুদিনা পাতার বাকি গুণগুলি কী? জেনে নিন-

শরীর আর্দ্র রাখে

শরীরে পানির ঘাটতি তৈরি হতে দেয় না পুদিনা পাতা। তাই গরমে বেশি করে পুদিনা পাতা খাওয়া জরুরি। পুদিনা পাতার পানি এক্ষেত্রে সেরা বিকল্প। শরবতেও দিতে পারেন পুদিনা। এ ছাড়া পুদিনা দিয়ে তৈরি করতে পারেন পরোটা, ‘পুদিনা রাইস’ ও কিন্তু মন্দ লাগবে না খেতে।

হজমের গোলমাল ঠেকাতে

Advertisement

হজমজনিত সমস্যা জীবনেরই অঙ্গ। স্বস্তি পেতে ওষুধের বিকল্প কিন্তু হতেই পারে পুদিনা পাতা। পুদিনায় রয়েছে মেনথল-এর মতো উপাদান। যা হজমশক্তি বৃদ্ধি করে। শুধু তাই নয়, পেটের অন্যান্য সমস্যারও অবসান ঘটায় পুদিনা।

প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে

রোগবালাইের সঙ্গে ল়ড়াই করার জন্য চাই প্রতিরোধ শক্তি। পুদিনা কিন্তু রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে তোলে। পুদিনায় রয়েছে অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদান, যা রোগের জীবাণুকে সহজে শরীরে মাথা তুলে দাঁড়াতে দেয় না। ধারাবাহিক ভাবে যদি পুদিনাপাতার জল খেতে পারেন, উপকার পাবেন।

ত্বকের যত্নে

পুদিনা শুধু শরীর নয়, ত্বকেরও যত্ন নেয় সমান ভাবে। ত্বক আর্দ্র রাখে। শুষ্ক হয়ে যেতে দেয় না। ত্বকের টানটান রাখতেও পুদিনার ভূমিকা আছে। এই পাতায় রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট, যা ত্বক সংক্রান্ত বেশ কিছু সমস্যার সমাধান করে গোড়া থেকে।

Advertisement

জেএইচ

পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

পরামর্শ

রাতে ঘুমানোর আগে যে কাজটি করেন সব সুখী দম্পতি

Published

on

সঙ্গীর সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখতে প্রত্যেকেই চেষ্টা চালান। নিজের মনের মতো গড়েন ভালোবাসার ঘর। একে অপরের সুখ-দুঃখ ভাগ করে নিতেও ভুলেন না তারা। তবে সেটাই কি এক সুখী দম্পতির পরিচয়? নাকি দাম্পত্যে সুখ অটুট রাখতে ভাবতে হয় আরও অনেক দিক!

বিশেষজ্ঞদের মতে, রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে এবং সকালে ঘুম থেকে উঠে প্রত্যেক দম্পতিকেই বিশেষ কিছু নিয়ম মেনে চলতে হয়। তাহলেই সম্পর্কে সুখ অটুট থাকে আর সেরকম সমস্যাও হয় না। সেই পাঁচটি কাজ হচ্ছে-

ইলেকট্রনিক ডিভাইস পরিহার করুন

সঙ্গীর পাশে শুয়ে শুধু শুধু মোবাইল স্ক্রিন স্ক্রোল করবেন না। এতে আপনাদের সম্পর্কেই খারাপ প্রভাব পড়বে। হয়তো আপনার সঙ্গী সামান্য সময়ের প্রত্যাশা করে রয়েছেন আর আপনি মোবাইল দেখে যাচ্ছেন, তারপরেও কী ভাবে সব ঠিক থাকবে বলুন?

প্রতি রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে অবশ্যই মোবাইল ফোনসহ অন্যান্য ইলেকট্রনিক ডিভাইসকে বিরতি দিন। তার পরিবর্তে সঙ্গীর সঙ্গে সময় কাটান।

Advertisement

মনের কথা বলুন সঙ্গীর সঙ্গে

ঘুমাতে যাওয়ার আগে দুজনে মুখোমুখি বসে কিংবা শুয়ে দুটো মনের কথা বলুন। সারাদিনের ভালো-মন্দ সময় নিয়ে আলোচনা করুন। সঙ্গীর কোন কাজটি আপনার সেদিন বেশ ভালো লেগেছে, সে কথা তাকে জানান। দেখবেন মুহূর্তেই পরিস্থিতি বদলে যাবে।

সঙ্গীর সামান্য প্রশংসা করুন

সঙ্গীর মন রাখতে টুকটাক প্রশংসা করতেই পারেন। তাই না? এতে তার মুখেও হাসি ফোটে আর আপনাদের সম্পর্কের রোমান্সও অটুট থাকে। আপনি হয়তো জানেন না, অধিকাংশ সুখী দম্পতিই কিন্তু এই বিশেষ নিয়মটি মেনে চলেন।

‘ভালোবাসি’ শব্দের অনেক জোর

Advertisement

সারাদিন আপনারা দুজনেই খুব ব্যস্ত ছিলেন। তাই একে অপরের জন্যে আলাদা করে সময় বের করতে পারেননি। কিন্তু রাতে শোওয়ার আগে তো একটু সময় পেয়েছেন। এই সময়ে তাকে দুটো মনের কথা বলতে ক্ষতি কী! তাই ঘুমাতে যাওয়ার আগে সঙ্গীকে তিন শব্দের সেই বিশেষ লাইনটি আরও একবার বলে ফেলুন…‘আমি তোমাকে ভালোবাসি’। বিশ্বাস করুন এই বাক্যের অনেক অনেক জোর!

ভালোবাসার মানুষকে জড়িয়ে ধরুন

যৌনতার বাইরেও সম্পর্কে ভালোবাসার ছোঁয়ার গুরুত্ব রয়েছে। সঙ্গীর স্নেহের পরশে কখনও থাকে বিশ্বাস আবার কখনও ভরে থাকে ভরসা। তাই প্রতি রাতে ঘুমানোর আগে ভালোবাসার মানুষকে জড়িয়ে ধরতে কিংবা ভালোবেসে তার হাতটি ধরতে ভুলবেন না।

এই ৫ নিয়ম খুবই সামান্য, হয়তো আমাদের জীবন থেকে খুব বেশি সময়ও নেয় না। তাই এগুলো মেনে চলুন। দেখবেন পরিস্থিতি বদলে যাবে।

জেএইচ

Advertisement
পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

সর্বাধিক পঠিত