Connect with us

ফুটবল

নিলামে মেসি-বার্সা চুক্তির ন্যাপকিন পেপার

Avatar of author

Published

on

মেসি ও বার্সেলোনার মধ্যে চুক্তি হয়েছিল একটি ন্যাপকিন পেপারের মাধ্যমে। যে ন্যাপকিনটি অবশেষে নিলামে উঠতে যাচ্ছে। কিছুদিন আগে নিলাম হওয়ার কথা থাকলেও, তা মালিকানা দ্বন্দ্ব থাকায় স্থগিত হয়ে যায়। তবে নিলামটি আবারও শুরু হতে যাচ্ছে ব্রিটিশ নিলাম হাউস বোনহামসে। জানা যায়, বাংলাদেশি মুদ্রায় ৪ কোটি ৩৭ লাখ থেকে ৭ কোটি ৩০ লাখ টাকা পর্যন্ত উঠতে পারে এই ন্যাপকিনের মূল্য।

ন্যাপকিনটির নিলাম হওয়ার কথা ছিল চলতি বছরের মার্চ মাসে।  কিন্তু মালিকানা প্রশ্নে কিছু সমস্যা দেখা দেয়। প্রায় দুই দশক ধরে এই ন্যাপকিনটি ছিল আর্জেন্টিনার ফুটবল এজেন্ট হোরাচিও গ্যাগিওলির কাছে। নিলাম নিয়ে আলোচনা ওঠার পর আরেক এজেন্ট জোসেফ মিনগোলা মালিকানার দাবি তোলেন।

নিলাম হাউস থেকে অবশ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে। এখন আর এর মালিকানা নিয়ে কোনো অসুবিধা নেই। যেখানে হোরাচিওর নামেই এটি তালিকাভুক্ত করা আছে।

মেসির সাথে বার্সার চুক্তি হয় ২০০০ সালে। মেসির বয়স তখন কেবল ১৩ বছর। আর্জেন্টিনা থেকে বার্সেলোনায় আসেন ট্রায়াল দিতে। ট্রায়াল পর্যায়ে এতই চমকে দেন যে, সেসময়কার বার্সা ক্রীড়া পরিচালক মেসির পরিবারকে খাবারের নিমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। খাবারের হোটেল থেকে পাওয়া এক ন্যাপকিনে মেসির সাথে বার্সেলোনার ঐতিহাসিক সেই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

মেসির সাথে বার্সেলোনার আনুষ্ঠানিকতা শেষ হয় ২০২১ সালে। ক্লাবটির হয়ে ৭৭৮ ম্যাচ খেলে ৬৭২ গোল করেন এই ফুটবলার। চুক্তি থাকাকালীন জিতেছেন অসংখ্য পুরস্কার- যেখানে ফিফা বর্ষসেরা, ব্যালন ডি’অর এর মতো অর্জন ছিল। ক্লাবের হয়ে জিতেছেন ১০ টি লা লিগা, ৪ টি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ। বার্সেলোনার অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে ছিলেন মেসি। চুক্তি শেষ হওয়ার পর ভক্ত-সমর্থকদের মানতেও বেশ সময় লেগেছে।

Advertisement

 

এম/এইচ

Advertisement

ফুটবল

বায়ার্ন ছাড়ছেন টুখেল, নিশ্চিত করলেন নিজেই

Published

on

বায়ার্ন মিউনিখ ছাড়ছেন টমাস টুখেল। আজ (১৭ মে) তিনি নিজে এ ব্যাপারে নিশ্চিত করেছেন। এই মৌসুমের শেষ টুখেলের চলে যাওয়ার কথা ছিল। তবে নতুন করে আবার আলোচনা উঠেছিল তাকে রাখার ব্যাপারে। কারণ মিউনিখ যাদের কোচ হিসেবে চাচ্ছিল, তাদের সাথে চুক্তি করা সম্ভব হয়নি।

আলোচনা উঠলেও, তা হচ্ছে না। টুখেল মিউনিখ ছেড়ে যাচ্ছেন। এই জার্মান কোচ চলে যাবেন বলে, মিউনিখ চেষ্টা করেছে নতুন কাউকে নেওয়ার। যে তালিকায় ছিল জাবি আলোনসো, রালফ রানগনিক, হুলিয়ান নাগেলসম্যান। তবে তারা কেউ রাজি হয়নি মিউনিখের দায়িত্ব গ্রহণ করতে।

সংবাদ সম্মেলনে টুখেল বলেন, “এটা আমার শেষ সংবাদ সম্মেলন এখানে। ফেব্রুয়ারির সেই সিদ্ধান্তই থাকছে।”

“গত সপ্তাহে ক্লাবের সাথে আবারও কথাবার্তা হচ্ছিল। তবে আমরা কোনো চুক্তিতে যেতে পারিনি। ফলে আমরা ফেব্রুয়ারির সিদ্ধান্ততে থাকছি।”

হফেনহাইমের সাথে আসন্ন ম্যাচটি হতে যাচ্ছে টুখেলের শেষ কাজ। চলতি মৌসুমে লিগের দ্বিতীয় স্থানে থেকে শেষ করছে মিউনিখ। এবারের মৌসুমে শিরোপা জিতেছে বায়ার লেভারকুসেন।

Advertisement

 

এম/এইচ

পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

ফুটবল

ইসরায়েলকে ফুটবলে নিষিদ্ধের দাবিতে ভোট

Published

on

ইসরায়েলকে আন্তর্জাতিক ফুটবলে নিষিদ্ধের দাবি উঠেছে। ফিফায় এ বিষয়ে ফিলিস্তিন থেকে চিঠি দেওয়া হয়েছিল এর আগে। সেসময় এশিয়ান ফুটবল ফেডারেশন (এএফসি) থেকে সমর্থন করা হয়েছিল ফিলিস্তিনের দাবিকে। আজ (শুক্রবার) ফিফা কংগ্রসে উক্ত বিষয়ে ভোট হওয়ার কথা রয়েছে।

ইসরায়েল ও ফিলিস্তিনের চলমান সংকট গত ৮ মাস ধরে চলছে। জানা যায় এই সময়ে ৩৫ হাজারের বেশি মানুষ মারা গেছে। মানবাধিকার লঙ্ঘনের এক প্রকাশ্য উদাহরণ এটি। যেখানে এএফসি থেকেও সমালোচনা করা হয়েছে এবং ফিলিস্তিনকে সমর্থন দেওয়া হয়েছে। নিজেদের জায়গা থেকে ইসরায়েলকে ফুটবলে নিষিদ্ধ করতে চায় এএফসিও।

সংগঠনটির সভাপতি সালমান বিন ইব্রাহিম আল খলিফা জানিয়েছেন, “এএফসি ও ফিফা তাদের সদস্য রাষ্ট্রের মতোই শক্তিশালী। যখন কেউ একজন ক্ষতিগ্রস্ত হয়, তখন বাকিদের উপরও সেটার প্রভাব পড়ে। তাই এএফসি ঐকমত্য পোষণ করছে ফিলিস্তিন এফএ’র সাথে। ফিফার নিয়ম ও আইন অনুযায়ী ফিলিস্তিনের ফুটবল যে ধরনের সংকটের মুখোমুখি হয়েছে, তার স্থায়ী সমাধান দাবি করছি।”

ফিলিস্তিনে ফুটবলের বিভিন্ন অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। যেখানে ফুটবলার, কোচ, কর্মকর্তাদের মৃত্যুর খবরও উঠে এসেছে। ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো জানিয়েছেন, “ফিলিস্তিনে এখন যা চলছে তাতে আমরা সবাই ভুগছি। আমরা দূর থেকে ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য প্রার্থনা জানাতে পারি। আমরা স্মরণ করি বিশ্বের সকল নির্যাতিত শিশুদের। যদিও ফুটবল এসব ব্যাপারে খুব অল্প কিছুই করতে পারে। তবে সবাইকে একসাথে করতে পারে ফুটবল।”

 

Advertisement

এম/এইচ

পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

ফুটবল

বিশ্বকাপ আয়োজন করতে যাচ্ছে ব্রাজিল

Published

on

ইতিহাস গড়ল ব্রাজিল। প্রথমবারের মতো কোনো দক্ষিণ আমেরিকার দেশ হিসেবে নারী বিশ্বকাপ আয়োজনের দায়িত্ব পেয়েছে দেশটি। আগামী ২০২৭ সালে অনুষ্ঠিত হবে ফিফা উইমেন’স বিশ্বকাপ। যেখানে ইউরোপের ৩ টি দেশ আয়োজক হিসেবে থাকার চেষ্টা করেছে। তবে ভোটাভুটি শেষে ব্রাজিলের হাতেই দায়িত্ব দেওয়া হলো।

শুক্রবার (১৭ মে) সিঙ্গাপুরের ব্যাংককে অনুষ্ঠিত হয় ফিফার বার্ষিক কংগ্রেস। যেখানে বিপুল ভোটাভুটির আয়োজন হয়। বিশ্বকাপ আয়োজনের দৌড়ে ব্রাজিল ছাড়াও বেলজিয়াম, নেদারল্যান্ডস, জার্মানি (বিএনজি)- এই তিন দেশ ছিল। তারা চেয়েছিল নিজেদের যৌথ আয়োজনে টুর্নামেন্টটি করতে।

ভোটাভুটির দিকে তাকালে দেখা যায়, ব্রাজিল ১১৯ টি ভোট পেয়েছে। অন্যদিকে ইউরোপের তিন দেশের যৌথ আয়োজনে ৭৮ টি ভোট পড়ে। প্রথমবারের মতো লাতিন আমেরিকার আয়োজনে নারী বিশ্বকাপ হবে। এ ব্যাপারে ফিফা সভাপতি জানিয়েছেন, “ব্রাজিলকে অভিনন্দন। ব্রাজিলে আমাদের সেরা একটি বিশ্বকাপ হবে। সেই সাথে বিএনজি’কেও ধন্যবাদ জানাই। তারা ভোটে দারুণ ছিল।”

 

এম/এইচ

Advertisement
পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

সর্বাধিক পঠিত