Connect with us

বিএনপি

বেনজীরকে সম্পদের পাহাড় গড়ার সুযোগ দিয়েছে এই সরকার : রিজভী

Avatar of author

Published

on

রিজভী

দেশের মানুষকে জিম্মি করে সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদকে সম্পদের পাহাড় গড়ার সুযোগ দিয়েছে এই সরকার। বলেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী। তিনি আরও বলেন, বেনজীরকে সপরিবারে দেশত্যাগের সুযোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার মন্ত্রীরা।

রোববার (০২ জুন) প্রয়াত প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৩তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে কুমিল্লায় আয়োজিত মিলাদ ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন রিজভী।

বিএনপি নেতা বলেন, ‘বেনজীর বিদেশে গেছেন কি না তা রহস্য ঘেরা। তিনি কোথায়, আটলান্টিকে তেলাপিয়া মাছ ধরছেন কি না স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তা ভালো বলতে পারবেন। ভারতে ক্ষমতাসীন দলের এমপি খুন হয়েছেন তাও রহস্য ঘেরা।’

রিজভী বলেন, ‘শহীদ জিয়া এমন একজন মানুষ ছিলেন তার যে সততা, রাষ্ট্র পরিচালনার দক্ষতা ছিল, তা ছিল অতুলনীয়। তিনি শুধু সাধারণ মানুষ ছিলেন না, তিনি ছিলেন বহু গুণে গুণান্বিত একজন অসাধারণ মানুষ। তিনি প্রতিহিংসার রাজনীতি করতেন না। খন্দকার মোশতাক ক্ষমতা দখল করে বঙ্গভবন থেকে মরহুম শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি নামিয়ে দিয়েছিল, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ক্ষমতায় এসে তার ছবি বঙ্গভবনে টানিয়ে ছিলেন।’

শেখ হাসিনাকে চরম প্রতিহিংসা পরায়ন নেত্রী উল্লেখ করে রিজভী বলেন, ‘তিনি শহীদ জিয়ার নাম বাংলাদেশ থেকে মুছে ফেলার চেষ্টা অব্যাহত রেখেছেন। নানা চক্রান্ত করে দেশি-বিদেশি যড়যন্ত্রেই জিয়াউর রহমানকে হত্যা করা হয়েছিল। বাপের ব্যর্থতা ঢাকতে শেখ হাসিনা প্রতিদিন গুম খুন অব্যাহত রেখেছেন।’

Advertisement

রিজভীর অভিযোগ, ‘আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এলে বাংলাদেশের মাথা ভারতের কাছে বিক্রি করে দেয়। ডামি সরকার টিকে থাকতে মোংলা পোর্ট পরিচালনার জন্য ভারতকে দিয়ে দিয়েছে। সরকার পানি, বিদ্যুৎ, গ্যাস ও ডিমের দাম দফায় দফায় বাড়িয়ে জনগণের নাভিশ্বাস তুলেছে। এই অতিরিক্ত টাকায় বিদেশি লোন পরিশোধ করছে। কারণ বিদেশি লোন নিয়ে তা লুটপাট করেছে। জনগণের সরকার নয় বলে তারা খেয়ালখুশি মতো দাম বাড়ায়। অথচ আন্তর্জাতিক বাজারে কোনো পণ্যের দাম না বাড়লেও শুধু লুটপাট ও বিদেশে পাচারের উদ্দেশ্যে তাদের সিন্ডিকেট দাম বাড়ায়।’

বিএনপি নেতা বলেন, ‘আমাদের ভাবতে অবাক লাগে একজন সোনা চোরাকারবারি কীভাবে এমপি হন। তারপর তিনি পাশের দেশে গিয়ে খুন হন। এখন পর্যন্ত তার লাশটিও পাওয়া যায়নি। তাহলে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা কোথায়।’

রুহুল কবির রিজভী বলেন, ‘মানুষের পকেট কেটে অনাহারে রেখে আওয়ামী লীগ ফূর্তি করতে ভালোবাসে। ১৯৭৪ সালেও মানুষকে কলাপাতা চিবিয়ে খেতে দেখেছি৷ ওরা মানুষের হাহাকার ও খাদ্য নিয়ে রসিকতা করে। খবরের কাগজে পড়ছি কোনো রকমে টিকে থাকার জন্য মা তার সন্তানকেও বিক্রি করে দিচ্ছেন।’

এ সময় প্রধান বক্তা হিসেবে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির কুমিল্লা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যক্ষ সেলিম ভুইঁয়া।

তিনি বলেন, ‘জিয়াউর ছিলেন মহান স্বাধীনতার ঘোষক ও বহু দলীয় গনতন্ত্রের প্রবর্তক। তিনি সেদিন যদি দেশের স্বাধীনতা ঘোষণা না দিতেন, তাহলে এত তাড়াতাড়ি দেশ স্বাধীন হতো কি না সন্দেহ ছিল। তিনি বাংলাদেশকে তলাবিহীন ঝুড়ি থেকে স্বনির্ভর বাংলাদেশ বানিয়েছিলেন।’

Advertisement

সেলিম ভুইঁয়া আরও বলেন, ‘শহীদ জিয়ার আদর্শকে লালন করে এ দুঃশাসনের পতন ঘটানো হবে। সরকার হটাতে সামনে যে কর্মসূচি আসবে আপনারা যদি সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করেন, তাহলে সরকারের পতন হবে। ২০২৪ সালেই এ সরকারের পতন ঘটবে।’

উপজলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক আব্দুল ওয়াদুদ মুন্সির সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব আজহারুল ইসলাম শাহীনের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. রফিকুল ইসলাম, সহ-আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট জয়নাল আবেদীন মেজবাহ, নির্বাহী কমিটির সদস্য আমিনুল ইসলাম, মাহবুবুল ইসলাম, এমরামুজ্জান বিপ্লব, সালা উদ্দিন শিশির, শেখ শামীম, কৃষক দলের যুগ্ম সম্পাদক কৃষিবিদ মেহেদী হাসান পলাশ, কুমিল্লা উত্তর জেলা বিএনপির আহবায়ক আক্তারুজ্জামান সরকার ও সদস্য সচিব এ এফ এম তারেক মুন্সি, বিএনপি নেতা ইমতিয়াজ আহমেদ বকুল, যুবদল নেতা ওমর ফারুক কায়সার, জাকির হোসেন প্রমুখ।

Advertisement

বিএনপি

আন্দোলনকারীরা মুক্তির সন্তান : রিজভী

Published

on

ফাইল ছবি

এই কোটা সংস্কার আন্দোলনের জন্য যারা লড়াই করছেন, জীবন দিচ্ছেন তারা সবাই মুক্তির সন্তান। ঢাকা, রাজশাহী, জাহাঙ্গীরনগর, চট্টগ্রাম, বেগম রোকেয়াসহ দেশের সব বিশ্ববিদ্যালয় ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সাধারণ শিক্ষার্থীরা অধিকারের পতাকা নিয়ে স্বৈরাচারের মুখোমুখি দাঁড়িয়েছে-এটা  বিশ্বের নিপীড়িত মানুষের জন্য সেই হীরণময় প্রেরণা বলে আখ্যায়িত করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) দুপুরে ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে  এসব কথা বলেন রিজভী।

এ বিএনপি নেতা বলেন, কোটা সংস্কার আন্দোলন বঞ্চিত মানুষের অধিকার আদায়ের আন্দোলন। এই দাবি আদায়ের লড়াইয়ে ছাত্রলীগ ও পুলিশসহ আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর যৌথ আক্রমণ করে এ পর্যন্ত ৮ জন কিশোর তরুণকে হত্যা করা হয়েছে।

তিনি বলেন, গেলো মঙ্গল ও বুধবার এ বিভৎস দৃশ্য দেখা যাচ্ছে। বৃহস্পতিবার সকাল থেকে সাধারণ শিক্ষার্থীদের ডাকা শান্তিপূর্ণ কমপ্লিট শাটডাউন চলমান কর্মসূচিতে বিজিবি, র‍্যাব, পুলিশ, সোয়াট পাকিস্তান হানাদার বাহিনীর মতো ন্যক্কারজনক হামলা চালাচ্ছে। এর সাথে সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর ছাত্রলীগ-যুবলীগ আওয়ামী লীগ সন্ত্রাসীরাও আক্রমণ করছে।

তিনি আরও বলেন,  বৈষম্যবিরোধী সাধারণ শিক্ষার্থীদের আন্দোলন যেন স্বপ্নের বিপ্লব হয়ে উঠছে। তিনি যেমন সেদিন তরুণদের ফরাসি বিপ্লব দেখেছেন,  যেমন মার্কিন স্বাধীনতার বিপ্লব দেখেছেন এবং বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ দেখেছেন। ফরাসি বিপ্লবের মূলমন্ত্র স্বাধীনতা, সমতা, ভ্রাতৃত্ব বা মৃত্যু তার প্রতিধ্বনি দেখা যাচ্ছে সাধারণ শিক্ষার্থীদের এই আন্দোলনে।

Advertisement

প্রসঙ্গত, এসময়ে বিভিন্ন স্থান থেকে বিএনপি নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তারের প্রতিবাদও জানান রিজভী।

আই/এ

পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

বিএনপি

মাঝরাতে বিএনপি কার্যালয়ে অভিযান সরকারের নীলনকশার অংশ: রিজভীর

Published

on

রিজভী

মাঝরাতে নয়াপল্টনে বিএনপি কার্যালয়ে ডিবির অভিযান সরকারের নীলনকশার অংশ। বিএনপিকে ধ্বংস করার টার্গেট নিয়ে এগুচ্ছে তারা। শিক্ষার্থীদের আন্দোলনকে ইস্যু করে ছাত্রদলসহ বিএনপির ওপর নিপীড়ন চালাচ্ছে সরকার। বললেন বিএনপি সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী।

মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) রাত সাড়ে ১২টার দিকে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ডিবির অভিযানের পর ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।

রিজভী বলেন, ‘সরকারের মাস্টার প্ল্যানের অংশ হিসেবে বিএনপির কার্যালয়ে অভিযান চালানো হয়েছে। ডিবি প্রধান সরকারের মাস্টার প্ল্যান বাস্তবায়ন করছেন। এ অভিযানের নিন্দা জানাই।’

তিনি আরও বলেন, ‘মধ্যরাতের অভিযান বিএনপির বিরুদ্ধে ভয়ংকর চক্রান্ত। এটি সরকারের নাটক। নাটক সাজিয়ে জনগণকে বিভ্রান্ত করা যাবে না। সরকারের পতন অনিবার্য।

দিনে না করে মাঝরাতে কেনো অভিযান, এমন প্রশ্ন করে তিনি বলেন, ‘শূন্য কার্যালয়ে পুলিশের লোকজনই ব্যাগে করে এসব নিয়ে এসেছে। মূলত শিক্ষার্থীদের ভয় দেখাতেই বিএনপি কার্যালয়ে এ অভিযান চালানো হয়েছে।’

Advertisement

 

এসি//

পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

বিএনপি

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে হামলার ঘটনায় ফখরুলের নিন্দা

Published

on

শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক দাবিতে ছাত্রলীগের হামলার ঘটনায় নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। পাশাপাশি কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর ছাত্রলীগের হামলা পাকিস্তানিদের চেয়ে কোনো অংশে কম নয় বলেও দাবি করেন তিনি।

মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) দুপুরে রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের আবুদস সালাম মিলনায়তনে এক আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন ফখরুল।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, ছাত্রলীগ হাসপাতালে গিয়ে হামলা চালিয়েছে। স্বাধীনতার আগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পাকিস্তানের ছাত্র সংগঠন এনএসএফ পৈশাচিক নির্যাতন করতো। বর্তমানেও আওয়ামী লীগ সরকারের ছাত্র সংগঠন ছাত্রলীগ সেটিই করছে।

তিনি বলেন, অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সাধারণ শিক্ষার্থীদের গণতান্ত্রিক ও শান্তিপূর্ণ আন্দোলন দমানোর চেষ্টা করছে। অথচ শিক্ষার্থীদের দাবি যৌক্তিক ও ন্যায়সঙ্গত।

ফখরুল বলেন, বাংলাদেশের অবস্থা আজ ভয়াবহ। এখানে কোনো বিচার নেই। এই সময়ে রুখে দাঁড়াতে না পারলে জাতির অস্তিত্ব বিলুপ্ত হয়ে যাবে। অধিকার আদায়ে দেশের মানুষকে জেগে উঠতে হবে এখনই।

Advertisement

তিনি আরও বলেন, বিএনপি জনগণের ভোটাধিকার ও গণতন্ত্র ফেরত চায়। এটাই মূল সমস্যা।  সুষ্ঠু ও জবাবদিহিমূলক সরকার চায়। কিন্তু সরকার একের পর এক ইস্যু তৈরি করে জনগণের দৃষ্টি ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতে চেষ্টা করছে।

আই/এ

পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

সর্বাধিক পঠিত